খুঁজুন
সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১৬ চৈত্র, ১৪৩২

‘ছেলেকে ইতালি পাঠাতে দালালকে ২১ লাখ টাকা দিয়েছিলাম, এরপরও লাশ হতে হলো’

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৫, ২:৩২ অপরাহ্ণ
‘ছেলেকে ইতালি পাঠাতে দালালকে ২১ লাখ টাকা দিয়েছিলাম, এরপরও লাশ হতে হলো’
শেয়ার করুন

‘আপনারা এতটুকু করেন যেন আমার ভাইকে দেশে আনতে পারি, দেশের মাটিতে কবর দিতে পারি। আমার ভাইয়ের কবরে আমরা যেন মাটি যেতে পারি।’ আকুতিভরা কণ্ঠে কথাগুলো বলছিলেন লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে নিহত এনামুল শেখের (২৮) ভাই নিজামুল শেখ।

১৩ নভেম্বর রাতে লিবিয়ায় ভূমধ্যসাগর–সংলগ্ন আল-খুমস উপকূলে দুটি নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে। এতে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার দুজন নিহত হন। তাঁরা হলেন উপজেলার ননিক্ষীর ইউনিয়নের পশ্চিম লওখন্ডা গ্রামের জাহিদ শেখের ছেলে আনিস শেখ (২৫) ও আকবর আলী শেখের ছেলে এনামুল শেখ (২৮)। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তাঁদের মৃত্যুর বিষয়টি জানতে পারেন পরিবারের লোকজন।

এদিকে ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবির ওই ঘটনায় মুকসুদপুর উপজেলার আরও ছয় যুবকের নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাঁরা হলেন কাশালিয়া গ্রামের আওলাদ শেখের ছেলে ইব্রাহিম শেখ, হায়দার শেখের ছেলে আবুল শেখ, একরাম মিনার ছেলে দুলাল মিনা, হায়দার মিনার ছেলে আশিক মিনা, খালেক মোল্লার ছেলে সোহেল মোল্লা ও গুনহর গ্রামের হাফিজ মিনার ছেলে নিয়াজ মীনা।

নিহত দুজনের পরিবার জানায়, ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবির ঘটনায় একটিতে ছিলেন বাংলাদেশের ২৬ জন নাগরিক। ঘটনার পর চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরবর্তী কয়েক দিন তথ্য সংগ্রহের পর তাঁরা নিশ্চিত হন এনামুল ও আনিস নিহত হয়েছেন।

বুধবার বিকেলে পশ্চিম লওখন্ডা গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, এনামুল শেখের বাড়ির উঠানে চেয়ার পেতে প্রতিবেশীরা বসে আছেন। এনামুলের ভাইদের সান্ত্বনা দিচ্ছেন স্বজনেরা। একপর্যায়ে নিজেরাই কেঁদে ফেলছেন। তাঁরা জানান, এনামুল চার ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট ছিলেন। পরিবারের সচ্ছলতা ফেরাতে গিয়ে তিনি নিজেই চলে গেলেন না ফেরার দেশে।

কথোপকথনের এক পর্যায়ে এনামুলের বাবা আকবর আলী কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, গত ১০ অক্টোবর বাংলাদেশ থেকে রওনা হন এনামুল। ১৩ নভেম্বর রাতে লিবিয়ার আল-খুমস উপকূল থেকে নৌকায় ওঠেন তাঁর ছেলে। কিছু দূর যেতেই নৌকাটিকে ধাওয়া করে কোস্টগার্ড। পালাতে গিয়ে ডুবে যায় নৌকাটি। এতে এনামুল মারা গেছেন বলে তাঁরা নিশ্চিত হয়েছেন।

আক্ষেপের সুরে আকবর আলী আরও বলেন, ‘আমার ছেলেকে ইতালি পাঠাবে বলে মাদারীপুরের দালাল এনামুলকে ২১ লাখ টাকা দিয়েছিলাম। এর পরও এনামুলকে লাশ হতে হলো।’

এনামুলের বাড়ির অদূরেই আনিস শেখের বাড়ি। তবে সেখানে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। প্রতিবেশীরা জানান, ছোটবেলায় মাকে হারান আনিস। বাবা ও দুই বোনের সংসার। বোনদের বিয়ে হয়ে গেছে। পাঁচ বছর আগে আনিস নিজেও বিয়ে করেন। তাঁর স্ত্রী ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নার্স হিসেবে কর্মরত। তাঁদের সাড়ে তিন বছরের একটি কন্যাসন্তান আছে।

আনিসের প্রতিবেশী জয়নাল শেখ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘মারা যাওয়ার পরই আমাদের হুঁশ ফেরে। অবৈধ পথে ইতালি যাওয়া খুব ঝুঁকিপূর্ণ। সব জেনেশুনে আমরা সর্বস্ব খুইয়ে প্রিয় সন্তানকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছি। একটু ভালো থাকার আশায় এত টাকা দিয়ে ছেলেকে বিদেশ পাঠানো হয়। এখন সন্তানের লাশ ফিরবে কি না, সেই অনিশ্চয়তায় পরিবারগুলো। বিদেশ গমন বিষয়ে সচেতনতা, দালাল চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ এবং বিদেশে বৈধ অভিবাসন সুযোগ বাড়ানো ছাড়া এ মৃত্যুর মিছিল থামানো যাবে না।’

ননীক্ষির ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আলমগীর মোল্যা বলেন, অবৈধভাবে সমুদ্রপথে বিদেশে যাওয়া সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ। তবুও বেকারত্ব ও বেঁচে থাকার লড়াইয়ে কেউ কেউ বাধ্য হয়ে এ পথ বেছে নিচ্ছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা বলেন, নিহত দুজন ও নিখোঁজ ব্যক্তিদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। পরিবারগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে কিছু তথ্য পাঠানো হয়েছে।

মোটরসাইকেল চুরির মামলায় ছাত্রদল নেতা কারাগারে

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ণ
মোটরসাইকেল চুরির মামলায় ছাত্রদল নেতা কারাগারে
শেয়ার করুন

বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জে মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগে ছাত্রদলের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

 

রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে গ্রেপ্তারকৃত জিহাদুল ইসলাম খানকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তিনি বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

 

মেহেন্দীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চত করে বলেন, জিহাদুল ইসলাম খানকে মোটরসাইকেলসহ হাতেনাতে আটক করে টহলরত পুলিশ সদস্যরা। পরবর্তীতে দায়েরকৃত মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত প্রায় ৯টার দিকে মেহেন্দীগঞ্জ পৌরসভার বদরপুর এলাকায় সোহেল তালুকদারের বাড়ির আঙিনায় ভাড়ায় চালিত একটি মোটরসাইকেল তালাবদ্ধ অবস্থায় রাখা ছিল। মোটরসাইকেলটির মালিক তানভির ইসলাম। রাত আনুমানিক ১টার দিকে ওই মোটরসাইকেলটি নিয়ে পালানোর সময় টহলরত পুলিশের সন্দেহ হয়। এ সময় জিহাদুল ইসলাম খানকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার কথায় অসঙ্গতি ধরা পড়ে। পরে মোটরসাইকেলের মালিককে ঘটনাস্থলে ডেকে এনে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়।এ ঘটনায় রোববার সকালে একটি মামলা দায়ের করা হয় এবং অভিযুক্তকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠায় থানা পুলিশ।

 

 

মোটরসাইকেলের মালিক তানভির ইসলাম বলেন, ধারদেনা করে কেনা মোটরসাইকেলটি ভাড়ায় চালিয়ে তার সংসার চলে। এটি হারিয়ে গেলে তিনি চরম বিপদে পড়তেন। দ্রুত উদ্ধারের জন্য পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানান।

 

মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান মুক্তা বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি ছাত্রদলের পদে থাকলেও তার বিরুদ্ধে আগেও বিভিন্ন অভিযোগ ছিল। বিষয়টি নিয়ে দলীয়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও জানান তিনি।

 

বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জে মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগে ছাত্রদলের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

 

রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে গ্রেপ্তারকৃত জিহাদুল ইসলাম খানকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তিনি বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

 

মেহেন্দীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চত করে বলেন, জিহাদুল ইসলাম খানকে মোটরসাইকেলসহ হাতেনাতে আটক করে টহলরত পুলিশ সদস্যরা। পরবর্তীতে দায়েরকৃত মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত প্রায় ৯টার দিকে মেহেন্দীগঞ্জ পৌরসভার বদরপুর এলাকায় সোহেল তালুকদারের বাড়ির আঙিনায় ভাড়ায় চালিত একটি মোটরসাইকেল তালাবদ্ধ অবস্থায় রাখা ছিল। মোটরসাইকেলটির মালিক তানভির ইসলাম। রাত আনুমানিক ১টার দিকে ওই মোটরসাইকেলটি নিয়ে পালানোর সময় টহলরত পুলিশের সন্দেহ হয়। এ সময় জিহাদুল ইসলাম খানকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার কথায় অসঙ্গতি ধরা পড়ে। পরে মোটরসাইকেলের মালিককে ঘটনাস্থলে ডেকে এনে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়।এ ঘটনায় রোববার সকালে একটি মামলা দায়ের করা হয় এবং অভিযুক্তকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠায় থানা পুলিশ।

 

মোটরসাইকেলের মালিক তানভির ইসলাম বলেন, ধারদেনা করে কেনা মোটরসাইকেলটি ভাড়ায় চালিয়ে তার সংসার চলে। এটি হারিয়ে গেলে তিনি চরম বিপদে পড়তেন। দ্রুত উদ্ধারের জন্য পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানান।

 

মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান মুক্তা বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি ছাত্রদলের পদে থাকলেও তার বিরুদ্ধে আগেও বিভিন্ন অভিযোগ ছিল। বিষয়টি নিয়ে দলীয়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও জানান তিনি।

ওমরাহ করতে সৌদি যাচ্ছেন নাহিদ ইসলাম

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ণ
ওমরাহ করতে সৌদি যাচ্ছেন নাহিদ ইসলাম
শেয়ার করুন

পবিত্র ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে আজ রাতে সৌদি আরব যাচ্ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম।

 

রোববার (২৯ মার্চ) রাতে দলের মিডিয়া টিম থেকে এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

 

বার্তায় বলা হয়, নিরাপদ যাত্রার জন্য তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ৪ এপ্রিল তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

জেন-জিরা ৭২’র সংবিধান চায় না: হান্নান মাসউদ

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ৮:৫৮ অপরাহ্ণ
জেন-জিরা ৭২’র সংবিধান চায় না: হান্নান মাসউদ
শেয়ার করুন

জেন-জিরা ৭২’র সংবিধান আর চায় না বলে- মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি হতে নির্বাচিত নোয়াখালী-৬(হাতিয়া)র এমপি আব্দুল হান্নান মাসউদ। রবিবার (২৯ মার্চ) জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের প্রথম দিনে জুলাই সনদ ও সংবিধান ইস্যুতে এ কথা বলেন হান্নান মাসউদ।

 

মাসউদ বলেন, ‘আমি বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ এমপি। আপনারা যে জেন-জির কথা বলেন, আমি জেন-জির প্রতিনিধি হয়ে সংসদে কথা বলতে এসেছি। আপনারা যদি বলেন, জেন-জিরা কী চায়। আমি বলি, জেন-জিরা ৭২‘র সংবিধান আর চায় না।’

 

তিনি আরো বলেন, ‘স্বাধীনতার ৩০ বছর পরে আমার মত যেসব সন্তানরা রয়েছে, তারা ভোট দিতে পারেনি, আমি এর জবাব চাই। আমরা স্বাধীন বাংলাদেশে জন্ম নিয়েছি। আমাদের কী ভুল ছিল? আমরা নতুন মানচিত্র পেয়েছি। নতুন পতাকা ও নতুন সীমানা পেয়েছি। আমাদের পূর্ব পুরুষেরা ১৯৭১ সালে রক্ত দিয়ে আমাদের জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে চেয়েছেন। আমরা কি সেই নিরাপদ এবং নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি? সেই নতুন বাংলাদেশ আমরা পাইনি।’

 

এমপি বলেন, ‘৭১-এ ৩০ লাখ মানুষ শহীদ হয়েছে এবং জীবন দিয়েছে। পরবর্তীতে তাদের সন্তানরা যেন নিরাপদ বাংলাদেশে ভোটাধিকার পায় এবং রক্ষী বাহিনী না হয়। আমরা দেখেছি, বাংলাদেশে দুর্ভিক্ষ হয়েছে। ১৯৭৩ সালে ভোট চুরি হয়েছে। এরপর আমরা দেখেছি, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে গণতন্ত্র পুনর্জন্মের জন্য ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি আমার হাতিয়াতে তিনবার গিয়েছেন। আমি যেদিকে তাকিয়েছি এবং বলেছি, এই বেরিবাঁধ কে করে দিয়েছেন? তখন শুনেছি জিয়াউর রহমান। আমার এই খাল কে খনন করে দিয়েছেন? তখন শুনেছি, জিয়াউর রহমান। তার পরে বেগম খালেদা জিয়া আমার হাতিয়াতে তিন থেকে চারবার গিয়েছেন। এরপরেও আমার হাতিয়াতে নদী ভাঙন রোধ হয়নি। ওই অঞ্চলের লাখ লাখ মানুষ ঘরবাড়িহীন হয়ে পড়ে আছেন। আমি এই ইলেকশনে ভোট ডাকাতি দেখেছি। আমার বাড়িঘরে হামলা করেছে।’

 

সংসদের সদস্যদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে হান্নান বলেন,‘আমি কি এই নির্বাচনের জন্য রক্ত ঝড়িয়েছি? আমরা রক্ত ঝড়িয়েছি বলেই আপনারা সংসদে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হয়েছেন।’

 

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে অনড় অবস্থান জানিয়ে হান্নান মাসউদ আরও বলেন, ‘আমরা নতুন বাংলাদেশের বিষয়ে কোনো প্রতারণা দেখতে চাই না। গণভোটের জন্য প্রধানমন্ত্রী প্রচারণা চালিয়েছেন। যে আদেশের পক্ষে সংসদ সদস্যরা প্রচারণা চালিয়েছেন, আজকে কেন আবার দীর্ঘ আলোচনা হতে হবে?’