খুঁজুন
রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন, ১৪৩২

দেশজুড়ে নারী ও শিশু ধ/র্ষ/ণে র প্রতিবাদে কক্সবাজারে ছাত্র ইউনিয়নের প্রতিবাদ সমাবেশ

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:৩০ অপরাহ্ণ
দেশজুড়ে নারী ও শিশু ধ/র্ষ/ণে র প্রতিবাদে কক্সবাজারে ছাত্র ইউনিয়নের প্রতিবাদ সমাবেশ
শেয়ার করুন

ঈশ্বরদীতে ধর্ষণ ও হত্যা, নরসিংদীর মাধবীতে কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যা এবং রাজধানীর হাতিরঝিল ও হাজারীবাগে শিশু ও কিশোরী হত্যার ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন কক্সবাজার জেলা সংসদ।

মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা সংসদের সভাপতি অন্তর হাসান আরিফ, সাধারণ সম্পাদক রহমান মিজান এবং সংস্কৃতি সম্পাদক আজিল আলম ফাহিম।

 

সমাবেশে বক্তারা বলেন, যে রাষ্ট্র জনসাধারণের নিরাপত্তা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ব্যর্থ, সেই রাষ্ট্রব্যবস্থা কখনো আমাদের অধিকার ফিরিয়ে দিতে পারে না।

তারা আরও বলেন, শুধু গ্রেপ্তার নয় ধর্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক ও জনসমক্ষে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ রোধ করা যায়।

বক্তারা অবিলম্বে অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা, বিচারপ্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা এবং নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানান। পাশাপাশি সারাদেশে চলমান সহিংসতা ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান তারা।

কক্সবাজার আইনজীবী সমিতির নির্বাচন: আ.লীগ ৭, বিএনপি ৪, জামায়াত ৬

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ৩:৫৩ পূর্বাহ্ণ
কক্সবাজার আইনজীবী সমিতির নির্বাচন: আ.লীগ ৭, বিএনপি ৪, জামায়াত ৬
শেয়ার করুন

কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির বার্ষিক নির্বাচনে তিনটি রাজনৈতিক ঘরানার প্যানেলের অংশগ্রহণে জমজমাট লড়াই হয়েছে। ১৭টি পদের মধ্যে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্যানেল ৭টি, জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত প্যানেল ৬টি এবং বিএনপি সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম ৪টি পদে জয় পেয়েছে।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুই কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হয়। কেন্দ্র দুটি ছিল কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতি ভবন ও চকরিয়া উপজেলা চৌকি আদালত ভবন।

সভাপতি পদে বিএনপি সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম মনোনীত প্যানেলের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আবদুল মন্নান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত প্যানেলের অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আমির হোসাইন।

সাধারণ সম্পাদক পদে জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত প্যানেলের অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আখতার উদ্দিন হেলালী বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্যানেলের অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ নুরুল হুদা। বিএনপি সমর্থিত প্যানেলের অ্যাডভোকেট ছলিমুল মোস্তফা তৃতীয় অবস্থানে থাকেন।
জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম মনোনীত প্যানেল থেকে সহ-সভাপতি পদে মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, পাঠাগার ও তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট শওকত ওসমান এবং নির্বাহী সদস্য পদে অ্যাডভোকেট আজিজুল করিম জয় নির্বাচিত হয়েছেন। এই প্যানেল ১৭টি পদের বিপরীতে ১৬ জন প্রার্থী দেয় এবং ৪ জন জয়ী হন।

জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত প্যানেল থেকে সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট আবদুল বারী, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট জিয়াউদ্দিন মাহমুদ তমাল, সিনিয়র নির্বাহী সদস্য পদে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ নেজামুল হক ও অ্যাডভোকেট এ কে এম শাহজালাল চৌধুরী নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাহী সদস্য পদে অ্যাডভোকেট এস এম জসিম জয় পান। এই প্যানেল ১৭টি পদের বিপরীতে ১৭ জন প্রার্থী দেয় এবং ৬ জন বিজয়ী হন।

আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্যানেল থেকে সহ-সাধারণ সম্পাদক (হিসাব) পদে অ্যাডভোকেট মো. মহিউদ্দিন, আপ্যায়ন সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ রিদুয়ান আলী, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে নাহিদা খানম কক্সী, সিনিয়র নির্বাহী সদস্য পদে অ্যাডভোকেট ইকবালুর রশিদ আমিন ও অ্যাডভোকেট জিয়াউদ্দিন আহমদ নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাহী সদস্য পদে অ্যাডভোকেট পারভীন সুলতানা পিয়া ও অ্যাডভোকেট সেকাব উদ্দিন জয়লাভ করেন। এই প্যানেল ১৪ জন প্রার্থী দেয় এবং ৭ জন নির্বাচিত হন।

সমিতির মোট ভোটার ছিলেন ৯৪৮ জন। এর মধ্যে কক্সবাজার কেন্দ্রের ভোটার ৮৬১ জন এবং চকরিয়া কেন্দ্রে ৮৭ জন। মোট ৮৯২টি ভোট কাস্ট হয়েছে। কক্সবাজার কেন্দ্রে ৮০৬ জন এবং চকরিয়া কেন্দ্রে ৮৬ জন ভোট দেন।

নির্বাচনে ১৭টি পদের বিপরীতে ৪৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এবারই প্রথম বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত তিনটি প্যানেল আলাদাভাবে নির্বাচনে অংশ নেয়।

জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাং আহমদ কবির প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন। সহকারী প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন এম রেজাউল করিম, সৈয়দ রাশেদ উদ্দিন ও মোস্তাক আহমদ। নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ফরিদ আহমদ, নূর আহমদ, আবু ছিদ্দিক, তাপস রক্ষিত, মোহাম্মদ সিরাজউল্লাহ, এ কে ফিরোজ আহমদ ও মোহাং আরিফ উল্লাহ।

জানা গেছে, ১৯০১ সালে প্রতিষ্ঠিত কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির ইতিহাসে গঠনতান্ত্রিক বাধ্যবাধকতার কারণে এবার প্রথমবারের মতো রমজান মাসে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো।

গত বছরের নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্যানেল সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ৯টি পদে, জামায়াত সমর্থিত প্যানেল ৬টি পদে এবং আওয়ামী লীগ ঘরানার ২ জন প্রার্থী জয় পেয়েছিলেন। এবার ফলাফলে তিন পক্ষের মধ্যে তুলনামূলক ভারসাম্য দেখা গেছে।

মাঠে মধ্যেই প্রেমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব, ৩ দিন পরই ব্রেকআপ

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:০২ অপরাহ্ণ
মাঠে মধ্যেই প্রেমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব, ৩ দিন পরই ব্রেকআপ
শেয়ার করুন

মাঠেই হাঁটু গেড়ে প্রেমিকার হাতে আংটি পরিয়ে বিয়ের প্রস্তাব। দৃশ্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল মুহূর্তেই। কিন্তু সেই রোমান্টিক মুহূর্তের মাত্র তিন দিন পরই সম্পর্ক ভেঙে চুরমার। ঘটনাটি ঘটেছে গুয়াতেমালায়।

 

দেশটির শীর্ষ ক্লাব জেলাজুর ফুটবলার ডেরিকসন কুইরোস গত সপ্তাহে ৪–২ গোলে মার্কুইনসেকে হারানোর পর মাঠেই প্রেমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। মারিও কাম্পোসেকো স্টেডিয়ামে দর্শকদের সামনে হাঁটু গেড়ে বসে আংটি পরিয়ে দেন তিনি। প্রেমিকা ‘হ্যাঁ’ বলতেই গ্যালারিতে উপস্থিত শত শত সমর্থক করতালিতে অভিনন্দন জানান নবদম্পতিকে।

 

 

সেই মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করে কুইরোস লিখেছিলেন, “আমার জীবনসঙ্গী, আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি।” তবে রোমান্টিক দৃশ্যের তিন দিনের মাথায় ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে কুইরোস জানান, তাদের বাগদান ভেঙে গেছে। মেক্সিকান সংবাদমাধ্যম ‘লাতিনুস’-এর উদ্ধৃতি অনুযায়ী তিনি লেখেন, “হ্যাঁ, এটা সত্য যে আমার সম্পর্ক (বাগদান) শেষ হয়েছে। যেকোনো বিচ্ছেদের মতোই এটি একটি কঠিন ব্যক্তিগত পরিস্থিতি, তবে আমি বিষয়টি সম্মান ও পরিপক্বতার সঙ্গে সামলাতে চাই।”

 

তিনি আরও বলেন, “আমি কারও বিরুদ্ধে কিছু বলব না, কিংবা বিস্তারিতেও যাব না। কারণ এই সম্পর্ক একসময় আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল।” কুইরোস যোগ করেন, “এখন আমি আমার ক্যারিয়ার, আমার দল এবং ব্যক্তি হিসেবে আরও এগিয়ে যাওয়ার দিকে মনোযোগ দিচ্ছি। সবার সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞ, এবং আশা করি এই সময়টাকে সবাই সম্মান করবেন।”

 

শুধু কুইরোসই নন, তার সাবেক বাগদত্তাও সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানান। ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম ‘গ্লোবো’র তথ্য অনুযায়ী তিনি লেখেন, “শেষ পর্যন্ত নীরবতাই সবচেয়ে ভালো উত্তর।” মাঠে শুরু হওয়া ভালোবাসার গল্প শেষ হয়েছে সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক সংক্ষিপ্ত ঘোষণায়।

আব্বাস ভাই বললেন দুষ্টুমি করবা না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:১০ অপরাহ্ণ
আব্বাস ভাই বললেন দুষ্টুমি করবা না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
শেয়ার করুন

জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিলে প্রধানমন্ত্রীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে কাটানো মুহূর্ত ও কথোপকথনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

 

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এসব তথ্য জানান।

 

 

 

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী তার পোস্টে লেখেন, ইফতার মাহফিলে তিনি জামায়াতের আমির থেকে শুরু করে বিভিন্ন দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। জামায়াতের আমিরের কাছে দোয়া চাইলে তিনি বলেন, “তোমার জন্য দোয়া ও দাওয়াহ দুইটাই রইলো।”

 

 

 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে কথোপকথন প্রসঙ্গে তিনি লেখেন, “প্রধানমন্ত্রীকে বললাম, বাসার বুয়া প্রতিদিন ফ্যামিলি কার্ড চায়। এটা নির্বাচনে জেতার ভালো কৌশল ছিল। জবাবে তিনি বলেন, এটা শুরু করেছি, খুব শিগগিরই সারা বাংলাদেশে চালু হবে।”

 

 

 

এ ছাড়া মঈন খান তাকে বাসায় যাওয়ার আমন্ত্রণ জানান এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ শহীদ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের সঠিক বিচার নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

 

 

 

বিশেষ করে মির্জা আব্বাসের সঙ্গে কথোপকথন নিয়ে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতাদের কাছ থেকে বিদায় নেওয়ার সময় ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস তাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “দুষ্টুমি করবা না।” জবাবে পাটওয়ারী বলেন, “ছোট ভাইয়ের সিট এভাবে কেড়ে