খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২৯ মাঘ, ১৪৩২

উদীচীর নাটক ‘ভূমিসূত্র’: মানুষের নীরব প্রতিরোধ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:১৩ অপরাহ্ণ
উদীচীর নাটক ‘ভূমিসূত্র’: মানুষের নীরব প্রতিরোধ
শেয়ার করুন

 

আইন, নিষেধাজ্ঞা আর ক্ষমতার অদৃশ্য দেয়ালের বিপরীতে মানুষের টিকে থাকার লড়াই—এই দ্বন্দ্বই কাব্যিক ভাষায় মঞ্চে তুলে ধরেছে নাটক ‘ভূমিসূত্র’।
শনিবার সন্ধ্যায় কক্সবাজার পাবলিক লাইব্রেরির শহীদ সুভাষ হলে নাটকটি মঞ্চস্থ হয়। বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, কক্সবাজার জেলা সংসদের উদ্যোগে আয়োজিত চার মাসব্যাপী প্রযোজনাভিত্তিক নাট্য কর্মশালার সমাপ্তি প্রযোজনা ছিল এটি।
প্রায় অর্ধশতাধিক প্রশিক্ষণার্থীর অংশগ্রহণে নাটকটি মঞ্চে আসে। নাটকটির রচনা ও নির্দেশনায় ছিলেন ইমরান হোসেন ইমু। সংগীত পরিচালনা করেন রিদিতা মায়িশা।

নির্দেশক ইমরান হোসেন ইমু বলেন, ‘ভূমিসূত্র’ শুধু জমির সংকটের গল্প নয়। এটি মানুষের শিকড়, লোভ, অহংকার আর স্বপ্নের টানাপোড়েনের প্রতিচ্ছবি। এই নাটকে মাটি নিজেই কথা বলে—তার বুকে জমে থাকে শোষণ, প্রতিরোধ আর অসহায়তার ইতিহাস।’
তিনি আরও বলেন, নাটকের প্রতিটি চরিত্র বাস্তব জীবনের প্রতিনিধিত্ব করে। কোরাসকে ‘মাটির আত্মা’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে—যারা ঘটনার নীরব সাক্ষী, ইতিহাসের ধারক এবং ভবিষ্যতের জন্য এক ধরনের সতর্কবার্তা বহন করে।

বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, কক্সবাজার জেলা সংসদের সভাপতি আশুতোষ রুদ্র বলেন, এই প্রযোজনা তাদের দীর্ঘমেয়াদি নাট্যচর্চার অংশ। কর্মশালার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে মঞ্চনাটকের ভাষা ও দায়বদ্ধতার সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে।
সাধারণ সম্পাদক সৌরভ দেব বলেন, উদীচী সবসময় মানুষের কথা বলে। ‘ভূমিসূত্র’ সেই ধারাবাহিকতারই একটি শিল্পিত প্রতিবাদ।

‘ভূমিসূত্র’ একটি রাজনৈতিক-মানবিক নাটক। এখানে জমি কেবল সম্পদ নয়, ক্ষমতার উৎস। গ্রামের কৃষকেরা যখন জীবিকার জন্য মাঠে নামতে চায়, তখন তাদের সামনে দাঁড়ায় আইন, নিষেধাজ্ঞা ও অন্যায়ের কাঠামো। ধীরে ধীরে ভেঙে পড়ে সহমর্মিতা, নিঃশব্দে জমে ওঠে ক্ষোভ।
নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র অরুপ কবিয়াল—লোকগান গেয়ে জীবিকা নির্বাহ করা এক শিল্পী। দীর্ঘদিনের দখলদারি ও ক্ষমতার চক্রে তার পরিবার ও আশপাশের মানুষ ক্রমে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। একই সময়ে সংবাদমাধ্যম সত্য আড়াল করে ‘উন্নয়নের গল্প’ তুলে ধরে। বাস্তবতার কণ্ঠস্বর আরও অন্ধকারে তলিয়ে যায়।
মাটির মালিকানা, মানুষের অধিকার, বিকৃত সত্য, মানবিকতার অবক্ষয় এবং প্রতিরোধের সূক্ষ্ম সুর মিলিয়ে ‘ভূমিসূত্র’ হয়ে ওঠে এক কাব্যিক প্রতিবাদ।

দর্শকের প্রতিক্রিয়া:

নাটক শেষে দর্শকদের মধ্যে ছিল আবেগ ও সন্তুষ্টি। পর্যটন শহর কক্সবাজারে টিকিট কেটে মঞ্চনাটক দেখার একটি ইতিবাচক প্রবণতাও চোখে পড়েছে। অনেক দর্শক জানান, দীর্ঘদিন পর কক্সবাজারে এমন চিন্তাশীল ও দায়বদ্ধ নাটক দেখতে পেরে তারা আনন্দিত।

দর্শক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘এ ধরনের নাটক শুধু বিনোদন দেয় না, সমাজকে বুঝতে শেখায়। কক্সবাজারে নিয়মিত মঞ্চনাটক হওয়া খুব প্রয়োজন।’
নাসরিন আক্তার বলেন, ‘নাটকটি আমাদেরই গল্প বলে মনে হয়েছে। জমি, মানুষ আর ক্ষমতার সম্পর্ক খুব কাছ থেকে তুলে ধরা হয়েছে।’

শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘নাটক শেষ হওয়ার পরও সেটি মাথার ভেতরে রয়ে যায়। এটাই ভালো নাটকের শক্তি।’
উদীচীর কাছে প্রত্যাশার কথা জানিয়ে দর্শক রুবেল চৌধুরী বলেন, ‘নাটক হোক গণমানুষের। যারা কথা বলতে পারে না, মঞ্চে তাদের কণ্ঠস্বর তুলে ধরা হোক।’
দর্শকদের প্রতিক্রিয়া প্রসঙ্গে কক্সবাজারের সাংস্কৃতিক সংগঠক আশরাফুল হুদা সিদ্দিকী জামশেদ বলেন, ‘ভূমিসূত্র’ শুধু একটি নাট্যপ্রযোজনা নয়; এটি কক্সবাজারের মঞ্চসংস্কৃতি ফিরে আসার এক শক্ত বার্তা। মানুষের সঙ্গে মাটির সম্পর্ক, অধিকার ও বঞ্চনার গল্পকে কাব্যিক কিন্তু নির্মম বাস্তবতায় তুলে ধরে নাটকটি সময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হয়ে উঠেছে।

নির্বাচনকালীন সাংবাদিকদের জন্য ক্র্যাকের “জরুরি সহায়তা সেল” গঠন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:৪১ পূর্বাহ্ণ
নির্বাচনকালীন সাংবাদিকদের জন্য ক্র্যাকের “জরুরি সহায়তা সেল” গঠন
শেয়ার করুন

নির্বাচনকালীন সাংবাদিকদের জন্য ক্র্যাকের “জরুরি সহায়তা সেল” গঠন

 

 

নির্বাচনকালীন সাংবাদিকদের সুরক্ষার জন্য ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব কক্সবাজার (ক্র্যাক) এর উদ্যোগে বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যায় একটি সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রেসক্লাব, সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজার সহ বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ববৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সবার মতামতের ভিত্তিতে নির্বাচনকালীন সুরক্ষার জন্য ক্র্যাকের উদ্যোগে ‘জরুরি সহায়তা সেল’ গঠন করা হয়। সেল থেকে যেসব সহায়তা দেওয়া হবে তা হলো-

ভোটগ্রহণের দিন কোন পেশাদার সাংবাদিক কোথাও আক্রান্ত বা হামলার শিকার হলে সাথে সহায়তা সেলে ফোন করে জানাতে পারবেন। সহায়তা সেল থেকে তাৎক্ষণিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগীতা নেওয়ার চেষ্টা করা হবে উদ্ধার করার জন্য। আক্রান্ত সাংবাদিকের যদি শারীরিকভাবে চিকিৎসার প্রয়োজন হয় সেক্ষেত্রে ক্র্যাকের পক্ষ থেকে সাথে সাথে এম্বুল্যান্স পাঠানো হবে সংশ্লিষ্ট স্থানে। এরপর কক্সবাজার শহরের ইউনিয়ন হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে। চিকিৎসা পরবর্তী আইনগতভাবে সহায়তার জন্য সহযোগীতা করবে ক্র্যাক।

জরুরি সহায়তা সেলের যোগাযোগ নম্বর:

+880 1306-289800 (জসিম উদ্দিন) ও 01685891417 (আজিম নিহাদ)

ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের করণীয় ও বর্জনীয়

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ণ
ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের করণীয় ও বর্জনীয়
শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামীকাল বৃহস্পতিবার। দেশজুড়ে ভোটের আমেজের মধ্যে এবার ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯ জন ভোটার। নির্বাচন কমিশনের তথ্যানুযায়ী, এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ১৫৪ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২২০ জন।

 

ভোটের দিন প্রার্থী ও পোলিং এজেন্টদের পাশাপাশি ভোটারদেরও নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। ভোটকেন্দ্রে গিয়ে কী করবেন, কী করবেন না- তা জেনে রাখা জরুরি।

 

ইসির তথ্য অনুযায়ী, ভোটারদের সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টার মধ্যে নির্ধারিত কেন্দ্রে উপস্থিত হতে হবে। বিকেল ৪টার আগে লাইনে দাঁড়ালে সময় শেষ হলেও ভোট দেওয়ার সুযোগ মিলবে।

 

ভোটার মোবাইল ফোন সঙ্গে নিতে পারবেন এবং কেন্দ্র প্রাঙ্গণে ছবি তোলায় নিষেধ নেই। তবে গোপন কক্ষে (মার্কিং প্লেসে) মোবাইল ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। পার্স ছাড়া অন্য কোনো ব্যাগ নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করা যাবে না। এনআইডি কার্ড সঙ্গে রাখা বাধ্যতামূলক নয়, তবে থাকলে শনাক্তকরণ সহজ হয়।

 

যেকোনো শালীন পোশাক পরে ভোট দেওয়া যাবে। কেউ নেকাব পরলে পরিচয় নিশ্চিত করতে পোলিং কর্মকর্তার অনুরোধে একবারের জন্য মুখ দেখাতে হতে পারে।

 

ভোটারের নাম ও ক্রমিক নম্বর মিলিয়ে দেখার পর পোলিং অফিসার আঙুলে অমোচনীয় কালি দেবেন। এরপর প্রিসাইডিং বা পোলিং অফিসার দুটি ব্যালট পেপার দেবেন- একটি সংসদ নির্বাচনের, অন্যটি গণভোটের। ব্যালট নেওয়ার আগে পেছনে অফিসিয়াল সিল ও স্বাক্ষর আছে কি না তা দেখে নেওয়া জরুরি।

 

ব্যালট হাতে পাওয়ার পর নির্ধারিত গোপন কক্ষে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীর প্রতীকে রাবার স্ট্যাম্প দিয়ে স্পষ্ট সিল দিতে হবে। গণভোটের ব্যালটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ অপশনে সিল দিতে হবে। সিল দেওয়ার পর ব্যালট এমনভাবে ভাঁজ করতে হবে যেন কালি অন্য প্রতীকে না লাগে- লম্বালম্বিভাবে ভাঁজ করাই নিরাপদ।

 

ভাঁজ করা ব্যালট পেপার সংশ্লিষ্ট স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ফেলতে হবে। ভোট দেওয়া শেষ হলে অযথা কেন্দ্রে অবস্থান না করে দ্রুত বেরিয়ে যেতে হবে।

 

অন্যদিকে অস্ত্র, বিস্ফোরক বা দাহ্য পদার্থসহ যেকোনো বিপজ্জনক বস্তু নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করা নিষিদ্ধ।

আজ থেকে চারদিন সরকারি ছুটি, দুদিন বন্ধ দোকান-শপিং মল

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:৪২ পূর্বাহ্ণ
আজ থেকে চারদিন সরকারি ছুটি, দুদিন বন্ধ দোকান-শপিং মল
শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস, প্রতিষ্ঠান ও সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের টানা চার দিনের ছুটি আজ (বুধবার) থেকে শুরু হয়েছে; যা আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে।অন্যদিকে, নির্বাচন ও পূজার ছুটি মিলিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ছুটি থাকবে টানা পাঁচ দিন। আজ থেকে শুরু হওয়া এই ছুটি চলবে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর সাথে ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার ও শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় সাধারণ ছুটি চার দিনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া ১৫ ফেব্রুয়ারি ‘শ্রী শ্রী শিবরাত্রি ব্রত’ উপলক্ষ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত ছুটি থাকায় সেখানে সর্বমোট পাঁচ দিনের ছুটি কার্যকর হচ্ছে। ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের মূল দিন নির্ধারিত রয়েছে।এর আগে, নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি এবং শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক-কর্মচারীদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। গত ২৫ জানুয়ারি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের ভোটাধিকার প্রয়োগ ও ভোটগ্রহণের সুবিধার্থে নির্বাহী আদেশে দেশব্যাপী সাধারণ ছুটি বলবৎ থাকবে। একইসঙ্গে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারির বিশেষ ছুটিও বহাল রাখা হয়েছে।

এদিকে, নির্বাচন উপলক্ষ্যে ঢাকাসহ সারা দেশের সব দোকানপাট, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও শপিং মল আজ বুধবার এবং আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বন্ধ থাকবে। দোকান মালিক সমিতির পক্ষ থেকে নির্বাচনকালীন এই ছুটির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মো. নাজমুল হাসান মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গত ৫ ফেব্রুয়ারি এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

ব্যবসায়ী মালিক সমিতির ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুবিধার্থে সরকারি সিদ্ধান্তের সঙ্গে সংহতি রেখে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি ঢাকাসহ দেশের সব দোকানপাট, বিপণিবিতান এবং শপিং মল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।