খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন, ১৪৩২

দাদিকে খুন করে নাতনিকে ধর্ষণ ও হত্যা, দুজনেরই মরদেহ উদ্ধার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:৫৮ অপরাহ্ণ
দাদিকে খুন করে নাতনিকে ধর্ষণ ও হত্যা, দুজনেরই মরদেহ উদ্ধার
শেয়ার করুন

পাবনার ঈশ্বরদীতে মধ্যরাতে দাদিকে হত্যা করে নাতনিকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা ঘটেছে। পৃথক জায়গা থেকে নিহত দুজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

 

‎শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে মধ্যরাতের কোনো এক সময় উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানিপুর উত্তরপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

 

‎নিহতরা হলেন, ভবানিপুর উত্তরপাড়ার জয়নাল খাঁর মা সুফিয়া খাতুন (৬৫) ও মেয়ে জামিলা আক্তার (১৫)।

 

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঈশ্বরদী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান।

 

জানা গেছে, মধ্যরাতে হঠাৎ কান্নাকাটির আওয়াজ শুনে রাস্তায় বের হন স্থানীয়রা। কোন বাড়ি থেকে আওয়াজ আসে তা শনাক্ত করতে পররছিলেন না। পরে কান্নার আওয়াজ থেমে গেলে তারা আবার নিজ নিজ বাড়িতে চলে যান। আজ শনিবার সকালে বাড়ির উঠানে সুফিয়া খাতুনের রক্তাক্ত মরদেহ পাওয়া যায়। জামিলাকে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে বিবস্ত্র অবস্থায় সরিষার ক্ষেতে মরদেহ পাওয়া যায়। ঘটনার সময় মেয়েটির বাবা ঢাকায় আরেক মেয়ের বাড়িতে ছিলেন।

‎সোহেল রানা নামে নিহতদের এক নিকট আত্মীয় জানান, গতকাল রাতে ওই মেয়েকে ধর্ষণ করতে আসে। কিন্তু দাদি টের পেয়ে যাওয়ায় প্রথমে দাদিকে হত্যা করে। পরে মেয়েকে অপহরণ করে সরিষা ক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ করে হত্যা করে।

 

যারা এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।

 

‎ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার বলেন, দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কাজ করছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উখিয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ণ
উখিয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা
শেয়ার করুন

কক্সবাজারের উখিয়ায় মো. নুর ছিদ্দিক (১৮) নামে এক যুবক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

 

সোমবার (৯ মার্চ) দুপুর আনুমানিক ১টা থেকে ১টা ৩০ মিনিটের মধ্যে পালংখালী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের জামতলী বাগঘোনা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তিনি পালংখালীর জামতলী বাগঘোনা এলাকার বাসিন্দা জাফর আলম ও সামারুপ বেগমের ছেলে।

জানা যায়, মো. নুর ছিদ্দিক নিজ শয়নকক্ষের সিলিংয়ের কাঠের বিমের সাথে রশি দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত চিকিৎসার জন্য এমএসএফ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

খবর পেয়ে উখিয়া থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে

সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে। বর্তমানে মরদেহ থানা কম্পাউন্ডে সংরক্ষিত রয়েছে।

 

উখিয়া থানার ওসি (তদন্ত) নাসির উদ্দীন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করেছে। মরদেহ থানায় রাখা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কারো বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

‘রাত ১০টার পর কিশোরদের রাস্তায় পেলেই ব্যবস্থা’

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ১১:৩০ অপরাহ্ণ
‘রাত ১০টার পর কিশোরদের রাস্তায় পেলেই ব্যবস্থা’
শেয়ার করুন

বান্দরবানে কিশোর গ্যাং দমনে রাত ১০টার পর কিশোরদেরকে রাস্তায় পেলেই আইনি বিচারের সম্মুখীন করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার মো. আবদুর রহমান। রোববার (৮ মার্চ) রাত ১১টায় বান্দরবান পৌরসভার থানচি বাসস্টেশন এলাকায় বান্দরবান পুলিশের সচেতনতা কার্যক্রম চলাকালে এ ঘোষণা দেন তিনি।

 

পুলিশ সুপার বলেন, ‌‘কিশোর গ্যাং বলতে যে অর্থে বোঝানো হয় বান্দরবানে সেই অর্থে বোঝাতে চাওয়া হচ্ছে না। তারা অনেকেই আসলে অবুঝ বা পরিস্থিতি সম্পর্কে বুঝতে চাচ্ছে না। এখন সময় হচ্ছে লেখাপড়া করে নিজেকে গড়ার। এই সুবর্ণ সময়টা নষ্ট করলে লেখাপড়ার চরম ক্ষতি হবে। সবাই জানেন বর্তমান শিক্ষামন্ত্রীর অতীতের কর্মপরিচালনার বিষয়ে। অটোপাসের সম্ভাবনা ভবিষ্যতে আর থাকবে না। লেখাপড়া করেই পাস করতে হবে।’

 

তিনি বলেন, ‘কিশোরদেরকে বোঝানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। বর্তমানে যেহেতু তারাবি নামাজ চলছে, সেহেতু নামাজ শেষে ৩০ মিনিট সময় অপেক্ষা করবে পুলিশ। অন্যথায় রাত ১০টার পর কোনো কিশোরকে রাস্তায় পেলে সরাসরি আইনানুগ বিচারের সম্মুখীন করা হবে।’

 

অভিভাবকদের উদ্দেশে পুলিশ সুপার বলেন, ‘নিজের সন্তানদের দায়িত্ব অন্য কাউকে দিয়েন না। নিজের সন্তানের দায়িত্ব নিজে নিন। তাদের দেখভাল করুন, পড়ার টেবিলে বসান। তারা কোথায় যায়, কী করে, কার সঙ্গে মেশে খোঁজ রাখুন। রাত ১০টার মধ্যে বাসায় যদি বাসায় না ফেরে, তবে অবশ্যই নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ করুন।’

 

 

তিনি আরও বলেন, সত্যিই যদি কিশোর গ্যাং থেকে থাকে, তাহলে তাদের অবশ্যই আইনের মাধ্যমে বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করানো হবে। কেউ পার পাবে না।

পেট্রোল পাম্পে তেল না পেয়ে পাম্প কর্মীকে ছুরিকাঘাত

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৯:৪২ অপরাহ্ণ
পেট্রোল পাম্পে তেল না পেয়ে পাম্প কর্মীকে ছুরিকাঘাত
শেয়ার করুন

সিলেট নগরীতে পেট্রোল পাম্পে তেল না পেয়ে মিঠু গোয়ালা নামের কর্মীকে ছুরিকাঘাত করেছে এক গ্রাহক। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে এয়ারপোর্ট থানার ওসি সৌমেন মৈত্র।

 

সোমবার (৯ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টার দিকে নগরীর চৌকিদেখী এলাকার উত্তরা পেট্রোল পাম্পে এ ঘটনা ঘটে।

 

জানা যায়, সোমবার বিকেলে ইফতারের প্রায় দুই মিনিট আগে চৌকিদেখী এলাকার উত্তরা পেট্রোল পাম্পে তেল নিতে আসা এক গ্রাহকের সঙ্গে কর্মীদের কথাকাটাকাটি হয়। তেল না পাওয়াকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

 

ইফতার শেষে ওই গ্রাহক আবার পাম্পে এসে মিঠু গোয়ালা নামের এক কর্মীকে ছুরিকাঘাত করে। পরে সহকর্মীরা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

 

এয়ারপোর্ট থানার ওসি (তদন্ত) সৌমেন মৈত্র দেশের একটি গণমাধ্যমকে বলেন, পেট্রোল পাম্পে তেল না পেয়ে এক গ্রাহক ক্ষুব্ধ হয়ে কর্মীকে ছুরিকাঘাত করেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।