খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৩১ বৈশাখ, ১৪৩৩

ভিলেজার দেখিয়ে বনের জমিতে ব্যক্তির ভোগ দখল,লিখে দিয়েছেন বিট কর্মকর্তা কামরুল

এম ফেরদৌস ::
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১:১২ পূর্বাহ্ণ
ভিলেজার দেখিয়ে বনের জমিতে ব্যক্তির ভোগ দখল,লিখে দিয়েছেন বিট কর্মকর্তা কামরুল
শেয়ার করুন

বছরের পর বছর নানা অনিয়ম, দখল ও বন ধ্বংসের অভিযোগের পর বনবিভাগের ভিলেজার প্রথা আইন বাতিল হয়েছে বহু আগেই। কিন্তু মাঠপর্যায়ে সেই প্রথার ভূত যেন এখনো ঘুরে বেড়াচ্ছে সর্বত্রে।

উখিয়া রেঞ্জের উখিয়ারঘাট বিট এলাকায় ২০২৪ সালে দায়িত্বে থাকা বিট কর্মকর্তা কামরুল হাসানের স্বাক্ষরিত একটি কাগজে ৯ একর বনের জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ভিলেজার দেখিয়ে। সেই বনের জমিতে ওই ব্যক্তির মালিক  ও ওয়ারিশদাররা অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণ করে মাসে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এমন অভিযোগে তোলপাড় চলছে স্থানীয়দের মাঝে।

এসব অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে, উখিয়ার ঘাট বিটের অধিকাংশ বনাঞ্চল এখন রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের আওতাভুক্ত। ২০২৪ সালের শুরুতে ‘ভিলেজার’ দেখিয়ে বরাদ্দ দেওয়া প্রায় ৯ একর বনজমির একটি অংশও ক্যাম্পের ভেতর ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় পড়ে। ফলে জমিটির বাজারমূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।

এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বন কর্মকর্তা কামরুল হাসানের সহযোগিতায় ওই জমিতে স্থাপনা নির্মাণ, বিভিন্ন এনজিওকে ভাড়া দেওয়া এবং ভিলেজারের নামে লিখিত নথি সংগ্রহের মতো নানা কৌশল গ্রহণ করা হয়-যাতে পরবর্তীতে কেউ মালিকানা বা বরাদ্দ নিয়ে দাবি করতে না পারে।

সেখানে তারা কেউ দোকান,কেউ ঘর,কেউ এনজিওর স্কুলসহ বিভিন্ন ধরণের স্থাপনা নির্মাণ করে ভাড়া দিয়েছে। মাসে বা এককালীন চুক্তিতে এসব ভাড়ায় চলছে। কেউ আবার দালান ও নির্মাণ করেছে। কিছু ভাড়ায় চলছে, কিছু নিজেরায় ভোগ করছে। এভাবেই পুরো ৯ একর বনের জমি ব্যক্তিমালিকানার ভোগদখলে দিয়ে বনায়নের জায়গাকে ধ্বংশ করে দিয়েছে বন-কর্মকর্তা কামরুল হাসান।

কাগজমুলে দেখা গেছে এসব জমির মালিকদের মধ্যে উখিয়ার ঘাট এলাকার মৃত সফর মুল্লোকের ওয়ারিশদের জন্য এক একর।

বালুখালী জুমেরছড়া এলাকার নুরুল হকের ওয়ারিশ হিসাবে দেখানো হয়েছে তার ছেলে নুরুল আবছারকে ৩ একর।

একই এলাকার ফয়েজ আহমদের মৃত্যুতে তার ছেলে রফিকুল ইসলামকে ২ একর, আমির হোসেনের ছেলে জুহুর আলমকে ২ একর,আবুল বশরের মৃত্যু পরবর্তী  তার ছেলে আলী হোছন কে ১ একরসহ মোট ৫ জনকে ৯ একর বনের জমি ভোগ দখল করার অনুমতির কাগজ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে বিট কর্মকর্তা কামরুল হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি এখন উখিয়ারঘাটে নেই, ইনানী সদর বিটে কর্মরত আছি। উখিয়ারঘাটে দায়িত্বে থাকাকালীন ২০২৪ সালে ভিলেজারের পরিচয় দেখিয়ে কাউকে বনের জমি দেওয়া হয়েছে কি না-এমন প্রশ্নে তিনি জানান, এরকমভাবে কাউকে জমি বা নতুন ভিলেজার দেওয়া হয়নি।

তাকে জিজ্ঞেস করা হয়-তাহলে ২০২৪ সালের আপনার স্বাক্ষরযুক্ত কাগজ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা কীভাবে দেখাচ্ছেন? জবাবে তিনি বলেন, কাগজটা আমাকে দেন। কাগজ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পর আবার প্রশ্ন করা হয়- বর্তমানে ভিলেজার দেখিয়ে এভাবে কাগজ বা জমি দেওয়ার কোনো নিয়ম আছে কি না? এর উত্তরে তিনি বলেন, এগুলো পুরোনো ভিলেজারদের ওয়ারিশদের দেওয়া হয়েছে, নতুন কাউকে নয়।

বনবিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ভিলেজার কাগজের বর্তমানে কোনো বৈধতা নেই। ভিলেজার প্রথাও এখন আর চালু নেই। তাই ভিলেজার পরিচয় দেখিয়ে কেউ যদি বনের জমিতে স্থাপনা নির্মাণ করে বা ভাড়া তুলে থাকে, তা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং আইন অনুযায়ী অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

স্থানীয়দের অভিযোগ , শত বছর আগে ভোগদখলীয় বনের জমিতে একটি বাশের ঘর নির্মাণ করতে গেলে বনবিভাগের লোকজন এসে বাধা দেয়। আর স্থাপনা নির্মাণ করলে ভেংগে দেয় না হলে মামলা দেয়। বাকিরা ভিলেজার বলে তারা সব পাবে এমন তো হতে পারে না।

স্থানীয় এক গনমাধ্যমকর্মী হেলাল উদ্দিন বলেছেন, বনের জমি দখল হচ্ছে, আর বনবিভাগ অনেক সময় দেখেও না দেখার ভান করছে। সরকারি জমিতে দোকান-বাড়ি তুলে ভাড়া নেয়-এটা কীভাবে সম্ভব? দেশে আইন দুই রখম আছে নাকি। বনবিভাগকে কাউকে বুকে কাউকে পিঠে নেওয়ার সুযোগ কে দিয়েছে তা সরকারের খতিয়ে দেখা উচিত বলে মনে করছি।

২০২৪ সালে উখিয়া রেঞ্জে দায়িত্বে থাকা রেঞ্জ কর্মকর্তা গাজী শফিউল আলম বলেছেন, ভিলেজার প্রথা বাতিল হওয়ার পরও মাঠপর্যায়ে আগের কিছু কাগজপত্র বা মৌখিক অনুমতির সুযোগ নিয়ে অনেকে মালিকানা দাবি করে গোপনে দখল বাড়িয়ে নেয়। নিয়মশৃঙ্খলার বাইরে এসব বরাদ্দ বা ‘দখল স্বীকৃতি’ কোনোভাবেই বৈধ নয়।

তিনি আরও বলেন, সরকারি জমিতে স্থাপনা নির্মাণ বা ভাড়া নেওয়া আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

স্থানীয় পরিবেশকর্মী জাহাঙ্গীরআলম বলেন,সরকারি জমি ব্যক্তিগত আয়-উপার্জনের উৎস হতে পারে না, অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে বনকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা জরুরি, দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

আরেক পরিবেশকর্মী ওমর ফারুখ বলেন ,’বনভূমি দখল মানে শুধু সরকারি ক্ষতি নয়-এটা পরিবেশেরও ক্ষতি। উখিয়ার বনাঞ্চল আগেই সংকুচিত। এখন আবার ভাড়া বাণিজ্য শুরু হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।

এ বিষয়ে জানতে বর্তমানে দায়িত্বে থাকা উখিয়া রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিয়েও সাড়া মেলেনি।

এদিকে কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ-আল-মামুন বলেন, বর্তমানে বনে ‘ভিলেজার’ নামে কোনো প্রথা কার্যকর নেই। ভিলেজারের নাম ভাঙিয়ে কাউকে বনের জমি ভোগদখলে দেওয়ার বৈধতা কারো নেই। আমি সদ্য দায়িত্ব নিয়েছি-বিষয়টি খতিয়ে দেখবো। অভিযোগের সত্যতা মিললে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সমকামিতার দায়ে দুই ছাত্রদল নেতাসহ ৪ জনের সিট বাতিল, কারাদণ্ড

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৪:৩১ অপরাহ্ণ
সমকামিতার দায়ে দুই ছাত্রদল নেতাসহ ৪ জনের সিট বাতিল, কারাদণ্ড
শেয়ার করুন

রাজধানীর সরকারি ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজের ছাত্রাবাসে সমকামিতায় লিপ্ত থাকার অভিযোগে চার শিক্ষার্থীর আবাসিক সিট বাতিল করা হয়েছে। এক বহিরাগতসহ পাঁচজনকে পুলিশে সোপর্দ করা হলে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেয়। ইতিমধ্যে সেই মেয়াদও শেষ হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে দুজন কলেজ শাখা ছাত্রদলের পদধারী নেতা।

 

 

শাস্তিপ্রাপ্ত চার শিক্ষার্থী হলেন বিএএএমএস (আয়ুর্বেদিক) ৩৩ ব্যাচের আহসানুল ইসলাম চৌধুরী, ৩৪ ব্যাচের মহিবুর রহমান নয়ন ও রাব্বি হোসেন ওরফে আরিয়ান শাহ রাব্বি এবং বিইউএমএস (ইউনানী) ৩৫ ব্যাচের শাহরিয়ার পলক। এদের মধ্যে আরিয়ান শাহ রাব্বি ও মহিবুর রহমান নয়ন শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক।

 

গত ২২ এপ্রিল রাতে কলেজের মসজিদের গলি থেকে শাহরিয়ার পলককে এক বহিরাগতের সঙ্গে উলঙ্গ অবস্থায় আটক করা হয়। জেরায় তিনি ক্যাম্পাসের আরও কয়েকজনের নাম প্রকাশ করেন, যাদের মধ্যে আরিয়ান রাব্বি, নয়ন ও আহসানও ছিলেন। পরে কলেজ কর্তৃপক্ষ তাদের কাফরুল থানায় হস্তান্তর করে।

 

একই দিন ২৩ এপ্রিল জরুরি একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় ছাত্রাবাস থেকে তাদের সিট বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। হোস্টেল সুপার ও আবাসিক চিকিৎসক ডা. মো. মকছেদ আলী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সমকামিতায় আসক্ত সন্দেহে তাদের থানায় সোপর্দ এবং আবাসিক সিট সাময়িকভাবে বাতিল করা হয়েছে।

 

 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক শিক্ষক জানান, জেরায় অভিযুক্তদের মোবাইল ফোন থেকে উদ্বেগজনক তথ্য বের হয়ে আসে। তারতা দাবি, এই চারজন প্রায় ৪০টি সমকামী গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এছাড়া হোস্টেলের অন্য শিক্ষার্থীদের সমকামিতায় প্রলুব্ধ করার অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। আরিয়ান রাব্বির ডেস্ক থেকে যৌনচর্চায় ব্যবহৃত সামগ্রী উদ্ধারের পাশাপাশি হোস্টেলের শিক্ষার্থীদের অর্ধনগ্ন ছবি তুলে সমকামী গ্রুপে শেয়ার করার প্রমাণও মিলেছে বলে তিনি দাবি করেন।

 

একই শিক্ষক আরও জানান, আটক একজন শিক্ষার্থী এইডসে আক্রান্ত এবং অনুরূপ কর্মকাণ্ডের জন্য জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার হয়ে এই ক্যাম্পাসে ভর্তি হয়েছিলেন বলেও দাবি করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে ২৮ ও ৩৩তম ব্যাচের আরও অন্তত তিনজনের নাম উঠে এসেছে।

 

কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মো. রাশিদুজ্জামান খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের ১৫ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছিল এবং সেই মেয়াদ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। জরুরি একাডেমিক কাউন্সিলের বৈঠকে তাদের সিট বাতিল করা হলেও ছাত্রত্ব বহাল থাকবে বলে তিনি জানান।

ঢাকার সঙ্গে ফ্লাইট স্থগিত করলো এয়ার ইন্ডিয়া

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৩:৫৮ অপরাহ্ণ
ঢাকার সঙ্গে ফ্লাইট স্থগিত করলো এয়ার ইন্ডিয়া
শেয়ার করুন

ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়া আগামী জুন থেকে আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত তাদের বেশ কিছু আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত ও সংখ্যা হ্রাসের ঘোষণা দিয়েছে।

 

 

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংস্থাটি জানিয়েছে, আকাশপথের বিধিনিষেধ এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জেট ফুয়েলের অত্যধিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 

এই পরিবর্তনের ফলে ঢাকা ছাড়াও শিকাগো, সাংহাই, সিঙ্গাপুর ও মালের মতো গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যগুলোর আকাশপথে যাতায়াতকারী যাত্রীরা সরাসরি প্রভাবিত হবেন। এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শেষ মুহূর্তে ফ্লাইট বাতিল করে যাত্রীদের বিভ্রান্তিতে ফেলার চেয়ে আগেভাগেই এই যৌক্তিক সমন্বয় বা রেশনালাইজেশন করা হয়েছে যাতে শিডিউলের স্থিতিশীলতা বজায় থাকে।

 

সংস্থাটির নতুন সূচি অনুযায়ী, এশিয়া অঞ্চলের মধ্যে মুম্বাই-ঢাকা রুটের সরাসরি ফ্লাইট সাময়িকভাবে পুরোপুরি স্থগিত করা হয়েছে। এ ছাড়া দিল্লি থেকে ঢাকা, কাঠমান্ডু, কলম্বো, ব্যাংকক, কুয়ালালামপুর ও সিঙ্গাপুর রুটের ফ্লাইটের সংখ্যা সাপ্তাহিকভবে কমিয়ে আনা হয়েছে।

 

 

উত্তর আমেরিকার ক্ষেত্রে দিল্লি-শিকাগো সার্ভিসটি আগস্ট পর্যন্ত বন্ধ থাকবে এবং দিল্লি থেকে টরন্টো ও ভ্যাঙ্কুভারগামী ফ্লাইটের সংখ্যাও হ্রাস করা হয়েছে। তবে ইতিবাচক খবর হলো, মুম্বাই থেকে নেওয়ার্ক রুটে এখন থেকে প্রতিদিন ফ্লাইট চলাচল করবে। ইউরোপের ক্ষেত্রে প্যারিস, রোম, জুরিখ, ভিয়েনা ও কোপেনহেগেনের মতো শহরগুলোতেও এয়ার ইন্ডিয়ার নিয়মিত ফ্লাইটের সংখ্যা পূর্বের তুলনায় কম হবে বলে জানানো হয়েছে।

 

এয়ার ইন্ডিয়া স্পষ্ট করেছে, জ্বালানি সংকটের কারণে সব আন্তর্জাতিক ফ্লাইট জুলাই পর্যন্ত বন্ধ থাকবে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে গুঞ্জন ছড়িয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। সংস্থাটি আশ্বস্ত করেছে, এই সমন্বয়ের পরেও তারা প্রতি মাসে পাঁচটি মহাদেশের বিভিন্ন গন্তব্যে ১ হাজার ২০০-র বেশি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা অব্যাহত রাখবে।

 

এর মধ্যে উত্তর আমেরিকায় সপ্তাহে ৩৩টি, ইউরোপে ৪৭টি এবং যুক্তরাজ্যে ৫৭টি ফ্লাইট সচল থাকবে। এ ছাড়া দূরপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর (সার্ক) জন্য সপ্তাহে ১৫৮টি ফ্লাইট বরাদ্দ রাখা হয়েছে। মূলত ব্যয়বহুল দীর্ঘ রুটের ফ্লাইটগুলোর সক্ষমতা যাচাই করতেই এই সাময়িক কাটছাঁট করা হয়েছে।

 

যেসব যাত্রীর ফ্লাইট বাতিল বা সময় পরিবর্তন হয়েছে, তাদের সরাসরি সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ। ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীরা চাইলে বিকল্প ফ্লাইটে বুকিং, ভ্রমণের তারিখ পরিবর্তন অথবা টিকিটের সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত পাওয়ার সুযোগ পাবেন। সংস্থাটি যাত্রীদের অনুরোধ জানিয়েছে যেন তারা কেবল এয়ার ইন্ডিয়ার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, অ্যাপ বা ভেরিফাইড সোশ্যাল মিডিয়া চ্যানেলের তথ্যের ওপর ভরসা রাখেন।

 

এ ছাড়া কোনো নির্দিষ্ট রুটের আপডেট জানতে গ্রাহকসেবা কেন্দ্রে যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে নেটওয়ার্ককে আরও সুসংগঠিত করতেই এই বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

সূত্র: এনডিটিভি

হাতীবান্ধা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ১১:০১ পূর্বাহ্ণ
হাতীবান্ধা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত
শেয়ার করুন

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার আমঝোল সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের ছররা গুলিতে খাদেমুল (২৫) নামে এক বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) গভীর রাত ২টার দিকে সীমান্তের বনচৌকি বিওপি সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত খাদেমুল উপজেলার উত্তর আমঝোল গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সীমান্ত পিলার ৯০৫/৬ এস-এর প্রায় ১৫০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে কয়েকজন বাংলাদেশি চোরাকারবারি কাঁটাতারের বেড়ার কাছে গেলে ভারতের ৭৮ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের পাগলামারী ক্যাম্পের টহল দল তাদের লক্ষ্য করে ছররা গুলি ছোড়ে। এতে খাদেমুলের মুখ, বুক ও মাথায় আঘাত লাগে।

গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তিনি দ্রুত বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ফিরে আসেন। পরে স্থানীয় ও তার সহযোগীরা তাকে উদ্ধার করে রংপুরের একটি ক্লিনিকে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) এর কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।