খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ১৭ বৈশাখ, ১৪৩৩

আমিরাতে “উখিয়া প্রবাসী এসোসিয়েশন” এর বর্ণিল অভিষেক

নিজস্ব সংবাদ দাতা
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৯:০০ অপরাহ্ণ
আমিরাতে “উখিয়া প্রবাসী এসোসিয়েশন” এর বর্ণিল অভিষেক
শেয়ার করুন

 

সংযুক্ত আরব আমিরাতে উৎসবমুখর পরিবেশ ও বর্ণিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে “উখিয়া প্রবাসী এসোসিয়েশন” এর যাত্রা শুরু হয়েছে।

এই উপলক্ষে শুক্রবার (০৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টায় বাণিজ্যিক শহর শারজাহর হুদায়বিয়া রেস্টুরেন্ট হল রুমে সংগঠনের সদস্য হাফেজ জাহাঙ্গীর আলমের পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অভিষেক অনুষ্ঠান শুরু হয়।

প্রবাসী এসোসিয়েশনের সহ-সমন্বয়ক জয়নাল আবেদীনের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সমন্বয়ক ইঞ্জিনিয়ার আরিফ সিকদার বাপ্পী।

উখিয়া প্রবাসী এসোসিয়েশনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য জনাব আব্দুল গফুর ভুট্টোর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমিরাতের দুবাই ফ্রুট অ্যান্ড ভেজিটেবল মার্কেটের সফল ব্যবসায়ী, উখিয়ার কৃতি সন্তান জনাব আনোয়ারুল ইসলাম বাবুল।

প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে উখিয়া প্রবাসীদের ব্যতিক্রমধর্মী এই আয়োজনের প্রশংসা করে বলেন—“নিঃসন্দেহে সুন্দর ও চমৎকার এ আয়োজন দেখে বোঝা যায় উখিয়া প্রবাসীরা সংগঠিত ও ঐক্যবদ্ধ।” পাশাপাশি তিনি উখিয়া প্রবাসীদের পাশে থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং আগামী নভেম্বর মাসে উখিয়া প্রবাসীদের নিয়ে মিলনমেলা আয়োজনের প্রতিশ্রুতি দেন। একই সাথে তিনি সবাইকে আমিরাতের আইন-কানুন মেনে চলার আহ্বান জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন:
জনাব মীর জাহাঙ্গীর ইসলাম, মুফিজ আলম, শরীফ জামান, বাবুল হোসাইন, কামাল উদ্দিন, আব্দুল সাত্তার ও রফিক উদ্দিন।

উখিয়াস্থ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মকর্তাদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন:
জনাব মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন, খোরশেদ আলম, মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ, আলম মোহাম্মদ মোস্তফা, কলিম উল্লাহ, হামিদ হোসাইন, খোরশিদ আলম, আমানত উল্লাহ, মনজুর আলম, তারিকুল ইসলাম, আব্দুর রহিম ও আব্দুল আজিজ।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব মফিজ উদ্দিন, মোহাম্মদ সোহেল, ব্যবসায়ী বাবুল আহম্মেদ, মাহবুবুল আলম, দিদারুল আলম, মোহাম্মদ কাশেম, মনজুর আলম, মোহাম্মদ ফারুক ও আলা উদ্দিন।

আলোচনা সভা শেষে সংগঠনের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও প্রশ্নোত্তর পর্ব পরিচালনা করেন জনাব আমানত উল্লাহ।

এ সময় “উখিয়া প্রবাসী এসোসিয়েশন”-এর সদস্যদের পাশাপাশি আবুধাবি, দুবাই, শারজাহ, আজমান, উম্ম আল কোয়াইন, ফুজিরাহ ও রাস আল-খাইমাহসহ আমিরাতের সাতটি প্রদেশ থেকে আগত প্রায় শতাধিক প্রবাসী এবং বিভিন্ন অঙ্গনে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা উপস্থিত ছিলেন।

হাতির পায়ে পিষ্ট মা-মেয়ে, দৌড়ে বাঁচলেন বাবা-ছেলে

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৪২ অপরাহ্ণ
হাতির পায়ে পিষ্ট মা-মেয়ে, দৌড়ে বাঁচলেন বাবা-ছেলে
শেয়ার করুন

ভোরে বাড়ির আশপাশে হঠাৎ বিকট শব্দ। আতঙ্কে দুই শিশুসন্তানকে নিয়ে ঘর থেকে বের হলেন মো. একরাম মিয়া ও আছমা বিবি। দেখলেন, তিনটি হাতি আশপাশে চালাচ্ছে ভাঙচুর। এরপর এগিয়ে আসতে থাকে একরাম ও আছমার দিকে। ছয় বছরের ছেলে রেহানকে নিয়ে দৌড়ে পালালেন একরাম। তবে হাতির পায়ে পিষ্ট হলেন তার স্ত্রী আছমা ও তিন বছরের মেয়ে ছেমন।

আজ বৃহস্পতিবার ভোর ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে কক্সবাজারের রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের পশ্চিম খুনিয়াপালং এলাকায়। আক্রান্ত দম্পতি রোহিঙ্গা। পশ্চিম খুনিয়াপালং এলাকায় বন বিভাগের জমিতে ঘর তুলে থাকছিলেন তারা।

খুনিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জয়নাল আবেদিন বাবুল নিশ্চিত করেছেন এসব তথ্য।

স্থানীয় বেলাল উদ্দিন জানালেন, ভোরের দিকে তিনটি বুনো হাতি ঢুকে পড়ে লোকালয়ে। সৈয়দ কলোনির কয়েকটি ঘরের সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুর করে এবং আশপাশের গাছপালা উপড়ে ফেলে হাতিগুলো। ঘর থেকে বের হয়েই সেগুলোর সামনে পড়ায় প্রাণ হারান আছমা ও তার শিশুকন্যা।

তার ভাষ্য, কয়েক দিন ধরেই খাবারের সন্ধানে বুনো হাতির পাল খুনিয়াপালং ও দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাফেরা করছে। ‘পুরো অঞ্চলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে, সবাই অনিরাপদ।’

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে ইউপি সদস্য জয়নাল আবেদিন বাবুল বললেন, ‘হাতির পালটি ছিল অত্যন্ত আক্রমণাত্মক। সামনে পড়ায় মা-মেয়ের পালানোর কোনো সুযোগ ছিল না। হাতিরা ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে গাছের আম ও কাঁঠাল খেয়ে পাশের পাহাড়ে চলে যায়।’

বনাঞ্চল উজাড় এবং মানুষের বসতি বিস্তারের কারণে বন্যপ্রাণী ও মানুষের সংঘাত দিন দিন বাড়ছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে এ ধরনের মর্মান্তিক ঘটনা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয় আবদুল মাজেদের।

বন্য হাতির চলাচল নিয়ন্ত্রণে ‘প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা’ নিচ্ছেন কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের ধোয়াপালং রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. তোসাদ্দেক হোসেন।

মা-মেয়ের মরদেহ ময়নাতদন্তের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করার কথা জানিয়েছেন রামু থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ফরিদ। আর ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফজলে রাব্বানী চৌধুরীর।

ভোটের বন্যায় ভাসলেন থালাপতি বিজয়, প্রথম নির্বাচনেই বাজিমাত

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ২:২৬ অপরাহ্ণ
ভোটের বন্যায় ভাসলেন থালাপতি বিজয়, প্রথম নির্বাচনেই বাজিমাত
শেয়ার করুন

তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচন শেষ হতেই এখন নজর সবার বুথফেরত জরিপে। আর সেই জরিপেই সবচেয়ে বড় চমক হয়ে উঠেছেন দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় তারকা থালাপতি বিজয়। রাজনীতিতে প্রথমবার অংশ নিয়েই সম্ভাব্য বড় সাফল্যের আভাস দিচ্ছেন তিনি। ভোটের বন্যায় ভাসলেন থালাপতি বিজয়। বলা যায়, প্রথম নির্বাচনেই করলেন বাজিমাত।

 

নিজের দল ‘তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম’ নিয়ে এবারের নির্বাচনে অংশ নেন বিজয়। শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে ছিলেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্টালিন। তবে নির্বাচনের আগেই বিজয়ের জনসভায় বিপুল সমর্থক উপস্থিতি রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করে।

 

বিভিন্ন সংস্থার বুথফেরত জরিপ বলছে, প্রথমবার ভোটে অংশ নিয়েই বিজয়ের দল পেতে পারে প্রায় ৯৮ থেকে ১২০টি আসন। তার মার্কায় রীতিমতো ভোটের বন্যা বয়ে গেছে। এই পূর্বাভাস বাস্তব হলে তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

 

তবে সব জরিপ একরকম নয়। কিছু সংস্থার মতে, ডিএমকে জোট ১২০ থেকে ১৪৫টি আসন পেয়ে এগিয়ে থাকতে পারে। অন্যদিকে এআইএডিএমকে জোট পেতে পারে ৬০ থেকে ৮০টি আসন। আবার কিছু জরিপে বিজয়ের দলকে তুলনামূলক কম আসনও দেওয়া হয়েছে।

 

 

এর মধ্যেই কামাখ্যা অ্যানালিটিক্সের মতো কিছু জরিপ বিজয়কে ‘কিংমেকার’ হিসেবেও দেখছে। তাদের মতে, ৬৭ থেকে ৮১টি আসন পেলেও সরকার গঠনে বড় ভূমিকা রাখতে পারে তার দল।

 

প্রসঙ্গত, গত ২৩ এপ্রিল তামিলনাড়ুর ২৩৪টি আসনে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, ভোটার উপস্থিতি ছিল ৮২ শতাংশের বেশি যা রাজ্যের রাজনৈতিক আগ্রহেরই প্রমাণ।

 

এখন দেখার বিষয়, বুথফেরত জরিপের এই আভাস বাস্তবে কতটা প্রতিফলিত হয় এবং সত্যিই কি প্রথম নির্বাচনে ইতিহাস গড়তে পারেন থালাপতি বিজয়।

রামুতে বন্য হাতির আক্রমণে মা ও মেয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১০ অপরাহ্ণ
রামুতে বন্য হাতির আক্রমণে মা ও মেয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু
শেয়ার করুন

রামুতে বন্য হাতির তাণ্ডবে একই পরিবারের মা ও মেয়েসহ দুইজন নিহত হয়েছেন।

 

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের পশ্চিম খুনিয়াপালং এলাকার আব্দুল করিমের কলোনীতে এ ঘটনা ঘটে।

 

এলাকাবাসী জানায়, বণ্য হাতির একটি দল ভোর বেলায় আব্দুল করিম কলোনীতে হানা দেয়। এ সময় হাতি দলটির আক্রমনে মা মেয়ের মৃত্যু হয়। এখনও নিহতদের পরিচয় ও ঘটনার বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।