খুঁজুন
, ,

সহযোগীদের খবর

ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরাকে ঘিরে কলকাতায় জড়ো হচ্ছেন আওয়ামী লীগ নেতারা

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:৩৮ অপরাহ্ণ
ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরাকে ঘিরে কলকাতায় জড়ো হচ্ছেন আওয়ামী লীগ নেতারা
শেয়ার করুন

গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে পশ্চিমা বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের নেতারা ভারতে ফিরতে শুরু করেছেন। তাদের অনেকে কলকাতায় জড়ো হচ্ছেন। হাসিনার সঙ্গে দেশে ফেরার আশায় সেখানে অবস্থান করছেন তারা। এদিকে, বিদেশে থাকা আরও অনেক নেতা-কর্মী হাসিনার ফেরার দিন বাংলাদেশে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

কলকাতায় দুই বছরের বেশি সময় ধরে অবস্থান করা আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর দুই সদস্য, একজন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং দুই সাংগঠনিক সম্পাদক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বলে জানিয়েছে টাইমস অব বাংলাদেশ।

 

বুধবার অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ইচ্ছার কথা আবারও জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, দেশে ফিরলে তাকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে, এমনকি তার মৃত্যুদণ্ডও কার্যকর হতে পারে।

 

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত বা যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা চাইবেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে হাসিনা জানান, কোনো বিদেশি শক্তির কাছে তিনি সহায়তা চাননি। গ্রেপ্তার কিংবা মৃত্যুদণ্ড—যে পরিণতিই অপেক্ষা করুক, তা মেনে নিতে প্রস্তুত তিনি।

আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নভেম্বরের মাঝামাঝি অথবা মাসের শেষ দিকে পশ্চিমা গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের নিয়ে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন করতে পারেন শেখ হাসিনা। লন্ডনে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে তিনি যুক্ত হবেন। সেখান থেকেই দেশে ফেরার তারিখ ও পরিকল্পনার রূপরেখা ঘোষণা করতে পারেন তিনি। এ ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছেন দলটির নেতাকর্মীরা।

 

লন্ডনে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের এক নেতা জানিয়েছেন, সংবাদ সম্মেলনের প্রস্তুতি শেষ হলে আগামী সপ্তাহে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

 

কলকাতায় যারা অবস্থান করছেন

সম্প্রতি পশ্চিমা বিভিন্ন দেশ থেকে কলকাতায় আসা আওয়ামী লীগ নেতারা সেখানে আগে থেকে অবস্থানরত জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক করছেন। পাশাপাশি অংশ নিচ্ছেন একাধিক সাংগঠনিক সভায়। এসব বৈঠকে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, জাহাঙ্গীর কবির নানক, এ কে এম মোজাম্মেল হক ও মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া; যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ এফ এম বাহাউদ্দিন নাছিম; সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল; মির্জা আজম; সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী; সুজিত রায় নন্দী এবং কেন্দ্রীয় নেতা শেখ হেলাল উদ্দিন অংশ নিচ্ছেন।

 

এ ছাড়া সাবেক সংসদ সদস্য মৃণাল কান্তি দাস, অসীম কুমার উকিল, আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিম ও নিজাম উদ্দিন হাজারীও এসব বৈঠকে রয়েছেন। বৈঠকগুলোতে বিভিন্ন সাংগঠনিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

 

সম্প্রতি কলকাতায় পৌঁছেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবদুর রহমান, সাবেক মন্ত্রী ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, নারায়ণগঞ্জের সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমান এবং ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লিয়াকত সিকদার।

 

আবদুর রহমান বলেন, ‘সবাই সেখানে অবস্থান করছেন। নেত্রীর দেশে ফেরার সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন।’

 

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘বিদেশে থাকা কয়েক হাজার নেতাকর্মী একসঙ্গে দেশে ফেরার জন্য প্রস্তুত। সবাই শেখ হাসিনার ঘোষণার অপেক্ষায় আছেন।’

 

শামীম ওসমান বলেন, ‘দেশের মানুষ শেখ হাসিনাকে চায় এবং তার ফেরার অপেক্ষায় রয়েছে। হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থককে সঙ্গে নিয়ে তিনি দেশে ফিরবেন। সবাই এক জায়গায় আসছেন এবং এ জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।’

 

সহযোগী সংগঠনের নেতারাও কলকাতায়

শেখ হাসিনার দেশে ফেরাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোর শীর্ষ নেতাদেরও কলকাতায় অবস্থান করতে দেখা যাচ্ছে। বৈঠকগুলোতে যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল অংশ নিচ্ছেন। ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানও রয়েছেন তাদের সঙ্গে।

 

দলীয় কর্মসূচি ও সাংগঠনিক তৎপরতা নিয়ে এসব নেতার মধ্যে আলোচনা হচ্ছে। তাদের পাশাপাশি বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরাও কলকাতায় অবস্থান করছেন।

বিভিন্ন দেশে রয়েছেন আরও যেসব নেতা

সাবেক মন্ত্রী এস এম রেজাউল করিম লন্ডন ও কলকাতার মধ্যে যাতায়াত করছেন। সাবেক মন্ত্রী এনামুল হক শামীম, সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবু, কেন্দ্রীয় প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম এবং সাবেক মন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন।

 

সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন রয়েছেন লন্ডনে। হাসান মাহমুদ চৌধুরী বেলজিয়ামে এবং নসরুল হামিদ বিপু থাইল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তারাও যেকোনো সময় কলকাতায় ফিরতে পারেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

 

এর আগে নেপালে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের নেতারা নানা সমস্যার কারণে সেখান থেকে ভারতসহ বিভিন্ন দেশে চলে যান। তারাও কলকাতা হয়ে বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনা করছেন।

 

পাসপোর্ট বা ট্রাভেল পাস না দেওয়ার ঘোষণা, বিকল্প ব্যবস্থার কথা

সরকারের এক ঘোষণার পর শেখ হাসিনার দেশে ফেরার প্রক্রিয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, সরকার শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস বা পাসপোর্ট দেবে না। সরকারের এ ঘোষণার পর পাসপোর্ট বা ট্রাভেল পাস ছাড়া তিনি কীভাবে দেশে ফিরবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

 

তবে আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, দেশে ফেরার বিকল্প ব্যবস্থা তাদের রয়েছে। যদিও সেই ব্যবস্থা কী, তা প্রকাশ করতে রাজি নন তারা।

 

লন্ডনে অবস্থানরত সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলেছেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে সরকার পাসপোর্ট বা ট্রাভেল পাস না দিলেও তিনি ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন। তার ফেরার পথে বাধা দেওয়া হলে সরকার অস্তিত্ব সংকটে পড়বে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

 

দেশে থাকা নেতাকর্মীদের রাজপথে নামার নির্দেশ

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের পাশাপাশি বিভিন্ন জেলার নেতা-কর্মীদেরও অনেকে কলকাতায় অবস্থান করছেন। দলটির কয়েক শ নেতাকর্মী ইতিমধ্যে বাংলাদেশে ফিরে এসেছেন। তারা প্রকাশ্যে না এসে গোপনে সাংগঠনিক কর্মসূচি বাস্তবায়নের কাজ করছেন। নিজ নিজ এলাকার কর্মীদের সঙ্গে অনলাইনে যোগাযোগ রাখছেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিচ্ছেন।

 

দলটির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব দেশে থাকা নেতাকর্মীদের শেখ হাসিনার দেশে ফেরার দিন একযোগে রাজপথে নামার নির্দেশ দিয়েছে। তবে এ কর্মসূচির বিস্তারিত পরিকল্পনা এখনো প্রকাশ করা হয়নি। কয়েকজন জেলা পর্যায়ের নেতা জানিয়েছেন, শেখ হাসিনা নিজেই এ বিষয়ে বিস্তারিত ঘোষণা দেবেন।

 

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকলেও দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মী এবং সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোর সদস্যরা অনলাইনে সক্রিয় রয়েছেন। রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে ঝটিকা মিছিলের চেষ্টা, পুলিশের ওপর হামলা, ককটেল বিস্ফোরণ এবং পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনে উসকানিসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে তাদের জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

বিএনপির কর্মসূচিতে বেজে উঠল ‘বঙ্গবন্ধুর কন্যা তুমি বাংলাদেশের নেতা’

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:৩৮ অপরাহ্ণ
বিএনপির কর্মসূচিতে বেজে উঠল ‘বঙ্গবন্ধুর কন্যা তুমি বাংলাদেশের নেতা’
শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগর বিএনপির ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত প্রচারণায় বেজে ওঠে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে লেখা ‘বঙ্গবন্ধুর কন্যা তুমি বাংলাদেশের নেতা’ গানটি।

শনিবার (৭ নভেম্বর) ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে চট্টগ্রাম নগরের বিভিন্ন এলাকায় মাইকে দলীয় গান ও ভাষণ প্রচারের কর্মসূচি নেয় নগর বিএনপি। সকাল থেকে আগ্রাবাদেও মাইকে গান বাজানো হচ্ছিল। একপর্যায়ে সেখানে শেখ হাসিনাকে নিয়ে লেখা গানটি বেজে ওঠে।

মাইকে গানটি বাজানোর ৩৬ সেকেন্ডের একটি ভিডিও দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ বলছে, বিএনপির কর্মসূচিতে অসতর্কতাবশত গানটি বেজে উঠেছিল। তবে বিএনপির নেতারা জানিয়েছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিওটি দেখলেও ঘটনার বিস্তারিত তাদের জানা নেই।

ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, মাইকে ‘বঙ্গবন্ধুর কন্যা তুমি বাংলাদেশের নেতা’ গানটি বাজছে। পাশের সড়কে চলাচল করছে রিকশা, অটোরিকশা, সাইকেলসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন।

চট্টগ্রাম নগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক (দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত) শওকত আজম খাজা গণমাধ্যমে বলেন, ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে নগরের বিভিন্ন এলাকায় মাইকে দলীয় গান ও ভাষণ প্রচারের কর্মসূচি ছিল। আগ্রাবাদে দলের কর্মসূচিতে অন্য দলের গান বাজানোর একটি ভিডিও তার নজরে এসেছে। তবে কারা গানটি বাজিয়েছেন, তা এখনো নিশ্চিত হতে পারেননি।

ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফ ফয়সাল গণমাধ্যমে বলেন, বিএনপির কর্মসূচিতে অন্য একটি গান বাজানোর ভিডিও তাদের নজরে এসেছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কর্মসূচির আয়োজকদের সঙ্গে কথা বলেছে। আয়োজকেরা জানিয়েছেন, ইউটিউব থেকে দলীয় গান বাজানো হচ্ছিল। একের পর এক গান চলার মধ্যেই এক পর্যায়ে ওই গানটি বেজে ওঠে। তবে দ্রুত গানটি বন্ধ করে দেয়া হয়। ইচ্ছাকৃতভাবে গানটি বাজানো হয়নি।

প্রতি ইউনিয়নে নিয়োগ দেওয়া হবে নারী গ্রাম পুলিশ, থাকবে ৬ মাসের মাতৃত্বকালীন ছুটি

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
প্রতি ইউনিয়নে নিয়োগ দেওয়া হবে নারী গ্রাম পুলিশ, থাকবে ৬ মাসের মাতৃত্বকালীন ছুটি
শেয়ার করুন

নারীর ক্ষমতায়ন ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর উদ্যোগের অংশ হিসেবে প্রতিটি ইউনিয়নে নতুন করে দুজন নারী গ্রাম পুলিশ নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে নারী গ্রাম পুলিশের মাতৃত্বকালীন ছুটি ছয় মাস করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

 

আজ শনিবার (৭ নভেম্বর) রাজধানীর জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে গ্রাম পুলিশ মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ ঘোষণা দেন।

 

এ সময় গ্রাম পুলিশের পরিচয় পরিবর্তনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মহল্লাদার হচ্ছেন গ্রাম পুলিশ এবং দফাদার হচ্ছেন গ্রাম পুলিশ প্রধান।’

 

তিনি বলেন, জনগণের নিরাপত্তা বিধানে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে গ্রাম পুলিশ সক্রিয় ভূমিকা রাখছে। তৃণমূল পর্যায়ে কোথায় কী ঘটছে, কারা অপরাধে যুক্ত হচ্ছে কিংবা কোথায় পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা রয়েছে, এসব বিষয়ে গ্রাম পুলিশের আগাম তথ্য পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগের মাধ্যমে তারা জনগণের নিরাপত্তায় তাৎক্ষণিক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি গভীরভাবে বিশ্বাস করি দেশের প্রতিটি গ্রাম বা প্রতিটি ইউনিয়ন নিরাপদ থাকলে বাংলাদেশ নিরাপদ থাকবে। তৃণমূল জনগোষ্ঠীর শান্তি ও স্বস্তি থাকলে বাংলাদেশ শান্তি ও স্বস্তিতে থাকবে।’

 

গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গ্রাম পুলিশকে আরও কঠোরভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও অর্থনীতি এখনো গ্রামীণ জীবনের বাস্তবতাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠছে। একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর শান্তি, নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিশ্চিত করা জরুরি।

সাংবাদিকদের প্রতিবাদের মুখে চট্টগ্রামের অনুষ্ঠান থেকে পরীমনি বাদ

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:২০ অপরাহ্ণ
সাংবাদিকদের প্রতিবাদের মুখে চট্টগ্রামের অনুষ্ঠান থেকে পরীমনি বাদ
শেয়ার করুন

সমালোচিত ও বিতর্কিত নায়িকা পরীমনি সম্প্রতি এক সাংবাদিককে প্রকাশ্য গালাগাল ও অপদস্থ করার ঘটনায় ফুঁসে উঠেছে চট্টগ্রামের সাংবাদিক সমাজ৷ আগামী ২৮ নভেম্বর চট্টগ্রামের একটি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে পরীমনির অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও চট্টগ্রামের সাংবাদিকদের প্রতিবাদের মুখে অনুষ্ঠানটি থেকে পরীমনিকে বাদ দিয়েছেন আয়োজকরা।

 

জানা গেছে, গতকাল পরীমনি তার ভেরিফাইড ফেসবুক আইডিতে চট্টগ্রামের CFVA এর একটি অনুষ্ঠানের পোষ্টার পোস্ট করে লিখেছিলেন, “দেখা হচ্ছে প্রিয় চট্টগ্রাম।” সেই পোষ্টারের মধ্যমনি হিসেবে পরীমনির ছবি দেখা গেছে৷

 

আগামী ২৮ নভেম্বর চট্টগ্রামের একটি কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিতব্য এই ইভেন্টে পরীমনি’র অংশ নেওয়ার খবরে সর্বত্র প্রতিবাদের ঝড় উঠে৷ বিশেষ করে চট্টগ্রামে কর্মরত পেশাদার সাংবাদিকরা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন৷ একজন সাংবাদিককে প্রকাশ্য অপদস্থ করার পর সেই বিতর্কিত নায়িকাকে চট্টগ্রামের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত জানানোয় পুরো আয়োজনটি বয়কট ও প্রতিহত করার ঘোষনা আসে চট্টগ্রামের একাধিক সাংবাদিক সংগঠন থেকে৷

 

এই প্রতিবাদের মুখে আয়োজক সংস্থা তাদের অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান থেকে বিতর্কিত নায়িকা পরীমনিকে বাদ দেয়ার স্বিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সেই সাথে পরীমনির ছবি বাদ দিয়ে অনুষ্ঠানের নতুন পোস্টার প্রকাশ করেছে আয়োজকরা৷

 

অনুষ্ঠানটির আয়োজকদের একজন বিডি২৪লাইভকে বলেন, ঢাকা আদালত প্রাঙ্গনে সাংবাদিকের সাথে ঘটনাটির অনেক আগেই শিল্পীর (পরীমনি) সাথে চুক্তি হয়েছিল আয়োজক কমিটির। তবে গণমাধ্যম কর্মীকে অসম্মান করার কারণে এবং চট্টগ্রামের সর্বস্থরের সাংবাদিকদের প্রতিবাদের মুখে আয়োজক কমিটি গণমাধ্যম কর্মীদের দাবির সমর্থন জানিয়ে এই ইভেন্ট থেকে পরীমনিকে বাদ দিয়েছে৷