খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২৯ মাঘ, ১৪৩২

‘ছেলেকে ইতালি পাঠাতে দালালকে ২১ লাখ টাকা দিয়েছিলাম, এরপরও লাশ হতে হলো’

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৫, ২:৩২ অপরাহ্ণ
‘ছেলেকে ইতালি পাঠাতে দালালকে ২১ লাখ টাকা দিয়েছিলাম, এরপরও লাশ হতে হলো’
শেয়ার করুন

‘আপনারা এতটুকু করেন যেন আমার ভাইকে দেশে আনতে পারি, দেশের মাটিতে কবর দিতে পারি। আমার ভাইয়ের কবরে আমরা যেন মাটি যেতে পারি।’ আকুতিভরা কণ্ঠে কথাগুলো বলছিলেন লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে নিহত এনামুল শেখের (২৮) ভাই নিজামুল শেখ।

১৩ নভেম্বর রাতে লিবিয়ায় ভূমধ্যসাগর–সংলগ্ন আল-খুমস উপকূলে দুটি নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে। এতে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার দুজন নিহত হন। তাঁরা হলেন উপজেলার ননিক্ষীর ইউনিয়নের পশ্চিম লওখন্ডা গ্রামের জাহিদ শেখের ছেলে আনিস শেখ (২৫) ও আকবর আলী শেখের ছেলে এনামুল শেখ (২৮)। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তাঁদের মৃত্যুর বিষয়টি জানতে পারেন পরিবারের লোকজন।

এদিকে ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবির ওই ঘটনায় মুকসুদপুর উপজেলার আরও ছয় যুবকের নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাঁরা হলেন কাশালিয়া গ্রামের আওলাদ শেখের ছেলে ইব্রাহিম শেখ, হায়দার শেখের ছেলে আবুল শেখ, একরাম মিনার ছেলে দুলাল মিনা, হায়দার মিনার ছেলে আশিক মিনা, খালেক মোল্লার ছেলে সোহেল মোল্লা ও গুনহর গ্রামের হাফিজ মিনার ছেলে নিয়াজ মীনা।

নিহত দুজনের পরিবার জানায়, ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবির ঘটনায় একটিতে ছিলেন বাংলাদেশের ২৬ জন নাগরিক। ঘটনার পর চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরবর্তী কয়েক দিন তথ্য সংগ্রহের পর তাঁরা নিশ্চিত হন এনামুল ও আনিস নিহত হয়েছেন।

বুধবার বিকেলে পশ্চিম লওখন্ডা গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, এনামুল শেখের বাড়ির উঠানে চেয়ার পেতে প্রতিবেশীরা বসে আছেন। এনামুলের ভাইদের সান্ত্বনা দিচ্ছেন স্বজনেরা। একপর্যায়ে নিজেরাই কেঁদে ফেলছেন। তাঁরা জানান, এনামুল চার ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট ছিলেন। পরিবারের সচ্ছলতা ফেরাতে গিয়ে তিনি নিজেই চলে গেলেন না ফেরার দেশে।

কথোপকথনের এক পর্যায়ে এনামুলের বাবা আকবর আলী কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, গত ১০ অক্টোবর বাংলাদেশ থেকে রওনা হন এনামুল। ১৩ নভেম্বর রাতে লিবিয়ার আল-খুমস উপকূল থেকে নৌকায় ওঠেন তাঁর ছেলে। কিছু দূর যেতেই নৌকাটিকে ধাওয়া করে কোস্টগার্ড। পালাতে গিয়ে ডুবে যায় নৌকাটি। এতে এনামুল মারা গেছেন বলে তাঁরা নিশ্চিত হয়েছেন।

আক্ষেপের সুরে আকবর আলী আরও বলেন, ‘আমার ছেলেকে ইতালি পাঠাবে বলে মাদারীপুরের দালাল এনামুলকে ২১ লাখ টাকা দিয়েছিলাম। এর পরও এনামুলকে লাশ হতে হলো।’

এনামুলের বাড়ির অদূরেই আনিস শেখের বাড়ি। তবে সেখানে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। প্রতিবেশীরা জানান, ছোটবেলায় মাকে হারান আনিস। বাবা ও দুই বোনের সংসার। বোনদের বিয়ে হয়ে গেছে। পাঁচ বছর আগে আনিস নিজেও বিয়ে করেন। তাঁর স্ত্রী ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নার্স হিসেবে কর্মরত। তাঁদের সাড়ে তিন বছরের একটি কন্যাসন্তান আছে।

আনিসের প্রতিবেশী জয়নাল শেখ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘মারা যাওয়ার পরই আমাদের হুঁশ ফেরে। অবৈধ পথে ইতালি যাওয়া খুব ঝুঁকিপূর্ণ। সব জেনেশুনে আমরা সর্বস্ব খুইয়ে প্রিয় সন্তানকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছি। একটু ভালো থাকার আশায় এত টাকা দিয়ে ছেলেকে বিদেশ পাঠানো হয়। এখন সন্তানের লাশ ফিরবে কি না, সেই অনিশ্চয়তায় পরিবারগুলো। বিদেশ গমন বিষয়ে সচেতনতা, দালাল চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ এবং বিদেশে বৈধ অভিবাসন সুযোগ বাড়ানো ছাড়া এ মৃত্যুর মিছিল থামানো যাবে না।’

ননীক্ষির ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আলমগীর মোল্যা বলেন, অবৈধভাবে সমুদ্রপথে বিদেশে যাওয়া সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ। তবুও বেকারত্ব ও বেঁচে থাকার লড়াইয়ে কেউ কেউ বাধ্য হয়ে এ পথ বেছে নিচ্ছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা বলেন, নিহত দুজন ও নিখোঁজ ব্যক্তিদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। পরিবারগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে কিছু তথ্য পাঠানো হয়েছে।

নির্বাচনকালীন সাংবাদিকদের জন্য ক্র্যাকের “জরুরি সহায়তা সেল” গঠন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:৪১ পূর্বাহ্ণ
নির্বাচনকালীন সাংবাদিকদের জন্য ক্র্যাকের “জরুরি সহায়তা সেল” গঠন
শেয়ার করুন

নির্বাচনকালীন সাংবাদিকদের জন্য ক্র্যাকের “জরুরি সহায়তা সেল” গঠন

 

 

নির্বাচনকালীন সাংবাদিকদের সুরক্ষার জন্য ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব কক্সবাজার (ক্র্যাক) এর উদ্যোগে বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যায় একটি সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রেসক্লাব, সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজার সহ বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ববৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সবার মতামতের ভিত্তিতে নির্বাচনকালীন সুরক্ষার জন্য ক্র্যাকের উদ্যোগে ‘জরুরি সহায়তা সেল’ গঠন করা হয়। সেল থেকে যেসব সহায়তা দেওয়া হবে তা হলো-

ভোটগ্রহণের দিন কোন পেশাদার সাংবাদিক কোথাও আক্রান্ত বা হামলার শিকার হলে সাথে সহায়তা সেলে ফোন করে জানাতে পারবেন। সহায়তা সেল থেকে তাৎক্ষণিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগীতা নেওয়ার চেষ্টা করা হবে উদ্ধার করার জন্য। আক্রান্ত সাংবাদিকের যদি শারীরিকভাবে চিকিৎসার প্রয়োজন হয় সেক্ষেত্রে ক্র্যাকের পক্ষ থেকে সাথে সাথে এম্বুল্যান্স পাঠানো হবে সংশ্লিষ্ট স্থানে। এরপর কক্সবাজার শহরের ইউনিয়ন হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে। চিকিৎসা পরবর্তী আইনগতভাবে সহায়তার জন্য সহযোগীতা করবে ক্র্যাক।

জরুরি সহায়তা সেলের যোগাযোগ নম্বর:

+880 1306-289800 (জসিম উদ্দিন) ও 01685891417 (আজিম নিহাদ)

ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের করণীয় ও বর্জনীয়

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ণ
ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের করণীয় ও বর্জনীয়
শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামীকাল বৃহস্পতিবার। দেশজুড়ে ভোটের আমেজের মধ্যে এবার ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯ জন ভোটার। নির্বাচন কমিশনের তথ্যানুযায়ী, এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ১৫৪ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২২০ জন।

 

ভোটের দিন প্রার্থী ও পোলিং এজেন্টদের পাশাপাশি ভোটারদেরও নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। ভোটকেন্দ্রে গিয়ে কী করবেন, কী করবেন না- তা জেনে রাখা জরুরি।

 

ইসির তথ্য অনুযায়ী, ভোটারদের সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টার মধ্যে নির্ধারিত কেন্দ্রে উপস্থিত হতে হবে। বিকেল ৪টার আগে লাইনে দাঁড়ালে সময় শেষ হলেও ভোট দেওয়ার সুযোগ মিলবে।

 

ভোটার মোবাইল ফোন সঙ্গে নিতে পারবেন এবং কেন্দ্র প্রাঙ্গণে ছবি তোলায় নিষেধ নেই। তবে গোপন কক্ষে (মার্কিং প্লেসে) মোবাইল ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। পার্স ছাড়া অন্য কোনো ব্যাগ নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করা যাবে না। এনআইডি কার্ড সঙ্গে রাখা বাধ্যতামূলক নয়, তবে থাকলে শনাক্তকরণ সহজ হয়।

 

যেকোনো শালীন পোশাক পরে ভোট দেওয়া যাবে। কেউ নেকাব পরলে পরিচয় নিশ্চিত করতে পোলিং কর্মকর্তার অনুরোধে একবারের জন্য মুখ দেখাতে হতে পারে।

 

ভোটারের নাম ও ক্রমিক নম্বর মিলিয়ে দেখার পর পোলিং অফিসার আঙুলে অমোচনীয় কালি দেবেন। এরপর প্রিসাইডিং বা পোলিং অফিসার দুটি ব্যালট পেপার দেবেন- একটি সংসদ নির্বাচনের, অন্যটি গণভোটের। ব্যালট নেওয়ার আগে পেছনে অফিসিয়াল সিল ও স্বাক্ষর আছে কি না তা দেখে নেওয়া জরুরি।

 

ব্যালট হাতে পাওয়ার পর নির্ধারিত গোপন কক্ষে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীর প্রতীকে রাবার স্ট্যাম্প দিয়ে স্পষ্ট সিল দিতে হবে। গণভোটের ব্যালটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ অপশনে সিল দিতে হবে। সিল দেওয়ার পর ব্যালট এমনভাবে ভাঁজ করতে হবে যেন কালি অন্য প্রতীকে না লাগে- লম্বালম্বিভাবে ভাঁজ করাই নিরাপদ।

 

ভাঁজ করা ব্যালট পেপার সংশ্লিষ্ট স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ফেলতে হবে। ভোট দেওয়া শেষ হলে অযথা কেন্দ্রে অবস্থান না করে দ্রুত বেরিয়ে যেতে হবে।

 

অন্যদিকে অস্ত্র, বিস্ফোরক বা দাহ্য পদার্থসহ যেকোনো বিপজ্জনক বস্তু নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করা নিষিদ্ধ।

আজ থেকে চারদিন সরকারি ছুটি, দুদিন বন্ধ দোকান-শপিং মল

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:৪২ পূর্বাহ্ণ
আজ থেকে চারদিন সরকারি ছুটি, দুদিন বন্ধ দোকান-শপিং মল
শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস, প্রতিষ্ঠান ও সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের টানা চার দিনের ছুটি আজ (বুধবার) থেকে শুরু হয়েছে; যা আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে।অন্যদিকে, নির্বাচন ও পূজার ছুটি মিলিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ছুটি থাকবে টানা পাঁচ দিন। আজ থেকে শুরু হওয়া এই ছুটি চলবে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর সাথে ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার ও শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় সাধারণ ছুটি চার দিনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া ১৫ ফেব্রুয়ারি ‘শ্রী শ্রী শিবরাত্রি ব্রত’ উপলক্ষ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত ছুটি থাকায় সেখানে সর্বমোট পাঁচ দিনের ছুটি কার্যকর হচ্ছে। ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের মূল দিন নির্ধারিত রয়েছে।এর আগে, নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি এবং শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক-কর্মচারীদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। গত ২৫ জানুয়ারি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের ভোটাধিকার প্রয়োগ ও ভোটগ্রহণের সুবিধার্থে নির্বাহী আদেশে দেশব্যাপী সাধারণ ছুটি বলবৎ থাকবে। একইসঙ্গে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারির বিশেষ ছুটিও বহাল রাখা হয়েছে।

এদিকে, নির্বাচন উপলক্ষ্যে ঢাকাসহ সারা দেশের সব দোকানপাট, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও শপিং মল আজ বুধবার এবং আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বন্ধ থাকবে। দোকান মালিক সমিতির পক্ষ থেকে নির্বাচনকালীন এই ছুটির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মো. নাজমুল হাসান মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গত ৫ ফেব্রুয়ারি এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

ব্যবসায়ী মালিক সমিতির ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুবিধার্থে সরকারি সিদ্ধান্তের সঙ্গে সংহতি রেখে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি ঢাকাসহ দেশের সব দোকানপাট, বিপণিবিতান এবং শপিং মল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।