খুঁজুন
বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ব্যর্থতার কারণেই খোদা বকশ চৌধুরীর পদত্যাগ

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ২:৪৭ অপরাহ্ণ
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ব্যর্থতার কারণেই খোদা বকশ চৌধুরীর পদত্যাগ
শেয়ার করুন

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামলাতে ব্যর্থ হওয়ায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারীর পদ থেকে খোদা বকশ চৌধুরী পদত্যাগ করেছেন বলে জানিয়েছেন সরকারি কর্মকর্তারা। তারা জানান, ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের আগে তার ভূমিকা নিয়ে সরকারের ভেতর উদ্বেগ বাড়ছিল।

 

 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের ১০ নভেম্বর খোদা বকশ চৌধুরীকে বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। আশা করা হয়েছিল, তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী—বিশেষ করে পুলিশের ভেতর শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবেন এবং তাদের মনোবল বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।

 

কিন্তু সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি বলে জানান কর্মকর্তারা।

 

এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ‘প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করতে ব্যর্থ হওয়া এবং সংকট মোকাবিলায় দুর্বলতার কারণেই তাকে পদত্যাগ করতে হয়েছে। তিনি সাবেক আইজিপি ছিলেন, তাই তার কাছ থেকে দৃঢ় ও কার্যকর ভূমিকা আশা করা হয়েছিল।’

 

সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) খোদা বকশ চৌধুরী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এবং সম্প্রতি কয়েকটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর জননিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ায় গত বুধবার পদত্যাগ করেন তিনি।

 

 

ঘটনাগুলোর মধ্যে ছিল ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড। তার মৃত্যুর পর জাতীয় দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার ও প্রথম আলোর কার্যালয় এবং আরও দুটি সাংস্কৃতিক সংগঠন—ছায়ানট ও উদীচীর ওপর হামলা হয়।

 

 

কর্মকর্তারা জানান, বিশেষ করে জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক হাদিকে গুলি করে হত্যার পর পরবর্তী পরিস্থিতি সামলাতে না পারায় প্রশাসনের ভেতরে খোদা বকশ চৌধুরীর ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ বাড়তে থাকে।

 

এক শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তা বলেন, ‘এই অসন্তোষ বুঝতে পেরে তিনি নিজ থেকেই পদত্যাগপত্র জমা দেন। সরকার তাকে পদত্যাগ করতে বলেনি।’

 

এ বিষয়ে জানতে খোদা বকশ চৌধুরী সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

রামুতে প্রবাসীর সাড়ে ১০ লাখ টাকা আত্মসাৎ: মূল হোতা শাহেদসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ৪:৪৩ অপরাহ্ণ
রামুতে প্রবাসীর সাড়ে ১০ লাখ টাকা আত্মসাৎ: মূল হোতা শাহেদসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ
শেয়ার করুন

কক্সবাজারের রামুতে প্রবাসী স্বামীর পাঠানো ১০ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে শাহেদ আহমদ (২৭) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। আত্মীয়তার সুযোগ নিয়ে অভিনব কায়দায় এই বিশাল অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়ে এখন উল্টো খুন-খারাবির হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের লম্বরীপাড়া এলাকায়।

​গত ৭ মে (২০২৬) রামু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বরাবর শাহেদ আহমদকে প্রধান অভিযুক্ত করে মোট ৩ জনের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ মিনুয়ারা বেগম (২৬)।

​অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার তেচ্ছিপুল খন্দকারপাড়ার বাসিন্দা মিনুয়ারা বেগমের স্বামী ইব্রাহীম খলিল দীর্ঘ বছর ধরে সৌদি আরবে প্রবাসী হিসেবে কর্মরত আছেন। অভিযুক্ত শাহেদ আহমদ (২৭) ও তার মা মুর্শিদা বেগম (৫০) এবং ভাই আমিন সরওয়ার (২২) প্রবাসীর নিকটাত্মীয়। আত্মীয়তার সুবাদে এবং বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে, গত ১৭ এপ্রিল ২০২৬ থেকে ৪ মে ২০২৬ তারিখের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে সৌদি আরব থেকে সর্বমোট ১০,৫০,০০০/- (দশ লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা শাহেদের মা মুর্শিদা বেগমের পরামর্শে মূল অভিযুক্ত শাহেদ আহমদের নিকট পাঠান প্রবাসী ইব্রাহীম খলিল।

​পরবর্তীতে ওই টাকা স্ত্রী হিসেবে মিনুয়ারা বেগমকে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য বারবার অনুরোধ করা হলেও শাহেদ ও তার পরিবার “আজ দেব, কাল দেব” বলে নানা টালবাহানায় সময় ক্ষেপণ করতে থাকে এবং অদ্যাবধি কোনো টাকা ফেরত দেয়নি।

​ভুক্তভোগী মিনুয়ারা বেগম অভিযোগে উল্লেখ করেন, গত ৭ মে তিনি তার দেবর রাশেদসহ লম্বরীপাাড়ায় শাহেদদের বাড়িতে গিয়ে পাওনা টাকা দাবি করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শাহেদ ও তার সহযোগীরা টাকা দিতে সরাসরি অস্বীকার করে। উল্টো টাকা চাইলে মারধর ও খুন-খারাবি করার ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করে এবং তাকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করে তাড়িয়ে দেয়।

​মিনুয়ারা বেগম জানান, শাহেদের হাত থেকে স্থানীয়ভাবে গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে টাকা উদ্ধারের বহু চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়ে তিনি নিরুপায় হয়ে আইনের আশ্রয় নিয়েছেন। ঘটনার পক্ষে বহু সাক্ষী রয়েছে বলেও তিনি জানান।

​এ বিষয়ে প্রধান অভিযুক্ত শাহেদ আহমদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মিনুয়ারা বেগম আমার আপন বড় মামী। আমার মামা সৌদি আরব থেকে মূলত জমি কেনার উদ্দেশ্যে আমার কাছে ১০ লক্ষ টাকা পাঠিয়েছিলেন। পরবর্তীতে মামা যখন সেখানে আইনি জটিলতায় জেলে পড়েন, তখন তার নির্দেশেই আমি মামীকে ১ লক্ষ টাকা বুঝিয়ে দিয়েছি। এখন আমার সৎ মামা রাশেদুল ইসলাম মামীকে জিম্মি করে আমার কাছে থাকা বাকি টাকাগুলো আত্মসাৎ করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন। আমার আপন মামার পাঠানো টাকা হাতিয়ে নিতেই সৎ মামা রাশেদুল ইসলাম মামীকে দিয়ে আমার বিরুদ্ধে থানায় এই মিথ্যা অভিযোগ করিয়েছেন।

​ভুক্তভোগী পরিবারটি তাদের কষ্টার্জিত অর্থ ফেরত পেতে এবং মূল অপরাধী শাহেদসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রামু থানা পুলিশের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ট্রাম্প-নেতানিয়াহুকে হত্যা করলে ৫৮ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার দেবে ইরান

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ৩:২১ অপরাহ্ণ
ট্রাম্প-নেতানিয়াহুকে হত্যা করলে ৫৮ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার দেবে ইরান
শেয়ার করুন

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে হত্যার জন্য একটি বিশাল আর্থিক পুরস্কার বা বাউন্টি ঘোষণা করার বিষয়ে আলোচনা করছে ইরান।

 

 

দেশটির সংসদ বা মজলিসে এই লক্ষ্যে ‘ইসলামী প্রজাতন্ত্রের সামরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীর পাল্টা পদক্ষেপ’ শিরোনামে একটি নতুন বিল পাসের প্রস্তুতি চলছে, যার আওতায় মার্কিন ও ইসরায়েলি শীর্ষ নেতাদের হত্যাকারীকে ৫ কোটি ইউরো বা প্রায় ৫৮ দশমিক ২৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পুরস্কার দেওয়ার আইনি বৈধতা দেওয়া হবে।

 

 

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ইরান ওয়ার এবং যুক্তরাজ্যের দ্য টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ বাহিনীর চালানো বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার প্রতিশোধ হিসেবেই এই বিলটি আনা হচ্ছে।

 

ইরানের সংসদের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আজিজি এই বিলটির প্রস্তুতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ইরান ওয়ারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইব্রাহিম আজিজি জানিয়েছেন যে সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনিকে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি ভূমিকা রাখার অপরাধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপারকে পাল্টা পদক্ষেপের প্রধান লক্ষ্যবস্তু করা উচিত।

 

 

একই কমিটির আরেক প্রভাবশালী সদস্য মাহমুদ নাবাবিয়ানও ঘোষণা করেছেন যে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প ও বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে জাহান্নামে পাঠাতে পারবে’ এমন ব্যক্তির জন্য রাষ্ট্রীয় পুরস্কার নির্ধারণের এই বিলটির ওপর খুব শীঘ্রই ইরানি পার্লামেন্টে চূড়ান্ত ভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

 

সংসদে এই সরকারি বিল আনার কয়েক দিন আগেই ইরানের জান্তা বা সরকার সমর্থিত প্রভাবশালী মিডিয়া আউটলেট ‘মাসাফ’ দাবি করেছিল যে তারা ইতিমধ্যেই ‘কিল ট্রাম্প’ বা ট্রাম্পকে হত্যা করার একটি বিশেষ অভিযানের জন্য ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের আর্থিক তহবিল সুরক্ষিত করেছে।

 

এ ছাড়া ইরানের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতাধীন সাইবার যুদ্ধ পরিচালনাকারী হ্যাকিং গ্রুপ ‘হান্দালা’ একটি পৃথক বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে যে মার্কিন বিচার বিভাগ তাদের সদস্যদের সন্ধান দেওয়ার জন্য ১০ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার ঘোষণার পাল্টা জবাব হিসেবে তারা ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুকে ‘নিপীড়ন ও দুর্নীতির প্রধান কারিগর’ আখ্যা দিয়ে তাদের হত্যার জন্য ৫০ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ করেছে। হ্যাকিং গ্রুপটি স্পষ্ট করেছে যে এই দুই রাষ্ট্রপ্রধানের বিরুদ্ধে যে কেউ ‘বাস্তব পদক্ষেপ’ নিতে পারবে, তাকেই এই অর্থ প্রদান করা হবে।

 

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই প্রস্তাবিত বাউন্টি আইনটি দেশটির পূর্ববর্তী যেকোনো মৌখিক হুমকি বা ধর্মীয় ফতোয়া ও প্রচারণামূলক প্রচারণার চেয়ে অনেক বেশি মারাত্মক এবং এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে বর্তমানে চলমান ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতিকে চূড়ান্তভাবে হুমকির মুখে ফেলেছে। গত বছর তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট এক বক্তৃতায় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন যে তেহরান যদি তাকে হত্যার কোনো চেষ্টা করে, তবে মার্কিন সামরিক বাহিনীকে সুনির্দিষ্ট নির্দেশ দেওয়া হবে যাতে ইরানকে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে সম্পূর্ণ মুছে ফেলা হয়।

 

এই বাউন্টি বা পুরস্কারের খবরটি এমন এক সময়ে সামনে এলো যখন ইরান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে তাদের একটি সংশোধিত ও আপডেট করা শান্তি প্রস্তাব পাঠিয়েছে। তবে ওয়াশিংটন এই প্রস্তাবটিকে প্রত্যাখ্যান করে বলেছে যে এটি তেহরানের পূর্ববর্তী অবস্থানের চেয়ে ভালো কোনো অগ্রগতি নয়। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, দুই পক্ষের আলোচনা বর্তমানে একটি অত্যন্ত জটিল ও গুরুতর অবস্থানে রয়েছে এবং এখন সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সম্পূর্ণ চাপ ইরানের ওপরই বর্তায়।

 

সূত্র: এনডিটিভি

সিলেট সীমান্তে বিএসএফের গুলির জবাবে বিজিবির পাল্টা গুলি

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ণ
সিলেট সীমান্তে বিএসএফের গুলির জবাবে বিজিবির পাল্টা গুলি
শেয়ার করুন

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার সোনারহাট সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলির জবাবে পাল্টা গুলিবর্ষণ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সোমবার (১৮ মে) বিকেলে ঘটা এই ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ও শান্ত রয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিজিবি। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিজিবির সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় বিএসএফ গুলি ছুড়লে তাৎক্ষণিকভাবে কড়া প্রতিক্রিয়া জানায় বিজিবি। পরে বিজিবির পক্ষ থেকে পাল্টা গুলিবর্ষণ করা হলে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে।

 

 

 

ঘটনার পরপরই সংশ্লিষ্ট সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে যেকোনো উসকানিমূলক ও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।