খুঁজুন
, ,

রামুতে ইজারার আড়ালে মানুষের জমির মাটি লুট বালু দস্যুদের: এমপি কাজলের হস্তক্ষেপ কামনা

নিজস্ব প্রতিবেদক:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৭:৪০ অপরাহ্ণ
রামুতে ইজারার আড়ালে মানুষের জমির মাটি লুট বালু দস্যুদের: এমপি কাজলের হস্তক্ষেপ কামনা
শেয়ার করুন

কক্সবাজারের রামু উপজেলায় বালুমহালের ইজারাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে রাতের আঁধারে ব্যক্তি মালিকানাধীন খতিয়ানভুক্ত জমির মাটি কেটে বিক্রির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে একদল প্রভাবশালী বালু দস্যুদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ উঠেছে, রাতের আঁধারে স্কেভেটর দিয়ে গভীর করে মাটি কেটে বিক্রি করছে একদল প্রভাবশালী বালু ব্যবসায়ী। ভুক্তভোগীরা জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের দ্বারস্থ হলেও প্রতিকার মিলছে না। ফলে জমির মালিকরা আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি জমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন।

 

সরেজমিনে দেখা যায়, রামুর ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের শ্রীকুল এলাকায় বাঁকখালী খালের পশ্চিম পাড়সংলগ্ন ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিতে প্রায় ১৫ ফুট গভীর করে দীর্ঘ প্রায় ৩০০ মিটার এলাকাজুড়ে মাটি কেটে নেয়া হয়েছে। এতে বিস্তীর্ণ এলাকা ঢালু হয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, আগামী বর্ষায় নদীর স্রোতের তোড়ে এসব জমি ধসে নদীতে তলিয়ে যেতে পারে।

 

ভুক্তভোগী জমির মালিক গিয়াস উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, শ্রীকুল মৌজার ১৮১ খতিয়ানে ৪ একর এবং ১৯ খতিয়ানে ১ একর ৫৪ শতক সর্বমোট ৫ একর ৫৪ শতক জমি আমাদের ওয়ারিশি জমি।

খালের চর থেকে আমার জমি প্রায় ১৫ ফুট উঁচু ছিল। আমার জমির মাটি কেটে নিয়ে যাবে এমন তথ্যের ভিত্তিতে আমি আগে থেকেই ইজারাদার মো. আলম ও তার সহযোগী হারুন অর রশিদ সুমনের কাছে গিয়ে অনুনয় বিনয় করে অনুরোধ করেছি, যেন আমার জমির মাটি না কাটে। কিন্তু তারা আমার অনুরোধ উপেক্ষা করে রাতের আঁধারে প্রায় ২০ শতক জমির মাটি কেটে অন্যত্র সরিয়ে নিয়েছে। এতে অন্তত এক লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।”

 

তিনি আরও জানান, দিনের বেলায় মাটি কাটার খবর পেয়ে তিনি রামু উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বশর বাবুর শরণাপন্ন হন। পরে তিনি অভিযুক্তদের ফোন করে কাজ বন্ধ করতে বললে সাময়িকভাবে তা বন্ধ হয়। কিন্তু রাতের আঁধারে আবারও মাটি কেটে নেয়া হয়।

 

এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগী গিয়াস উদ্দিন কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান কাজল-এর কাছে লিখিত অভিযোগ দেন।

 

অভিযোগ পাওয়ার পর সংসদ সদস্য বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) নির্দেশ দেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, নির্দেশনার পরও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

 

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের রহস্যজনক নীরবতা ও নিষ্ক্রিয়তার সুযোগে মাটি দস্যুরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

 

স্থানীয় সূত্র জানায়, বাঁকখালী নদীর শ্রীকুল মৌজার ১৪টি দাগে মোট ৬ দশমিক ৯৫ একর (প্রায় ১৭ কানি) চরাঞ্চল থেকে পলি অপসারণের অনুমতি রয়েছে। অথচ বাস্তবে অভিযুক্তরা প্রায় ৮০ থেকে ১০০ কানি এলাকাজুড়ে মাটি কাটার কার্যক্রম চালাচ্ছে, যা অনুমোদনের সীমা বহুগুণ ছাড়িয়ে গেছে।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, ইতিপূর্বে ড্রেজার বসিয়ে বাঁকখালী নদীর তলদেশ থেকে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করা হয়। এতে নদীর পূর্ব পাড়ের রাজারকুল অংশে তীরভাঙন দেখা দেয়, সরে যায় তীররক্ষা ব্লক, এমনকি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায় কয়েকটি অংশ। অথচ প্রচলিত আইন অনুযায়ী নদী থেকে ড্রেজার দিয়ে বালি উত্তোলন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। অভিযোগ রয়েছে, ইজারার অজুহাতে সংশ্লিষ্টরা স্থানীয় প্রশাসনকে প্রভাবিত করে এসব কার্যক্রম চালিয়ে যায়।

 

আইনজীবী শিপ্ত বড়ুয়া জানান, গুটিকয়েক বালু দস্যুর অবৈধ অর্থ আয়ের খেসারত দিতে হচ্ছে সরকারকে। একদিকে ব্যক্তি জমি হারাচ্ছেন সাধারণ মানুষ, অন্যদিকে সরকারি অর্থায়নে নির্মিত কোটি কোটি টাকার বেড়িবাঁধ ও তীররক্ষা ব্লক নদীগর্ভে বিলীন হয়ে রাষ্ট্রীয় অর্থ অপচয় হচ্ছে।

 

স্থানীয় বাসিন্দারা অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে ইজারার নামে পরিবেশ ধ্বংস, ব্যক্তি সম্পত্তি লুট আর সরকারি সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি আর কতদিন চলবে? প্রশাসন কি নীরব দর্শক হয়েই থাকবে?

 

জানতে চাইলে অভিযুক্ত হারুন অর রশিদ সুমন বলেন, সরকারি তহসিল অফিস কর্তৃক জমি পরিমাপ করে তাদেরকে জমি চিহ্নিত করে দেওয়া হয়েছে। তারা সেই অনুযায়ী মাটি কেটেছেন বলে জানান।

 

জানতে চাইলে রামু উপজেলা-র অ্যাসিল্যান্ড (ভূমি) জানান, ব্যক্তিমালিকানাধীন খতিয়ানভুক্ত জমি থেকে মাটি কাটার কোনো সুযোগ নেই। সরকারি নিলামের নির্দেশনা অনুযায়ী কেবল ইজারাদাররা মাটি উত্তোলন করতে পারবেন। ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান।

ভয়াবহ দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত বাবা

অসুস্থ ছেলেকে ডাক্তার দেখাতে গিয়ে পথে মায়ের মৃত্যু, ছেলেও না ফেরার দেশে

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
অসুস্থ ছেলেকে ডাক্তার দেখাতে গিয়ে পথে মায়ের মৃত্যু, ছেলেও না ফেরার দেশে
শেয়ার করুন

যশোরের মণিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জে মাছবাহী পিকআপ-বালির ট্রলি ও মোটসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষে এক মা ও তার শিশু সন্তান নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন নিহত নারীর স্বামী ও শিশুটির বাবা। রোববার (২৫ অক্টোবর) রাত ৭টার দিকে রাজগঞ্জ এলাকার দোদাড়িয়া মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, উপজেলার রাজগঞ্জের মানিকগঞ্জ গ্রামের ওমর ফারুকের স্ত্রী মৌসুমী খাতুন (৩৩) ও তাদের শিশুপুত্র আব্দুর রহমান (৪)।

 

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওমর ফারুক তার অসুস্থ ছেলে আব্দুর রহমানকে নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে যশোরে ডাক্তারের নিকট গিয়েছিলেন। সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী মৌসুমী খাতুন। ফেরার পথে মণিরামপুরের রাজগঞ্জের দোদাড়িয়া মোড়ে পৌঁছালে যশোরগামী একটি দ্রুতগামী মাছবাহী পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এ সময় তিনজনই সড়কে ছিটকে পড়েন। পরে অপর একটি বালিবাহী ট্রলি তাদের চাপা দেয়।

 

স্থানীয়রা তাদের গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। হাসপাতালে পৌঁছানোর পূর্বেই মা মৌসুমী ও শিশু আব্দুর রহমান পথে মারা যায়। বাবা ওমর ফারুক যশোর আদ্-দ্বীন সকিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মণিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাঈদ বলেন, ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ হস্তান্তর করতে পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান তিনি।

ইউসিবি ব্যাংকে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষের হিসাব থেকে ৩৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা উধাও, থানায় জিডি

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ণ
ইউসিবি ব্যাংকে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষের হিসাব থেকে ৩৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা উধাও, থানায় জিডি
শেয়ার করুন

কক্সবাজারের ঈদগাঁও বাসস্টেশন এলাকার ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি) শাখায় কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মোহাম্মদ মুজিবুল হকের ব্যাংক হিসাব থেকে ৩৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা উধাও হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। নিজের অজান্তে হিসাব থেকে ওই অর্থ স্থানান্তর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করে ঈদগাঁও থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন তিনি।

 

জানা গেছে, গতকাল সকালে ব্যাংক হিসাব থেকে টাকা তুলতে চেক দিয়ে এক কর্মচারীকে ব্যাংকে পাঠান ডা. মোহাম্মদ মুজিবুল হক। সেখানে গিয়ে ওই কর্মচারী জানতে পারেন, হিসাবে পর্যাপ্ত টাকা নেই। পরে বিষয়টি অধ্যক্ষকে জানানো হলে তিনি নিজেই ব্যাংকে গিয়ে খোঁজ নেন। এ সময় তাঁর হিসাব থেকে ৩৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা স্থানান্তর হওয়ার বিষয়টি জানতে পারেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

 

এ ঘটনায় ঈদগাঁও থানায় জিডি করেছেন ডা. মোহাম্মদ মুজিবুল হক। জিডি নম্বর ৯৭৪ এবং ট্র্যাকিং নম্বর DEL665।

 

তবে কীভাবে, কখন এবং কার মাধ্যমে ওই অর্থ স্থানান্তর করা হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ বিষয়ে ব্যাংকের লেনদেনের তথ্য যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে অর্থ স্থানান্তরের প্রকৃত কারণ জানা যেতে পারে।

 

এ বিষয়ে ইউসিবি ব্যাংক কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় রুমি, ছেড়েছেন গাজীপুর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় রুমি, ছেড়েছেন গাজীপুর
শেয়ার করুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে এক মাদ্রাসায় নিজের কন্যাশিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগের পর ‘ভবিষ্যতের চিন্তায়’ এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছেন শাহজালাল রুমি। পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মুঠোফোন নম্বর থেকে হত্যার হুমকি পাওয়ার অভিযোগে তিনি বাসা ছেড়েছেন বলে জানিয়েছেন ভবনটির কেয়ারটেকার। তবে স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ তিনি বর্তমানে কোথায় অবস্থান করছেন, তা জানা যায়নি।

ভবনটির কেয়ারটেকার জানান, টঙ্গীর মাদ্রাসায় ওই ঘটনার পর থেকেই রুমি হুমকি পাওয়ার অভিযোগ করছিলেন। একই সঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়ার আশঙ্কায়ও ছিলেন তিনি। স্ত্রী, দুই সন্তান এবং শ্বশুর-শাশুড়ির নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বাসা ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন রুমি।

রোববার (২৫ অক্টোবর) টঙ্গীতে রুমির বাসায় গিয়ে দরজায় তালা দেখা যায়। কেয়ারটেকার হাবিবুর রহমানের ভাষ্য অনুযায়ী, গত দুই থেকে তিন দিন ধরে ভয়ের কারণে রুমির পরিবারের সদস্যরা বাসায় থাকছেন না।

 

হাবিবুর রহমান আরও জানান, যে মেয়েটির সঙ্গে এসব ঘটেছে, সেও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। রুমি এখন মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় আছেন বলে আমাদের জানিয়ে গেছেন।

রুমি পেশায় একজন ফেব্রিক ব্যবসায়ী। পাশাপাশি বডি বিল্ডিংয়ের সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততা রয়েছে। ঢাকায় ব্যবসার সুবাদে তিনি তার বাবার ফ্ল্যাটে স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে বসবাস করতেন। তার এক মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। মেয়ের বয়স আট বছর এবং ছেলের বয়স চার বছর। রুমির শ্বশুরের নাম হাজি মোহাম্মদ মোকাররম আলী।

 

মাদ্রাসার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংবাদ সম্মেলন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে রুমি এবং তার পরিবারের মধ্যে উদ্বেগ বাড়তে থাকে। রুমি ফেসবুক লাইভে একাধিকবার তার ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন। বিভিন্ন ব্যক্তি তাকে হুমকি দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।

 

পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের পাশাপাশি দুই শিশুর ভবিষ্যৎ নিয়েও শঙ্কা তৈরি হয়েছে। সন্তানদের ভালোভাবে পড়াশোনা করিয়ে মানুষ করার স্বপ্ন নিয়ে মেয়েকে মাদ্রাসায় ভর্তি করিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন রুমি। কিন্তু সেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ঘিরে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে, তা কখনো কল্পনাও করেননি বলে তার বক্তব্যে উঠে এসেছে।

 

ঘটনাটি সামনে আসার পর থেকে রুমি ও তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে অভিযোগের পক্ষে-বিপক্ষে বিভিন্ন বক্তব্য ছড়িয়ে পড়ছে। এর মধ্যে হুমকি ও নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।

 

পাল্টাপাল্টি মামলা, তদন্তে পুলিশ

 

মাদ্রাসার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে দুটি পৃথক মামলা হয়েছে। একটি মামলা করেছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এবং অন্যটি করেছেন শিশুটির বাবা রুমি। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও বক্তব্য সামনে এসেছে। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের মামলায় অর্থ আত্মসাৎ, ভাঙচুরসহ বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। অন্যদিকে, রুমি তার মেয়ের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিচার চেয়ে আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন।

 

টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফ হোসেন বলেন, ‘দুটি মামলাই আমরা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও তদন্ত করছি। তদন্ত সাপেক্ষে পুরো বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।’

 

তদন্তের স্বার্থে মামলার বিস্তারিত বিষয়ে আপাতত কিছু জানাতে চাননি সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা।

 

মাদ্রাসা ও রুমির বাসায় গণমাধ্যমকর্মীদের ভিড়

 

ঘটনাটি দেশজুড়ে আলোচনায় আসার পর থেকে সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা এবং রুমির বাসায় গণমাধ্যমকর্মীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ঘটনার প্রকৃত তথ্য, দুই পক্ষের বক্তব্য এবং তদন্তের অগ্রগতি জানতে সাংবাদিকেরা সেখানে যাচ্ছেন।