আমিরাত, বাহরাইন ও কুয়েতের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার দাবি ইরানের
ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সোমবার (২ মার্চ) দাবি করেছে, তারা বাহরাইনে মার্কিন নৌবহর, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল মিনহাদ এয়ার বেস এবং কুয়েতে একটি মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে।
বিবৃতির মাধ্যমে বাহিনীটি জানায়, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন এবং হরমুজ প্রণালীতে অবস্থিত স্থির ও চলমান মার্কিন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে ২৬টি মানববিহীন আকাশযান (ইউএভি) এবং পাঁচটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে।
হামলার অংশ হিসেবে কুয়েতের আরিফজান মার্কিন ঘাঁটিতে এক ডজন ইউএভি দিয়ে আঘাত হানা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে আল-মিনহাদ এয়ার বেসে অবস্থিত মার্কিন সামরিক কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রকে ছয়টি ইউএভি ও পাঁচটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। পাশাপাশি, আগে অক্ষত থাকা বাহরাইনের মার্কিন নৌবাহিনীর স্থাপনাগুলো ছয়টি ইউএভি দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
আলাদাভাবে, প্ল্যানেট ল্যাবস থেকে প্রাপ্ত স্যাটেলাইট চিত্র, যা দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস বিশ্লেষণ করেছে, তাতে দেখা গেছে—বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর সবচেয়ে বড় আঞ্চলিক ঘাঁটি, ফিফথ ফ্লিটের সদর দপ্তরের বহু ভবন ইরানের হামলায় সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।
সমন্বিত যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলার প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্য বর্তমানে বড় ধরনের সামরিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছে। এসব হামলায় সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা নিহত হয়েছেন।
এর জবাবে ইরান অঞ্চলজুড়ে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে, যা অন্তত আটটি দেশে মার্কিন সামরিক সম্পদ ও জ্বালানি স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করেছে; এর মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও কাতারও রয়েছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

আপনার মতামত লিখুন