খুঁজুন
সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১৬ চৈত্র, ১৪৩২

টেকনাফের হোয়াইক্যং মিনাবাজার পাহাড়ি এলাকা থেকে ৬ কৃষক অপহরণ

আবদুল্লাহ আল সম্রাট
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৩৪ অপরাহ্ণ
টেকনাফের হোয়াইক্যং মিনাবাজার পাহাড়ি এলাকা থেকে ৬ কৃষক অপহরণ
শেয়ার করুন

কক্সবাজারের টেকনাফের হোয়াইক্যং মিনাবাজার ৬নং ওয়ার্ড সংলগ্ন পাহাড়ি এলাকা থেকে ৬ জন কৃষক অপহরণের অভিযোগ উঠেছে।

 

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে কৃষি ক্ষেতে কাজ করতে যাওয়ার সময় পাহাড়ি অপহরণকারীরা তাদের জিম্মি করে নিয়ে যায়।বিষয়টি নিশ্চিত করেন, হোয়াইক্যং মডেল ইউনিয়ন পরিষদের (ভারপ্রাপ্ত) চেয়ারম্যান মো. শাহ জালাল।

 

তিনি বলেন, সকালে কৃষি কাজে যাওয়ার পথে পাহাড়ি অস্ত্রধারীরা কৃষকদের জিম্মি করে পাহাড়ের ভেতরের দিকে নিয়ে যায়। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। দ্রুত অসহায় কৃষকদের উদ্ধারের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা প্রয়োজন।

 

এ বিষয়ে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার ইনচার্জ এসআই খোকন কান্তি রুদ্র জানান, হোয়াইক্যং মিনাবাজার আশ্রয়ণ কেন্দ্র এলাকার ৬ জন কৃষক পাহাড়ি এলাকায় কৃষিকাজ করতে গেলে পাহাড়ি ডাকাত দল তাদের তুলে নিয়ে যায় বলে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আমরা তাৎক্ষণিক ঘটনা স্থলে গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।

 

তিনি আরও জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং অপহৃতদের উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ চলমান রয়েছে।

 

স্থানীয় সূত্র জানায়,ভোরে কৃষিক্ষেতে কাজ করতে গিয়ে স্থানীয় ৬জন কৃষক অপহরণ হয়। এখনো পর্যন্ত অপহরণকারীদের পক্ষ থেকে কোনো মুক্তিপণের দাবি পাওয়া যায়নি। অপহৃত কৃষকদের পরিবার চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন।

 

স্থানীয় সচেতন মহলের ভাষ্য,নির্বাচনি সময়ে প্রশাসনের ব্যস্থতার সুযোগে পাহাড়ি সশস্ত্র অপহরণ চক্র বেপরোয়া হয়ে ওঠেছে। নির্বাচনের পাশাপাশি পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের দিকে পশাসনের তীক্ষভাবে নজরদারি করতে। না হয় অপহরণচক্রের হাতে পাহাড়ি এলাকায় বসবাসরত বাসিন্দারা একের পর অপহরণের শিকার হয়ে মুক্তিপণ দিতে হবে। অন্যথায় লাশ হয়ে ফিরবে অপহরণ চক্রের হাত থেকে। পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের দমনে প্রশাসনের কাছে জোর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

 

অপহৃত কৃষকরা হলেন,১) মো. জমির (৬২), পিতা: মৃত সুলতান ফকির,২) শফি আলম (১৩), পিতা: রবিউল আলম,৩) মোহাম্মদ আলম ওরফে মাহাত আলম (১৮), পিতা: এজাহার হোসেন,৪) জাহিদ হোসেন ওরফে মুন্না (৩০), পিতা: মৃত শামসুল আলম,এ চারজনের বাড়ি ঝিমংখালী, মিনাবাজার, টেকপাড়া, ওয়ার্ড নং-০৬ এলাকায়।এছাড়া,৫) মোজাহের (৬০), পিতা: অজ্ঞাত এবং৬) মোস্তাক (১২), পিতা: অজ্ঞাত — উভয়ের বাড়ি ঝিমংখালী আশ্রয়ণ প্রকল্প, ওয়ার্ড নং-০৬ এলাকায়।

মোটরসাইকেল চুরির মামলায় ছাত্রদল নেতা কারাগারে

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ণ
মোটরসাইকেল চুরির মামলায় ছাত্রদল নেতা কারাগারে
শেয়ার করুন

বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জে মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগে ছাত্রদলের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

 

রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে গ্রেপ্তারকৃত জিহাদুল ইসলাম খানকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তিনি বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

 

মেহেন্দীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চত করে বলেন, জিহাদুল ইসলাম খানকে মোটরসাইকেলসহ হাতেনাতে আটক করে টহলরত পুলিশ সদস্যরা। পরবর্তীতে দায়েরকৃত মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত প্রায় ৯টার দিকে মেহেন্দীগঞ্জ পৌরসভার বদরপুর এলাকায় সোহেল তালুকদারের বাড়ির আঙিনায় ভাড়ায় চালিত একটি মোটরসাইকেল তালাবদ্ধ অবস্থায় রাখা ছিল। মোটরসাইকেলটির মালিক তানভির ইসলাম। রাত আনুমানিক ১টার দিকে ওই মোটরসাইকেলটি নিয়ে পালানোর সময় টহলরত পুলিশের সন্দেহ হয়। এ সময় জিহাদুল ইসলাম খানকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার কথায় অসঙ্গতি ধরা পড়ে। পরে মোটরসাইকেলের মালিককে ঘটনাস্থলে ডেকে এনে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়।এ ঘটনায় রোববার সকালে একটি মামলা দায়ের করা হয় এবং অভিযুক্তকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠায় থানা পুলিশ।

 

 

মোটরসাইকেলের মালিক তানভির ইসলাম বলেন, ধারদেনা করে কেনা মোটরসাইকেলটি ভাড়ায় চালিয়ে তার সংসার চলে। এটি হারিয়ে গেলে তিনি চরম বিপদে পড়তেন। দ্রুত উদ্ধারের জন্য পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানান।

 

মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান মুক্তা বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি ছাত্রদলের পদে থাকলেও তার বিরুদ্ধে আগেও বিভিন্ন অভিযোগ ছিল। বিষয়টি নিয়ে দলীয়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও জানান তিনি।

 

বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জে মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগে ছাত্রদলের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

 

রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে গ্রেপ্তারকৃত জিহাদুল ইসলাম খানকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তিনি বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

 

মেহেন্দীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চত করে বলেন, জিহাদুল ইসলাম খানকে মোটরসাইকেলসহ হাতেনাতে আটক করে টহলরত পুলিশ সদস্যরা। পরবর্তীতে দায়েরকৃত মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত প্রায় ৯টার দিকে মেহেন্দীগঞ্জ পৌরসভার বদরপুর এলাকায় সোহেল তালুকদারের বাড়ির আঙিনায় ভাড়ায় চালিত একটি মোটরসাইকেল তালাবদ্ধ অবস্থায় রাখা ছিল। মোটরসাইকেলটির মালিক তানভির ইসলাম। রাত আনুমানিক ১টার দিকে ওই মোটরসাইকেলটি নিয়ে পালানোর সময় টহলরত পুলিশের সন্দেহ হয়। এ সময় জিহাদুল ইসলাম খানকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার কথায় অসঙ্গতি ধরা পড়ে। পরে মোটরসাইকেলের মালিককে ঘটনাস্থলে ডেকে এনে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়।এ ঘটনায় রোববার সকালে একটি মামলা দায়ের করা হয় এবং অভিযুক্তকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠায় থানা পুলিশ।

 

মোটরসাইকেলের মালিক তানভির ইসলাম বলেন, ধারদেনা করে কেনা মোটরসাইকেলটি ভাড়ায় চালিয়ে তার সংসার চলে। এটি হারিয়ে গেলে তিনি চরম বিপদে পড়তেন। দ্রুত উদ্ধারের জন্য পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানান।

 

মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান মুক্তা বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি ছাত্রদলের পদে থাকলেও তার বিরুদ্ধে আগেও বিভিন্ন অভিযোগ ছিল। বিষয়টি নিয়ে দলীয়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও জানান তিনি।

ওমরাহ করতে সৌদি যাচ্ছেন নাহিদ ইসলাম

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ণ
ওমরাহ করতে সৌদি যাচ্ছেন নাহিদ ইসলাম
শেয়ার করুন

পবিত্র ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে আজ রাতে সৌদি আরব যাচ্ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম।

 

রোববার (২৯ মার্চ) রাতে দলের মিডিয়া টিম থেকে এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

 

বার্তায় বলা হয়, নিরাপদ যাত্রার জন্য তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ৪ এপ্রিল তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

জেন-জিরা ৭২’র সংবিধান চায় না: হান্নান মাসউদ

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ৮:৫৮ অপরাহ্ণ
জেন-জিরা ৭২’র সংবিধান চায় না: হান্নান মাসউদ
শেয়ার করুন

জেন-জিরা ৭২’র সংবিধান আর চায় না বলে- মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি হতে নির্বাচিত নোয়াখালী-৬(হাতিয়া)র এমপি আব্দুল হান্নান মাসউদ। রবিবার (২৯ মার্চ) জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের প্রথম দিনে জুলাই সনদ ও সংবিধান ইস্যুতে এ কথা বলেন হান্নান মাসউদ।

 

মাসউদ বলেন, ‘আমি বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ এমপি। আপনারা যে জেন-জির কথা বলেন, আমি জেন-জির প্রতিনিধি হয়ে সংসদে কথা বলতে এসেছি। আপনারা যদি বলেন, জেন-জিরা কী চায়। আমি বলি, জেন-জিরা ৭২‘র সংবিধান আর চায় না।’

 

তিনি আরো বলেন, ‘স্বাধীনতার ৩০ বছর পরে আমার মত যেসব সন্তানরা রয়েছে, তারা ভোট দিতে পারেনি, আমি এর জবাব চাই। আমরা স্বাধীন বাংলাদেশে জন্ম নিয়েছি। আমাদের কী ভুল ছিল? আমরা নতুন মানচিত্র পেয়েছি। নতুন পতাকা ও নতুন সীমানা পেয়েছি। আমাদের পূর্ব পুরুষেরা ১৯৭১ সালে রক্ত দিয়ে আমাদের জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে চেয়েছেন। আমরা কি সেই নিরাপদ এবং নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি? সেই নতুন বাংলাদেশ আমরা পাইনি।’

 

এমপি বলেন, ‘৭১-এ ৩০ লাখ মানুষ শহীদ হয়েছে এবং জীবন দিয়েছে। পরবর্তীতে তাদের সন্তানরা যেন নিরাপদ বাংলাদেশে ভোটাধিকার পায় এবং রক্ষী বাহিনী না হয়। আমরা দেখেছি, বাংলাদেশে দুর্ভিক্ষ হয়েছে। ১৯৭৩ সালে ভোট চুরি হয়েছে। এরপর আমরা দেখেছি, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে গণতন্ত্র পুনর্জন্মের জন্য ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি আমার হাতিয়াতে তিনবার গিয়েছেন। আমি যেদিকে তাকিয়েছি এবং বলেছি, এই বেরিবাঁধ কে করে দিয়েছেন? তখন শুনেছি জিয়াউর রহমান। আমার এই খাল কে খনন করে দিয়েছেন? তখন শুনেছি, জিয়াউর রহমান। তার পরে বেগম খালেদা জিয়া আমার হাতিয়াতে তিন থেকে চারবার গিয়েছেন। এরপরেও আমার হাতিয়াতে নদী ভাঙন রোধ হয়নি। ওই অঞ্চলের লাখ লাখ মানুষ ঘরবাড়িহীন হয়ে পড়ে আছেন। আমি এই ইলেকশনে ভোট ডাকাতি দেখেছি। আমার বাড়িঘরে হামলা করেছে।’

 

সংসদের সদস্যদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে হান্নান বলেন,‘আমি কি এই নির্বাচনের জন্য রক্ত ঝড়িয়েছি? আমরা রক্ত ঝড়িয়েছি বলেই আপনারা সংসদে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হয়েছেন।’

 

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে অনড় অবস্থান জানিয়ে হান্নান মাসউদ আরও বলেন, ‘আমরা নতুন বাংলাদেশের বিষয়ে কোনো প্রতারণা দেখতে চাই না। গণভোটের জন্য প্রধানমন্ত্রী প্রচারণা চালিয়েছেন। যে আদেশের পক্ষে সংসদ সদস্যরা প্রচারণা চালিয়েছেন, আজকে কেন আবার দীর্ঘ আলোচনা হতে হবে?’