খুঁজুন
, ,

ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে ১৫৭ দেশ, বাংলাদেশ ১৯৮৮ সালে

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৩:৫০ অপরাহ্ণ
ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে ১৫৭ দেশ, বাংলাদেশ ১৯৮৮ সালে
শেয়ার করুন

ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে এখন পর্যন্ত জাতিসংঘের ১৫৭টি সদস্য দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে, যা সদস্য দেশগুলোর ৮১ শতাংশ। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে ফ্রান্স, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা, মোনাকো, অ্যান্ডোরা ও বেলজিয়াম আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে। খবর আলজাজিরা।

এর আগে কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, পর্তুগাল এবং যুক্তরাজ্যও ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিয়েছিল। গত রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাজ্য আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে পাঁচটি স্থায়ী সদস্যদেশের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়নি।

১৯৮৮ সালের ১৫ নভেম্বর ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা ঘোষণা দেয়ার পর জাতিসংঘের যে ১৩৭টি দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে, তার একটি ছিল বাংলাদেশ। ১৯৮৮ সালের ১৬ নভেম্বর ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয় বাংলাদেশ।

কোন দেশ কবে স্বীকৃতি দিয়েছে

এ পর্যন্ত জাতিসংঘের ১৯৩ সদস্যের মধ্যে ১৫৭টি দেশ ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এর মধ্যে এশিয়া, আফ্রিকা, লাতিন ও মধ্য আমেরিকার দেশই বেশি।

২০২৫ সালে — ফ্রান্স, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা, মোনাকো, বেলজিয়াম, অ্যান্ডোরা, পর্তুগাল, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, মেক্সিকো।

২০২৪ সালে — আর্মেনিয়া, স্লোভেনিয়া, আয়ারল্যান্ড, নরওয়ে, স্পেন, বাহামা, ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো, জ্যামাইকা, বার্বাডোস।

২০১৯ সালে — সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস।

২০১৮ সালে — কলম্বিয়া।

২০১৫ সালে—সেন্ট লুসিয়া, হোলি সি।

২০১৪ সালে—সুইডেন।

২০১৩ সালে—হাইতি, গুয়াতেমালা।

২০১২ সালে—থাইল্যান্ড।

২০১১ সালে—আইসল্যান্ড, ব্রাজিল, গ্রেনাডা, অ্যান্টিগুয়া অ্যান্ড বারবুডা, ডমিনিকা, বেলিজ, সেন্ট ভিনসেন্ট, হন্ডুরাস, এল সালভাদর, সিরিয়া, দক্ষিণ সুদান, লাইবেরিয়া, লেসোথো, উরুগুয়ে, প্যারাগুয়ে, সুরিনাম, পেরু, গায়ানা, চিলি।

২০১০ সালেৎ—ইকুয়েডর, বলিভিয়া, আর্জেন্টিনা।

২০০৯ সালে—ডমিনিকান প্রজাতন্ত্র, ভেনেজুয়েলা।

২০০৮ সালে—আইভরি কোস্ট, লেবানন, কোস্টারিকা।

২০০৬ সালে—মন্টেনেগ্রো।

২০০৪ সালে—পূর্ব তিমুর।

১৯৯৮ সালে—মালাউই।

১৯৯৫ সালে—কিরগিজস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকা, পাপুয়া নিউগিনি।

১৯৯৪ সালে—উজবেকিস্তান, তাজিকিস্তান।

১৯৯২ সালে—বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা, জর্জিয়া, তুর্কমেনিস্তান, আজারবাইজান, কাজাখস্তান।

১৯৯১ সালে—ইসওয়াতিনি।

১৯৮৯ সালে—ফিলিপাইন, ভানুয়াতু, বেনিন, ইকুয়েটরিয়াল গিনি, কেনিয়া, ইথিওপিয়া, রুয়ান্ডা।

১৯৮৮ সালে—বাংলাদেশ, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র, ভুটান, বুরুন্ডি, বতসোয়ানা, নেপাল, গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গো, পোল্যান্ড, ওমান, গ্যাবন, সাও টোমে অ্যান্ড প্রিন্সিপে, মোজাম্বিক, অ্যাঙ্গোলা, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, সিয়েরা লিওন, উগান্ডা, লাওস, চাদ, ঘানা, টোগো, জিম্বাবুয়ে, মালদ্বীপ, বুলগেরিয়া, কেপ ভার্দে, উত্তর কোরিয়া, নাইজার, রোমানিয়া, তানজানিয়া, হাঙ্গেরি, মঙ্গোলিয়া, সেনেগাল, বুরকিনা ফাসো, কম্বোডিয়া, কমোরোস, গিনি, মালি, গিনি বিসাউ, চীন, বেলারুশ, নামিবিয়া, রাশিয়া, ইউক্রেন, ভিয়েতনাম, সাইপ্রাস, চেক প্রজাতন্ত্র ও মিসর।

এ ছাড়াও গাম্বিয়া, ভারত, নাইজেরিয়া, সিশেলস, স্লোভাকিয়া, শ্রীলঙ্কা, আলবেনিয়া, ব্রুনেই, জিবুতি, মরিশাস, সুদান, আফগানিস্তান, কিউবা, জর্ডান, মাদাগাস্কার, নিকারাগুয়া, পাকিস্তান, কাতার, সৌদি আরব, সার্বিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জাম্বিয়া, আলজেরিয়া, বাহরাইন, ইন্দোনেশিয়া, ইরাক, কুয়েত, লিবিয়া, মালয়েশিয়া, মৌরিতানিয়া, সোমালিয়া, তিউনিসিয়া, তুরস্ক, ইয়েমেন, মরক্কো, ইরান।

ফিলিস্তিন রাষ্ট্র স্বীকৃতির সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

১৯৮৮ সালের ১৫ নভেম্বর প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের (পিএলও) চেয়ারম্যান ইয়াসির আরাফাত জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন। সে সময় ৮০টিরও বেশি দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছিল।

প্রসঙ্গত, গাজায় চলমান যুদ্ধে ইতোমধ্যেই ৬৫ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

জুতো পালিশ থেকে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট, যেভাবে লুলার উত্থান

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ২:০৫ পূর্বাহ্ণ
জুতো পালিশ থেকে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট, যেভাবে লুলার উত্থান
শেয়ার করুন

ছোটবেলায় পরিবারের অভাব মেটাতে জুতো পালিশ করেছেন, রাস্তায় বিক্রি করেছেন চীনাবাদাম। জীবনের আরেক পর্যায়ে কারখানায় কাজ করতে গিয়ে হারিয়েছেন বাঁ হাতের কনিষ্ঠ আঙুল। শ্রমিকের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে নেমে জেলেও গেছেন। একসময় দুর্নীতির মামলায় কারাবন্দি হয়েছিলেন। সেই মানুষটিই বারবার ফিরে এসেছেন রাজনীতির ময়দানে।

এবার চতুর্থবারের মতো ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে ডানপন্থি ফ্লাভিও বলসোনারোকে হারিয়ে আবারও দেশটির ক্ষমতায় ফিরেছেন ৮০ বছর বয়সী এই বামপন্থি নেতা।

তার বিজয়ের মাধ্যমে ব্রাজিলে ফিরলো বাম-ধারা। যেন ‘রক্ষা’ পেল লাতিন আমেরিকার ‘শেষ বাম-দুর্গ’।

বিবিসির তথ্য বলছে, এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো নির্বাচনে জয় পেলেন লুলা। ২০০৩ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত টানা দুই মেয়াদে প্রেসিডেন্ট ছিলেন তিনি। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় ফেরেন।

টঙ্গীর সেই শিশুর বাবা রুমি দেশ ছেড়েছেন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৫১ পূর্বাহ্ণ
টঙ্গীর সেই শিশুর বাবা রুমি দেশ ছেড়েছেন

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":[],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

শেয়ার করুন

টঙ্গীর একটি মাদ্রাসায় সাত বছর বয়সী শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগের ঘটনায় আলোচনায় আসা শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমি দেশ ছেড়েছেন বলে জানা গেছে।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছে রুমির পরিবার। তবে তিনি কোন দেশে গেছেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

পরিবারের সূত্রের দাবি, তিনি এখন বাংলাদেশে নেই এবং এ ঘটনা নিয়ে আর ভাবছেন না।

এর আগে, গত ২১ অক্টোবর টঙ্গীর আউচপাড়া এলাকার ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল ক্যাডেট মাদ্রাসার এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে সাত বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক মো. মোসলেম উদ্দিনকে মারধর করেন শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমি। পরে ওই শিক্ষককে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। পরে শাহজালাল রুমি টঙ্গী পশ্চিম থানায় যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মামলা করেন।

এদিকে, মাদ্রাসার অধ্যক্ষের পক্ষ থেকে রুমির বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করা হয়। ওই মামলায় তার বিরুদ্ধে ১৭ লাখ টাকা চুরিসহ বিভিন্ন অভিযোগ আনা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। পাল্টা মামলা হওয়ার পর থেকে রুমি আড়ালে চলে যান বলে জানা গেছে।

মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে এর আগে রুমি বলেছিলেন, একজন আলেম হয়েও তিনি মিথ্যা বলেছেন এবং এখনো বলে যাচ্ছেন বলে তার অভিযোগ।

তবে রুমির দেশ ছাড়ার খবর, তার বর্তমান অবস্থান এবং সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর সর্বশেষ অবস্থা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

চাঁদা দাবির অভিযোগ অস্বীকার করে খোকন চেয়ারম্যানের প্রতিবাদ, শিলখালীতে উন্নয়নকাজে অনিয়মের অভিযোগ

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:০৮ পূর্বাহ্ণ
চাঁদা দাবির অভিযোগ অস্বীকার করে খোকন চেয়ারম্যানের প্রতিবাদ, শিলখালীতে উন্নয়নকাজে অনিয়মের অভিযোগ
শেয়ার করুন

কক্সবাজারের টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের উত্তর শীলখালীতে সরকারি দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও ঠিকাদারের ওপর হামলার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা দিয়েছেন বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন খোকন। তাঁর দাবি, নির্মাণকাজে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে গিয়ে ঠিকাদার আবু বকর ছিদ্দিকের সঙ্গে তাঁর তর্ক হয়। তবে তাঁর বিরুদ্ধে আনা চাঁদা দাবি ও হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি।

 

খোকন চেয়ারম্যানের ভাষ্য অনুযায়ী, স্থানীয় কয়েকজনের কাছ থেকে খবর পেয়ে তিনি সরেজমিনে নির্মাণকাজ পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রকল্পে ২ নম্বর কংকর ও সাগরের লবণাক্ত পানি ব্যবহার করে ঢালাইয়ের কাজ করার অভিযোগের সত্যতা পেয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। নির্মাণকাজের এসব অনিয়মের বিষয় তুলে ধরার পর ঠিকাদারের সঙ্গে তাঁর তর্ক হয় বলে জানান খোকন।

 

প্রকল্পের তথ্য

 

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সাইনবোর্ডে উল্লেখিত তথ্য অনুযায়ী, ‘দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, সংস্কার ও উন্নয়ন প্রকল্প’-এর আওতায় টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের উত্তর শীলখালীতে আশ্রয়কেন্দ্রটি নির্মাণ করা হচ্ছে।

 

প্রকল্পের প্যাকেজ নম্বর DDM/MKP-RCN-021 এবং টেন্ডার আইডি 861512। সাইনবোর্ডে প্রকল্পটির প্রাক্কলিত মূল্য ৭ কোটি ৬৩ লাখ ১৪ হাজার ৫২৫ টাকা এবং চুক্তিমূল্য ৬ কোটি ৮৭ লাখ ৯৮ হাজার ৩২৭ টাকা উল্লেখ রয়েছে।

 

সাইনবোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, নির্মাণকাজ শুরুর তারিখ ১৯ মে ২০২৪ এবং কাজ সমাপ্তির নির্ধারিত তারিখ ৩০ জুন ২০২৭। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে উল্লেখ রয়েছে এস. অনন্ত বিকাশ ত্রিপুরা লিমিটেড, সদর, খাগড়াছড়ি।

 

আগের প্রকল্পেও অনিয়মের অভিযোগ

 

প্রতিবাদলিপিতে খোকন চেয়ারম্যান আরও দাবি করেন, এর আগে শামলাপুর বাজারে নির্মিত একটি সরকারি ভবনের কাজেও অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয় তিনি শনাক্ত করেছিলেন। ওই ভবনের কংকর ও ঢালাইসহ বিভিন্ন কাজের মান নিয়ে আপত্তি তুলে অনিয়মের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়েছিলেন বলে জানান তিনি।

 

উত্তর শীলখালীর আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণকাজে অনিয়মের অভিযোগ তোলার কারণেই তাঁর বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি ও হামলার অভিযোগ আনা হয়েছে বলে দাবি করেন খোকন চেয়ারম্যান। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান এবং তাঁর বিরুদ্ধে প্রকাশিত অভিযোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।