৩০০ মৃত্যুর খবর ‘সঠিক নয়’ দুয়েকটি দুর্ঘটনা ছাড়া ঈদযাত্রা ‘স্বস্তির হয়েছে’: সড়কমন্ত্রী
সড়কে প্রাণহানি, বাড়তি ভাড়া আদায় আর যানজটে নাকাল হওয়ার ঘটনা ঘটলেও এবারের ঈদাযাত্রাকে ‘স্বস্তির’ বলে দাবি করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
তার কথায় ঈদযাত্রায় দুয়েকটি ‘অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা’ ঘটেছে।
বাংলাদেশ রোড সেইফটি ফাউন্ডেশনের হিসাবে, ১৭ মার্চ থেকে ২৭ মার্চ পর্যন্ত দেশে ৩৭৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৯৮ জনের মৃত্যু তথ্য তুলে ধরা হলেও, সড়কমন্ত্রীর ভাষ্য মৃত্যুর এই সংখ্যাটি ‘সঠিক নয়’। অতীতের চেয়ে এবারের ঈদ যাত্রায় মৃত্যু ‘কম হয়েছে’ বলেও দাবি করেন তিনি।
রোববার সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে, সড়ক দুর্ঘটনা রোধ ও সড়কে নিরাপত্তা জোরদারসহ ৭ এজেন্ডা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বৈঠক করেন সড়ক পরিবহন মন্ত্রী।
বৈঠক শেষে ঈদে ১০ দিনের যাত্রা কেমন হয়েছে জানতে চাইলে সাংবাদিকদের রবিউল আলম বলেন, “ঈদের জার্নি স্মুদ হয়েছে বলে আমি মনে করি, কারণ, দেড় কোটি মানুষ তিন দিনের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে চেয়েছে। বড় ধরনের দুই একটি অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা ঘটেছে, সেটার জন্য আমরা দুঃখিত, মর্মাহত।
“ছাড়া যানজট বলেন…মানুষের ঘণ্টার পর ঘণ্টা অথবা যানবাহনের অভাবে বাড়ি যেতে পারছে না, ঈদের দিনও রাস্তায় কেটেছে, এরকমও ছিল। এর আগে আমরা মনে করছি যে কোনো সময়ের চেয়ে দেড় কোটি মানুষ নিরাপদে, স্বস্তিতে বাড়ি ফিরতে সক্ষম হয়েছে।”
ঈদ যাত্রায় এবার ৩০০ মৃত্যুর খবর সঠিক নয় জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, “নিহত নিয়ে যেটা বলেছেন, আমার মনে হয় যে আপনাদের পরিসংখ্যানটার সাথে আমার দ্বিমত হবে। আমরা বিআরটিএ, রোডস এন্ড হাইওয়ে অথরিটি সবকিছু মিলে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে কোন দুর্ঘটনা ঘটলে আমরা তথ্য উপাত্ত কালেক্ট করি।”
তার হাতে থাকা মৃত্যুর তথ্য তুলে ধরে রবিউল আলম বলেন, “এবার মৃত্যুর সংখ্যা হচ্ছে রোড দুর্ঘটনা, সড়ক এবং নৌপথে যে দুর্ঘটনাটা ঘটেছে ১৭০ জন আমার কাছে তার মধ্যে মহাসড়কে ৪৭ জন, ২৮ জন নৌপথে আর ১৭ জন সম্ভবত হচ্ছে রেলপথে। আর বাকিগুলো এলজিআরডি সড়ক বা অন্যান্য দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন।”

আপনার মতামত লিখুন