খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ১৭ বৈশাখ, ১৪৩৩

ভোটের আগে নিবন্ধন চ্যালেঞ্জ, ইসির সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় এনসিপি

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৫, ১০:৫৭ অপরাহ্ণ
ভোটের আগে নিবন্ধন চ্যালেঞ্জ, ইসির সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় এনসিপি
শেয়ার করুন

চলতি বছরের শেষ নাগাদ অথবা আগামী বছরে অনুষ্ঠিত হতে পারে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ভোটের লড়াইকে সামনে রেখে গণঅভ্যুত্থানের পর রাজনীতিতে নতুন দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থীরাও মাঠে সক্রিয় হচ্ছেন। তবে এখনও নিবন্ধনের জন্য নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আবেদন করেনি দলটি। চূড়ান্ত করা হয়নি দলীয় প্রতীকও। যদিও দলটি বিগত সরকারের করা আইন সংশোধন করে নিবন্ধনের প্রক্রিয়া সহজ করার দাবি জানিয়েছে। একই সঙ্গে দলটির নেতারা আগামী সপ্তাহের মধ্যে ইসির সঙ্গে আলাপ-আলোচনায় বসবে বলে আভাস মিলছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, নতুন রাজনৈতিক দলের জন্য ২০ এপ্রিল পর্যন্ত আবেদনের সময়সীমা থাকলেও কমপক্ষে ৯০ দিন (তিন মাস) বাড়ানোর জন্য নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

এ প্রসঙ্গে দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার ঢাকা পোস্টকে বলেন, আগামী সপ্তাহে আমরা ইসিতে যাব। নিবন্ধনসহ আরও কয়েকটি বিষয়ে কথাবার্তা আছে। ২০ তারিখের আগেই যাব। অনেকগুলো শর্ত পূরণ করে আবেদন করতে হয়। এটার জন্য সময় লাগবে। সক্ষমতা থাকলেও সময়ের প্রয়োজন হয়। সময় নিয়ে আলোচনা করব। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, সংশোধনী বিষয় নিয়ে তারা কী ভাবছে? আর আরপিও সংশোধনীয় নিয়ে আলোচনা করব।

নির্বাচন কমিশনের আইন আছে, সে আইন অনুযায়ী আপনারা কি এই সঠিক সময়ের মধ্যে আবেদন করতে পারবেন— এমন প্রশ্নের জবাবে তুষার বলেন, আমাদের সক্ষমতা আছে। তবে এটার জন্য সময় দরকার। এটা এক থেকে দেড় মাসে হয় না। সেটা নিয়ে আমরা কথা বলব। আর একটা দল তাদের গণবিজ্ঞপ্তির বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে রিট করেছে। ইসি তাদের জন্য শর্ত শিথিল করছে।

ইসি বলছে, রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন পেতে নতুন দলটিকে বেশকিছু নিয়মনীতি মেনে চলতে হবে। নিবন্ধন সংক্রান্ত ধারা-উপধারাগুলো গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে (আরপিও) রয়েছে। আরপিওর ধারা ৯০-এ নির্বাচন কমিশনে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন পাওয়া এবং নিবন্ধন বাতিলের বিধান উল্লেখ করা রয়েছে। নিবন্ধনের জন্য এনসিপিকে ইসিতে দরখাস্ত দাখিল করতে হবে। নিবন্ধনের জন্য দলের চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদক বা সমপর্যায়ের পদাধিকারীর স্বাক্ষরে তফসিলের ফরম কমিশন বরাবর দাখিল করতে হবে। ইসিতে নিবন্ধন দাখিলের সময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করতে হবে। পাঁচ হাজার টাকা নিবন্ধন ফি ইসি সচিব বরাবর জমা দিতে হবে। এই ফি অ-ফেরতযোগ্য। পাঁচ হাজার টাকা সচিবের অনুকূলে ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে জমা দিতে হবে।জানা গেছে, কোনো দল দলীয় প্রতীক নিয়ে জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চাইলে প্রথমে নিবন্ধনের জন্য ইসিতে আবেদন করতে হয়। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ অনুযায়ী, কোনো দল নিবন্ধন পেতে চাইলে তিনটি শর্তের যেকোনো একটি পূরণ করতে হবে। এগুলো হচ্ছে— স্বাধীনতার পর অনুষ্ঠিত কোনো সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রতীকে কমপক্ষে একটি আসনে বিজয়। সেসব নির্বাচনে দলটির প্রার্থীরা যেসব আসনে অংশ নিয়েছেন, সেসব আসনে মোট ভোটের ৫ শতাংশ অর্জন এবং কেন্দ্রীয় কমিটিসহ দলের একটি সক্রিয় কেন্দ্রীয় কার্যালয় থাকতে হবে। দেশের অন্তত এক-তৃতীয়াংশ জেলায় কার্যালয় থাকতে হবে। আর অন্তত ১০০টি উপজেলা বা মেট্রোপলিটন এলাকার থানায় দলীয় কার্যালয় থাকতে হবে, যার প্রতিটিতে সদস্য হিসেবে কমপক্ষে ২০০ জন ভোটার থাকবেন।

এদিকে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এনসিপি যাত্রা শুরু করেছে। আগামী ২০ এপ্রিলের মধ্যে নিবন্ধনের এসব শর্ত এনসিপির পক্ষে পূরণ করা সম্ভব নয়। এমনটাই মনে করছেন দলটি সিনিয়র নেতারা।

এনসিপির একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির জেলা-উপজেলা পর্যায়ে কমিটি গঠন করা আছে। সেই কমিটিগুলো জাতীয় নাগরিক পার্টির সঙ্গে যুক্ত হয়ে যাবে। আমাদের কেন্দ্রীয় নেতারা সেভাবে কাজ করছে। জেলা-উপজেলা পর্যায়ে দপ্তর ও ভোটারদের স্বাক্ষর সংগ্রহ কঠিন বিষয় নয়। তবে সব কাগজপত্র প্রস্তুত করতে একটু সময় লাগবে। আমাদের দুই মুখ্য সংগঠক প্রতিটি জেলার সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। সাংগঠনিকভাবে আমরা শিগগিরই বিভাগীয় সমন্বয়ক টিম গঠন করব।এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব জয়নাল আবেদীন শিশির ঢাকা পোস্টকে বলেন, ইসিতে নিবন্ধনের যে কালো আইন, আমরা এই আইনের বাতিল দাবি করছি। ২০০৮ সালের আগে সবার জন্য নির্বাচন উন্মুক্ত ছিল। সেভাবে করে দেওয়া উচিত। জনগণের প্রার্থিতার অধিকার হরণ করার অধিকার ইসির নেই। কেউ যদি প্রার্থী হতে চায় ইসির এই কালো আইন ধারা সম্ভব নয়। এরপরও যদি দল সিদ্ধান্ত নেয় যে ইসির অধীনে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করবে, নিতে পারে। তবে আমরা এখনো আবেদন করিনি।

তিনি আরও বলেন, প্রতীকের ব্যাপারে এখনো আমাদের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। হয়ত দল এটা নিয়ে আলোচনা করবে। কালো আইন বাতিল করলে নিবন্ধন সবার জন্য উন্মুক্ত হয়ে যাবে। তখন আপনি ব্যক্তি হিসেবে প্রার্থী হতে পারবেন। কিন্তু এখন আপনি প্রার্থী হতে পারবেন না। কারণ এখন আপনাকে পাঁচ শতাংশ ভোটারের কাছে যেতে হবে।

তিন মাস সময় বাড়ানোর জন্য ইসিতে এনসিপির লিখিত আবেদনে বলা হয়েছে, গণ-অভ্যুত্থানের পর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার বিভিন্ন সংস্কারমূলক কার্যক্রম শুরু করে। এর মধ্যে নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কারের জন্য একটি কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশন একটি প্রতিবেদনসহ তাদের সুপারিশ কর্তৃপক্ষের কাছে দিলেও এখন পর্যন্ত মৌলিক সংস্কার কার্যক্রমের দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। নির্বাচন কমিশনের মৌলিক সংস্কার এবং বিদ্যমান আইন যুগোপযোগী না করেই বর্তমান ইসি রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের জন্য গত ১০ মার্চ একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।

এনসিপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সুপারিশের আলোকে প্রয়োজনীয় আইন ও বিধি প্রণয়ন বা সংশোধন করে নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হওয়া দরকার। এ ছাড়া মৌলিক সংস্কারের আলোকে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন, নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন, বিদ্যমান নিবন্ধিত দলের নিবন্ধন হালনাগাদ করাও আবশ্যক। এমন অবস্থায় দ্রুত নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত মৌলিক সংস্কার এবং নতুন রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের জন্য আবেদনের সময়সীমা ৯০ দিন বাড়ানোর অনুরোধ করা হয় চিঠিতে।

অপরদিকে নতুন দলের নির্বাচনী প্রতীক কী হবে— তা নিয়েও চলছে জোর আলোচনা। এখন পর্যন্ত সম্ভাব্য চারটি প্রতীক নিয়ে বেশি কথা হচ্ছে। এগুলো হলো- ‘মুষ্টিবদ্ধ হাত’, ‘হাতি’, ‘রয়েল বেঙ্গল টাইগার’ ও ‘ইলিশ’। এগুলোর মধ্যে ‘ইলিশ’ বাদে বাকি তিনটি প্রতীক বেশি সমর্থন পাচ্ছে বলে আভাস পাওয়া গেছে।এনসিপির মুখ্য সংগঠক সামান্তা শারমিন একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সম্পর্কিত এমন একটি নির্বাচনী প্রতীক নিয়ে তারা ভাবছেন, সেটা হতে পারে— দোয়াত কলম বা বই। আবার বিপ্লবের সঙ্গে সম্পর্কিত কিছু প্রতীক যেমন- মুষ্টিবদ্ধ হাত, এমন কিছু প্রস্তাবনাও এসেছে। তবে আমরা এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত নেইনি। এ ছাড়া, আমাদের দেখতে হবে নির্বাচন কমিশনের কাছে কোন ধরনের প্রতীক এখনো রয়েছে।

প্রতীক প্রসঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, অনেকগুলো প্রতীক আমাদের বিবেচনার মধ্যে আছে। এখন থেকে আমরা একটা চূড়ান্ত করব।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে বিশাল জমায়েতের মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করে এনসিপি। ওইদিন আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হলেও দ্রুত সময়ে ২১৭ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। গত ৪ মার্চ সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে একাত্তরের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা এবং রায়েরবাজারে চব্বিশের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের শহীদদের কবর জিয়ারতের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি পালন শুরু করে এনসিপি। এরপর নিয়মিত দলটির তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছেন কেন্দ্রীয় নেতারা।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট।

হাতির পায়ে পিষ্ট মা-মেয়ে, দৌড়ে বাঁচলেন বাবা-ছেলে

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৪২ অপরাহ্ণ
হাতির পায়ে পিষ্ট মা-মেয়ে, দৌড়ে বাঁচলেন বাবা-ছেলে
শেয়ার করুন

ভোরে বাড়ির আশপাশে হঠাৎ বিকট শব্দ। আতঙ্কে দুই শিশুসন্তানকে নিয়ে ঘর থেকে বের হলেন মো. একরাম মিয়া ও আছমা বিবি। দেখলেন, তিনটি হাতি আশপাশে চালাচ্ছে ভাঙচুর। এরপর এগিয়ে আসতে থাকে একরাম ও আছমার দিকে। ছয় বছরের ছেলে রেহানকে নিয়ে দৌড়ে পালালেন একরাম। তবে হাতির পায়ে পিষ্ট হলেন তার স্ত্রী আছমা ও তিন বছরের মেয়ে ছেমন।

আজ বৃহস্পতিবার ভোর ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে কক্সবাজারের রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের পশ্চিম খুনিয়াপালং এলাকায়। আক্রান্ত দম্পতি রোহিঙ্গা। পশ্চিম খুনিয়াপালং এলাকায় বন বিভাগের জমিতে ঘর তুলে থাকছিলেন তারা।

খুনিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জয়নাল আবেদিন বাবুল নিশ্চিত করেছেন এসব তথ্য।

স্থানীয় বেলাল উদ্দিন জানালেন, ভোরের দিকে তিনটি বুনো হাতি ঢুকে পড়ে লোকালয়ে। সৈয়দ কলোনির কয়েকটি ঘরের সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুর করে এবং আশপাশের গাছপালা উপড়ে ফেলে হাতিগুলো। ঘর থেকে বের হয়েই সেগুলোর সামনে পড়ায় প্রাণ হারান আছমা ও তার শিশুকন্যা।

তার ভাষ্য, কয়েক দিন ধরেই খাবারের সন্ধানে বুনো হাতির পাল খুনিয়াপালং ও দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাফেরা করছে। ‘পুরো অঞ্চলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে, সবাই অনিরাপদ।’

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে ইউপি সদস্য জয়নাল আবেদিন বাবুল বললেন, ‘হাতির পালটি ছিল অত্যন্ত আক্রমণাত্মক। সামনে পড়ায় মা-মেয়ের পালানোর কোনো সুযোগ ছিল না। হাতিরা ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে গাছের আম ও কাঁঠাল খেয়ে পাশের পাহাড়ে চলে যায়।’

বনাঞ্চল উজাড় এবং মানুষের বসতি বিস্তারের কারণে বন্যপ্রাণী ও মানুষের সংঘাত দিন দিন বাড়ছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে এ ধরনের মর্মান্তিক ঘটনা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয় আবদুল মাজেদের।

বন্য হাতির চলাচল নিয়ন্ত্রণে ‘প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা’ নিচ্ছেন কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের ধোয়াপালং রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. তোসাদ্দেক হোসেন।

মা-মেয়ের মরদেহ ময়নাতদন্তের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করার কথা জানিয়েছেন রামু থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ফরিদ। আর ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফজলে রাব্বানী চৌধুরীর।

ভোটের বন্যায় ভাসলেন থালাপতি বিজয়, প্রথম নির্বাচনেই বাজিমাত

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ২:২৬ অপরাহ্ণ
ভোটের বন্যায় ভাসলেন থালাপতি বিজয়, প্রথম নির্বাচনেই বাজিমাত
শেয়ার করুন

তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচন শেষ হতেই এখন নজর সবার বুথফেরত জরিপে। আর সেই জরিপেই সবচেয়ে বড় চমক হয়ে উঠেছেন দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় তারকা থালাপতি বিজয়। রাজনীতিতে প্রথমবার অংশ নিয়েই সম্ভাব্য বড় সাফল্যের আভাস দিচ্ছেন তিনি। ভোটের বন্যায় ভাসলেন থালাপতি বিজয়। বলা যায়, প্রথম নির্বাচনেই করলেন বাজিমাত।

 

নিজের দল ‘তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম’ নিয়ে এবারের নির্বাচনে অংশ নেন বিজয়। শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে ছিলেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্টালিন। তবে নির্বাচনের আগেই বিজয়ের জনসভায় বিপুল সমর্থক উপস্থিতি রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করে।

 

বিভিন্ন সংস্থার বুথফেরত জরিপ বলছে, প্রথমবার ভোটে অংশ নিয়েই বিজয়ের দল পেতে পারে প্রায় ৯৮ থেকে ১২০টি আসন। তার মার্কায় রীতিমতো ভোটের বন্যা বয়ে গেছে। এই পূর্বাভাস বাস্তব হলে তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

 

তবে সব জরিপ একরকম নয়। কিছু সংস্থার মতে, ডিএমকে জোট ১২০ থেকে ১৪৫টি আসন পেয়ে এগিয়ে থাকতে পারে। অন্যদিকে এআইএডিএমকে জোট পেতে পারে ৬০ থেকে ৮০টি আসন। আবার কিছু জরিপে বিজয়ের দলকে তুলনামূলক কম আসনও দেওয়া হয়েছে।

 

 

এর মধ্যেই কামাখ্যা অ্যানালিটিক্সের মতো কিছু জরিপ বিজয়কে ‘কিংমেকার’ হিসেবেও দেখছে। তাদের মতে, ৬৭ থেকে ৮১টি আসন পেলেও সরকার গঠনে বড় ভূমিকা রাখতে পারে তার দল।

 

প্রসঙ্গত, গত ২৩ এপ্রিল তামিলনাড়ুর ২৩৪টি আসনে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, ভোটার উপস্থিতি ছিল ৮২ শতাংশের বেশি যা রাজ্যের রাজনৈতিক আগ্রহেরই প্রমাণ।

 

এখন দেখার বিষয়, বুথফেরত জরিপের এই আভাস বাস্তবে কতটা প্রতিফলিত হয় এবং সত্যিই কি প্রথম নির্বাচনে ইতিহাস গড়তে পারেন থালাপতি বিজয়।

রামুতে বন্য হাতির আক্রমণে মা ও মেয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১০ অপরাহ্ণ
রামুতে বন্য হাতির আক্রমণে মা ও মেয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু
শেয়ার করুন

রামুতে বন্য হাতির তাণ্ডবে একই পরিবারের মা ও মেয়েসহ দুইজন নিহত হয়েছেন।

 

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের পশ্চিম খুনিয়াপালং এলাকার আব্দুল করিমের কলোনীতে এ ঘটনা ঘটে।

 

এলাকাবাসী জানায়, বণ্য হাতির একটি দল ভোর বেলায় আব্দুল করিম কলোনীতে হানা দেয়। এ সময় হাতি দলটির আক্রমনে মা মেয়ের মৃত্যু হয়। এখনও নিহতদের পরিচয় ও ঘটনার বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।