খুঁজুন
সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ৭ বৈশাখ, ১৪৩৩

রহস্যজনক কারণে এখনো হাসিনার আস্থাভাজনদের নিয়ন্ত্রণে বিটিভি, নেপথ্যে কারা?

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৫, ২:২৪ অপরাহ্ণ
রহস্যজনক কারণে এখনো হাসিনার আস্থাভাজনদের নিয়ন্ত্রণে বিটিভি, নেপথ্যে কারা?
শেয়ার করুন

কোটি কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ থাকার পরও শেখ হাসিনার আস্থাভাজনরা বিটিভিতে এখনো সবচেয়ে ক্ষমতাধর অবস্থানে রয়েছেন। গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে দুর্নীতির সুস্পষ্ট প্রমাণ থাকার পরও তাদের বিরুদ্ধে রহস্যজনক কারণে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, এতে বিটিভিতে দুর্নীতির পাশাপাশি পতিত সরকারের পলাতক প্রভাবশালীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচারের ভয়ংকর ঝুঁকি রয়েই গেছে।

অভিযোগ আছে-তথ্য মন্ত্রণালয় ও বিটিভির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ‘ম্যানেজ’ করেই ধরাছোঁয়ার বাইরে আছেন এসব দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই) ও বিটিভির নিজস্ব একাধিক তদন্ত প্রতিবেদন বিশ্লেষণে পাওয়া গেছে চাঞ্চল্যকর এ তথ্য। এসব প্রতিবেদন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হলেও তা ‘লালফিতায় বন্দি’ করে রাখা হয়েছে। প্রতিবেদনগুলো সচিব বা উপদেষ্টার টেবিলে যথাযথ প্রক্রিয়ায় উপস্থাপন করা হয়নি। মন্ত্রণালয় ও বিটিভির দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের একটি চক্র এ কাজে জড়িত।

এ বিষয়ে জানতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানার মোবাইল ফোন নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। তার একই নম্বরের হোয়াটসঅ্যাপে বক্তব্য নেওয়ার সময় চেয়ে খুদে বার্তা পাঠালেও তিনি জবাব দেননি। এক সপ্তাহ অপেক্ষার পরও সাড়া না পেয়ে সচিবের বক্তব্যের জন্য রোববার তথ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. মামুন রশিদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এ প্রতিবেদক। তিনি সচিবের একান্ত সচিব মো. রিফাতুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেন। মোবাইল ফোনে রিফাতুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোন বিষয়ে সচিবের বক্তব্য নিতে প্রয়োজন তা জানতে চান। তার মোবাইল ফোনের হোয়াটসঅ্যাপে সুনির্দিষ্ট বিষয় লিখে পাঠানোর পরদিন সোমবার তিনি জানান এ বিষয়ে সচিব কোনো বক্তব্য দেবেন না।

এ বিষয়ে জানতে সম্প্রতি অতিরিক্ত সচিব ড. মোহাম্মদ আলতাফ-উল-আলমের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি মিটিংয়ে আছেন বলে জানান। পরে কয়েক দফা তাকে কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। সবশেষ রোববার বিকালে তিনি এই প্রতিবেদকের কল রিসিভ করলেও মিটিংয়ে আছেন বলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

যুগান্তরের অনুসন্ধানে জানা গেছে, সম্প্রতি বিটিভির বেশকিছু দুর্নীতিবাজ ও ফ্যাসিস্টের দোসর হিসাবে পরিচিত কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এদের বিষয়ে মতামত চেয়ে চিঠি দেওয়া হয় জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই) ও দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক)। যাচাই-বাছাই শেষে ৬ নভেম্বর মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন জমা দেয় সংস্থাটি। প্রতিবেদনের কপি সংগ্রহ করেছেন এ প্রতিবেদক।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘মনিরুল ইসলাম আওয়ামী লীগ মতাদর্শী কর্মকর্তা হিসাবে পরিচিত। তিনি বিটিভির সিগন্যাল সিস্টেম ডিজিটাল করার প্রকল্পের কাজ কারচুপির মাধ্যমে তৎকালীন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান স্টুডিওটেককে প্রদান করেন। তিনি সরকারি প্রকল্পের কাজ শেষ না করেই ঘুসের বিনিময়ে ঠিকাদারকে পূর্ণাঙ্গ বিল প্রদান করতেন। এসব অনিয়মের কারণে গত বছরের ৪ নভেম্বর দুদক তার সম্পদের হিসাব তলব করে।’ মনিরুলের পারিবারিক রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার ঘরে লেখা আছে-‘তার পিতা ও আপন দুই চাচা বিএনপি মতাদর্শী।’ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পতিত সরকারের দোসর মনিরুল এখন বাবা-চাচার রাজনৈতিক মতামর্শ পুঁজি করে জার্সি পালটে বিএনপির পরিচয়ে দাপট দেখাচ্ছেন।

জানা গেছে, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ও ফ্যাসিস্টের চিহ্নিত দোসর কর্মকর্তারা এখনো দাপটে আছেন বিটিভিতে। জুলাই আন্দোলনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ শেষ পর্যায়ে এলেও বিটিভিকে দুর্নীতি ও আওয়ামী দোসরমুক্ত করা যায়নি। এখনো বিটিভির ভেতরে-বাইরে ফ্যাসিস্ট দুর্নীতিবাজদের দৌরাত্ম্য থাকায় শিল্পী, কলাকুশলী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা হতাশা প্রকাশ করেছেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রমাণিত দুর্নীতিবাজ ও পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগী কর্মকর্তা মো. মনিরুল ইসলাম। তিনি বিটিভি সদর দপ্তরের সিনিয়র ইঞ্জিনিয়ারের (চলতি দায়িত্ব) পদে বহাল তবিয়তে আছেন। তার বিরুদ্ধে দুদকে দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান চলমান। এরপরও তিনি অদৃশ্য ক্ষমতার বলে পদোন্নতি বাগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। টানা ছয় বছর ধরে উচ্চপদে চলতি দায়িত্বে আছেন মনিরুল।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রের নির্বাহী প্রযোজক সফির হোসাইনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তে নজিরবিহীন দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেছে। এই সফির নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক নেতা। এরপরও তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। একই কেন্দ্রের উপমহাপরিচালক বার্তা ড. সৈয়দা তাসমিনা আহমেদ ও অনুষ্ঠান নির্বাহী মাহবুবা ফেরদৌসকে গুরুত্বপূর্ণ পদে বহাল রেখে লুটপাটের সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিটিভির ঢাকা কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রক বা মুখ্য শিল্প নির্দেশক মোহাম্মাদ সেলিমও আছেন বহাল তবিয়তে। এদের সবার বিরুদ্ধেই বিভাগীয় তদন্তে দুর্নীতির অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গেছে। অনেক অপরাধের পরও তারা এখনো চাকরিতে বহাল। ন্যূনতম শাস্তিও পেতে হয়নি তাদের। এদের বিরুদ্ধে দুদক ও মন্ত্রণালয়ে আরও কিছু তদন্ত চলমান আছে। কিন্তু চাকরিতে বহাল থাকায় নানাভাবে তদবির করে তারা তদন্ত কাজ বাধাগ্রস্ত করছেন বলে অভিযোগ আছে।

দুদকের তদন্ত ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদন সম্পর্কে জানতে চাইলে মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, এ ধরনের কোনো তথ্য আমার জানা নেই। ফিরতি প্রশ্ন করার সুযোগ না দিয়েই তিনি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। পরে একাধিকবার কল দিলেও তিনি আর ফোন রিসিভ করেননি।

ঢাকা কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রক মোহাম্মাদ সেলিম সম্পর্কে এনএসআইর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘সেলিম আওয়ামী লীগ মতাদর্শী কর্মকর্তা হিসাবে পরিচিত। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি ঢাকা কেন্দ্রের বহুল আলোচিত সাবেক জেনারেল ম্যানেজার মাহফুজা আক্তার ও বিটিভির সাবেক মহাপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলমের সিন্ডিকেটের অন্যতম সদস্য। বিটিভির অনুষ্ঠান নির্মাণের নামে অনুমোদন ছাড়াই অতিরিক্ত খরচ দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ, ভুয়া-বিল ভাউচার তৈরি করে অবৈধভাবে অর্থ উত্তোলনসহ নানা ধরনের আর্থিক অনিয়মের সঙ্গে তিনি জড়িত ছিলেন।’ দুদক থেকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, মনিরুল ইসলাম, জিল্লুর রশিদ ও আফিফা আফরোজের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

এদিকে বিটিভির চট্টগ্রাম কেন্দ্রের নির্বাহী প্রযোজক, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক নেতা মো. সফির হোসাইন ওরফে ইলনের জালিয়াতি, দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপপ্রয়োগের ভয়ংকর তথ্য পাওয়া গেছে। তার বিরুদ্ধে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে তথ্য প্রকাশ করা হয়। ১৫ সেপ্টেম্বর বিটিভি সদর দপ্তর থেকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে সাত পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদন পাঠানো হয়।

প্রতিবেদনের মতামতের অংশে ভয়ংকর তথ্য তুলে ধরে বলা হয়েছে, ‘সরকারি আদেশ ছাড়া তিনি (সফির হোসাইন) পূর্ববর্তী কর্মস্থলে অবস্থানপূর্বক বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের অনুষ্ঠান প্রযোজনা করেছেন, সরকারি অর্থ ব্যয়ের সঙ্গে নিজেকে সংশ্লিষ্ট রেখেছেন এবং অনুষ্ঠানের প্রযোজক হিসাবে অনুষ্ঠান বাজেটে স্বাক্ষর করেছেন। তার প্রযোজিত ‘অনুষ্ঠান ব্যয় প্রস্তাবনামা’ পর্যালোচনায় দেখা যায়, কোনো সরকারি আদেশ ব্যতিরেকে তিনি স্বীয়পদের চেয়ে উচ্চতর পদের কর্মকর্তার স্বাক্ষরের জন্য নির্ধারিত স্থানে নিজেই স্বাক্ষর করেছেন এবং এর ভিত্তিতে সরকারি অর্থ ব্যয় হয়েছে। ফলে তার বিরুদ্ধে জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারি অর্থ ব্যয়ের অভিযোগ প্রমাণিত।’

আরও বলা হয়েছে, ‘সরেজমিন তদন্তকালে তিনি তার চেয়ে উচ্চ পদের কর্মকর্তাদের সম্পর্কে দাপ্তরিক শিষ্টাচারবহির্ভূত ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করে সরকারি চাকরি শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালার ২০১৮-এর অনুছেদ-২(খ) এর পরিপন্থি কাজ করেছেন-যা তদন্তে প্রমাণিত। এছাড়া তার প্রযোজিত ও পরিশোধিত ‘অনুষ্ঠান ব্যয় প্রস্তাবনামার’ পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, আর্থিক অনিয়মের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতার পরম্পরা পাওয়া যায়-যা তদন্তে প্রমাণিত।’

অভিযোগ আছে, এই প্রতিবেদন তথ্য মন্ত্রণালয়ের একটি দুষ্টচক্র চাপা দিয়ে রেখেছে। এ কারণে এখনো তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি মন্ত্রণালয়।

এ বিষয়ে জানতে সফির হোসাইন ইলনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। তার একই নম্বরের হোয়াটসঅ্যাপে বক্তব্য চেয়ে খুদে বার্তা পাঠালেও তিনি জবাব দেননি।

বিএনপির মনোনয়ন পেলেন না আলোচনায় থাকা চমক

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৫৮ অপরাহ্ণ
বিএনপির মনোনয়ন পেলেন না আলোচনায় থাকা চমক
শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে অবশেষে প্রার্থীদের তালিকা চূড়ান্ত করেছে বিএনপি।

 

সোমবার (২০ এপ্রিল) রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ৩৬ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।

 

 

তবে ঘোষিত এই তালিকায় ঠাঁই পাননি আলোচনায় থাকা অভিনেত্রী চমক।

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস্য হতে সংরক্ষিত নারী আসনে ছোট পর্দার অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক আগ্রহ প্রকাশ করেন। কুষ্টিয়া থেকে সংরক্ষিত আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন নিয়েছেন তিনি।

 

 

সে সময় এক সাক্ষাৎকারে চমক গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, আমি দেশের জন্য কাজ করতে চাই, বিশেষ করে নারীদের জন্য। সে জন্য একটা প্ল্যাটফর্ম দরকার ছিল। আমার মনে হয়েছে, বিএনপির সঙ্গে যুক্ত হলে আমার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে। কথা বলে ইতিবাচক মনে হয়েছে। আমি শতভাগ আশাবাদী। দলীয় সিদ্ধান্ত ইতিবাচকভাবে নেব।

 

রুকাইয়া জাহান চমকের জন্ম বরিশালে, তবে বেড়ে ওঠা ও পড়াশোনা ঢাকায়। ২০১৭ সালে মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় রানারআপ হয়ে বিনোদন অঙ্গনে পথচলা শুরু চমকের।

 

২০২০ সালে ছোট পর্দায় অভিনয় শুরু করেন তিনি। তার উল্লেখযোগ্য নাটক ও সিরিজ হলো ‘হায়দার’, ‘হাউস নং ৯৬’, ‘মহানগর’, ‘সাদা প্রাইভেট’, ‘অসমাপ্ত’ ও ‘ভাইরাল হাজব্যান্ড’।

কাল থেকে শুরু এসএসসি পরীক্ষা, অংশ নেবে সাড়ে ১৮ লাখ শিক্ষার্থী

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৪৫ অপরাহ্ণ
কাল থেকে শুরু এসএসসি পরীক্ষা, অংশ নেবে সাড়ে ১৮ লাখ শিক্ষার্থী
শেয়ার করুন

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) থেকে। এতে অংশ নিচ্ছে ১৮ লাখ ৫১ হাজার ৪২৩ শিক্ষার্থী। পরীক্ষা শেষ হবে ২০ মে আর ৭ জুনের মধ্যে শেষ হবে ব্যবহারিক পরীক্ষাও।

পরীক্ষা নিয়ে নানা নীতিমালা এবং শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের তৎপরতায় অন্যরকম পরিবেশে পরীক্ষা হতে যাচ্ছে বলে মত দিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা।

ইতোমধ্যে মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষায় স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে গত দুই সপ্তাহের প্রায় প্রতিদিনই জরুরি নির্দেশনা জারি করছে শিক্ষাবোর্ডগুলো। ৩ হাজার ২০৯টি কেন্দ্র আনা হয়েছে সিসি ক্যামেরার আওতায়। সবচেয়ে বেশি জোর দেয়া হচ্ছে কেউ যেন নকল না করতে পারে।

 

এ বিষয়ে আন্তঃশিক্ষাবোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল কবির বলেন, অনেক জায়গায় সিসি ক্যামেরা অভ্যস্ত আছে। নতুন জায়গায় কেন্দ্র সচিবদেরকে সেভাবে অনুপ্রাণিত করেছি।

৩০ হাজারের বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এসব শিক্ষার্থী এমন এক সময়ে পরীক্ষা দিচ্ছেন, যখন আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা পরিচালনা নীতিমালা ও পাবলিক পরীক্ষা আইন ১৯৮০-এর বেশ কিছু পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। শুধু নকল প্রতিরোধ নয়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে শিক্ষা ব্যবস্থা যুগোপযোগী করার ওপর জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুন্দর, স্বাভাবিক হবে। মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা দেয়ার জন্য আমাদের শিক্ষকদের ট্রেনিং নিতে হবে। শিক্ষকদের নিয়ে কাজ করতে হবে। শিক্ষকরা সঠিকভাবে যদি লেখাপড়া করান, তাহলে ছাত্রছাত্রীরা ভালো হবে এবং ভালো লেখাপড়া হবে। শুধুমাত্র বানান কারেকশন আর কোনো কিছু পরিবর্তন না।

নাইক্ষ্যংছড়িতে অস্ত্র ও গুলিসহ দুই যুবক আটক

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:২৩ পূর্বাহ্ণ
নাইক্ষ্যংছড়িতে অস্ত্র ও গুলিসহ দুই যুবক আটক
শেয়ার করুন

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় অস্ত্র ও গুলিসহ দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ। রোববার (১৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার বাইশারী এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। এর আগে এলাকাবাসী ওই দুই যুবককে ধাওয়া করে ধরে ফেলেন।

আটককৃতরা হলেন-উপজেলার উত্তর বাইশারী এলাকার আতাউল্লাহ কলিম (৩২) ও মধ্যম বাইশারী এলাকার হারুন (২৬)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, আতাউল্লাহ ও হারুন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিলেন। তাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ ছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আজ সন্ধ্যায় তারা সন্দেহজনকভাবে এলাকায় অবস্থান করার সময় স্থানীয় লোকজন তাদের ধাওয়া করেন। একপর্যায়ে তাদের ধরে ফেলে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করে এবং তাদের থানায় নিয়ে আসে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক বলেন, অস্ত্র ও গুলিসহ দুই যুবককে এলাকাবাসী ধরে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে। এ ঘটনায় আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় অস্ত্র আইনে মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।