খুঁজুন
সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ৭ বৈশাখ, ১৪৩৩

ডাকসু তারেক রহমানকে নতুন সুযোগ এনে দিয়েছে

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৩:০৭ অপরাহ্ণ
ডাকসু তারেক রহমানকে নতুন সুযোগ এনে দিয়েছে
শেয়ার করুন

ডাকসু’র ফলাফল নিয়ে অন্তহীন বিতর্ক। নানা মূল্যায়ন। এসব মূল্যায়নে ভবিষ্যৎ রাজনীতির ইঙ্গিত। কী হলো, কী হবে? ভবিষ্যৎ রাজনীতি কি এভাবেই ওলটপালট হয়ে যাবে! অনেক পর্যবেক্ষক সংশয় প্রকাশ করছেন। বলছেন, এটা নাও হতে পারে। তবে এটা যে ওয়েক-আপ কল এতে কোনো সন্দেহ নেই। ভারতীয় কূটনৈতিক, বিশ্লেষক এবং সংসদ সদস্য শশী থারুরের বিশ্লেষণের দিকে অনেকেই নজর রাখছেন। তিনি বলছেন, বাংলাদেশের বড় দু’টি দলের অতীত এবং বর্তমান কার্যক্রম থেকে অনেক ভোটার নিষ্কৃতি পেতে চাচ্ছেন। যে কারণে ভোটের বাক্সে বিপ্লব ঘটেছে শিবির তথা জামায়াতের। ভোট নিয়ে অনেক অনিয়মের কথাই শুনছি। তবে কিছু  আশ্চর্যজনক কৌশল যে ছিল- এতে কোনো সন্দেহ নেই। এখানে মানবিকতার কৌশলকে খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে গত এক বছরে শিবির যে কার্যক্রম চালিয়েছে তাও আমলে নেয়নি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। শিবিরের প্রার্থী সিলেকেশন দেখে তারা ঘুণাক্ষরেও টের পায়নি ওরা কী কৌশল নিচ্ছে। আর ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েমের পরিচিতি তো আগেই ছিল। ছাত্রদল বাইরের পপুলার ভোটের উপর ভরসা করে বিজয় ছিনিয়ে নিতে চেয়েছিল। সবসময় পপুলার ভোটে জয়ী হওয়া যায় না। তাহলে তো হিলারি ক্লিনটনের জয় পাওয়ার কথা ছিল। ডনাল্ড ট্রাম্প অপ্রত্যাশিতভাবে জয়ী হয়েছিলেন।

রাজাকার ইস্যুটি যে আর মানুষ ভালোভাবে নেয় না তা শেখ হাসিনার পতন দেখে বিএনপি নেতারা বুঝতে পারেননি। ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদলের এই কৌশল ছিল ভুল। প্রার্থী সিলেকশনেও দক্ষতার পরিচয় দেয়া হয়নি। শুধু বয়স কম দেখেই প্রার্থী করা হয়েছে। এখনই হল কমিটি গঠনের কী প্রয়োজন ছিল। যে কারণে হল কমিটি নিয়ে বিদ্রোহ দেখা দেয়। যিনি এর নেপথ্যের নায়ক তিনি এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরেই রয়ে গেছেন। নারী ভোটারদের আকৃষ্ট করার মতো কোনো কার্যক্রমই চোখে পড়েনি। তাছাড়া যে যুক্তিতে বিএনপি এই নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল তা আখেরে ভুল প্রমাণিত হয়েছে। জামায়াত জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেবে ডাকসুতে ভোটে জিতে গেলে এই যুক্তি দেখিয়েছিলেন কেউ কেউ। ভোটে অংশ না নেয়ার পক্ষেও কিন্তু যুক্তি ছিল প্রবল। এখন কি জামায়াত সহজে ভোটমুখী হবে? তারা তো এখন নিজেদের মতো ভোট চাইবে।  ইতিমধ্যেই আরও কয়েকটি দল নিয়ে আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। বিএনপি’র কৌশলগত ভুল ছিল চোখে পড়ার মতো। জামায়াত নেতা শিশির মনিরকে নিয়ে ছাত্রদল রীতিমতো ব্যঙ্গ করেছে। অথচ শিশির মনিরই তারেক রহমানের আইনজীবী ছিলেন। এই বিষয়টিও খেয়াল রাখেনি তারা।

অভ্যুত্থানের পর প্রেসিডেন্টকে রাখতে হবে, নিষিদ্ধ করা যাবে না জাতীয় পার্টিকেও। টকশোতে আওয়ামী লীগ সম্পর্কে কয়েকজন বিএনপি নেতার মূল্যায়ন দেখেও অনেকেই বিরক্ত হয়েছেন। সচেতন ডাকসু ভোটাররা বিচ্ছিন্ন কোনো দ্বীপের বাসিন্দা নন। এসব কারণেই এই জেনারেশনের ছেলেমেয়েরা বিএনপি’র সিদ্ধান্তগুলোকে বাঁকা চোখে দেখেছে। অথচ মজার ব্যাপার হলো আওয়ামী লীগ তাদের পাশে দাঁড়ায়নি। বরং ভোটের পাঁচদিন আগে শেখ হাসিনা প্রফেসর ইউনূস ও তারেক রহমানের সমালোচনা করেন একই ভাষায়। এটা কোনো কাকতালীয় ঘটনা নয়। সময় যত গড়াচ্ছে ততই বের হয়ে আসছে লুকায়িত সত্য।

ভোট গণনাকালে পরিস্থিতি নাজুক রূপ নেয়। দুশ্চিন্তায় পড়ে যায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। দফায় দফায় বৈঠক হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের চারপাশে লোক জড়ো হতে দেখে অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন বেসামাল হয়ে পড়ে। তাদের ধারণা ছিল, ফল গণনাকে কেন্দ্র করে বড় কিছু ঘটে যেতে পারে। যা তাদেরকেও স্পর্শ করবে। তখনই একটি সমঝোতার প্রস্তাব মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। যদিও শেষ পর্যন্ত কিছু ঘটেনি তারেক রহমানের একক সিদ্ধান্তে। তিনি নির্দেশ দিয়েছিলেন, ফল যাই হোক গোলযোগ সৃষ্টি করা যাবে না। তখন পর্যন্ত অবশ্য তাদের কাছে ভোটের ফলাফলের সঠিক চিত্র ছিল না। ভোটের ফলাফল বিশ্লেষণ করতে গিয়ে অনেকেই বলছেন, জামায়াত নেতারা তো বিএনপি’র শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বিএনপি সাড়া দেয়নি।

যাই হোক, কেন শিবির জিতলো তার মূল্যায়নেরও দাবি রাখে। পানির জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে ছেলেমেয়েরা যখন সীমাহীন কষ্টে পড়েছিল তখন ছাত্রশিবির  কীভাবে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছিল তা কিন্তু কারও অজানা নয়।  তারা কীভাবেই বা ম্যানেজ করেছে এ নিয়ে আপনি নানা গল্প সাজাতে পারেন, কিন্তু দিনের শেষে ফলাফল ভিন্ন হবেই এবং তাই হয়েছে। এখানেই শেষ নয়। তারা এক বছর আগে থেকে ডাটাবেজ তৈরি করেছিল। ছাত্র-ছাত্রীদের বাড়ির ঠিকানা লিপিবদ্ধ করেছিল সফটওয়্যারে। তারা সবার পরিচয় জানতে পেরেছিল। তাই তারা ভোটের আগে নানা উপহার নিয়ে হাজির হয়েছে ভোটারদের বাড়িতে। জামায়াতের স্থানীয় নেতারা এখানে এক মুখ্য ভূমিকা রেখেছেন।

আগস্ট অভ্যুত্থানে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের পাশেও দাঁড়িয়েছিলেন দু’হাত বাড়িয়ে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিরপেক্ষ ছিল না- এটা বোধ করি নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। ভোট গণনার মেশিন OMR নামে পরিচিত। যেটি নিয়ে নানা বিতর্ক রয়েছে। এটায় টেম্পারিংয়ের সুযোগ আছে। টেম্পারিং হয়েছে কিনা তদন্ত করলে হয়তো জানা যেত। কিন্তু তদন্তের কোনো আওয়াজ নেই। ভোটার তালিকাও প্রকাশিত হয়েছে একজন জামায়াত নেতা পরিচালিত প্রেস থেকে। সাদা দলের  শিক্ষকরা নির্বাচন পরিচালনায় অনুপস্থিত ছিলেন। এটাও এক রহস্যজনক ঘটনা। ভিসির টেবিলের সামনে দাঁড়িয়ে যে ভাষায় প্রতিবাদ জানানো হয়েছিল তা সংশ্লিষ্ট অনেককেই হতাশ করে। পরবর্তীকালে এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়। প্রতিক্রিয়া হয় ভোটারদের মধ্যেও।

এসবের পরেও শিবিরের বিজয়কে ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। আপনি স্বীকার করুন আর নাই করুন- ডাকসু নির্বাচনের ফলাফল বাংলাদেশের রাজনীতিকে অনেকটা ওলটপালট করে দিয়েছে। বিতর্ক হচ্ছে- ছাত্রলীগের ভোট কোথায় গেল? আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইটে ডাকসু নিয়ে কোনো মূল্যায়ন নেই। তবে ভাষ্যকাররা খোলামেলাই বলছেন, শিবিরকেই ভোট দিয়েছে ছাত্রলীগ। পর্দার আড়ালেই অনেক কিছু ঘটেছে। যা বিএনপি নেতারা জানতেন না, জানার চেষ্টাও করেননি। এখন তারা নানা কথাই বলছেন। কেউ জানাচ্ছেন ব্যক্তিগতভাবে অভিনন্দন। কারও মতে, অন্ধকারের এক শক্তি ভোটের বাক্স বোঝাই করেছে।

যাই হোক, ডাকসু নির্বাচন বিএনপিকে নতুন করে ভাববার সুযোগ করে দিয়েছে। কেউ কেউ বলছেন, তারেক রহমান এখন আরও কঠোর হতে পারেন। যাদের গায়ে ময়লা তাদেরকে দূরে সরিয়ে নিতে পারেন নির্বাচনী সিদ্ধান্ত। যেটা আগে সম্ভব ছিল না। মানতেই হবে-অনেক বড় নেতার গায়েও কিন্তু ময়লা লেগেছে। ভোটের হিসাবনিকাশ যখন পাল্টে যাচ্ছে তখন নতুন করে ঘুঁটি সাজাতে হবে দাবা খেলার মতো। দলে চালাতে হবে শুদ্ধি অভিযান। তা না হলে, পপুলার ভোটের পরিণতি যা হয় তাই হবে।

শেষ কথা হচ্ছে, ডাকসু নির্বাচনই সব কিছু নয়। ডাকসুতে জিতে মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ও মাহমুদুর রহমান মান্না নেতা হয়েছেন বটে, দল কিন্তু দাঁড়ায়নি। ভোটেও তারা জিতেননি।সুত্র : মানবজমিন

বিএনপির মনোনয়ন পেলেন না আলোচনায় থাকা চমক

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৫৮ অপরাহ্ণ
বিএনপির মনোনয়ন পেলেন না আলোচনায় থাকা চমক
শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে অবশেষে প্রার্থীদের তালিকা চূড়ান্ত করেছে বিএনপি।

 

সোমবার (২০ এপ্রিল) রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ৩৬ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।

 

 

তবে ঘোষিত এই তালিকায় ঠাঁই পাননি আলোচনায় থাকা অভিনেত্রী চমক।

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস্য হতে সংরক্ষিত নারী আসনে ছোট পর্দার অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক আগ্রহ প্রকাশ করেন। কুষ্টিয়া থেকে সংরক্ষিত আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন নিয়েছেন তিনি।

 

 

সে সময় এক সাক্ষাৎকারে চমক গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, আমি দেশের জন্য কাজ করতে চাই, বিশেষ করে নারীদের জন্য। সে জন্য একটা প্ল্যাটফর্ম দরকার ছিল। আমার মনে হয়েছে, বিএনপির সঙ্গে যুক্ত হলে আমার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে। কথা বলে ইতিবাচক মনে হয়েছে। আমি শতভাগ আশাবাদী। দলীয় সিদ্ধান্ত ইতিবাচকভাবে নেব।

 

রুকাইয়া জাহান চমকের জন্ম বরিশালে, তবে বেড়ে ওঠা ও পড়াশোনা ঢাকায়। ২০১৭ সালে মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় রানারআপ হয়ে বিনোদন অঙ্গনে পথচলা শুরু চমকের।

 

২০২০ সালে ছোট পর্দায় অভিনয় শুরু করেন তিনি। তার উল্লেখযোগ্য নাটক ও সিরিজ হলো ‘হায়দার’, ‘হাউস নং ৯৬’, ‘মহানগর’, ‘সাদা প্রাইভেট’, ‘অসমাপ্ত’ ও ‘ভাইরাল হাজব্যান্ড’।

কাল থেকে শুরু এসএসসি পরীক্ষা, অংশ নেবে সাড়ে ১৮ লাখ শিক্ষার্থী

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৪৫ অপরাহ্ণ
কাল থেকে শুরু এসএসসি পরীক্ষা, অংশ নেবে সাড়ে ১৮ লাখ শিক্ষার্থী
শেয়ার করুন

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) থেকে। এতে অংশ নিচ্ছে ১৮ লাখ ৫১ হাজার ৪২৩ শিক্ষার্থী। পরীক্ষা শেষ হবে ২০ মে আর ৭ জুনের মধ্যে শেষ হবে ব্যবহারিক পরীক্ষাও।

পরীক্ষা নিয়ে নানা নীতিমালা এবং শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের তৎপরতায় অন্যরকম পরিবেশে পরীক্ষা হতে যাচ্ছে বলে মত দিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা।

ইতোমধ্যে মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষায় স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে গত দুই সপ্তাহের প্রায় প্রতিদিনই জরুরি নির্দেশনা জারি করছে শিক্ষাবোর্ডগুলো। ৩ হাজার ২০৯টি কেন্দ্র আনা হয়েছে সিসি ক্যামেরার আওতায়। সবচেয়ে বেশি জোর দেয়া হচ্ছে কেউ যেন নকল না করতে পারে।

 

এ বিষয়ে আন্তঃশিক্ষাবোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল কবির বলেন, অনেক জায়গায় সিসি ক্যামেরা অভ্যস্ত আছে। নতুন জায়গায় কেন্দ্র সচিবদেরকে সেভাবে অনুপ্রাণিত করেছি।

৩০ হাজারের বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এসব শিক্ষার্থী এমন এক সময়ে পরীক্ষা দিচ্ছেন, যখন আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা পরিচালনা নীতিমালা ও পাবলিক পরীক্ষা আইন ১৯৮০-এর বেশ কিছু পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। শুধু নকল প্রতিরোধ নয়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে শিক্ষা ব্যবস্থা যুগোপযোগী করার ওপর জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুন্দর, স্বাভাবিক হবে। মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা দেয়ার জন্য আমাদের শিক্ষকদের ট্রেনিং নিতে হবে। শিক্ষকদের নিয়ে কাজ করতে হবে। শিক্ষকরা সঠিকভাবে যদি লেখাপড়া করান, তাহলে ছাত্রছাত্রীরা ভালো হবে এবং ভালো লেখাপড়া হবে। শুধুমাত্র বানান কারেকশন আর কোনো কিছু পরিবর্তন না।

নাইক্ষ্যংছড়িতে অস্ত্র ও গুলিসহ দুই যুবক আটক

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:২৩ পূর্বাহ্ণ
নাইক্ষ্যংছড়িতে অস্ত্র ও গুলিসহ দুই যুবক আটক
শেয়ার করুন

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় অস্ত্র ও গুলিসহ দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ। রোববার (১৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার বাইশারী এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। এর আগে এলাকাবাসী ওই দুই যুবককে ধাওয়া করে ধরে ফেলেন।

আটককৃতরা হলেন-উপজেলার উত্তর বাইশারী এলাকার আতাউল্লাহ কলিম (৩২) ও মধ্যম বাইশারী এলাকার হারুন (২৬)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, আতাউল্লাহ ও হারুন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিলেন। তাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ ছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আজ সন্ধ্যায় তারা সন্দেহজনকভাবে এলাকায় অবস্থান করার সময় স্থানীয় লোকজন তাদের ধাওয়া করেন। একপর্যায়ে তাদের ধরে ফেলে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করে এবং তাদের থানায় নিয়ে আসে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক বলেন, অস্ত্র ও গুলিসহ দুই যুবককে এলাকাবাসী ধরে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে। এ ঘটনায় আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় অস্ত্র আইনে মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।