খুঁজুন
সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১৬ চৈত্র, ১৪৩২

অনিয়ম–দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার অঙ্গীকারে ঈদগাঁও অনলাইন প্রেস ক্লাবের

ঈদগাঁও প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৫:৪৬ অপরাহ্ণ
অনিয়ম–দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার অঙ্গীকারে ঈদগাঁও অনলাইন প্রেস ক্লাবের
শেয়ার করুন

বৈষম্যহীন রাষ্ট্র ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ বিনির্মাণের প্রত্যয়ে ঈদগাঁও উপজেলায় কর্মরত তরুণ সাংবাদিকদের অন্যতম প্ল্যাটফর্ম—ঈদগাঁও উপজেলা অনলাইন প্রেস ক্লাব—তাদের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত করেছে। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকেলে ঈদগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন—ঈদগাঁও জাহানারা ইসলাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গিয়াস উদ্দিন, কক্সবাজার নিউজ ডটকমের বার্তা সম্পাদক ইমাম খাইর, দৈনিক যুগান্তরের কক্সবাজার প্রতিনিধি জসিম উদ্দিন, উপজেলা জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান উজ্জ্বল, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ইলিয়াস মিয়া, আমার দেশ পত্রিকার ঈদগাঁও প্রতিনিধি আনোয়ার হোছাইন, দৈনিক নয়া দিগন্তের উপজেলা প্রতিনিধি আতিকুর রহমান মানিক, জাতীয় সাংবাদিক উন্নয়ন সংস্থা কক্সবাজারের সভাপতি নুরুল আমিন হেলালী, ঈদগাহ রশিদ আহমদ কলেজের প্রভাষক আনিছুর রহমান, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোবারক সাঈদ, এডভোকেট এস কে ফারুকী, এনসিপি নেতা রহিম চৌধুরী, উপজেলা ছাত্রদল নেতা সাজ্জাদুল ইসলাম, সোহেল রানা, ঈদগাহ মানবিক ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মনির আহমদ এবং নুরুল হুদা মাল্টিমিডিয়া।

বক্তারা বলেন—অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকতে ঈদগাঁও উপজেলা অনলাইন প্রেস ক্লাব ইতোমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। সামনে আরও বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা নিশ্চিত করতে সংগঠনটি অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এসময় পেশাদারিত্ব, নৈতিকতা ও জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে কাজ করার অঙ্গীকারও ব্যক্ত করেন ক্লাব নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা অনলাইন প্রেস ক্লাবের সভাপতি মিছবাহ উদ্দিন। উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক মনছুর আলম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন অর্থ সম্পাদক আজিজুর রহমান রাজু।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি বজলুর রহমান, সদস্য ইসতিয়াক হাদি, আবু বকরসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও মানবিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

অনুষ্ঠানে বর্ষসেরা প্রতিবেদক হিসেবে ইসতিয়াক হাদিকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয় এবং মানবিক সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য আজিজুর রহমান রাজুকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়।

মোটরসাইকেল চুরির মামলায় ছাত্রদল নেতা কারাগারে

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ণ
মোটরসাইকেল চুরির মামলায় ছাত্রদল নেতা কারাগারে
শেয়ার করুন

বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জে মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগে ছাত্রদলের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

 

রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে গ্রেপ্তারকৃত জিহাদুল ইসলাম খানকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তিনি বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

 

মেহেন্দীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চত করে বলেন, জিহাদুল ইসলাম খানকে মোটরসাইকেলসহ হাতেনাতে আটক করে টহলরত পুলিশ সদস্যরা। পরবর্তীতে দায়েরকৃত মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত প্রায় ৯টার দিকে মেহেন্দীগঞ্জ পৌরসভার বদরপুর এলাকায় সোহেল তালুকদারের বাড়ির আঙিনায় ভাড়ায় চালিত একটি মোটরসাইকেল তালাবদ্ধ অবস্থায় রাখা ছিল। মোটরসাইকেলটির মালিক তানভির ইসলাম। রাত আনুমানিক ১টার দিকে ওই মোটরসাইকেলটি নিয়ে পালানোর সময় টহলরত পুলিশের সন্দেহ হয়। এ সময় জিহাদুল ইসলাম খানকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার কথায় অসঙ্গতি ধরা পড়ে। পরে মোটরসাইকেলের মালিককে ঘটনাস্থলে ডেকে এনে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়।এ ঘটনায় রোববার সকালে একটি মামলা দায়ের করা হয় এবং অভিযুক্তকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠায় থানা পুলিশ।

 

 

মোটরসাইকেলের মালিক তানভির ইসলাম বলেন, ধারদেনা করে কেনা মোটরসাইকেলটি ভাড়ায় চালিয়ে তার সংসার চলে। এটি হারিয়ে গেলে তিনি চরম বিপদে পড়তেন। দ্রুত উদ্ধারের জন্য পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানান।

 

মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান মুক্তা বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি ছাত্রদলের পদে থাকলেও তার বিরুদ্ধে আগেও বিভিন্ন অভিযোগ ছিল। বিষয়টি নিয়ে দলীয়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও জানান তিনি।

 

বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জে মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগে ছাত্রদলের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

 

রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে গ্রেপ্তারকৃত জিহাদুল ইসলাম খানকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তিনি বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

 

মেহেন্দীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চত করে বলেন, জিহাদুল ইসলাম খানকে মোটরসাইকেলসহ হাতেনাতে আটক করে টহলরত পুলিশ সদস্যরা। পরবর্তীতে দায়েরকৃত মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত প্রায় ৯টার দিকে মেহেন্দীগঞ্জ পৌরসভার বদরপুর এলাকায় সোহেল তালুকদারের বাড়ির আঙিনায় ভাড়ায় চালিত একটি মোটরসাইকেল তালাবদ্ধ অবস্থায় রাখা ছিল। মোটরসাইকেলটির মালিক তানভির ইসলাম। রাত আনুমানিক ১টার দিকে ওই মোটরসাইকেলটি নিয়ে পালানোর সময় টহলরত পুলিশের সন্দেহ হয়। এ সময় জিহাদুল ইসলাম খানকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার কথায় অসঙ্গতি ধরা পড়ে। পরে মোটরসাইকেলের মালিককে ঘটনাস্থলে ডেকে এনে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়।এ ঘটনায় রোববার সকালে একটি মামলা দায়ের করা হয় এবং অভিযুক্তকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠায় থানা পুলিশ।

 

মোটরসাইকেলের মালিক তানভির ইসলাম বলেন, ধারদেনা করে কেনা মোটরসাইকেলটি ভাড়ায় চালিয়ে তার সংসার চলে। এটি হারিয়ে গেলে তিনি চরম বিপদে পড়তেন। দ্রুত উদ্ধারের জন্য পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানান।

 

মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান মুক্তা বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি ছাত্রদলের পদে থাকলেও তার বিরুদ্ধে আগেও বিভিন্ন অভিযোগ ছিল। বিষয়টি নিয়ে দলীয়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও জানান তিনি।

ওমরাহ করতে সৌদি যাচ্ছেন নাহিদ ইসলাম

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ণ
ওমরাহ করতে সৌদি যাচ্ছেন নাহিদ ইসলাম
শেয়ার করুন

পবিত্র ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে আজ রাতে সৌদি আরব যাচ্ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম।

 

রোববার (২৯ মার্চ) রাতে দলের মিডিয়া টিম থেকে এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

 

বার্তায় বলা হয়, নিরাপদ যাত্রার জন্য তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ৪ এপ্রিল তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

জেন-জিরা ৭২’র সংবিধান চায় না: হান্নান মাসউদ

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ৮:৫৮ অপরাহ্ণ
জেন-জিরা ৭২’র সংবিধান চায় না: হান্নান মাসউদ
শেয়ার করুন

জেন-জিরা ৭২’র সংবিধান আর চায় না বলে- মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি হতে নির্বাচিত নোয়াখালী-৬(হাতিয়া)র এমপি আব্দুল হান্নান মাসউদ। রবিবার (২৯ মার্চ) জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের প্রথম দিনে জুলাই সনদ ও সংবিধান ইস্যুতে এ কথা বলেন হান্নান মাসউদ।

 

মাসউদ বলেন, ‘আমি বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ এমপি। আপনারা যে জেন-জির কথা বলেন, আমি জেন-জির প্রতিনিধি হয়ে সংসদে কথা বলতে এসেছি। আপনারা যদি বলেন, জেন-জিরা কী চায়। আমি বলি, জেন-জিরা ৭২‘র সংবিধান আর চায় না।’

 

তিনি আরো বলেন, ‘স্বাধীনতার ৩০ বছর পরে আমার মত যেসব সন্তানরা রয়েছে, তারা ভোট দিতে পারেনি, আমি এর জবাব চাই। আমরা স্বাধীন বাংলাদেশে জন্ম নিয়েছি। আমাদের কী ভুল ছিল? আমরা নতুন মানচিত্র পেয়েছি। নতুন পতাকা ও নতুন সীমানা পেয়েছি। আমাদের পূর্ব পুরুষেরা ১৯৭১ সালে রক্ত দিয়ে আমাদের জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে চেয়েছেন। আমরা কি সেই নিরাপদ এবং নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি? সেই নতুন বাংলাদেশ আমরা পাইনি।’

 

এমপি বলেন, ‘৭১-এ ৩০ লাখ মানুষ শহীদ হয়েছে এবং জীবন দিয়েছে। পরবর্তীতে তাদের সন্তানরা যেন নিরাপদ বাংলাদেশে ভোটাধিকার পায় এবং রক্ষী বাহিনী না হয়। আমরা দেখেছি, বাংলাদেশে দুর্ভিক্ষ হয়েছে। ১৯৭৩ সালে ভোট চুরি হয়েছে। এরপর আমরা দেখেছি, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে গণতন্ত্র পুনর্জন্মের জন্য ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি আমার হাতিয়াতে তিনবার গিয়েছেন। আমি যেদিকে তাকিয়েছি এবং বলেছি, এই বেরিবাঁধ কে করে দিয়েছেন? তখন শুনেছি জিয়াউর রহমান। আমার এই খাল কে খনন করে দিয়েছেন? তখন শুনেছি, জিয়াউর রহমান। তার পরে বেগম খালেদা জিয়া আমার হাতিয়াতে তিন থেকে চারবার গিয়েছেন। এরপরেও আমার হাতিয়াতে নদী ভাঙন রোধ হয়নি। ওই অঞ্চলের লাখ লাখ মানুষ ঘরবাড়িহীন হয়ে পড়ে আছেন। আমি এই ইলেকশনে ভোট ডাকাতি দেখেছি। আমার বাড়িঘরে হামলা করেছে।’

 

সংসদের সদস্যদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে হান্নান বলেন,‘আমি কি এই নির্বাচনের জন্য রক্ত ঝড়িয়েছি? আমরা রক্ত ঝড়িয়েছি বলেই আপনারা সংসদে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হয়েছেন।’

 

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে অনড় অবস্থান জানিয়ে হান্নান মাসউদ আরও বলেন, ‘আমরা নতুন বাংলাদেশের বিষয়ে কোনো প্রতারণা দেখতে চাই না। গণভোটের জন্য প্রধানমন্ত্রী প্রচারণা চালিয়েছেন। যে আদেশের পক্ষে সংসদ সদস্যরা প্রচারণা চালিয়েছেন, আজকে কেন আবার দীর্ঘ আলোচনা হতে হবে?’