খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ২০ ফাল্গুন, ১৪৩২

ভাগ্য বদলাতে গিয়ে রণক্ষেত্রে প্রবাসীরা, কাঁদছে পরিবার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:১৫ অপরাহ্ণ
ভাগ্য বদলাতে গিয়ে রণক্ষেত্রে প্রবাসীরা, কাঁদছে পরিবার
শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান যুদ্ধাবস্থা এবং পাল্টাপাল্টি হামলায় গভীর সংকটে পড়েছেন মধ্যপ্রাচ্যে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা। সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় দুই বাংলাদেশি নাগরিক নিহত ও অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন।

এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে থাকা প্রায় ৬০ লাখ প্রবাসীর নিরাপত্তা নিয়ে দেশে থাকা পরিবারগুলোর মধ্যে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।

  • রণক্ষেত্রে প্রাণ গেলো দুই বাংলাদেশির
    সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনে পৃথক হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় দেশজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতরা হলেন:

সালেহ আহমেদ: মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার বাসিন্দা। গত শনিবার আরব আমিরাতের আজমানে ইফতার শেষে কাজ করার সময় বিস্ফোরণে তিনি নিহত হন।

মোহাম্মদ তারেক: চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার বাসিন্দা। সোমবার রাতে বাহরাইনের একটি ড্রাইডক শিপইয়ার্ডে ডিউটিরত অবস্থায় ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে তিনি মারা যান।

  • আহত ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন প্রবাসীরা
    কুয়েতে ড্রোন হামলায় আহত হয়েছেন চার বাংলাদেশি- আমিনুল ইসলাম (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), রাবিউল ইসলাম (পাবনা), মাসুদুর রহমান (নোয়াখালী) ও দুলাল মিয়া (কুমিল্লা)। বর্তমানে তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

অন্যদিকে, ইরানে ইন্টারনেট ও যোগাযোগ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ায় ১৫ থেকে ২০ হাজার প্রবাসীর ভাগ্য নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। হবিগঞ্জের লুৎফুর রহমান ও রুমান মিয়ার মতো অনেকের সাথেই গত এক সপ্তাহ ধরে পরিবারের কোনো যোগাযোগ নেই। বিস্ফোরণ আর বোমা হামলার খবরের মধ্যে স্বজনদের ফোন বন্ধ পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন দেশের পরিবারগুলো।

  • উপসাগরীয় দেশগুলোতে চাপা আতঙ্ক
    সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত ও বাহরাইনের প্রবাসীরা জানিয়েছেন, সরাসরি যুদ্ধ না চললেও আকাশসীমায় ক্ষেপণাস্ত্রের আনাগোনা এবং ড্রোন হামলার ভয়ে তারা তটস্থ। আকাশসীমা আংশিক বন্ধ ও ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় জরুরি প্রয়োজনেও অনেকে দেশে ফিরতে পারছেন না।
  • সরকারের অবস্থান ও উদ্যোগ
    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে বসবাসরত বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর দূতাবাসগুলোকে প্রবাসীদের পাশে থাকার এবং স্থানীয় সরকারের নির্দেশনা মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাণিজ্যিক ফ্লাইট পুনরায় চালু হওয়া মাত্রই নিহতদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

ইরানকে বেলারুশের প্রেসিডেন্টের জিজ্ঞাসা, কী সাহায্য দরকার আপনাদের?

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ৩:৫১ পূর্বাহ্ণ
ইরানকে বেলারুশের প্রেসিডেন্টের জিজ্ঞাসা, কী সাহায্য দরকার আপনাদের?
শেয়ার করুন

বেলারুশে ইরানের রাষ্ট্রদূত সেদেশের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

 

ওই সাক্ষাতে বেলারুশের প্রেসিডেন্ট লুকাশেঙ্কো বলেছেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সর্বোপরি বৃহৎ শক্তিগুলো, বিশেষ করে ইসরায়েল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে বুঝতে হবে যে এই সংঘাত বিশ্বকে অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যেতে পারে। যুদ্ধ আমাদের কাছে সহজাতভাবে অগ্রহণযোগ্য।

 

ইরানের ওপর ইসরায়েলি ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলা অগ্রহণযোগ্য। বিশেষ করে, এই হামলার ফলে, নিরপরাধ নাগরিক এবং প্রথমত, শিশুরা মারা যায়, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনিও শহীদ হন।

 

বৈঠকে বেলারুশের প্রেসিডেন্ট ইরানের দেশের রাষ্ট্রদূতকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, এই বিরোধের মুখে আমরা যে অবস্থান নিয়েছি তা বিবেচনা করে, আমরা কীভাবে এই পরিস্থিতিতে আপনাকে সাহায্য করতে পারি?

 

 

এদিকে সোশ্যাল মিডিয়ার এক মার্কিন ইউজার ক্ষোভের সাথে বলেছেন, মাত্র ৪ দিনের মধ্যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে তার সমস্ত সামরিক ঘাঁটি হারিয়েছে। ৭০ বছর সময় নিয়েছে এগুলো নির্মাণ ও সজ্জিত করতে। সেই সাথে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার খরচ করা হয়েছে।

 

সূত্র: পার্সটুডে

আমরা যুক্তরাষ্ট্রের দাস হব না: স্পেন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ১:৩০ পূর্বাহ্ণ
আমরা যুক্তরাষ্ট্রের দাস হব না: স্পেন
শেয়ার করুন

‘স্পেন যুক্তরাষ্ট্রের দাস হবে না’ বলে মার্কিন প্রশাসনকে পরিষ্কার বার্তা দিয়েছে স্পেন। স্প্যানিশ উপ-প্রধানমন্ত্রী মারিয়া জেসুস মন্টেরো বলেছেন, আমরা নিশ্চিতভাবে কারও দাস হবো না। কোনো হুমকি বরদাশত করবো না এবং নিজেদের মূল্যবোধের রক্ষা করবো।

 

স্পেনের সামরিক ঘাঁটিগুলো ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন অভিযান ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়াকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়ছে। স্পেনের এই অবস্থানের কারণে ব্যবসায়িক সম্পর্ক বন্ধ করার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই পরিস্থিতিতেই এসব মন্তব্য কররেন স্প্যানিশ উপ-প্রধানমন্ত্রী।

 

এদিকে, স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ আগেই সতর্ক করে বলেন, উত্তেজনা বিশ্বজুড়ে বড় ধরনের বিপর্যয় সৃষ্টি করতে পারে। তিনি বলেন, কেবল কারও প্রতিশোধ এড়ানোর জন্য আমরা এমন কোনো কর্মকাণ্ডে সহযোগী হবো না, যা বিশ্বের জন্য ক্ষতিকর বা আমাদের মূল্যবোধ ও স্বার্থের বিরোধী।

 

সূত্র: আল-জাজিরা

‘খামেনি শহীদ হওয়ার মূল্য দিতে হবে, ইনশাআল্লাহ’

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
‘খামেনি শহীদ হওয়ার মূল্য দিতে হবে, ইনশাআল্লাহ’
শেয়ার করুন

ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলি লারিজানি বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর উস্কানিমূলক কৌশলের প্রভাবে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু করে আমেরিকার বড় ক্ষতি করেছেন।

 

বুধবার নিজের এক্সে প্রকাশিত পোস্টে উল্লেখ করেছেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যুদ্ধের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৫০০ সেনা নিহত হয়েছেন।

 

তিনি প্রশ্ন করেছেন, ‘শুধু কয়েক দিনের মধ্যে ৫০০ মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার পরও কি ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ বাস্তব?’

 

লারিজানি বলেন, ট্রাম্প ইসরায়েলের প্ররোচনায় আমেরিকান জনগণকে অন্যায় যুদ্ধে টেনে এনেছেন।

 

 

সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান আরও জানান, ইসলামি বিপ্লবের নেতা আলি খামেনি হত্যার প্রতিশোধে ইরান ধারাবাহিক আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে। এই হামলায় ইসরায়েলি অঞ্চলের স্থাপনাগুলো এবং ইরানের নিকটবর্তী দেশের মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে অভূতপূর্ব ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

 

লারিজানি সতর্ক করেছেন, ‘গল্প চলতেই থাকবে। ইমাম খামেনির শহীদ হওয়ার মূল্য আপনাদের দিতে হবে। ইনশাআল্লাহ।’

 

সূত্র: প্রেস টিভি