খুঁজুন
রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৮ চৈত্র, ১৪৩২

এসআই–কনস্টেবলের ভাগ-বাঁটোয়ারা, টেলিগ্রামের হাতে অডিও প্রমাণ

পুলিশের তল্লাশিতে জব্দ ইয়াবা উধাও

এম ফেরদৌস :
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:৪৮ অপরাহ্ণ
পুলিশের তল্লাশিতে জব্দ ইয়াবা উধাও
শেয়ার করুন

কক্সবাজার সদর মডেল থানার এক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ও দুই কনস্টেবলের বিরুদ্ধে তল্লাশির সময় জব্দ করা বিপুল পরিমাণ ইয়াবা আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ইয়াবা গুনে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেওয়ার একটি অডিও রেকর্ড সামনে আসায় বিষয়টি নিয়ে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযুক্তরা হলেন, কক্সবাজার সদর মডেল থানার এএসআই গিয়েনময় এবং কনস্টেবল মংলা, শহিদসহ মোট চারজন পুলিশ সদস্য।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ৯টার দিকে কক্সবাজার বাস টার্মিনাল–সংলগ্ন উত্তরন এলাকার প্রধান সড়কে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ওই সময় ঢাকাইয়া দুইজন ও মামুন নামের এক টমটমচালক সড়ক দিয়ে যাচ্ছিলেন। পুলিশ সদস্যরা তল্লাশির জন্য সামনে দাঁড়ালে পুলিশ দেখে টমটমের পেছন দিক থেকে একটি প্যাকেট ফেলে দেওয়া হয়। পুলিশ সদস্যরা প্যাকেটগুলো কুড়িয়ে নেন। পরে টমটমটি থামিয়ে চালক ও যাত্রীদের সঙ্গে কিছুক্ষণ কথাবার্তা হয়। তবে কোনো মামলা বা জব্দ তালিকা ছাড়াই টমটমটিকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

একজন স্থানীয় দোকানদার জানান, “পুলিশ মালগুলো কুড়িয়ে নেওয়ার পর টমটমে বসেই প্যাকেট খুলে কিছু একটা গুনতে দেখা গেছে। এরপর সবাই চলে যায়।”

এদিকে হাতে আসা একটি কল রেকর্ডে শোনা যায়, জব্দ করা ইয়াবার পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৯৭৫ পিস। অডিওতে বলা হয়, অভিযানে উপস্থিত ছিলেন এএসআই গিয়েনময়, কনস্টেবল মং ও শহিদ। টমটমে বসেই প্যাকেট খুলে ইয়াবা গুনে চারজন নিজেদের মধ্যে ভাগ-বাঁটোয়ারা করেন বলে অডিওতে অভিযোগ করা হয়।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত কনস্টেবল মংয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,“আমরা সাড়ে ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত উত্তরন এলাকায় ছিলাম। তবে এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি।”

অভিযুক্ত এএসআই গিয়েনময়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,এরকম কোনো ঘটনা আমার চোখে পড়েনি। কনস্টেবলরা শুধু টর্চলাইট মেরে ১০-১৫ মিনিট তল্লাশি করেছিল। ইয়াবার কোনো বিষয় আমি দেখিনি।”

কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ছমিউদ্দিন বলেন,পুলিশের দায়িত্ব হলো মাদক জব্দ করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া। আমি বর্তমানে চট্টগ্রামে দুই দিনের প্রশিক্ষণে আছি। ফিরে এসে বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) অলক বিশ্বাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবগত নন।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে মাদক আত্মসাতের এমন অভিযোগ কক্সবাজারে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে পুলিশের ভূমিকা ও জবাবদিহিতা নিয়ে। সাধারণ মানুষ অবিলম্বে ঘটনার নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত দাবি করেছেন।

৪০০০ কিমি দূরের মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ, যুদ্ধের পরিসর বাড়াচ্ছে ইরান

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ১২:৫২ পূর্বাহ্ণ
৪০০০ কিমি দূরের মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ, যুদ্ধের পরিসর বাড়াচ্ছে ইরান
শেয়ার করুন

 

ভারত মহাসাগরে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে যৌথ সামরিক ঘাঁটি দিয়েগো গার্সিয়াকে লক্ষ্য করে দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরান। এটির দূরত্ব ইরান থেকে প্রায় ৪ হাজার কিলোমিটার।

এক মার্কিন কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে সিএনএন জানায়, স্থানীয় সময় শুক্রবার সকালে ক্ষেপণাস্ত্র দুটি নিক্ষেপ করা হয়। তবেকোনো ক্ষেপণাস্ত্রই লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানেনি।

দিয়েগো গার্সিয়া কেন গুরুত্বপূর্ণ

ভারত মহাসাগরের ঠিক মাঝখানে ছোট্ট এক দ্বীপ ‘দিয়েগো গার্সিয়া’। চাগোস দ্বীপপুঞ্জের বৃহত্তম এই দ্বীপ সাধারণ মানচিত্রে খুব একটা চোখে পড়ে না। তবে সামরিক কৌশলের দিক থেকে এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান।

বিবিসি বলছে, দিয়েগো গার্সিয়া মূলত যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের একটি যৌথ সামরিক ঘাঁটি। নিকটতম জনবসতিপূর্ণ স্থলভাগ থেকে এটি প্রায় ১ হাজার মাইল দূরে অবস্থিত। দুর্গম অবস্থানের কারণে এখানে সাধারণ বেসামরিক মানুষের প্রবেশ কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।

চলতি মাসের শুরুতে যুক্তরাজ্য ঘাঁটিটি যুক্তরাষ্ট্রকে ব্যবহারের অনুমতি দেয়। বিশেষ করে ব্রিটিশ স্বার্থ বা নাগরিকদের ওপর ইরানের সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ঠেকাতে এবং ‘ডিফেন্সিভ অপারেশন’ বা আত্মরক্ষামূলক অভিযানের জন্য এটি ব্যবহার হচ্ছে।

গত শুক্রবার এক বিশেষ চুক্তির মাধ্যমে ইরান শাসিত ‘হরমুজ প্রণালি’ লক্ষ্য করে হামলা চালানোর জন্য এই ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের চূড়ান্ত অনুমতি পায় মার্কিন বাহিনী।

ইরান থেকে প্রায় ৩ হাজার ৮০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের খবরটি সামরিক বিশেষজ্ঞদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। কারণ হলো, এখান থেকে মার্কিন বি-৫২ ও বি-২ স্পিরিট বোমারু বিমান দূরপাল্লার মিশনে উড্ডয়ন করে; এশিয়া, আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের মাঝামাঝি অবস্থানে হওয়ায় এটি পুরো ভারত মহাসাগরের নৌপথ নিয়ন্ত্রণের ‘স্নায়ুকেন্দ্র’ এবং এখান থেকেই মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার ওপর সার্বক্ষণিক স্যাটেলাইট ও রাডার নজরদারি চালানো হয়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ‘দিয়েগো গার্সিয়া’ লক্ষ্য করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা কেবল একটি সামরিক পদক্ষেপ নয়, বরং এটি যুক্তরাষ্ট্রের সুরক্ষিত একটি দুর্গে আঘাত। এই দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ এবং এখান থেকে পরিচালিত আক্রমণই হয়ত নির্ধারণ করবে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের পরবর্তী গতিপথ।

যুদ্ধের পরিসর বাড়াচ্ছে ইরান

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, দিয়েগো গার্সিয়াকে নিশানা করা ইরানের সমরাস্ত্রের দীর্ঘ পাল্লার সক্ষমতাকে সামনে এনেছে। ব্রাসেলসভিত্তিক সামরিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক এলিজা ম্যাগনিয়ার বলেন, এই হামলা গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের শুরু করা যুদ্ধের বিপরীতে ইরানের পাল্টা জবাবের গভীরতা প্রকাশ করে।

এলিজা আল জাজিরাকে বলেন, ‘যুদ্ধক্ষেত্র ভৌগোলিকভাবে বিস্তৃত হচ্ছে। আর এমনটা ঘটলে উত্তেজনার নিয়ন্ত্রণ, যা যুক্তরাষ্ট্র চায় তা অনেক বেশি কঠিন হয়ে পড়বে। কারণ, নতুন স্থাপনা, নতুন অবস্থান এখন ঝুঁকিতে পড়ছে।’

এই সামরিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক আরও বলেন, ‘এ কারণেই যুক্তরাষ্ট্রকে পুরো কৌশল নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে। কারণ, ইরান কোনো প্রথাগত যুদ্ধে জেতার চেষ্টা করছে না। প্রথাগত যুদ্ধে তারা পারবেও না, কারণ যুক্তরাষ্ট্র অনেক বেশি শক্তিশালী। বরং ইরান যুদ্ধের ব্যয়ের সমীকরণ বদলে দেওয়ার চেষ্টা করছে।’

এলিজা বলেন, ‘একটি দূরবর্তী লক্ষ্যবস্তুকে হুমকির মুখে ফেলার মাধ্যমে এই সংকেত দেওয়া হচ্ছে যে যুদ্ধ অব্যাহত রাখার অর্থ হবে ক্রমাগত উচ্চ ঝুঁকির মুখোমুখি হওয়া।’

কারাগারে ঈদ জামাতে সাবেক মন্ত্রী-এমপিরা, রাজসাক্ষীর সঙ্গে কথা বলেননি কেউ

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬, ৭:২২ অপরাহ্ণ
কারাগারে ঈদ জামাতে সাবেক মন্ত্রী-এমপিরা, রাজসাক্ষীর সঙ্গে কথা বলেননি কেউ
শেয়ার করুন

সারা দেশের কারাগারগুলোতে ঈদের জামাতে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দে শরিক হয়েছেন হাজতি আসামি ও বন্দিরা। রাজধানীর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারসহ বিভিন্ন কারাগারে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।কেরানীগঞ্জের বিশেষ কারাগারে ঈদের জামাতে অংশ নেন সেখানে বন্দি থাকা আওয়ামী লীগ আমলের মন্ত্রী, এমপি ও আমলারা। এ সময় তারা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি করেন। তবে জুলাই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শেখ হাসিনাসহ অন্যদের বিরুদ্ধে রাজসাক্ষী হওয়া সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে সবাই এড়িয়ে যান। সাবেক মন্ত্রী-এমপি-আমলাদের কেউ তার সঙ্গে কোলাকুলি করেননি।

শনিবার (২১ মার্চ) ঢাকার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের একটি সূত্র ঢাকা পোস্টকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানায়, কেরানীগঞ্জ বিশেষ কারাগারে সকাল সাড়ে ৮টায় কারা কর্তৃপক্ষের কঠোর নিরাপত্তায় একটি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মামলায় বন্দি থাকা প্রায় ১২৩ জন সাবেক মন্ত্রী, এমপি ও আমলাসহ অনেকে অংশগ্রহণ করেন। পাশাপাশি সেই ঈদের জামাতে নামাজ আদায় করেন রাজসাক্ষী পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনও।

জামাত শেষে সাবেক মন্ত্রী, এমপি ও আমলারা নিজেরা এবং অন্য বন্দিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি করেন এবং কুশল বিনিময় করেন। এ সময় রাজসাক্ষী আব্দুল্লাহ আল মামুন সম্পূর্ণ আলাদা হয়ে ছিলেন। তার আশপাশে কড়া নিরাপত্তা ছিল। সাবেক মন্ত্রী-এমপিদের কেউ তার সঙ্গে কথা বলা বা কোলাকুলি করার চেষ্টা করেননি। তাদের মধ্যে তেমন কোনো আগ্রহও দেখা যায়নি।

কারাগারে বিশেষ খাবার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

এদিকে কেন্দ্রীয় কারাগারের জেল সুপার (কেরানীগঞ্জ) ফারুক আহমেদ ঢাকা পোস্টকে জানিয়েছেন, কারাগারে ঈদের দুটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। যেখানে সকল বন্দী ও স্টাফরা অংশগ্রহণ করেছেন।

তিনি বলেন, সকালে নির্ধারিত সময়ে বন্দিদের ঈদ উপলক্ষ্যে মুড়ি ও পায়েস পরিবেশন করা হয়। এরপর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়। বন্দিরা ঈদ আনন্দের অংশ হিসেবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন এবং পুরো নিরাপত্তার মধ্যে তাদের মতো করে আনন্দ উপভোগ করছেন। পরে তাদের ঈদের বিশেষ খাবার পরিবেশন করা হয়।

ঈদের দিন দুপুরে বন্দীদের যে সকল বিশেষ খাবার পরিবেশন করা হয়েছে সেগুলো হল- পোলাও, গরুর রেজালা (বিকল্প খাসির মাংস), সেদ্ধ ডিম, মুরগির রোস্ট, মিষ্টি, সালাত, পান-সুপারি। রাতের খাবারে পরিবেশন করা হবে সাদা ভাত, রুই মাছ ও আলুর দম।

কারা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকাসহ দেশের ৭৩ কারাগারে বন্দি রয়েছে হাজতি-কয়েদি মিলিয়ে প্রায় ৮০ হাজার।

কারাগার সূত্রে জানা যায়, ঈদের দিন এবং পরবর্তী আরও দুইদিন- মোট তিন দিনের মধ্যে যেকোনো একদিন স্বজনদের রান্না করে আনা খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন বন্দীরা। এছাড়া বন্দিরা মোবাইল ফোনে তিন মিনিট করে স্বজনদের সঙ্গে ফ্রি কথা বলতে পারবেন।

এমএসি/এমএন

ব্রিজ ভেঙে নদীতে পড়ল শতাধিক মানুষ, ৩ শিশু নিহত

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৮ অপরাহ্ণ
ব্রিজ ভেঙে নদীতে পড়ল শতাধিক মানুষ, ৩ শিশু নিহত
শেয়ার করুন

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে একটি ড্রাম ব্রিজ ভেঙে ঈদে ঘুরতে যাওয়া শতাধিক মানুষ ব্রহ্মপুত্র নদে পড়ে গেছেন। এ ঘটনায় তিন শিশু নিহত হয়েছে এবং আরও দুই শিশু নিখোঁজ রয়েছে বলে জানা গেছে। শনিবার (২১ মার্চ) বিকেলে দেওয়ানগঞ্জ থানার সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদ উপলক্ষ্যে প্রতি বছর ওই ব্রিজে এবং আশপাশে মানুষের ব্যাপক সমাগম হয়। এবারও ঈদের দিন বিকেলে সেখানে প্রচুর মানুষ আসেন। দীর্ঘদিন ধরে ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। আজ অতিরিক্ত চাপের কারণে হঠাৎ সেটি ভেঙে পড়ে।

এ সময় ব্রিজে থাকা শতাধিক মানুষ নদীতে পড়ে যান। তাদের মধ্যে অনেকে সাঁতার কেটে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও কিছু শিশু পানির স্রোতে ভেসে যায়। ঘটনাস্থলেই তিন শিশুর মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। এখনও দুই শিশু নিখোঁজ রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

দেওয়ানগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের লিডার মুবিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, উদ্ধার কাজ অব্যাহত রয়েছে এবং নিখোঁজদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।