খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ১৭ বৈশাখ, ১৪৩৩

প্রবাসীর স্ত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব দিতে গিয়ে পুলিশ সদস্য আটক

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৪৬ অপরাহ্ণ
প্রবাসীর স্ত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব দিতে গিয়ে পুলিশ সদস্য আটক
শেয়ার করুন

নীলফামারীর ডোমারে দুই সন্তানের জননী এক প্রবাসীর স্ত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব দিতে গিয়ে আটক হয়েছেন আতিকুর রহমান নামে এক পুলিশ সদস্য। তিনি নীলফামারী পুলিশ লাইন্সে কনস্টেবল পদে কর্মরত।

 

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে ডোমার সদর ইউনিয়নের হুজুরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে গিয়ে বিয়ের প্রস্তাব দিলে পরিবারের লোকজন তাকে আটক করে রাখে। পরে রাত ১১টার দিকে মুচলেকা নিয়ে ডোমার থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে।

 

 

আটক আতিকুর রহমান কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার খলিলগঞ্জ হরিরামপুর এলাকার হোসেন আলীর ছেলে। এর আগে তিনি ডোমার থানায় কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

 

জানা গেছে, ডোমার থানায় কর্মরত থাকার সময় আতিকুরের সঙ্গে ওই নারীর শ্বশুরবাড়ির লোকজনের পরিচয় ও সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে ‘ধর্ম বাবা-মা’ সম্পর্ক তৈরি হয়। সেই সুবাদে বাড়িতে যাতায়াতের সময় প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে তার যোগাযোগ শুরু হয়। পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে আলাপ হতো।

 

 

প্রায় চার মাস আগে পারিবারিক সমস্যার কারণে ওই নারী আতিকুরের সঙ্গে নীলফামারী আদালতে আইনি পরামর্শ নিতে যান। বিষয়টি জানাজানি হলে শ্বশুরবাড়িতে বিরোধ সৃষ্টি হয় এবং এরপর থেকে ওই নারী বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন।

 

ভুক্তভোগীর স্বজনরা জানান, শুক্রবার জুমার নামাজের পর সমঝোতার মাধ্যমে তাকে শ্বশুরবাড়িতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছিল। এ সময় আতিকুর সেখানে উপস্থিত হয়ে তাকে শ্বশুরবাড়িতে না পাঠিয়ে নিজের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেন। এতে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পরিবারের সদস্যরা তাকে একটি ঘরে আটকে রাখেন।

 

প্রবাসীর স্ত্রী বলেন, “শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে আতিকুরের যোগাযোগ থাকায় তার যাতায়াত ছিল। সেখান থেকেই আমাদের মধ্যে কথা বলা শুরু হয়। আমি আমার সংসারের সমস্যা তার সঙ্গে শেয়ার করতাম। পরে আইনি পরামর্শ নিতে তার সঙ্গে আদালতে গেলে বিষয়টি নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়। এখন আমি বাবার বাড়িতে আছি। আমার সংসার ভেঙে গেলে এর দায় আতিকুরকেই নিতে হবে।”

 

মেয়েটির শ্বশুর জানান, আতিকুর তাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলে বাড়িতে যাতায়াত করতেন। চার মাস আগে ওই নারীকে নিয়ে বাইরে যাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। এরপর থেকে তাদের সঙ্গে তার যোগাযোগ বন্ধ থাকলেও আতিকুর নিজ থেকেই বাড়িতে যাতায়াত করতেন।

 

অভিযুক্ত আতিকুর রহমান বলেন, “শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে সম্পর্ক থাকার কারণে আমি তাদের খোঁজ নিতে যেতাম। মেয়েটির দাম্পত্য সমস্যা থাকায় আমি বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলাম। এ সময় কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তারা আমাকে আটকে রাখে।”

 

ডোমার সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুম আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আটক পুলিশ সদস্য বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে ওই নারীর বাড়িতে গিয়েছিলেন। পরে পরিবারের লোকজন তাকে আটকে রেখে মুচলেকা নিয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

 

নীলফামারী পুলিশ লাইন্সের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (আরআই) মো. বদিউজ্জামান জানান, “আতিকুর রহমান শুক্রবার রোল কলে অনুপস্থিত ছিলেন। পরে তিনি শনিবার সকালে যোগদান করেন। আমরা শুনেছি, তাকে ডোমার থানা পুলিশ উদ্ধার করেছে।”

ইনুকে ‘টেনশন না করতে’ বলা সেই দুই পুলিশ সদস্য শাস্তির মুখে

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:০৬ পূর্বাহ্ণ
ইনুকে ‘টেনশন না করতে’ বলা সেই দুই পুলিশ সদস্য শাস্তির মুখে
শেয়ার করুন

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী হাসানুল হক ইনুকে টেনশন না করতে বলা কনস্টেবল জামালসহ দুজনকে নিরাপত্তার দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করেছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে ডিএমপি কমিশনার বরাবর চিঠি পাঠানো হয়েছে।

 

 

বুধবার (২৯ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ডেপুটি রেজিস্টার মাহমুদুল হাসান স্বাক্ষরিত চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।

 

চিঠিতে ডিএমপি থেকে প্রেষণে ট্রাইব্যুনালে কর্মরত কনস্টেবল মো. জামাল হোসেন ও কনস্টেবল মো. সোলাইমান হোসেনের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ তদন্ত করে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।

 

এতে বলা হয়, ২৯ এপ্রিল মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলার আসামি হাসানুল হক ইনুকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এজলাস থেকে হাজতখানায় আনা-নেওয়ার পথে বিভিন্ন ধরনের শৃঙ্খলাবহির্ভূত আলাপ করেন কনস্টেবল জামাল ও কনস্টেবল সোলাইমান। এ ঘটনায় ধারণকৃত ভিডিও ফুটেজে দৃশ্যমান তাদের শৃঙ্খলাবহির্ভূত আচরণে ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তা বিঘ্নসহ বিচারিক কার্যক্রমে হুমকির সৃষ্টি হয়েছে। এমতাবস্থায় তাদের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ তদন্তপূর্বক বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণক্রমে ট্রাইব্যুনালকে অবগত করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

 

 

ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর এজলাসকক্ষ থেকে ইনুকে হাজতখানায় নিচ্ছেন দুজন পুলিশ সদস্য। এ সময় তাদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। একপর্যায়ে দুই পুলিশ সদস্যকে বলতে শোনা যায়, ‘টেনশন কইরেন না, আমরা আছি তো স্যার।’

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যাসহ আট অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বিচার চলছে ইনুর। ষষ্ঠ দিনের মতো আজও তার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী। এ মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ৪ মে দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল-২।

রাজধানীতে জঙ্গি সন্দেহে চারজন গ্রেপ্তার, অস্ত্র-ড্রোন-জিহাদি বই উদ্ধার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ২:১৭ পূর্বাহ্ণ
রাজধানীতে জঙ্গি সন্দেহে চারজন গ্রেপ্তার, অস্ত্র-ড্রোন-জিহাদি বই উদ্ধার
শেয়ার করুন

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর ও কেরানীগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি, জিহাদি বই, ড্রোনসহ বিস্ফোরক দ্রব্য ও সামরিক পোশাক উদ্ধার করা হয়েছে।

 

 

পুলিশের দাবি, তারা বাংলাদেশের অখণ্ডতা, সংহতি, জননিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করার পরিকল্পনা করছিলেন।

 

 

গ্রেপ্তার চারজন হলেন মো. ইমরান চৌধুরী (২৯), মো. মোস্তাকিম চৌধুরী (২৫), রিপন হোসেন শেখ (২৮) ও আবু বক্কর (২৫)। ইমরান ও মোস্তাকিম আপন ভাই এবং তাদের গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায়। রিপনের বাড়ি নওগাঁর রাণীনগর উপজেলায় এবং আবু বক্করের বাড়ি রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের রূপনগর এলাকায়।

 

গত সোমবার দিবাগত রাত থেকে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত পৃথক অভিযানে তাদের আটক করা হয়। মামলার এজাহার অনুযায়ী, সোমবার দিবাগত রাত ৩টা ৫ মিনিটে কামরাঙ্গীরচরের তারা মসজিদ-সংলগ্ন কয়লাঘাট এলাকার একটি বাসা থেকে ইমরানকে গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার সকাল পৌনে ৬টার দিকে কেরানীগঞ্জের জিয়ানগর এলাকা থেকে মোস্তাকিমকে এবং সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে কামরাঙ্গীরচরের রসুলপুর শিকসন ব্রিজ-সংলগ্ন এলাকা থেকে রিপন ও আবু বক্করকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

 

পুলিশ সূত্র জানায়, গ্রেপ্তারকৃতরা মিয়ানমারকেন্দ্রিক রোহিঙ্গাদের সশস্ত্র সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) সঙ্গে জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করা হচ্ছে। তারা রাজধানীতে সংঘবদ্ধ হয়ে বিভিন্ন স্থানে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ও গুপ্ত হামলার পরিকল্পনা করেছিলেন। এ লক্ষ্যে অস্ত্র, গুলি, ড্রোন ও অন্যান্য সরঞ্জাম সংগ্রহ করেন তারা। উদ্ধার করা সামরিক পোশাকগুলো আরসার বলে পুলিশের ধারণা। তবে ডিবির আরেকটি সূত্র জানায়, পাকিস্তানভিত্তিক সশস্ত্র সংগঠন তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের (টিটিপি) সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

 

বুধবার সন্ত্রাসবিরোধী আইনে কামরাঙ্গীরচর থানায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে চারজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

 

বিকেলে ডিএমপি সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘তারা বিভিন্ন সন্ত্রাসী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থেকে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন। রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।’ উগ্রবাদীরা হঠাৎ মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘মাথাচাড়া দিচ্ছে এমনটি বলব না, আমি শুধু বলব যারা এসব কাজের সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অতীতেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আগামী দিনে যারা জড়াবে, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

মানুষের আইনের কবর রচনা করে কোরআনের আইন প্রতিষ্ঠা করতে হবে

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:০৬ অপরাহ্ণ
মানুষের আইনের কবর রচনা করে কোরআনের আইন প্রতিষ্ঠা করতে হবে
শেয়ার করুন

বাংলাদেশে মানুষের তৈরি করা আইনের ‘কবর[’ রচনা করে কোরআনের আইন প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান।

 

 

বুধবার (২৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি জানান।

 

তিনি বলেছেন, আমাদের ফখরুল ইসলাম সাহেব (বিএনপি মহাসচিব) বলেছিলেন, ‘আমরা শরিয়তের আইন বিশ্বাস করি না’। পরে অবশ্য আত্মসমর্পণ করে নির্বাচনের আগে বলেছেন শরিয়তের বিরুদ্ধে আমরা কোনো আইন পাস করবো না। ধন্যবাদ উনাকে, অন্তত তওবা করে ফিরে এসেছেন।

 

তিনি বলেন, আমরা আল্লাহর আইন চাই। আপনারা (বিএনপি) আল্লাহর আইনের বিরোধিতা করবেন না বলেছেন। অতএব আসুন, বাংলাদেশে মানুষের আইনের কবর রচনা করে কোরআনের আইন প্রতিষ্ঠা করি।

 

দেশে ইসলামী আইন চালু করার জন্য একটি ইসলামী বোর্ড গঠন করারও আহ্বান জানান জামায়াতের এ সংসদ সদস্য। এ জন্য তিনি মাদ্রাসা থেকে পাস করা সংসদ সদস্য এবং সংসদের বাইরে যত মাযহাবের আলেম আছেন, তাঁদের নিয়ে এ বোর্ড গঠন করার পরামর্শ দেন। তার মতে এ বোর্ড ইসলামী আইন চালু করার পরামর্শ দেবে এবং দেশে সেই আইন কার্যকর হবে।

 

তিনি বলেন, সংসদ ভবনে ‘আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা ও ঈমান’ লেখা আছে। তাই আইনের উৎস হওয়া উচিত আল কোরআন। তার ভাষায়, ‘কোরআনের বিধান বাংলাদেশে চালু হওয়া উচিত ছিল।’

 

মুজিবুর রহমান বলেন, দেশের ‘অধিকাংশ মানুষ’ কোরআনে বিশ্বাস করে এবং কোরআনের বিধান প্রতিষ্ঠা করা ‘তাদের দাবি’উল্লেখ করে জামায়াতে ইসলামীর এই নেতা বলেন, পবিত্র কোরআনের ৬ হাজার ৬৬৬টি আয়াতের মধ্যে ১ হাজার আয়াত আছে ‘হ্যাঁ–বোধক’ আইন। ১ হাজার আয়াত আছে না বোধক। এগুলো বাংলাদেশে কায়েম করতে হবে।

 

জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, সূরা হজের ৪১ নম্বর আয়াতের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।

 

কোরআনের আয়াতের অনুবাদ করে তিনি বলেন, যারা রাষ্ট্রক্ষমতা পাবে তারা দেশে নামাজ চালু করে মানুষের চরিত্র ভালো করে দেবে এবং যাকাত চালু করে মানুষের ক্ষুধা, দারিদ্র্য, বেকারত্ব দেশ থেকে বিতাড়িত করবে। ভালো কাজ করে মানুষকে শান্তিতে থাকতে দেবে, খারাপ কাজ বন্ধ করে অশান্তির আগুন থেকে মানুষকে রক্ষা করবে।

 

মুজিবুর রহমান বলেন, কিন্তু দুর্ভাগ্য আওয়ামী লীগ এসেছে ছয়বার, বিএনপি পাঁচবার, জাতীয় পার্টি দুইবার- এতগুলা সরকার এলেও জাতীয় সংসদে কোরআনের একটি আইনও চালু করে নাই। আমরা এদেশে কোরআনের আইন চালু করে মানুষকে মুক্তি দেবো। আমি প্রধানমন্ত্রীকে বলবো, আপনাকেও জিজ্ঞাসা করা হবে আমাকেও করা হবে, বাংলাদেশে কেন নামাজ চালু করা হলো না? কেন যাকাত চালু করে ক্ষুধা, দারিদ্র, বেকারত্ব দেশ থেকে দূর করা হলো না? কেন ভালো কাজ চালু করে মানুষকে শান্তিতে থাকতে দেওয়া হলো না? কেন খারাপ কাজগুলো বন্ধ করে অশান্তি থেকে মানুষকে রক্ষা করা হলো না?

 

মুজিবুর রহমান বলেন, ‘টিকিট বিক্রির একটা কথা হয়েছে। কোরআনের একটি আয়াতকে কেন্দ্র করে ভুল–বোঝাবুঝি হচ্ছে। আল্লাহ–তাআলা সূরা তওবার ১১১ নম্বর আয়াতে বলেছেন, আল্লাহ–তাআলা জানমালকে কিনে নিয়েছেন জান্নাতের বিনিময়ে। এটা আল্লাহর কথা, আপনি জানমাল দেবেন, জান্নাতে যেতে পারবেন। জানমাল আল্লাহর পথে দেবেন না, আপনার কপালে জান্নাত হবে না।’

 

জামায়াতে ইসলামীর এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘আমি চ্যালেঞ্জ দিলাম, জামায়াতে ইসলামীর কোন নেতা বলেছে, আমার কাছে জান্নাতের টিকিট আছে, বিক্রি করছি? মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে জবাব দিতে হবে, কেন তিনি এটা বলছেন।’