খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২৬ চৈত্র, ১৪৩২

কক্সবাজারে হুহু করে বাড়ছে হামের রোগী, সুস্থ থাকতে যা করতে বললেন চিকিৎসকরা

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ণ
কক্সবাজারে হুহু করে বাড়ছে হামের রোগী, সুস্থ থাকতে যা করতে বললেন চিকিৎসকরা
শেয়ার করুন

কক্সবাজারে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে হাম আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা। সোমবার (একদিনে) কক্সবাজার সদর হাসপাতাল-এ ভর্তি হয়েছে ৩০ জন শিশু। পাশাপাশি একটি বেসরকারি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে আরও ৫ জন আক্রান্ত শিশু।

 

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, শুরুতে সাধারণ জ্বর ও কাশি মনে হলেও পরে পরীক্ষা করে অনেক শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হচ্ছে। এতে করে অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।

 

রামু উপজেলার মিঠাছড়ির বাসিন্দা মরিয়ম বেগম জানান, ঈদের পরদিন থেকেই তার যমজ দুই শিশুকে নিয়ে হাসপাতালে দৌড়ঝাঁপ করছেন। প্রথমে সাধারণ অসুস্থতা মনে হলেও এক সপ্তাহ পর পরীক্ষায় ধরা পড়ে তারা হাম আক্রান্ত। বর্তমানে তারা কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

 

একই অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন মহেশখালীর শাপলাপুরের রুমা আক্তার ও শহরের শাহীনুর আক্তার। তাদের শিশুরাও জ্বরের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর হাম শনাক্ত হয়েছে। সন্তানদের সুস্থতা নিয়ে উদ্বিগ্ন সময় পার করছেন এসব পরিবার।

 

স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, জেলার বিভিন্ন এলাকায় হামের প্রাদুর্ভাব বেড়েছে। বিশেষ করে মহেশখালী, হোয়াইক্যং, মিঠাছড়ি এবং শহরের কালুরদোকান, পাহাড়তলী ও রুমালিয়ারছড়া এলাকায় আক্রান্তের সংখ্যা বেশি।

 

পরিস্থিতি সামাল দিতে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে জরুরি ভিত্তিতে চালু করা হয়েছে একটি ‘আইসোলেশন ওয়ার্ড’। সেখানে আলাদা করে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসকদের।

 

শিশু স্বাস্থ্য বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. শহিদুল আলম জানান, আক্রান্তদের জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ভিটামিন-এ-এর ঘাটতি হামের ঝুঁকি বাড়ায় এবং এটি অত্যন্ত সংক্রামক হওয়ায় আলাদা রেখে চিকিৎসা দেওয়া জরুরি।

 

এদিকে জেলার ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. মহিউদ্দীন মোহাম্মদ আলমগীর জানান, ইতোমধ্যে জেলায় ৫৩ জন শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। তবে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জেলায় প্রায় ৯৫ শতাংশ শিশুকে টিকার আওতায় আনা হয়েছে এবং পর্যাপ্ত টিকা মজুত রয়েছে।

 

চিকিৎসকরা বলছেন, হাম প্রতিরোধে সচেতনতার বিকল্প নেই। শিশুদের জ্বর, ফুসকুড়ি বা অন্যান্য উপসর্গ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

 

হামের লক্ষণ ও প্রতিকার

হাম একটি ভাইরাসজনিত অত্যন্ত সংক্রামক রোগ, যা মূলত কাশি, হাঁচি এবং বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে প্রতিবছর প্রায় ৯০ লাখ মানুষ হাম আক্রান্ত হয়। এক লাখের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়।

উচ্চ মাত্রায় জ্বর, সর্দি, কাশি, চোখ লাল হওয়া এবং পরে সারা শরীরে লাল ফুসকুড়ি এর প্রধান লক্ষণ।

ভাইরাসের সংস্পর্শে আসার ১০ থেকে ১৪ দিন পর হামের লক্ষণ শুরু হয়। প্রথমে ১০৩ থেকে ১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট জ্বর, নাক দিয়ে পানি পড়া, কাশি, চোখ লাল হওয়া এবং গাল বা মুখের ভেতর ছোট সাদা দাগ (কপলিক স্পট) দেখা দিতে পারে।

এরপর ৩-৪ দিনের মাথায় মুখ থেকে শুরু করে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি বা র‌্যাশ ছড়িয়ে পড়ে।

ফুসকুড়ি ওঠার ৪ দিন আগে থেকে ৪-৫ দিন পরে পর্যন্ত আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে অন্যদের মধ্যে ছড়াতে পারে এ রোগ।

সঠিক চিকিৎসা না হলে নিউমোনিয়া, মস্তিষ্কের প্রদাহ (এনসেফালাইটিস), কানে সংক্রমণ বা মারাত্মক পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে।

হামের নির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা নেই, তবে উপসর্গ কমানোর জন্য চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ, প্রচুর পানি/তরল খাবার এবং ভিটামিন এ সাপ্লিমেন্ট দেওয়া হয়।

সঠিক সময়ে এমএমআর টিকা নেওয়াই এ রোগ প্রতিরোধের একমাত্র কার্যকর উপায়। শিশুদের ৯ মাস বয়সে প্রথম ডোজ এবং ১৫ মাস বয়সে দ্বিতীয় ডোজ এমআর/এমএমআর টিকা দিতে হয়।

হাম হলে আক্রান্ত ব্যক্তিকে আলাদা ঘরে রাখতে (আইসোলেশন), প্রচুর পানি ও তরল জাতীয় খাবার খাওয়াতে এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে বলা হয়।

 

কী করণীয়?

 

ডা. মুশতাক হোসেন বলছেন, শুধু টিকা নয়, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণেও বাড়তি ব্যবস্থা দরকার।

 

“হাম আক্রান্ত শিশুদের ঘরে রাখতে হবে, স্কুলে বা বাইরে যেতে দেওয়া যাবে না। কারণ এই রোগ হাঁচি-কাশি ও নিঃশ্বাসের মাধ্যমে দ্রুত ছড়াতে পারে।”

 

ডা. মুশতাক বলেন, দরিদ্র পরিবারের শিশুরাই বেশি ঝুঁকিতে আছে। তাদের জন্য কমিউনিটি পর্যায়ে আলাদা সেবা বা আইসোলেশনের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন, যাতে মা ও শিশু একসঙ্গে থেকে চিকিৎসা ও পরিচর্যা পেতে পারে।

 

“দরিদ্র পরিবারগুলোকে সহায়তা না দিলে আক্রান্ত শিশুকে আলাদা রাখা কঠিন হবে। এজন্য খাবার, প্রয়োজনীয় সহায়তা এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি খোঁজ নেওয়ার ব্যবস্থাও জরুরি।”

 

তার ভাষায়, টিকার দ্রুত ব্যবস্থা করা এবং আক্রান্ত শিশুদের কমিউনিটি পর্যায়ে শনাক্ত ও আলাদা রাখার উদ্যোগ একসঙ্গে নেওয়া গেলে সংক্রমণ কমানো সম্ভব হবে।

লেবাননে ইসরায়েলের আক্রমণ, ফের বন্ধ হরমুজ প্রণালি: ইরানি গণমাধ্যম

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
লেবাননে ইসরায়েলের আক্রমণ, ফের বন্ধ হরমুজ প্রণালি: ইরানি গণমাধ্যম
শেয়ার করুন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত দুই সপ্তাহের ‘যুদ্ধবিরতি’ কার্যকর হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তা বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলার প্রতিবাদে তেহরান পুনরায় কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী ট্যাংকার চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে।

 

বুধবার (৮ এপ্রিল) এমনটাই জানিয়েছে ইরানি গণমাধ্যম ফার্স নিউজ। প্রতিবেদনে বলা হয়, এদিন সকালে ইরানের অনুমতি নিয়ে দুটি তেলবাহী ট্যাংকার প্রণালি অতিক্রম করতে পারলেও, বর্তমানে হরমুজ প্রণালি দিয়ে এর চলাচল বন্ধ রয়েছে।

 

 

মূলত, হরমুজ প্রণালি দিয়ে ট্যাংকার চলাচল অব্যাহত রাখা ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতির একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত।

 

ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরের সঙ্গে এক জরুরি ফোনালাপে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের’ অভিযোগ তুলেছেন। তেহরান থেকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে, লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে তারা এই শান্তিচুক্তি থেকে পুরোপুরি বেরিয়ে আসবে এবং পাল্টা আঘাত হানবে।

 

 

এদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ জানিয়েছিলেন, ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় লেবাননও অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী শাহবাজ শরিফের সেই দাবি নাকচ করে দিয়ে স্পষ্ট জানিয়েছে, লেবাননে হিজবুল্লাহর ওপর তাদের হামলা অব্যাহত থাকবে।

 

উল্লেখ্য, ডোনাল্ড ট্রাম্পের আলটিমেটামের মুখে ইরান মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে রাজি হয়েছিল, যা বিশ্ববাজারে তেলের আকাশচুম্বী দাম কিছুটা কমিয়েছিল। তবে প্রণালিটি পুনরায় বন্ধ হওয়ায় বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন করে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।

লেবাননে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন, ইসরায়েলে পাল্টা হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০১ অপরাহ্ণ
লেবাননে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন, ইসরায়েলে পাল্টা হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান
শেয়ার করুন

লেবাননে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনায় ইসরায়েলের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে ইরান। ইসরায়েলকে শাস্তি দিতে যুদ্ধবিরতি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কথা ভাবছে তেহরান।

 

ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, লেবাননে সংঘটিত ‘অপরাধ’ এবং যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জন্য ইসরায়েলকে শাস্তি দেওয়া হবে।

 

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা বলেন, “লেবাননে ইসরায়েলের কর্মকাণ্ড এবং যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গের জবাবে আমরা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেব।”

 

তিনি আরও দাবি করেন, চলমান যুদ্ধবিরতি পুরো অঞ্চলকে অন্তর্ভুক্ত করে। তার ভাষায়, “ইসরায়েল প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের জন্য পরিচিত এবং তাদের কেবল শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমেই প্রতিরোধ করা সম্ভব।”

 

এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সি এক অজ্ঞাত সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে পাল্টা জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে তেহরান। পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠছে এবং বিষয়টি নিয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেলে তা জানানো হবে।

 

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই লেবাননের রাজধানী বৈরুতের ঘনবসতিপূর্ণ বাণিজ্যিক ও আবাসিক এলাকায় আকস্মিক বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এসব হামলায় ৮৯ জন নিহত এবং সাত শতাধিক মানুষ আহত হয়েছে।

 

ইসরায়েল আগেই জানায়, এই যুদ্ধবিরতি লেবাননে তাদের চলমান যুদ্ধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। তবে মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান দাবি করেছে, লেবাননও এর অন্তর্ভুক্ত।

 

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী এটিকে চলমান যুদ্ধে সবচেয়ে বড় সমন্বিত হামলা বলে উল্লেখ করেছে। তাদের দাবি, মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে ১০০টির বেশি হিজবুল্লাহ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে, যা বৈরুত, দক্ষিণ লেবানন এবং পূর্বাঞ্চলের বেকা উপত্যকাজুড়ে চালানো হয়।

 

হামলার পর সমুদ্রতীরবর্তী রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায়। ব্যস্ত বিকালে হঠাৎ বিস্ফোরণে থমকে যায় যানবাহনের শব্দ। অ্যাম্বুলেন্স দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায়, আগুনে পুড়ে যাওয়া গাড়ি ও বিধ্বস্ত ভবনের মধ্যে উদ্ধারকাজ শুরু হয়। অনেক হামলা হয়েছে জনবহুল বাণিজ্যিক এলাকায়, ফলে রাস্তায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা জানায়, বৈরুতের অন্তত পাঁচটি এলাকায় এসব বিমান হামলা চালানো হয়েছে।

অনলাইন ক্লাসের পক্ষে মত দেওয়ার ইঙ্গিত শিক্ষামন্ত্রীর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ণ
অনলাইন ক্লাসের পক্ষে মত দেওয়ার ইঙ্গিত শিক্ষামন্ত্রীর
শেয়ার করুন

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জ্বালানি সাশ্রয়ের কারণে অনলাইন ক্লাস চালানোর পক্ষে মন্ত্রীপরিষদে মতামত দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন আ ন ম এহসানুল হক মিলন।

 

বুধবার (৮ এপ্রিল) তিনি রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাস বিষয়ক মতামত অনুষ্ঠানে এ ইঙ্গিত দেন।

 

সেমিনারে অংশ নিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জ্বালানি সাশ্রয়ের বিষয়ে ইতোমধ্যে বেশ কিছু কার্যকর সমাধান উঠে এসেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

 

স্কুলের ক্লাস আওয়ার কিছুটা কমিয়ে বিদ্যুতের ব্যবহার হ্রাস করা।

জানালা বেশি খোলা রাখার মাধ্যমে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার করা, ফলে লাইট কম জ্বালানো।

যেসব স্কুলে এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহৃত হয়, সেগুলোর ব্যবহার সীমিত করা।

 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আজকের সেমিনারে আমরা দেখেছি, ইতোমধ্যে বেশ কিছু সমাধান উঠে এসেছে। যেমন- আমরা চাইলে স্কুলের ক্লাস আওয়ার কিছুটা কমাতে পারি, ক্লাসের সময় বিদ্যুতের ব্যবহার কমানো সম্ভব। জানালাগুলো বেশি খোলা রাখলে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার করা যাবে, ফলে লাইট কম জ্বালাতে হবে। যেসব স্কুলে এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহার হয়, সেগুলোর ব্যবহারও সীমিত করা যেতে পারে। এ ধরনের আরও অনেক কার্যকর সমাধান রয়েছে। আমরা আপনাদের কাছ থেকেও নতুন নতুন আইডিয়া শুনতে চাই। আপনারা আজকের সেমিনারেও আপনাদের মতামত জানাবেন।

 

এছাড়া বাস্তবতা বিবেচনায় দেশের কিছু নির্বাচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরীক্ষামূলকভাবে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সমন্বিত (হাইব্রিড) পদ্ধতি চালুর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তবে অনলাইন ক্লাস হলেও শিক্ষকদের স্কুলে গিয়েই ক্লাস নিতে হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।