খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ১৭ বৈশাখ, ১৪৩৩

ইউরোপে শরণার্থী হওয়ার পথ ‘কঠিন’ হলো বাংলাদেশিদের

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৫, ৩:২৮ পূর্বাহ্ণ
ইউরোপে শরণার্থী হওয়ার পথ ‘কঠিন’ হলো বাংলাদেশিদের
শেয়ার করুন

বাংলাদেশসহ বিশ্বের সাতটি দেশটি ‘নিরাপদ’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করার প্রস্তাব এনেছে ইউরোপের জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।

বুধবার এই তালিকা প্রকাশ করা হয়। এতে করে এসব দেশ থেকে ইইউর সদস্য দেশগুলোতে আশ্রয় চাওয়া ব্যক্তিদের আবেদন তিন মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করা হতে পারে।

এর মাধ্যমে আশ্রয়প্রার্থীদের আবেদন আরও দ্রুত নিষ্পত্তি করা যাবে বলেও জানিয়েছে জোটটি।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি বলছে, বাংলাদেশ ছাড়াও এই তালিকায় রয়েছে ভারত, কসোভো, কলম্বিয়া, মিশর, তিউনিশিয়া ও মরক্কো।

তালিকা পুরোপুরি কার্যকর করার পর এসব দেশের নাগরিকেরা ইউরোপীয় ইউনিয়নের কোনো দেশে আশ্রয় চাইলে তাদের আবেদন বাতিল হয়ে যেতে পারে।

ইইউতে গত বছর অভিবাসন ও আশ্রয় সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

কিন্তু ইইউ জানিয়েছে, ২০২৬ সালের জুনের আগে এটি কার্যকর না হওয়ায় তারা প্রক্রিয়াকরণ দ্রুত করার জন্য দুটি মূল নিয়ম পাস করতে চায়।

অভিবাসীদের প্রত্যাবাসন দ্রুত করার পরিকল্পনা নেওয়ার জন্য গত বছর ইইউ কমিশনকে আহ্বান জানায় সদস্য দেশগুলো।

কারণ ইইউর পরিসংখ্যান অনুসারে, ওই সময় দেশত্যাগের নির্দেশ দেওয়া ২ শতাংশের কম লোককে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছিল।

নতুন এই পরিকল্পনার অধীনে বিভিন্ন দেশ থেকে আসা লোকদের দ্রুত শনাক্ত করতে সক্ষম হবে কর্তৃপক্ষ। নতুন এই প্রস্তাব এখন ইউরোপীয় সংসদ এবং ইইউ সদস্য রাষ্ট্র দ্বারা অনুমোদিত হতে হবে।

তবে কিছু মানবাধিকার গোষ্ঠী এই পরিকল্পনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে ইউরোমেড রাইটস বলছে, সাতটি দেশকে নিরাপদ হিসেবে চিহ্নিত করা বিভ্রান্তিকর ও বিপজ্জনক।

কারণ তাদের মধ্যে এমন দেশ অন্তর্ভুক্ত, যেখানে অধিকার লঙ্ঘন করা হয় এবং সুরক্ষা কম।

তবে শরণার্থী বিষয়ক ইইউ কমিশনার ম্যাগনাস ব্রুনার বলেছেন, ‘অসংখ্য আশ্রয় আবেদন জমা পড়ে গেছে। এগুলো নিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়াকে আমরা এখন সমর্থন করতে পারি।’

অবৈধ অভিবাসন বন্ধ এবং অভিবাসীদের তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য ইইউর ওপর গত কয়েক বছর ধরেই চাপ বাড়ছে।

সেখানকার মানুষের মতে, অভিবাসনের কারণে তাদের দেশে কট্টর ডানপন্থী রাজনীতি প্রসারিত হচ্ছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন জানায়, তাদের সদস্য হওয়ার জন্য আবেদন করা দেশগুলোও নীতিগতভাবে ‘নিরাপদ’ দেশ হিসেবে বিবেচিত হবে।

বাংলাদেশসহ যেসব দেশকে নিরাপদ দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, সেটি সময়ে সময়ে পর্যবেক্ষণ এবং বাড়ানো যাবে।

এই দেশগুলোর বাইরে ইইউর সদস্য রাষ্ট্রগুলো অন্য আরও দেশকেও নিরাপদ হিসেবে ঘোষণা দিতে পারে।

এর আগে ২০১৫ সালেও এমন তালিকা প্রকাশ করেছিল ইইউ। ওই সময় এই তালিকা কার্যকর করা যায়নি। তখন তুরস্ক নিয়ে বিভেদ দেখা দেয়। এবার তালিকা আরও বড় কিংবা ছোট করা হতে পারে বলে আগেই ঘোষণা দিয়ে রাখা হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্ত ইউরোপে রাজনৈতিকভাবে ও সামাজিক নিরাপত্তাহীনতা দেখিয়ে আশ্রয় নেওয়া ব্যক্তিদের জন্য বড় ধরনের বিপদ সংকেত।

অরেক বাংলাদেশি এসব কারণ দেখিয়ে ইউরোপে আশ্রয় নিয়ে আছেন। যেখানে বাংলাদেশকে ‘নিরাপদ’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হলে তাদের সেই আশ্রয় পাওয়ার পথ জটিল ও সংকুচিত হয়ে পড়বে।

ভোটের বন্যায় ভাসলেন থালাপতি বিজয়, প্রথম নির্বাচনেই বাজিমাত

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ২:২৬ অপরাহ্ণ
ভোটের বন্যায় ভাসলেন থালাপতি বিজয়, প্রথম নির্বাচনেই বাজিমাত
শেয়ার করুন

তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচন শেষ হতেই এখন নজর সবার বুথফেরত জরিপে। আর সেই জরিপেই সবচেয়ে বড় চমক হয়ে উঠেছেন দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় তারকা থালাপতি বিজয়। রাজনীতিতে প্রথমবার অংশ নিয়েই সম্ভাব্য বড় সাফল্যের আভাস দিচ্ছেন তিনি। ভোটের বন্যায় ভাসলেন থালাপতি বিজয়। বলা যায়, প্রথম নির্বাচনেই করলেন বাজিমাত।

 

নিজের দল ‘তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম’ নিয়ে এবারের নির্বাচনে অংশ নেন বিজয়। শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে ছিলেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্টালিন। তবে নির্বাচনের আগেই বিজয়ের জনসভায় বিপুল সমর্থক উপস্থিতি রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করে।

 

বিভিন্ন সংস্থার বুথফেরত জরিপ বলছে, প্রথমবার ভোটে অংশ নিয়েই বিজয়ের দল পেতে পারে প্রায় ৯৮ থেকে ১২০টি আসন। তার মার্কায় রীতিমতো ভোটের বন্যা বয়ে গেছে। এই পূর্বাভাস বাস্তব হলে তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

 

তবে সব জরিপ একরকম নয়। কিছু সংস্থার মতে, ডিএমকে জোট ১২০ থেকে ১৪৫টি আসন পেয়ে এগিয়ে থাকতে পারে। অন্যদিকে এআইএডিএমকে জোট পেতে পারে ৬০ থেকে ৮০টি আসন। আবার কিছু জরিপে বিজয়ের দলকে তুলনামূলক কম আসনও দেওয়া হয়েছে।

 

 

এর মধ্যেই কামাখ্যা অ্যানালিটিক্সের মতো কিছু জরিপ বিজয়কে ‘কিংমেকার’ হিসেবেও দেখছে। তাদের মতে, ৬৭ থেকে ৮১টি আসন পেলেও সরকার গঠনে বড় ভূমিকা রাখতে পারে তার দল।

 

প্রসঙ্গত, গত ২৩ এপ্রিল তামিলনাড়ুর ২৩৪টি আসনে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, ভোটার উপস্থিতি ছিল ৮২ শতাংশের বেশি যা রাজ্যের রাজনৈতিক আগ্রহেরই প্রমাণ।

 

এখন দেখার বিষয়, বুথফেরত জরিপের এই আভাস বাস্তবে কতটা প্রতিফলিত হয় এবং সত্যিই কি প্রথম নির্বাচনে ইতিহাস গড়তে পারেন থালাপতি বিজয়।

রামুতে বন্য হাতির আক্রমণে মা ও মেয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১০ অপরাহ্ণ
রামুতে বন্য হাতির আক্রমণে মা ও মেয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু
শেয়ার করুন

রামুতে বন্য হাতির তাণ্ডবে একই পরিবারের মা ও মেয়েসহ দুইজন নিহত হয়েছেন।

 

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের পশ্চিম খুনিয়াপালং এলাকার আব্দুল করিমের কলোনীতে এ ঘটনা ঘটে।

 

এলাকাবাসী জানায়, বণ্য হাতির একটি দল ভোর বেলায় আব্দুল করিম কলোনীতে হানা দেয়। এ সময় হাতি দলটির আক্রমনে মা মেয়ের মৃত্যু হয়। এখনও নিহতদের পরিচয় ও ঘটনার বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

ইনুকে ‘টেনশন না করতে’ বলা সেই দুই পুলিশ সদস্য শাস্তির মুখে

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:০৬ পূর্বাহ্ণ
ইনুকে ‘টেনশন না করতে’ বলা সেই দুই পুলিশ সদস্য শাস্তির মুখে
শেয়ার করুন

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী হাসানুল হক ইনুকে টেনশন না করতে বলা কনস্টেবল জামালসহ দুজনকে নিরাপত্তার দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করেছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে ডিএমপি কমিশনার বরাবর চিঠি পাঠানো হয়েছে।

 

 

বুধবার (২৯ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ডেপুটি রেজিস্টার মাহমুদুল হাসান স্বাক্ষরিত চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।

 

চিঠিতে ডিএমপি থেকে প্রেষণে ট্রাইব্যুনালে কর্মরত কনস্টেবল মো. জামাল হোসেন ও কনস্টেবল মো. সোলাইমান হোসেনের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ তদন্ত করে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।

 

এতে বলা হয়, ২৯ এপ্রিল মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলার আসামি হাসানুল হক ইনুকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এজলাস থেকে হাজতখানায় আনা-নেওয়ার পথে বিভিন্ন ধরনের শৃঙ্খলাবহির্ভূত আলাপ করেন কনস্টেবল জামাল ও কনস্টেবল সোলাইমান। এ ঘটনায় ধারণকৃত ভিডিও ফুটেজে দৃশ্যমান তাদের শৃঙ্খলাবহির্ভূত আচরণে ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তা বিঘ্নসহ বিচারিক কার্যক্রমে হুমকির সৃষ্টি হয়েছে। এমতাবস্থায় তাদের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ তদন্তপূর্বক বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণক্রমে ট্রাইব্যুনালকে অবগত করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

 

 

ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর এজলাসকক্ষ থেকে ইনুকে হাজতখানায় নিচ্ছেন দুজন পুলিশ সদস্য। এ সময় তাদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। একপর্যায়ে দুই পুলিশ সদস্যকে বলতে শোনা যায়, ‘টেনশন কইরেন না, আমরা আছি তো স্যার।’

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যাসহ আট অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বিচার চলছে ইনুর। ষষ্ঠ দিনের মতো আজও তার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী। এ মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ৪ মে দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল-২।