খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ১৭ বৈশাখ, ১৪৩৩

নির্বাচনের জন্য যারা তাড়াহুড়ো করে তাদের কর্মকাণ্ড মানুষ জানে

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ মে, ২০২৫, ৯:২৮ অপরাহ্ণ
নির্বাচনের জন্য যারা তাড়াহুড়ো করে তাদের কর্মকাণ্ড মানুষ জানে
শেয়ার করুন

ইসলামী আন্দোলনের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আগামী বছরের জুনের মধ্যে নির্বাচন দেবে। তার আগে প্রয়োজনীয় সংস্কারগুলো তারা করবে। কিন্তু একটি দল এ বছরের ডিসেম্বরেই নির্বাচন চান। যারা নির্বাচনের জন্য তাড়াহুড়ো করে তাদের ইতিহাস ও বর্তমান কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের মানুষ জানে ও দেখছে।

তিনি বলেন, জুলাই আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছে। আহত হয়ে অনেকেই এখনো হাসপাতালের বিছানায় কাতরাচ্ছেন। অনেক ছেলে অন্ধ হয়ে গেছে। তাই আগে সংস্কার করতে হবে। কিন্তু ইদানীং বিচার ও সংস্কারের চেয়ে নির্বাচনের কথা বেশি শুনি। সরকারের পক্ষ থেকে তো বলা হয়েছে, জুনের মধ্যে নির্বাচন, তাহলে এত তাড়াহুড়ো কেন?

মঙ্গলবার (২৭ মে) বিকেলে ঠাকুরগাঁও জেলা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আয়োজনে শহরের আর্টগ্যালারি ৭১ অপরাজয় মাঠে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত গণহত্যার বিচার সংখ্যানুপাতিক (পিআর) পদ্ধতিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন, বিতর্কিত নারী সংস্কার কমিশন বাতিল ও ইসলামভিত্তিক কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে এক জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা আমাদের আক্ষেপ করে বলেছেন, আমি তো এই লাইনে নতুন, ৫ আগস্টের পরে দেশে কাজ করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের কারণে কাজ করতে পারছি না। তাই সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। আমরা বলেছি, আপনি কাজ করেন, আমরা আপনার সঙ্গে আছি। শুধু আমরা নই, দেশের মানুষও আপনার সঙ্গে আছে। তাই যতই ষড়যন্ত্র করুক না কেন লাভ নেই।

তিনি বলেন, মুগ্ধর সেই পানি পানি শব্দ এখনো আমাদের কানে ভাসছে। রাজপথ রক্তে রঞ্জিত হয়েছে। শত শত মানুষ চোখ হারিয়েছে, পঙ্গুত্ববরণ করেছে। তখন ইসলামী আন্দোলনসহ সহযোগী সংগঠনগুলো দেশের নিরাপত্তা ও সংখ্যালঘুদের জানমালের নিরাপত্তার জন্য দায়িত্ব পালন করেছি।

সংগঠনটির ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা মুহাম্মাদ হাফিজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব প্রকৌশলী মুহম্মাদ আশরাফুল আলম, কেন্দ্রীয় ইসলামী যুব আন্দোলনের সেক্রেটারি জেনারেল মুফতি মানসুর আহমাদ সাকী, কেন্দ্রীয় ছাত্র আন্দোলনে সেক্রেটারি জেনারেল শেখ মাহাবুবুর রহমান নাহিয়ান, কেন্দ্রীয় শ্রমিক আন্দোলনের তথ্যপ্রযুক্তি ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক হাফেজ মাওলানা মুহাম্মাদ আনিছুর রহমান প্রমুখ।

হাতির পায়ে পিষ্ট মা-মেয়ে, দৌড়ে বাঁচলেন বাবা-ছেলে

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৪২ অপরাহ্ণ
হাতির পায়ে পিষ্ট মা-মেয়ে, দৌড়ে বাঁচলেন বাবা-ছেলে
শেয়ার করুন

ভোরে বাড়ির আশপাশে হঠাৎ বিকট শব্দ। আতঙ্কে দুই শিশুসন্তানকে নিয়ে ঘর থেকে বের হলেন মো. একরাম মিয়া ও আছমা বিবি। দেখলেন, তিনটি হাতি আশপাশে চালাচ্ছে ভাঙচুর। এরপর এগিয়ে আসতে থাকে একরাম ও আছমার দিকে। ছয় বছরের ছেলে রেহানকে নিয়ে দৌড়ে পালালেন একরাম। তবে হাতির পায়ে পিষ্ট হলেন তার স্ত্রী আছমা ও তিন বছরের মেয়ে ছেমন।

আজ বৃহস্পতিবার ভোর ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে কক্সবাজারের রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের পশ্চিম খুনিয়াপালং এলাকায়। আক্রান্ত দম্পতি রোহিঙ্গা। পশ্চিম খুনিয়াপালং এলাকায় বন বিভাগের জমিতে ঘর তুলে থাকছিলেন তারা।

খুনিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জয়নাল আবেদিন বাবুল নিশ্চিত করেছেন এসব তথ্য।

স্থানীয় বেলাল উদ্দিন জানালেন, ভোরের দিকে তিনটি বুনো হাতি ঢুকে পড়ে লোকালয়ে। সৈয়দ কলোনির কয়েকটি ঘরের সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুর করে এবং আশপাশের গাছপালা উপড়ে ফেলে হাতিগুলো। ঘর থেকে বের হয়েই সেগুলোর সামনে পড়ায় প্রাণ হারান আছমা ও তার শিশুকন্যা।

তার ভাষ্য, কয়েক দিন ধরেই খাবারের সন্ধানে বুনো হাতির পাল খুনিয়াপালং ও দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাফেরা করছে। ‘পুরো অঞ্চলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে, সবাই অনিরাপদ।’

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে ইউপি সদস্য জয়নাল আবেদিন বাবুল বললেন, ‘হাতির পালটি ছিল অত্যন্ত আক্রমণাত্মক। সামনে পড়ায় মা-মেয়ের পালানোর কোনো সুযোগ ছিল না। হাতিরা ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে গাছের আম ও কাঁঠাল খেয়ে পাশের পাহাড়ে চলে যায়।’

বনাঞ্চল উজাড় এবং মানুষের বসতি বিস্তারের কারণে বন্যপ্রাণী ও মানুষের সংঘাত দিন দিন বাড়ছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে এ ধরনের মর্মান্তিক ঘটনা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয় আবদুল মাজেদের।

বন্য হাতির চলাচল নিয়ন্ত্রণে ‘প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা’ নিচ্ছেন কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের ধোয়াপালং রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. তোসাদ্দেক হোসেন।

মা-মেয়ের মরদেহ ময়নাতদন্তের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করার কথা জানিয়েছেন রামু থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ফরিদ। আর ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফজলে রাব্বানী চৌধুরীর।

ভোটের বন্যায় ভাসলেন থালাপতি বিজয়, প্রথম নির্বাচনেই বাজিমাত

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ২:২৬ অপরাহ্ণ
ভোটের বন্যায় ভাসলেন থালাপতি বিজয়, প্রথম নির্বাচনেই বাজিমাত
শেয়ার করুন

তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচন শেষ হতেই এখন নজর সবার বুথফেরত জরিপে। আর সেই জরিপেই সবচেয়ে বড় চমক হয়ে উঠেছেন দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় তারকা থালাপতি বিজয়। রাজনীতিতে প্রথমবার অংশ নিয়েই সম্ভাব্য বড় সাফল্যের আভাস দিচ্ছেন তিনি। ভোটের বন্যায় ভাসলেন থালাপতি বিজয়। বলা যায়, প্রথম নির্বাচনেই করলেন বাজিমাত।

 

নিজের দল ‘তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম’ নিয়ে এবারের নির্বাচনে অংশ নেন বিজয়। শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে ছিলেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্টালিন। তবে নির্বাচনের আগেই বিজয়ের জনসভায় বিপুল সমর্থক উপস্থিতি রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করে।

 

বিভিন্ন সংস্থার বুথফেরত জরিপ বলছে, প্রথমবার ভোটে অংশ নিয়েই বিজয়ের দল পেতে পারে প্রায় ৯৮ থেকে ১২০টি আসন। তার মার্কায় রীতিমতো ভোটের বন্যা বয়ে গেছে। এই পূর্বাভাস বাস্তব হলে তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

 

তবে সব জরিপ একরকম নয়। কিছু সংস্থার মতে, ডিএমকে জোট ১২০ থেকে ১৪৫টি আসন পেয়ে এগিয়ে থাকতে পারে। অন্যদিকে এআইএডিএমকে জোট পেতে পারে ৬০ থেকে ৮০টি আসন। আবার কিছু জরিপে বিজয়ের দলকে তুলনামূলক কম আসনও দেওয়া হয়েছে।

 

 

এর মধ্যেই কামাখ্যা অ্যানালিটিক্সের মতো কিছু জরিপ বিজয়কে ‘কিংমেকার’ হিসেবেও দেখছে। তাদের মতে, ৬৭ থেকে ৮১টি আসন পেলেও সরকার গঠনে বড় ভূমিকা রাখতে পারে তার দল।

 

প্রসঙ্গত, গত ২৩ এপ্রিল তামিলনাড়ুর ২৩৪টি আসনে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, ভোটার উপস্থিতি ছিল ৮২ শতাংশের বেশি যা রাজ্যের রাজনৈতিক আগ্রহেরই প্রমাণ।

 

এখন দেখার বিষয়, বুথফেরত জরিপের এই আভাস বাস্তবে কতটা প্রতিফলিত হয় এবং সত্যিই কি প্রথম নির্বাচনে ইতিহাস গড়তে পারেন থালাপতি বিজয়।

রামুতে বন্য হাতির আক্রমণে মা ও মেয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১০ অপরাহ্ণ
রামুতে বন্য হাতির আক্রমণে মা ও মেয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু
শেয়ার করুন

রামুতে বন্য হাতির তাণ্ডবে একই পরিবারের মা ও মেয়েসহ দুইজন নিহত হয়েছেন।

 

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের পশ্চিম খুনিয়াপালং এলাকার আব্দুল করিমের কলোনীতে এ ঘটনা ঘটে।

 

এলাকাবাসী জানায়, বণ্য হাতির একটি দল ভোর বেলায় আব্দুল করিম কলোনীতে হানা দেয়। এ সময় হাতি দলটির আক্রমনে মা মেয়ের মৃত্যু হয়। এখনও নিহতদের পরিচয় ও ঘটনার বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।