খুঁজুন
সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১৬ চৈত্র, ১৪৩২

ডাকসু তারেক রহমানকে নতুন সুযোগ এনে দিয়েছে

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৩:০৭ অপরাহ্ণ
ডাকসু তারেক রহমানকে নতুন সুযোগ এনে দিয়েছে
শেয়ার করুন

ডাকসু’র ফলাফল নিয়ে অন্তহীন বিতর্ক। নানা মূল্যায়ন। এসব মূল্যায়নে ভবিষ্যৎ রাজনীতির ইঙ্গিত। কী হলো, কী হবে? ভবিষ্যৎ রাজনীতি কি এভাবেই ওলটপালট হয়ে যাবে! অনেক পর্যবেক্ষক সংশয় প্রকাশ করছেন। বলছেন, এটা নাও হতে পারে। তবে এটা যে ওয়েক-আপ কল এতে কোনো সন্দেহ নেই। ভারতীয় কূটনৈতিক, বিশ্লেষক এবং সংসদ সদস্য শশী থারুরের বিশ্লেষণের দিকে অনেকেই নজর রাখছেন। তিনি বলছেন, বাংলাদেশের বড় দু’টি দলের অতীত এবং বর্তমান কার্যক্রম থেকে অনেক ভোটার নিষ্কৃতি পেতে চাচ্ছেন। যে কারণে ভোটের বাক্সে বিপ্লব ঘটেছে শিবির তথা জামায়াতের। ভোট নিয়ে অনেক অনিয়মের কথাই শুনছি। তবে কিছু  আশ্চর্যজনক কৌশল যে ছিল- এতে কোনো সন্দেহ নেই। এখানে মানবিকতার কৌশলকে খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে গত এক বছরে শিবির যে কার্যক্রম চালিয়েছে তাও আমলে নেয়নি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। শিবিরের প্রার্থী সিলেকেশন দেখে তারা ঘুণাক্ষরেও টের পায়নি ওরা কী কৌশল নিচ্ছে। আর ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েমের পরিচিতি তো আগেই ছিল। ছাত্রদল বাইরের পপুলার ভোটের উপর ভরসা করে বিজয় ছিনিয়ে নিতে চেয়েছিল। সবসময় পপুলার ভোটে জয়ী হওয়া যায় না। তাহলে তো হিলারি ক্লিনটনের জয় পাওয়ার কথা ছিল। ডনাল্ড ট্রাম্প অপ্রত্যাশিতভাবে জয়ী হয়েছিলেন।

রাজাকার ইস্যুটি যে আর মানুষ ভালোভাবে নেয় না তা শেখ হাসিনার পতন দেখে বিএনপি নেতারা বুঝতে পারেননি। ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদলের এই কৌশল ছিল ভুল। প্রার্থী সিলেকশনেও দক্ষতার পরিচয় দেয়া হয়নি। শুধু বয়স কম দেখেই প্রার্থী করা হয়েছে। এখনই হল কমিটি গঠনের কী প্রয়োজন ছিল। যে কারণে হল কমিটি নিয়ে বিদ্রোহ দেখা দেয়। যিনি এর নেপথ্যের নায়ক তিনি এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরেই রয়ে গেছেন। নারী ভোটারদের আকৃষ্ট করার মতো কোনো কার্যক্রমই চোখে পড়েনি। তাছাড়া যে যুক্তিতে বিএনপি এই নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল তা আখেরে ভুল প্রমাণিত হয়েছে। জামায়াত জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেবে ডাকসুতে ভোটে জিতে গেলে এই যুক্তি দেখিয়েছিলেন কেউ কেউ। ভোটে অংশ না নেয়ার পক্ষেও কিন্তু যুক্তি ছিল প্রবল। এখন কি জামায়াত সহজে ভোটমুখী হবে? তারা তো এখন নিজেদের মতো ভোট চাইবে।  ইতিমধ্যেই আরও কয়েকটি দল নিয়ে আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। বিএনপি’র কৌশলগত ভুল ছিল চোখে পড়ার মতো। জামায়াত নেতা শিশির মনিরকে নিয়ে ছাত্রদল রীতিমতো ব্যঙ্গ করেছে। অথচ শিশির মনিরই তারেক রহমানের আইনজীবী ছিলেন। এই বিষয়টিও খেয়াল রাখেনি তারা।

অভ্যুত্থানের পর প্রেসিডেন্টকে রাখতে হবে, নিষিদ্ধ করা যাবে না জাতীয় পার্টিকেও। টকশোতে আওয়ামী লীগ সম্পর্কে কয়েকজন বিএনপি নেতার মূল্যায়ন দেখেও অনেকেই বিরক্ত হয়েছেন। সচেতন ডাকসু ভোটাররা বিচ্ছিন্ন কোনো দ্বীপের বাসিন্দা নন। এসব কারণেই এই জেনারেশনের ছেলেমেয়েরা বিএনপি’র সিদ্ধান্তগুলোকে বাঁকা চোখে দেখেছে। অথচ মজার ব্যাপার হলো আওয়ামী লীগ তাদের পাশে দাঁড়ায়নি। বরং ভোটের পাঁচদিন আগে শেখ হাসিনা প্রফেসর ইউনূস ও তারেক রহমানের সমালোচনা করেন একই ভাষায়। এটা কোনো কাকতালীয় ঘটনা নয়। সময় যত গড়াচ্ছে ততই বের হয়ে আসছে লুকায়িত সত্য।

ভোট গণনাকালে পরিস্থিতি নাজুক রূপ নেয়। দুশ্চিন্তায় পড়ে যায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। দফায় দফায় বৈঠক হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের চারপাশে লোক জড়ো হতে দেখে অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন বেসামাল হয়ে পড়ে। তাদের ধারণা ছিল, ফল গণনাকে কেন্দ্র করে বড় কিছু ঘটে যেতে পারে। যা তাদেরকেও স্পর্শ করবে। তখনই একটি সমঝোতার প্রস্তাব মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। যদিও শেষ পর্যন্ত কিছু ঘটেনি তারেক রহমানের একক সিদ্ধান্তে। তিনি নির্দেশ দিয়েছিলেন, ফল যাই হোক গোলযোগ সৃষ্টি করা যাবে না। তখন পর্যন্ত অবশ্য তাদের কাছে ভোটের ফলাফলের সঠিক চিত্র ছিল না। ভোটের ফলাফল বিশ্লেষণ করতে গিয়ে অনেকেই বলছেন, জামায়াত নেতারা তো বিএনপি’র শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বিএনপি সাড়া দেয়নি।

যাই হোক, কেন শিবির জিতলো তার মূল্যায়নেরও দাবি রাখে। পানির জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে ছেলেমেয়েরা যখন সীমাহীন কষ্টে পড়েছিল তখন ছাত্রশিবির  কীভাবে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছিল তা কিন্তু কারও অজানা নয়।  তারা কীভাবেই বা ম্যানেজ করেছে এ নিয়ে আপনি নানা গল্প সাজাতে পারেন, কিন্তু দিনের শেষে ফলাফল ভিন্ন হবেই এবং তাই হয়েছে। এখানেই শেষ নয়। তারা এক বছর আগে থেকে ডাটাবেজ তৈরি করেছিল। ছাত্র-ছাত্রীদের বাড়ির ঠিকানা লিপিবদ্ধ করেছিল সফটওয়্যারে। তারা সবার পরিচয় জানতে পেরেছিল। তাই তারা ভোটের আগে নানা উপহার নিয়ে হাজির হয়েছে ভোটারদের বাড়িতে। জামায়াতের স্থানীয় নেতারা এখানে এক মুখ্য ভূমিকা রেখেছেন।

আগস্ট অভ্যুত্থানে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের পাশেও দাঁড়িয়েছিলেন দু’হাত বাড়িয়ে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিরপেক্ষ ছিল না- এটা বোধ করি নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। ভোট গণনার মেশিন OMR নামে পরিচিত। যেটি নিয়ে নানা বিতর্ক রয়েছে। এটায় টেম্পারিংয়ের সুযোগ আছে। টেম্পারিং হয়েছে কিনা তদন্ত করলে হয়তো জানা যেত। কিন্তু তদন্তের কোনো আওয়াজ নেই। ভোটার তালিকাও প্রকাশিত হয়েছে একজন জামায়াত নেতা পরিচালিত প্রেস থেকে। সাদা দলের  শিক্ষকরা নির্বাচন পরিচালনায় অনুপস্থিত ছিলেন। এটাও এক রহস্যজনক ঘটনা। ভিসির টেবিলের সামনে দাঁড়িয়ে যে ভাষায় প্রতিবাদ জানানো হয়েছিল তা সংশ্লিষ্ট অনেককেই হতাশ করে। পরবর্তীকালে এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়। প্রতিক্রিয়া হয় ভোটারদের মধ্যেও।

এসবের পরেও শিবিরের বিজয়কে ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। আপনি স্বীকার করুন আর নাই করুন- ডাকসু নির্বাচনের ফলাফল বাংলাদেশের রাজনীতিকে অনেকটা ওলটপালট করে দিয়েছে। বিতর্ক হচ্ছে- ছাত্রলীগের ভোট কোথায় গেল? আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইটে ডাকসু নিয়ে কোনো মূল্যায়ন নেই। তবে ভাষ্যকাররা খোলামেলাই বলছেন, শিবিরকেই ভোট দিয়েছে ছাত্রলীগ। পর্দার আড়ালেই অনেক কিছু ঘটেছে। যা বিএনপি নেতারা জানতেন না, জানার চেষ্টাও করেননি। এখন তারা নানা কথাই বলছেন। কেউ জানাচ্ছেন ব্যক্তিগতভাবে অভিনন্দন। কারও মতে, অন্ধকারের এক শক্তি ভোটের বাক্স বোঝাই করেছে।

যাই হোক, ডাকসু নির্বাচন বিএনপিকে নতুন করে ভাববার সুযোগ করে দিয়েছে। কেউ কেউ বলছেন, তারেক রহমান এখন আরও কঠোর হতে পারেন। যাদের গায়ে ময়লা তাদেরকে দূরে সরিয়ে নিতে পারেন নির্বাচনী সিদ্ধান্ত। যেটা আগে সম্ভব ছিল না। মানতেই হবে-অনেক বড় নেতার গায়েও কিন্তু ময়লা লেগেছে। ভোটের হিসাবনিকাশ যখন পাল্টে যাচ্ছে তখন নতুন করে ঘুঁটি সাজাতে হবে দাবা খেলার মতো। দলে চালাতে হবে শুদ্ধি অভিযান। তা না হলে, পপুলার ভোটের পরিণতি যা হয় তাই হবে।

শেষ কথা হচ্ছে, ডাকসু নির্বাচনই সব কিছু নয়। ডাকসুতে জিতে মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ও মাহমুদুর রহমান মান্না নেতা হয়েছেন বটে, দল কিন্তু দাঁড়ায়নি। ভোটেও তারা জিতেননি।সুত্র : মানবজমিন

মোটরসাইকেল চুরির মামলায় ছাত্রদল নেতা কারাগারে

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ণ
মোটরসাইকেল চুরির মামলায় ছাত্রদল নেতা কারাগারে
শেয়ার করুন

বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জে মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগে ছাত্রদলের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

 

রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে গ্রেপ্তারকৃত জিহাদুল ইসলাম খানকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তিনি বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

 

মেহেন্দীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চত করে বলেন, জিহাদুল ইসলাম খানকে মোটরসাইকেলসহ হাতেনাতে আটক করে টহলরত পুলিশ সদস্যরা। পরবর্তীতে দায়েরকৃত মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত প্রায় ৯টার দিকে মেহেন্দীগঞ্জ পৌরসভার বদরপুর এলাকায় সোহেল তালুকদারের বাড়ির আঙিনায় ভাড়ায় চালিত একটি মোটরসাইকেল তালাবদ্ধ অবস্থায় রাখা ছিল। মোটরসাইকেলটির মালিক তানভির ইসলাম। রাত আনুমানিক ১টার দিকে ওই মোটরসাইকেলটি নিয়ে পালানোর সময় টহলরত পুলিশের সন্দেহ হয়। এ সময় জিহাদুল ইসলাম খানকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার কথায় অসঙ্গতি ধরা পড়ে। পরে মোটরসাইকেলের মালিককে ঘটনাস্থলে ডেকে এনে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়।এ ঘটনায় রোববার সকালে একটি মামলা দায়ের করা হয় এবং অভিযুক্তকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠায় থানা পুলিশ।

 

 

মোটরসাইকেলের মালিক তানভির ইসলাম বলেন, ধারদেনা করে কেনা মোটরসাইকেলটি ভাড়ায় চালিয়ে তার সংসার চলে। এটি হারিয়ে গেলে তিনি চরম বিপদে পড়তেন। দ্রুত উদ্ধারের জন্য পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানান।

 

মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান মুক্তা বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি ছাত্রদলের পদে থাকলেও তার বিরুদ্ধে আগেও বিভিন্ন অভিযোগ ছিল। বিষয়টি নিয়ে দলীয়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও জানান তিনি।

 

বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জে মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগে ছাত্রদলের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

 

রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে গ্রেপ্তারকৃত জিহাদুল ইসলাম খানকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তিনি বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

 

মেহেন্দীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চত করে বলেন, জিহাদুল ইসলাম খানকে মোটরসাইকেলসহ হাতেনাতে আটক করে টহলরত পুলিশ সদস্যরা। পরবর্তীতে দায়েরকৃত মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত প্রায় ৯টার দিকে মেহেন্দীগঞ্জ পৌরসভার বদরপুর এলাকায় সোহেল তালুকদারের বাড়ির আঙিনায় ভাড়ায় চালিত একটি মোটরসাইকেল তালাবদ্ধ অবস্থায় রাখা ছিল। মোটরসাইকেলটির মালিক তানভির ইসলাম। রাত আনুমানিক ১টার দিকে ওই মোটরসাইকেলটি নিয়ে পালানোর সময় টহলরত পুলিশের সন্দেহ হয়। এ সময় জিহাদুল ইসলাম খানকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার কথায় অসঙ্গতি ধরা পড়ে। পরে মোটরসাইকেলের মালিককে ঘটনাস্থলে ডেকে এনে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়।এ ঘটনায় রোববার সকালে একটি মামলা দায়ের করা হয় এবং অভিযুক্তকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠায় থানা পুলিশ।

 

মোটরসাইকেলের মালিক তানভির ইসলাম বলেন, ধারদেনা করে কেনা মোটরসাইকেলটি ভাড়ায় চালিয়ে তার সংসার চলে। এটি হারিয়ে গেলে তিনি চরম বিপদে পড়তেন। দ্রুত উদ্ধারের জন্য পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানান।

 

মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান মুক্তা বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি ছাত্রদলের পদে থাকলেও তার বিরুদ্ধে আগেও বিভিন্ন অভিযোগ ছিল। বিষয়টি নিয়ে দলীয়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও জানান তিনি।

ওমরাহ করতে সৌদি যাচ্ছেন নাহিদ ইসলাম

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ণ
ওমরাহ করতে সৌদি যাচ্ছেন নাহিদ ইসলাম
শেয়ার করুন

পবিত্র ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে আজ রাতে সৌদি আরব যাচ্ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম।

 

রোববার (২৯ মার্চ) রাতে দলের মিডিয়া টিম থেকে এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

 

বার্তায় বলা হয়, নিরাপদ যাত্রার জন্য তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ৪ এপ্রিল তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

জেন-জিরা ৭২’র সংবিধান চায় না: হান্নান মাসউদ

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ৮:৫৮ অপরাহ্ণ
জেন-জিরা ৭২’র সংবিধান চায় না: হান্নান মাসউদ
শেয়ার করুন

জেন-জিরা ৭২’র সংবিধান আর চায় না বলে- মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি হতে নির্বাচিত নোয়াখালী-৬(হাতিয়া)র এমপি আব্দুল হান্নান মাসউদ। রবিবার (২৯ মার্চ) জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের প্রথম দিনে জুলাই সনদ ও সংবিধান ইস্যুতে এ কথা বলেন হান্নান মাসউদ।

 

মাসউদ বলেন, ‘আমি বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ এমপি। আপনারা যে জেন-জির কথা বলেন, আমি জেন-জির প্রতিনিধি হয়ে সংসদে কথা বলতে এসেছি। আপনারা যদি বলেন, জেন-জিরা কী চায়। আমি বলি, জেন-জিরা ৭২‘র সংবিধান আর চায় না।’

 

তিনি আরো বলেন, ‘স্বাধীনতার ৩০ বছর পরে আমার মত যেসব সন্তানরা রয়েছে, তারা ভোট দিতে পারেনি, আমি এর জবাব চাই। আমরা স্বাধীন বাংলাদেশে জন্ম নিয়েছি। আমাদের কী ভুল ছিল? আমরা নতুন মানচিত্র পেয়েছি। নতুন পতাকা ও নতুন সীমানা পেয়েছি। আমাদের পূর্ব পুরুষেরা ১৯৭১ সালে রক্ত দিয়ে আমাদের জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে চেয়েছেন। আমরা কি সেই নিরাপদ এবং নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি? সেই নতুন বাংলাদেশ আমরা পাইনি।’

 

এমপি বলেন, ‘৭১-এ ৩০ লাখ মানুষ শহীদ হয়েছে এবং জীবন দিয়েছে। পরবর্তীতে তাদের সন্তানরা যেন নিরাপদ বাংলাদেশে ভোটাধিকার পায় এবং রক্ষী বাহিনী না হয়। আমরা দেখেছি, বাংলাদেশে দুর্ভিক্ষ হয়েছে। ১৯৭৩ সালে ভোট চুরি হয়েছে। এরপর আমরা দেখেছি, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে গণতন্ত্র পুনর্জন্মের জন্য ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি আমার হাতিয়াতে তিনবার গিয়েছেন। আমি যেদিকে তাকিয়েছি এবং বলেছি, এই বেরিবাঁধ কে করে দিয়েছেন? তখন শুনেছি জিয়াউর রহমান। আমার এই খাল কে খনন করে দিয়েছেন? তখন শুনেছি, জিয়াউর রহমান। তার পরে বেগম খালেদা জিয়া আমার হাতিয়াতে তিন থেকে চারবার গিয়েছেন। এরপরেও আমার হাতিয়াতে নদী ভাঙন রোধ হয়নি। ওই অঞ্চলের লাখ লাখ মানুষ ঘরবাড়িহীন হয়ে পড়ে আছেন। আমি এই ইলেকশনে ভোট ডাকাতি দেখেছি। আমার বাড়িঘরে হামলা করেছে।’

 

সংসদের সদস্যদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে হান্নান বলেন,‘আমি কি এই নির্বাচনের জন্য রক্ত ঝড়িয়েছি? আমরা রক্ত ঝড়িয়েছি বলেই আপনারা সংসদে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হয়েছেন।’

 

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে অনড় অবস্থান জানিয়ে হান্নান মাসউদ আরও বলেন, ‘আমরা নতুন বাংলাদেশের বিষয়ে কোনো প্রতারণা দেখতে চাই না। গণভোটের জন্য প্রধানমন্ত্রী প্রচারণা চালিয়েছেন। যে আদেশের পক্ষে সংসদ সদস্যরা প্রচারণা চালিয়েছেন, আজকে কেন আবার দীর্ঘ আলোচনা হতে হবে?’