খুঁজুন
মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন, ১৪৩২

ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ইরানের হামলা, নেতানিয়াহুর ‘পরিণতি অস্পষ্ট’!

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ইরানের হামলা, নেতানিয়াহুর ‘পরিণতি অস্পষ্ট’!
শেয়ার করুন

তেল আবিবে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় এবং হাইফা বন্দরে ইসরায়েলের নিরাপত্তা ও সামরিক বাহিনীর কার্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। এই হামলায় নেতানিয়াহুর ভাগ্যে কী ঘটেছে তা ‘অনিশ্চয়তায় ঘেরা’ বলে ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যমের খবরে জানানো হয়েছে।

 

বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর বিবৃতির বরাত দিয়ে ইরানি বার্তা সংস্থা ফারস নিউজ এজেন্সি বলেছে, ইহুদিবাদী শাসকগোষ্ঠীর অপরাধী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং তাদের বিমানবাহিনীর প্রধান কার্যালয়কে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। ওই হামলায় ইরানের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি খাইবার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। এতে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর ভাগ্যে কী ঘটেছে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

 

নেতানিয়াহু ও বিমানবাহিনীর প্রধান কার্যালয়ে এই হামলার বিষয়ে আর কোনও বিস্তারিত তথ্য জানায়নি আইআরজিসি।

 

 

ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির সাংবাদিকরা বলেছেন, সোমবার জেরুজালেমের আকাশে একের পর এক নতুন বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এর আগে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ইরান থেকে ছোড়া নতুন ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানায়।

 

এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী বলেছে, কিছুক্ষণ আগে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) ইসরায়েলি ভূখণ্ডের দিকে ইরান থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করেছে। হুমকি মোকাবিলায় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলো সক্রিয় রয়েছে।

 

 

এদিকে, সাইপ্রাসে একটি ব্রিটিশ বিমানঘাঁটি এবং সৌদি আরবের একটি তেল স্থাপনায় হামলার পর ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান উরসুলা ভন ডার লিয়েন ওই অঞ্চলজুড়ে সার্বভৌম ভূখণ্ডে ইরান এবং তার প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর হামলার নিন্দা জানিয়েছেন।

 

ব্রাসেলসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ফন ডার লিয়েন বলেন, আমাদের উত্তেজনা প্রশমন এবং সংঘাত ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেন, ওই অঞ্চলের স্থিতিশীলতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

ইরানি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অভিযানে ইরানে এখন পর্যন্ত অন্তত ৫৫৫ জন নিহত হয়েছেন। শনিবার থেকে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানজুড়ে বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাচ্ছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই যুদ্ধ পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে।

 

ইরান একেবারে প্রথম দিন থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার, কুয়েত, সৌদি আরব ও ইরাকসহ অন্যান্য দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে আসছে ইরান। উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের পাল্টা হামলার তৃতীয় দিনে সোমবারও কুয়েতে মার্কিন দূতাবাস থেকে কালো ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে এবং কোনও হতাহতের ঘটনা ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে।

 

সূত্র: এএফপি, মেহের নিউজ।

৩৫ হাজারের ইরানি ড্রোন ঠেকাতে ৪০ লাখ ডলার খরচ করছে যুক্তরাষ্ট্র

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ৫:১৫ পূর্বাহ্ণ
৩৫ হাজারের ইরানি ড্রোন ঠেকাতে ৪০ লাখ ডলার খরচ করছে যুক্তরাষ্ট্র
শেয়ার করুন

ইরানের সস্তা ড্রোন ঠেকাতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ব্যয়বহুল ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

 

 

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, তেহরানের একেকটি ড্রোন তৈরিতে খরচ হয় মাত্র ৩৫ হাজার ডলার, অথচ সেটি ধ্বংস করতে ব্যবহৃত ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে ব্যয় হচ্ছে ৫ থেকে ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত। মূলত এই বিশাল ব্যয়বৈষম্যই এখন পশ্চিমা সামরিক পরিকল্পনাকারীদের প্রধান উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

 

বর্তমানে ইরান একযোগে ইসরায়েলসহ সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, বাহরাইন, কাতার ও সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন ও মিত্রদের ঘাঁটিতে হামলা চালাচ্ছে। তেহরান প্রতিদিন গড়ে ২ হাজার ৫০০-এর বেশি ড্রোন ছুড়ে প্রতিপক্ষের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে বিভ্রান্ত করে ফেলছে। ওপেন সোর্স ইন্টেলিজেন্সের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের কাছে বর্তমানে ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ ‘শাহেদ’ ড্রোন মজুত আছে। এছাড়া প্রতি মাসে অন্তত ৫০০ ড্রোন তৈরির সক্ষমতা থাকায় তারা দীর্ঘ সময় এই হামলা চালিয়ে যাওয়ার সামর্থ্য রাখে।

 

২০২৫ সালের জুন মাসের লড়াইয়েই যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ব্যাপকভাবে কমে গিয়েছিল। সে সময় মাত্র ১২ দিনে ইসরায়েলকে রক্ষা করতে যুক্তরাষ্ট্র ১৫০টি ‘থাড’ ইন্টারসেপ্টর ব্যবহার করেছিল, যা তাদের মোট মজুতের এক-চতুর্থাংশ। প্রতিটি থাড ইন্টারসেপ্টরের দাম প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ ডলার এবং এগুলো পুনরায় তৈরি করতে তিন থেকে আট বছর সময় লাগে। স্টিমসন সেন্টারের সিনিয়র ফেলো কেলি গ্রিকো ব্লুমবার্গকে বলেন, ‘আমরা ইন্টারসেপ্টর তৈরির চেয়ে দ্রুত হারে তা ব্যবহার করে ফেলছি, যা মজুতকে দ্রুত শূন্য করে দিতে পারে।’

 

প্যাসিফিক ফোরামের উইলিয়াম আলবার্ক জানান, অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক ইন্টারসেপ্টরের মজুত আগে থেকেই কম ছিল, যা বর্তমান পরিস্থিতিতে কয়েক দিনের মধ্যে শেষ হয়ে যেতে পারে। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে এই যুদ্ধ আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে শেষ হতে পারে। তবে ইরান যদি ড্রোন হামলা অব্যাহত রাখে, তবে ট্রাম্পের দেওয়া সময়ের আগেই ইন্টারসেপ্টরের মজুত শেষ হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

 

বিপুল খরচ কমাতে পশ্চিমারা এখন ‘এপিকেডব্লিউএস’ গাইডেড রকেট এবং ইসরায়েলের ‘আয়রন বিম’ লেজার সিস্টেম ব্যবহারের কথা ভাবছে। লেজার সিস্টেমে প্রতি শটে খরচ মাত্র কয়েক ডলার হলেও বর্তমানে এর মাত্র এক-দুটি ইউনিট সচল আছে এবং তা কেবল ইসরায়েলে সীমাবদ্ধ। সাবেক ইসরায়েলি নৌ কমান্ডার ইয়াল পিনকো সতর্ক করে বলেন, ইরানের কাছে হাজার হাজার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের বিশাল মজুত রয়েছে এবং নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় তারা এখন সর্বাত্মক যুদ্ধে লিপ্ত।

 

 

বিষয়: ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ

আমিরাত, বাহরাইন ও কুয়েতের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার দাবি ইরানের

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ১:৪৪ পূর্বাহ্ণ
আমিরাত, বাহরাইন ও কুয়েতের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার দাবি ইরানের
শেয়ার করুন

ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সোমবার (২ মার্চ) দাবি করেছে, তারা বাহরাইনে মার্কিন নৌবহর, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল মিনহাদ এয়ার বেস এবং কুয়েতে একটি মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে।

 

বিবৃতির মাধ্যমে বাহিনীটি জানায়, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন এবং হরমুজ প্রণালীতে অবস্থিত স্থির ও চলমান মার্কিন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে ২৬টি মানববিহীন আকাশযান (ইউএভি) এবং পাঁচটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে।

 

হামলার অংশ হিসেবে কুয়েতের আরিফজান মার্কিন ঘাঁটিতে এক ডজন ইউএভি দিয়ে আঘাত হানা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

 

সংযুক্ত আরব আমিরাতে আল-মিনহাদ এয়ার বেসে অবস্থিত মার্কিন সামরিক কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রকে ছয়টি ইউএভি ও পাঁচটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। পাশাপাশি, আগে অক্ষত থাকা বাহরাইনের মার্কিন নৌবাহিনীর স্থাপনাগুলো ছয়টি ইউএভি দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

 

 

আলাদাভাবে, প্ল্যানেট ল্যাবস থেকে প্রাপ্ত স্যাটেলাইট চিত্র, যা দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস বিশ্লেষণ করেছে, তাতে দেখা গেছে—বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর সবচেয়ে বড় আঞ্চলিক ঘাঁটি, ফিফথ ফ্লিটের সদর দপ্তরের বহু ভবন ইরানের হামলায় সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।

 

সমন্বিত যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলার প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্য বর্তমানে বড় ধরনের সামরিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছে। এসব হামলায় সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা নিহত হয়েছেন।

 

এর জবাবে ইরান অঞ্চলজুড়ে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে, যা অন্তত আটটি দেশে মার্কিন সামরিক সম্পদ ও জ্বালানি স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করেছে; এর মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও কাতারও রয়েছে।

 

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

রোজায় আপেল খাবেন যে কারণে

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ১০:৫৮ অপরাহ্ণ
রোজায় আপেল খাবেন যে কারণে
শেয়ার করুন

প্রতিদিন একটি থেকে দুইটি আপেল খেলে হার্টের সমস্যা কমে। গবেষণা থেকে পাওয়া গেছে যে, দিনে একটি আপেল খেলে রক্তের ক্ষতিকর এলডিএল কোলেসটরেল কমে। হার্টের অসুখ থেকে রক্ষা করে এবং ফুসফুস কে রক্ষা করে আপেল।

 

 

আপেল রক্তের চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। ফলে ডায়বেটিস হওয়া থেকে রক্ষা করে শরীরকে। বিভিন্ন রকম ক্যান্সার হওয়া থেকে শরীরকে রক্ষা করে আপেল। এতে প্রচুর ফাইবার আছে, যা হজমের জন্য ভালো। তাই বাওয়েল পরিষ্কার রাখে কোলন ক্যান্সার হতে দেয় না। আপেল লিভার ও গলব্লাডার পরিষ্কার রাখে।

 

 

আপেল শরীরের ওজন কমায় ও তা নিয়ন্ত্রণ করে থেকে। এতে অন্যান্য ফলের তুলনায় প্রচুর পরিমানে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে। আপেল পেশী টনিক, মূত্রবর্ধক, জোলাপ, অ্যান্টিডাইয়েডরিল, ও হজমকারক।

 

 

অন্যান্য ফলের মত আপেল রক্তে চিনির মাত্র বাড়িয়ে দেয় না। ফলে ডাইয়াবেটিসের রোগীরা নিশ্চিন্তে পরিমানমত আপেল খেতে পারেন।

 

 

আপেলে পেকটিন নামক ফাইবার থাকে যা সহজে তরলে মিশে যায়। এই ফাইবার অন্ত্র নালিতে কোলেসটরেল জমতে দেয় না। শরীর থেকে কোলেসটরেল খরচ করে কমাতে শরীরের ওজন কমাতে সাহায্য করে।

 

 

 

আপেলের প্রচুর পানি থাকে। আপেল পানির অভাব দূর করে শরীরের। তৃষ্ণা মেটায় ও শরীর ঠান্ডা করে আপেল। জ্বর হলে তা কমাতে সাহায্য করে।

 

 

আপেলে সামান্য ভিটামিন সিও আছে। তাই আপেল রোগ প্রতিরোধেও সাহায্য করে। তাছাড়া ভিটামিন সি তাড়াতাড়ি রোগ সারাতে সাহায্য করে। তাছাড়া আপেলের রস দাঁতের জন্য ও ভালো। কারণ ব্যাকটেরিয়া এর কারণে দাঁতের ক্ষয় হয়। আপেলের রস ৮০% পর্যন্ত দাঁতের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংশ করে দেয়।

 

 

আপেলে কোনো লবণ নেই। তাই আপেল থেকে অতিরিক্ত লবণ খাওয়ার ভয় থাকে না। তাই প্রতিদিনের ইফতারে অন্তত একটি আপেল রাখুন। রোজা কাটুক সুস্থতায়।