খুঁজুন
রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১৩ বৈশাখ, ১৪৩৩

৩০ শিশুকে বাঁচাতে একাই সাপের সঙ্গে লড়াই করে প্রাণ দিল কুকুর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৩ অপরাহ্ণ
৩০ শিশুকে বাঁচাতে একাই সাপের সঙ্গে লড়াই করে প্রাণ দিল কুকুর
শেয়ার করুন

নিজের জীবন তুচ্ছ করে ৩০টি শিশুর প্রাণ বাঁচিয়েছে এক নেড়ি কুকুর। ভারতের ওড়িশা রাজ্যের ময়ূরভঞ্জ জেলার ধীরাকুলা গ্রামে গত সোমবার সকালে এই অবিশ্বাস্য ঘটনাটি ঘটে। শিশুদের ঢাল হয়ে বিষধর সাপের সঙ্গে লড়াই করে শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে এই অবলা প্রাণীটি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধীরাকুলা গ্রামের শ্রী জগন্নাথ শিশু বিদ্যা মন্দিরের সামনে প্রতিদিনের মতো সেদিনও প্রায় ৩০ জন শিশু একত্রে বসে ছিল। আচমকা একটি বিষধর সাপ দ্রুতগতিতে শিশুদের দিকে ধেয়ে আসতে থাকে। উপস্থিত কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই সেখানে থাকা একটি নেড়ি কুকুর সাপটির পথ আগলে দাঁড়ায়। শিশুদের জীবন বাঁচাতে নিজেই যমদূতের মুখোমুখি হয় সে।

 

 

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কুকুর ও সাপের মধ্যে দীর্ঘক্ষণ লড়াই চলে। একপর্যায়ে কুকুরটি সাপটিকে মেরে ফেলতে সক্ষম হলেও নিজে মারাত্মকভাবে জখম হয়। লড়াই চলাকালীন সাপটি বারবার কুকুরটির মুখে দংশন করে। বিষক্রিয়া শরীরে ছড়িয়ে পড়ায় লড়াইয়ের কিছুক্ষণ পরেই সবার চোখের সামনে কুকুরটি প্রাণ হারায়। তবে অলৌকিকভাবে সেখানে উপস্থিত থাকা ৩০টি শিশুর প্রত্যেকেই সম্পূর্ণ অক্ষত রয়েছে।

 

 

 

গ্রামবাসীরা ভালোবেসে এই সাহসী কুকুরটির নাম দিয়েছেন ‘কালি’। স্থানীয়দের মতে, কালির তাৎক্ষণিক প্রতিরোধ না থাকলে ওইদিন এক ভয়াবহ ট্র্যাজেডির সাক্ষী হতে হতো গ্রামটিকে। পশুর এমন নিঃস্বার্থ ও সুরক্ষামূলক আচরণে বর্তমানে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসার পাশাপাশি কালির অসীম সাহসিকতা এখন সবার মুখে মুখে ফিরছে। এলাকাবাসী তাকে প্রকৃত ‘বীর’ হিসেবে অভিহিত করছেন।

নিজ বাসায় চিরকুটসহ ঢাবি শিক্ষার্থীর লাশ, পুলিশ হেফাজতে শিক্ষক

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:২১ অপরাহ্ণ
নিজ বাসায় চিরকুটসহ ঢাবি শিক্ষার্থীর লাশ, পুলিশ হেফাজতে শিক্ষক
শেয়ার করুন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের এক শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

রোববার (২৬ এপ্রিল) রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় নিজ বাসা থেকে মুনিরা মাহজাবিন মিমো নামের ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি হাতে লেখা নোট এবং তার মোবাইল ফোনে কিছু কথোপকথনের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে উদ্ধার করা নোটে বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তী এবং এক সহপাঠীর নাম উল্লেখ রয়েছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় ওই শিক্ষক এবং সহপাঠীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে।

বিভাগের চেয়ারম্যান কাজী তামান্না হক সিগমা গণমাধ্যমকে জানান, খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে যান এবং তখনই পুলিশ সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে হেফাজতে নেয়। তিনি বলেন, মিমো অত্যন্ত প্রাণবন্ত ও মেধাবী শিক্ষার্থী ছিল। এমন ঘটনা আমরা মেনে নিতে পারছি না।

তিনি আরও বলেন, পুলিশ আমাদের বিস্তারিত কিছু জানায়নি, তবে তারা বলেছে এ ঘটনায় একটি মামলা হবে। আমরা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং বিচার চাই।

মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ে তদন্ত চলছে এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানেয়েছে পুলিশ।

আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যুর চার ঘণ্টা পর মারা গেলেন মা

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:২৮ অপরাহ্ণ
আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যুর চার ঘণ্টা পর মারা গেলেন মা
শেয়ার করুন

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার এক আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যুর চার ঘণ্টা পর তার মায়েরও মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাত ২টার দিকে গাজীপুরের একটি হাসপাতালে মারা যান আওয়ামী লীগ নেতা আলতাফ উদ্দিন শাহীন।

 

তিনি কটিয়াদী উপজেলার ধুলদিয়া ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

 

এদিকে তার মৃত্যুর খবর বাড়িতে পৌঁছানোর চার ঘণ্টার মাথায় রবিবার ভোর ৬টার দিকে মারা যান তার মা জুবাইদা মনি।

 

 

পরিবারের সদস্যদের ধারণা, সন্তানের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে তার মৃত্যু হয়েছে।

শাহীনের ভায়রা শাহ আলম জানান, রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে শাহীন বাড়িতে থাকতেন না। এ জন্য তিনি গাজীপুরে বসবাস করতেন। তবে সুযোগ পেলে মাকে দেখতে বাড়িতে আসতেন

 

শাহীনের প্রতি তার মায়ের গভীর টান ছিল। সেই টান থেকেই ছেলের মৃত্যুর শোক তিনি সহ্য করতে পারেননি।

সহশ্রাম ধুলদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বলেন, ছেলের মৃত্যুর মাত্র চার ঘণ্টার ব্যবধানে মায়ের মৃত্যুতে পুরো এলাকা শোকে মুহ্যমান হয়ে আছে। এমন ঘটনা সত্যই অত্যন্ত বেদনাদায়ক।

উচ্ছেদ হওয়া হকারদের দ্রুত পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:২৯ অপরাহ্ণ
উচ্ছেদ হওয়া হকারদের দ্রুত পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
শেয়ার করুন

রাজধানীর সড়ক থেকে উচ্ছেদ হওয়া হকারদের দ্রুত পুনর্বাসনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছেন তিনি।

 

শনিবার দুপুরে (২৫ এপ্রিল) তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে তিনি এ নির্দেশ দেন।

 

 

বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগ, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ও ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

প্রধানমন্ত্রী এ সময় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে দ্রুত বিকল্প স্থান নির্ধারণ করার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, উচ্ছেদ হওয়া হকারদের এমন জায়গায় পুনর্বাসন করতে হবে, যেখানে তারা স্বাচ্ছন্দ্য ও উৎসাহের সঙ্গে ব্যবসা করতে পারবেন।

 

সম্প্রতি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মিরপুর-১ এলাকা এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মতিঝিল, বায়তুল মোকাররম, পল্টন ও গুলিস্তানসহ কয়েকটি এলাকার সড়ক থেকে কয়েক শতাধিক দোকান উচ্ছেদ করা হয়।

 

বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, উচ্ছেদ হওয়া হকারদের বিকল্প জায়গায় ব্যবস্থা করে দেবে সরকার। পাশাপাশি নিবন্ধনের মাধ্যমে হকারদের পরিচয়পত্র দেওয়া হবে, যাতে তাদের কার্যক্রম সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা করা যায়।

 

এছাড়া স্কুল-কলেজে ক্লাস শুরু ও শেষের সময় সড়কে যানজট কমাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে অনিয়ন্ত্রিত গাড়ি পার্কিংয়ের কারণে যানজট তৈরি হয়। এ সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব মাঠের একটি অংশ গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে।

 

বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব শহীদুল হাসান, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার রিয়াজুল ইসলাম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার ও ডিআইজি (ট্রাফিক) আনিছুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।