খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৩১ বৈশাখ, ১৪৩৩

কক্সবাজার বিমানবন্দরে ইজারার নামে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি

এম ফেরদৌস ::
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:১৪ অপরাহ্ণ
কক্সবাজার বিমানবন্দরে ইজারার নামে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি
শেয়ার করুন

কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীবাহী গাড়ি প্রবেশ করলেই ইজারার নামে আদায় করা হচ্ছে এক ধরনের চাঁদা। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী বিমানবন্দরের নির্ধারিত পার্কিংয়ের জন্য ইজারা থাকলেও বাস্তবে এই বিধানকে অপব্যবহার করছে একদল চক্র। পার্কিংয়ে না গেলেও বিমানবন্দরের প্রবেশমুখে যাত্রীবাহী গাড়িগুলোকে থামিয়ে জোরপূর্বক টাকা আদায় করা হচ্ছে। এতে সাধারণ যাত্রী, চালক ও পরিবহন মালিকেরা নানাভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ তুলেন।

এসব অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে, বিমান বন্দরের অধিকাংশ পার্কিং স্পেস দখল করে রয়েছে ব্যাটারি চালিত অবৈধ টমটম। অথচ এসব টমটমের লাইসেন্স একক পার্কিংয়ের জন্য কোনো অনুমোদন নেই। পার্কিং সুবিধা প্রাইভেট কার, নোহা ও মাইক্রোবাস,সিএনজি এসবের জন্য থাকলেও বাস্তবে এসব গাড়ির উপস্থিতি খুবই কম।
পরিদর্শনকালে আজ মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুর ১টার দিকে দেখা যায়, একটি প্রাইভেট মাইক্রোযান যাত্রী নিয়ে বিমানবন্দর এলাকা থেকে বের হয়ে যাচ্ছিল। এমন অবস্থায় ইজারাদারের কর্মীরা সিগন্যাল দিয়ে গাড়িটি থামায়। শুরুতে তাদের সঙ্গে ড্রাইভারের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। পরে ড্রাইভার পকেট থেকে টাকা বের করে দিতে দেখা যায়।

ঘটনা শেষে ওই ড্রাইভারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তিনি কোনো পার্কিংয়ে ছিলেন না। এসে মাত্রই যাত্রী নিয়ে চলে যাচ্ছিলেন। কিন্তু ইজারা তোলার দায়িত্বে থাকা লোকজন পার্কিং ফি-এর নামে টাকা দাবি করেন। ড্রাইভার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করলে নানা অজুহাত দেখিয়ে তাঁকে তর্কে জড়ানোর চেষ্টা করা হয়। শেষ পর্যন্ত ঝামেলা এড়াতে তিনি ৩০ টাকা দিয়ে দেন।

তাকে প্রশ্ন করা হয়-তিনি আদৌ পার্কিংয়ে ছিলেন কি না এবং যাত্রী তুলতে কতক্ষণ সময় লেগেছে? জবাবে ড্রাইভার বলেন, তিনি পৌঁছানোর আগেই যাত্রীরা বাইরে অপেক্ষা করছিলেন। তিনি শুধু গিয়ে দরজা খুলে যাত্রীদের তুলেছেন এবং গাড়ি চালু করার মুহূর্তে টাকা দাবি করা হয়।

পার্কিংয়ে থাকা এক টমটম চালককে জিজ্ঞেস করা হয় কত টাকার বিনিময়ে গাড়ির পার্কিং দেওয়া হয়েছে এমন প্রশ্নে সে বলে, কাগজে ১৫ টাকা বাস্তবে ক্যাশ নিলেন ২০ টাকা। টমটমের তুলনায় অন্যান্য গাড়ি কম কেন এমন প্রশ্নের উত্তরে বলেন, অন্যান্য গাড়ি এসে চলে যায়। পার্কিং এ কম দেখা যায়। টমটম তো লোকাল তাই একটু বেশি।

এক সিএনজি চালক (যার গাড়ি নং-২৩৫৩) তিনি জানান, বিমানবন্দরে প্রবেশ করলেই কথিত ইজারার নামে টাকা দিতে বাধ্য করা হয়। টাকা না দিলে গাড়িকে আটকে রাখা, যাত্রী নিয়ে অপদস্থ করা কিংবা অপ্রয়োজনীয় জটিলতার মুখে ফেলার মতো ঘটনাও ঘটায় তারা। তাই বাধ্য হয়ে যামিলামুক্ত থাকতে ২০-৩০ টাকা দিয়ে দি।

নোহা গাড়ির ড্রাইভার শাহাজাহান বলেছেন, অধিকাংশ প্রাইভেট গাড়ি যাত্রী নামিয়ে দ্রুত সেখান থেকে চলে যায়। কারণ, যাত্রী নামাতে বা দুই মিনিট থামতে গেলেও ইজারা তোলার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা গাড়ি থামিয়ে জোর করে টাকা দাবি করেন। তারা ‘পার্কিং ইজারা’ দেখিয়ে গাড়িচালকদের চাঁদা দিতে বাধ্য করেন-যদিও গাড়িটি কখনো পার্কিং এলাকায় না গিয়েই শুধু যাত্রী নামিয়ে চলে আসে।

প্রাইভেট গাড়ির একাধিক ড্রাইভার অভিযোগ করে বলেন, বিমানবন্দর এলাকায় বৈধ ইজারা থাকলেও তার সীমা কেবল পার্কিংয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ। কিন্তু যারা ইজারা তুলছেন, তারা অপব্যবহার করে যাত্রীবাহী গাড়িগুলোকেই টার্গেট করছেন। এতে সাধারণ চালক ও যাত্রীরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন প্রতিদিন।

এসব ইজারার টাকা নেওয়ার সুপার ভাইজার করিমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, নতুন একটা ছেলে দিয়েছি হয়ত সে বুঝে নাই বিষয়টি। আমি তাকে সতর্ক করে দিব। এভাবে আর কাউকে হয়রানি করবে না। টাকাও তুলবে না অবৈধভাবে। আপনি এটা নিয়া কিছু করবেন না। আপনার জন্য একটা অনারিয়াম ব্যবস্থা করব।

বিমানবন্দর ইজারাদার মিন্টুর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, গাড়ি ৫ মিনিটের বেশি দাঁড়ালে যাত্রীবাহী গাড়ি থেকে ইজারার টাকা নিতেই হবে। কারণ এখনো কর্তৃপক্ষ আমাকে সুনির্দিষ্টভাবে কোনো পার্কিং এলাকা বুঝিয়ে দেয়নি।

তাকে প্রশ্ন করা হয়— পার্কিং না দিলে যাত্রী নিয়ে গাড়ি ঢুকল, যাত্রী ও মালামাল নামাতে সময় লাগল, এর মধ্যেই যদি ৫ মিনিট পেরিয়ে যায়, তাহলে কি টাকা দিতে হবে? জবাবে মিন্টু বলেন, যাত্রী ও মালামাল নামাতে ৫ মিনিটের বেশি সময় লাগে না।

স্থানীয় পরিবহন মালিক ও চালকরা বিষয়টিকে চাঁদাবাজি উল্লেখ করে এর বিরুদ্ধে প্রশাসনের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

কক্সবাজার বিমানবন্দর ম্যানেজার গোলাম মর্তুজা হাসান বলেছেন, এ বিষয়ে আমরাও অভিযোগ পেয়েছি। আসল বিষয় হলো, এখানে নির্মাণাধীন কাজ চলছে, তাই এসব বিষয়ে একটু এভাবে অগোছালো হচ্ছে। তবে, খুব দ্রুত যাত্রীদের সুরক্ষা ও শৃঙ্খলায় এসব সমস্যা সমাধান করা হবে।

সমকামিতার দায়ে দুই ছাত্রদল নেতাসহ ৪ জনের সিট বাতিল, কারাদণ্ড

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৪:৩১ অপরাহ্ণ
সমকামিতার দায়ে দুই ছাত্রদল নেতাসহ ৪ জনের সিট বাতিল, কারাদণ্ড
শেয়ার করুন

রাজধানীর সরকারি ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজের ছাত্রাবাসে সমকামিতায় লিপ্ত থাকার অভিযোগে চার শিক্ষার্থীর আবাসিক সিট বাতিল করা হয়েছে। এক বহিরাগতসহ পাঁচজনকে পুলিশে সোপর্দ করা হলে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেয়। ইতিমধ্যে সেই মেয়াদও শেষ হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে দুজন কলেজ শাখা ছাত্রদলের পদধারী নেতা।

 

 

শাস্তিপ্রাপ্ত চার শিক্ষার্থী হলেন বিএএএমএস (আয়ুর্বেদিক) ৩৩ ব্যাচের আহসানুল ইসলাম চৌধুরী, ৩৪ ব্যাচের মহিবুর রহমান নয়ন ও রাব্বি হোসেন ওরফে আরিয়ান শাহ রাব্বি এবং বিইউএমএস (ইউনানী) ৩৫ ব্যাচের শাহরিয়ার পলক। এদের মধ্যে আরিয়ান শাহ রাব্বি ও মহিবুর রহমান নয়ন শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক।

 

গত ২২ এপ্রিল রাতে কলেজের মসজিদের গলি থেকে শাহরিয়ার পলককে এক বহিরাগতের সঙ্গে উলঙ্গ অবস্থায় আটক করা হয়। জেরায় তিনি ক্যাম্পাসের আরও কয়েকজনের নাম প্রকাশ করেন, যাদের মধ্যে আরিয়ান রাব্বি, নয়ন ও আহসানও ছিলেন। পরে কলেজ কর্তৃপক্ষ তাদের কাফরুল থানায় হস্তান্তর করে।

 

একই দিন ২৩ এপ্রিল জরুরি একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় ছাত্রাবাস থেকে তাদের সিট বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। হোস্টেল সুপার ও আবাসিক চিকিৎসক ডা. মো. মকছেদ আলী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সমকামিতায় আসক্ত সন্দেহে তাদের থানায় সোপর্দ এবং আবাসিক সিট সাময়িকভাবে বাতিল করা হয়েছে।

 

 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক শিক্ষক জানান, জেরায় অভিযুক্তদের মোবাইল ফোন থেকে উদ্বেগজনক তথ্য বের হয়ে আসে। তারতা দাবি, এই চারজন প্রায় ৪০টি সমকামী গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এছাড়া হোস্টেলের অন্য শিক্ষার্থীদের সমকামিতায় প্রলুব্ধ করার অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। আরিয়ান রাব্বির ডেস্ক থেকে যৌনচর্চায় ব্যবহৃত সামগ্রী উদ্ধারের পাশাপাশি হোস্টেলের শিক্ষার্থীদের অর্ধনগ্ন ছবি তুলে সমকামী গ্রুপে শেয়ার করার প্রমাণও মিলেছে বলে তিনি দাবি করেন।

 

একই শিক্ষক আরও জানান, আটক একজন শিক্ষার্থী এইডসে আক্রান্ত এবং অনুরূপ কর্মকাণ্ডের জন্য জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার হয়ে এই ক্যাম্পাসে ভর্তি হয়েছিলেন বলেও দাবি করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে ২৮ ও ৩৩তম ব্যাচের আরও অন্তত তিনজনের নাম উঠে এসেছে।

 

কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মো. রাশিদুজ্জামান খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের ১৫ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছিল এবং সেই মেয়াদ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। জরুরি একাডেমিক কাউন্সিলের বৈঠকে তাদের সিট বাতিল করা হলেও ছাত্রত্ব বহাল থাকবে বলে তিনি জানান।

ঢাকার সঙ্গে ফ্লাইট স্থগিত করলো এয়ার ইন্ডিয়া

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৩:৫৮ অপরাহ্ণ
ঢাকার সঙ্গে ফ্লাইট স্থগিত করলো এয়ার ইন্ডিয়া
শেয়ার করুন

ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়া আগামী জুন থেকে আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত তাদের বেশ কিছু আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত ও সংখ্যা হ্রাসের ঘোষণা দিয়েছে।

 

 

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংস্থাটি জানিয়েছে, আকাশপথের বিধিনিষেধ এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জেট ফুয়েলের অত্যধিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 

এই পরিবর্তনের ফলে ঢাকা ছাড়াও শিকাগো, সাংহাই, সিঙ্গাপুর ও মালের মতো গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যগুলোর আকাশপথে যাতায়াতকারী যাত্রীরা সরাসরি প্রভাবিত হবেন। এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শেষ মুহূর্তে ফ্লাইট বাতিল করে যাত্রীদের বিভ্রান্তিতে ফেলার চেয়ে আগেভাগেই এই যৌক্তিক সমন্বয় বা রেশনালাইজেশন করা হয়েছে যাতে শিডিউলের স্থিতিশীলতা বজায় থাকে।

 

সংস্থাটির নতুন সূচি অনুযায়ী, এশিয়া অঞ্চলের মধ্যে মুম্বাই-ঢাকা রুটের সরাসরি ফ্লাইট সাময়িকভাবে পুরোপুরি স্থগিত করা হয়েছে। এ ছাড়া দিল্লি থেকে ঢাকা, কাঠমান্ডু, কলম্বো, ব্যাংকক, কুয়ালালামপুর ও সিঙ্গাপুর রুটের ফ্লাইটের সংখ্যা সাপ্তাহিকভবে কমিয়ে আনা হয়েছে।

 

 

উত্তর আমেরিকার ক্ষেত্রে দিল্লি-শিকাগো সার্ভিসটি আগস্ট পর্যন্ত বন্ধ থাকবে এবং দিল্লি থেকে টরন্টো ও ভ্যাঙ্কুভারগামী ফ্লাইটের সংখ্যাও হ্রাস করা হয়েছে। তবে ইতিবাচক খবর হলো, মুম্বাই থেকে নেওয়ার্ক রুটে এখন থেকে প্রতিদিন ফ্লাইট চলাচল করবে। ইউরোপের ক্ষেত্রে প্যারিস, রোম, জুরিখ, ভিয়েনা ও কোপেনহেগেনের মতো শহরগুলোতেও এয়ার ইন্ডিয়ার নিয়মিত ফ্লাইটের সংখ্যা পূর্বের তুলনায় কম হবে বলে জানানো হয়েছে।

 

এয়ার ইন্ডিয়া স্পষ্ট করেছে, জ্বালানি সংকটের কারণে সব আন্তর্জাতিক ফ্লাইট জুলাই পর্যন্ত বন্ধ থাকবে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে গুঞ্জন ছড়িয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। সংস্থাটি আশ্বস্ত করেছে, এই সমন্বয়ের পরেও তারা প্রতি মাসে পাঁচটি মহাদেশের বিভিন্ন গন্তব্যে ১ হাজার ২০০-র বেশি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা অব্যাহত রাখবে।

 

এর মধ্যে উত্তর আমেরিকায় সপ্তাহে ৩৩টি, ইউরোপে ৪৭টি এবং যুক্তরাজ্যে ৫৭টি ফ্লাইট সচল থাকবে। এ ছাড়া দূরপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর (সার্ক) জন্য সপ্তাহে ১৫৮টি ফ্লাইট বরাদ্দ রাখা হয়েছে। মূলত ব্যয়বহুল দীর্ঘ রুটের ফ্লাইটগুলোর সক্ষমতা যাচাই করতেই এই সাময়িক কাটছাঁট করা হয়েছে।

 

যেসব যাত্রীর ফ্লাইট বাতিল বা সময় পরিবর্তন হয়েছে, তাদের সরাসরি সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ। ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীরা চাইলে বিকল্প ফ্লাইটে বুকিং, ভ্রমণের তারিখ পরিবর্তন অথবা টিকিটের সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত পাওয়ার সুযোগ পাবেন। সংস্থাটি যাত্রীদের অনুরোধ জানিয়েছে যেন তারা কেবল এয়ার ইন্ডিয়ার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, অ্যাপ বা ভেরিফাইড সোশ্যাল মিডিয়া চ্যানেলের তথ্যের ওপর ভরসা রাখেন।

 

এ ছাড়া কোনো নির্দিষ্ট রুটের আপডেট জানতে গ্রাহকসেবা কেন্দ্রে যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে নেটওয়ার্ককে আরও সুসংগঠিত করতেই এই বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

সূত্র: এনডিটিভি

হাতীবান্ধা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ১১:০১ পূর্বাহ্ণ
হাতীবান্ধা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত
শেয়ার করুন

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার আমঝোল সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের ছররা গুলিতে খাদেমুল (২৫) নামে এক বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) গভীর রাত ২টার দিকে সীমান্তের বনচৌকি বিওপি সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত খাদেমুল উপজেলার উত্তর আমঝোল গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সীমান্ত পিলার ৯০৫/৬ এস-এর প্রায় ১৫০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে কয়েকজন বাংলাদেশি চোরাকারবারি কাঁটাতারের বেড়ার কাছে গেলে ভারতের ৭৮ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের পাগলামারী ক্যাম্পের টহল দল তাদের লক্ষ্য করে ছররা গুলি ছোড়ে। এতে খাদেমুলের মুখ, বুক ও মাথায় আঘাত লাগে।

গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তিনি দ্রুত বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ফিরে আসেন। পরে স্থানীয় ও তার সহযোগীরা তাকে উদ্ধার করে রংপুরের একটি ক্লিনিকে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) এর কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।