খুঁজুন
, ,

রোহিঙ্গাদের ‌‘বাঙালি’ দাবি মিয়ানমারের, প্রত্যাখান করল বাংলাদেশ

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৫১ অপরাহ্ণ
রোহিঙ্গাদের ‌‘বাঙালি’ দাবি মিয়ানমারের, প্রত্যাখান করল বাংলাদেশ
শেয়ার করুন

আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ হিসেবে উল্লেখ করে‌ছে মিয়ানমার। তবে দেশ‌টির এ দাবি প্রত্যাখান ক‌রে‌ছে বাংলাদেশ।

 

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আইসিজেতে মিয়ানমার কর্তৃক সাম্প্রতিক আবেদনের প্রতি বাংলাদেশ গুরুতর আপত্তি জানিয়েছে। যেখানে অবৈধ অভিবাসনের আখ্যান তৈরি এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা হুমকিকে আরও শক্তিশালী করার জন্য রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বল‌ছে, মিয়ানমার কর্তৃক জাতিগত নির্মূল অভিযানকে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী অভিযান হিসেবে ন্যায্যতা দেওয়ার পাশাপাশি ২০১৬-১৭ সময়কালে রো‌হিঙ্গা‌দের ওপর সংঘটিত নৃশংস অপরাধ থেকে মনোযোগ সরানোর চেষ্টা এ‌টি।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রোহিঙ্গারা একটি স্বতন্ত্র জাতিগত গোষ্ঠী, যা ১৭৮৫ সালে বর্মণ রাজ্যের অংশ হওয়ার আগেও আরাকানে শতাব্দী ধরে বিকশিত হয়েছিল। পুরাতন আরাকানের রাজধানী মায়ো-হাউং বা ম্রো-হাউং বা রোহাউং-এ তাদের উপস্থিতির কারণে, তাদের চট্টগ্রামের রোশাং বা রোহাং এবং বৃহত্তর বাংলায় সম্প্রসারিতভাবে বলা হতো। তাই, শুরুতে এটি একটি স্পষ্ট বহির্নামের ঘটনা ছিল। যখন বার্মায় রোহিঙ্গারা ধীরে ধীরে প্রান্তিকীকরণের তীব্রতর প্রক্রিয়ার মধ্যে পড়তে শুরু করে, তখন সম্প্রদায়টি আত্মপরিচয়ের জন্য রোহিঙ্গা নামকরণ গ্রহণ করে।

 

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বার্মার আরাকান এবং বর্তমান রাখাইনের সঙ্গে তাদের গভীর ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক এবং সামাজিক শিকড় রয়েছে। এই অঞ্চলে তাদের উপস্থিতি আধুনিক সীমান্তেরও পূর্ববর্তী এবং ঐতিহাসিক রেকর্ড, ঔপনিবেশিক জনসংখ্যার বিবরণ এবং স্বাধীনভাবে সুপ্রতিষ্ঠিত।

 

বার্মার স্বাধীনতার কয়েক দশক আগে আরাকানে বসবাসকারী রোহিঙ্গাদের বিদেশি বা অভিবাসী হিসেবে চিত্রিত করার প্রচেষ্টা ঐতিহাসিক তথ্যের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ। ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইন জারির আগ পর্যন্ত রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের রাজনীতি, সমাজ এবং সরকারের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, যখন মিয়ানমার সরকার কেবল জাতিগত-ধর্মীয় বিবেচনায় তাদের রাষ্ট্র ও সমাজ থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। একটি সম্প্রদায়কে ধ্বংস করার পরিকল্পিত অংশ হিসেবে অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিকভাবে প্রান্তিকীকরণ সত্ত্বেও, রোহিঙ্গারা ভোটাধিকার ভোগ করে চলেছে, যতক্ষণ না ২০১৫ সালের সাধারণ নির্বাচনের সময় তারা সম্পূর্ণরূপে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়।

 

মিয়ানমার তাদের সমান অধিকার এবং মিয়ানমার সমাজের সমান সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণের ন্যায্য সাংবিধানিক গ্যারান্টি থেকে ক্রমাগতভাবে বঞ্চিত করে আসছে। একটি সম্প্রদায় হিসেবে রোহিঙ্গাদের পরিকল্পিত ধ্বংসের এই প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত পদক্ষেপ হিসেবে, তাদের রাষ্ট্রহীন করার জন্য রাখাইন থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছিল।

 

রোহিঙ্গাদের একটি স্বতন্ত্র জাতিগত পরিচয়, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, ঐতিহ্য, সামাজিক রীতিনীতি এবং ভাষা রয়েছে, যা চিটাগাংয়ের উপভাষার সঙ্গে মিল থাকা সত্ত্বেও বাংলা থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ হিসেবে ডাকার পদ্ধতিগত প্রচেষ্টা তাদের আত্মপরিচয়ের সহজাত অধিকারকে অস্বীকার এবং তাদের বর্জনের ন্যায্যতা প্রমাণের জন্য নামকরণ বিতর্ক ব্যবহার করা হচ্ছে।

 

রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব এবং মানবাধিকার সহ তাদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করার জন্য মিয়ানমার রাষ্ট্র কর্তৃক তাদের ‘বাঙালি’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা একটি পদ্ধতিগত অভিযানের অংশ ছিল, যদিও ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক প্রত্যাবাসন চুক্তিতে এই সম্প্রদায়কে বার্মার বৈধ বাসিন্দা হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছিল। পরবর্তী দ্বিপাক্ষিক চুক্তিতে (রোহিঙ্গা) সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত এই বৈধ বাসিন্দাদের মিয়ানমার সমাজে সমান সদস্য হিসেবে একীভূত করার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছিল।

 

একটি আখ্যান তৈরির এই প্রচেষ্টা রোহিঙ্গা সংকটের মূল কারণগুলো থেকে মনোযোগ সরিয়ে ন্যায়বিচার, জবাবদিহিতা এবং টেকসই সমাধান খুঁজে বের করার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টাকে দুর্বল করার চেষ্টা করে। রোহিঙ্গাদের আত্মপরিচয়ের সহজাত অধিকার থেকে বঞ্চিত করা রাখাইন থেকে তাদের উচ্ছেদ এবং রাষ্ট্রহীন করে এই সম্প্রদায়কে ধ্বংস করার প্রচেষ্টার মূলে রয়েছে। রাখাইনে অনুকূল পরিবেশ তৈরি এবং রোহিঙ্গাদের রাখাইনে প্রত্যাবাসন সহজতর করার আইনি বাধ্যবাধকতা এড়াতে আট বছরেরও বেশি সময় ধরে মিয়ানমারের অব্যাহত প্রচেষ্টা নিশ্চিতভাবেই ২০১৭-১৮ সালে স্বাক্ষরিত দ্বিপাক্ষিক চুক্তির স্পষ্ট লঙ্ঘন।

 

স্পষ্ট নিষ্ক্রিয়তা এবং অজুহাত দেখিয়ে রাখাইনে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন আটকে দেওয়ার এই প্রবণতাকে রোহিঙ্গা সম্প্রদায়কে ধ্বংস করার মিয়ানমারের উদ্দেশ্যের প্রমাণ হিসেবেও ব্যাখ্যা করা যেতে পারে।

 

বাংলাদেশ সরকার মিয়ানমার এবং রাখাইনের ওপর কর্তৃত্বশীল অন্যান্য রাষ্ট্রগুলোকে তাদের সমাজ ও রাষ্ট্রের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে রোহিঙ্গাদের স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য প্রকৃত প্রতিশ্রুতি প্রদর্শনের আহ্বান জানাচ্ছে। একই সঙ্গে রাখাইনে অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে এবং সমান অধিকার, নিরাপত্তা এবং মর্যাদার সঙ্গে তাদের পুনর্মিলন করে তাদের প্রত্যাবর্তনকে সহজতর করার আহ্বান জানাচ্ছে।

রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৪৪ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক
শেয়ার করুন

চারদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে জাপান সফর যাচ্ছেন আমজনতা দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান। আজ রবিবার (২৫ অক্টোবর) রাতে প্রধানমন্ত্রীর জাপান যাওয়ার কথা রয়েছে।

 

সন্ধ্যায় ফেসবুকের এক পোস্টে তারেক রহমান লেখেন, ‘আজ জাপান যাচ্ছি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে। ভালোবাসা সবাইকে।’ ওই পোস্টে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে করমর্দনরত অবস্থার হাস্যোজ্জ্বল একটি ছবি জুড়ে দিয়েছেন তারেক রহমান।

 

প্রধানমন্ত্রী ২৬ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত জাপানে অবস্থান করবেন। সফরকালে দুদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, মেট্রোরেলসহ চলমান অবকাঠামো প্রকল্পের ব্যয় ও ঋণের সুদের হার কমানোর বিষয়ে আলোচনা, জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

 

সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি আগামীকাল সোমবার (২৬ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।জাপানের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নাকাসোনে ইয়াসুতাকা বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানাবেন। প্রধানমন্ত্রী টোকিওর ইম্পেরিয়াল হোটেলে অবস্থান করবেন।

টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
টঙ্গীতে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে চুমু: সেই শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর
শেয়ার করুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদ্রাসার ভেতরে ছয় বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মোসলেহ উদ্দিনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক ওমর হায়দার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিন বাতিলের এই আদেশ দেন।

আদালতে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহিউদ্দীন জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জামিনের ঘোর বিরোধিতা করে আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করা হয় যে, আসামি এই মুহূর্তে জামিনে মুক্তি পেলে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ব্যাহত হতে পারে এবং সমাজে এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিজ্ঞ বিচারক উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আসামির জামিন আবেদন নাকচ করে দেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শরিফুল আলম বলেন, আসামির অতীতে কোনো অপরাধের রেকর্ড বা পূর্ববর্তী মামলা নেই। এছাড়া তার দাবি, মামলার অভিযোগগুলো মিথ্যা এবং ঘটনার পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ নেই। এসব যুক্তি তুলে ধরেই তারা জামিনের আবেদন করেছিলেন।

 

এদিকে ঘটনাটির জের ধরে দায়ের হওয়া পাল্টাপাল্টি মামলাকে কেন্দ্র করে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার ছড়াচ্ছে বলে সতর্ক করেছে পুলিশ। উভয় মামলার নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিয়ে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার গুজব থেকে বিরত থাকার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।

 

রোববার সকালে জিএমপি ও গণমাধ্যমকর্মীদের সমন্বয়ে পরিচালিত ‘জিএমপি মিডিয়া’ নামের অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সাংবাদিকদের একটি সংবাদের প্রেক্ষিতে তিনি এসব তথ্য জানান।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টঙ্গীর আউচপাড়ার শফিউদ্দিন রোডে অবস্থিত ‘ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা’র ভেতরে প্রথম শ্রেণির ছয় বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মো. মোসলেহ উদ্দিনকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

 

তবে এর পরপরই ঘটনাটি নতুন দিকে মোড় নেয়। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ক্বারী মো. আলমাছ হোসেন গাজীপুরী পাল্টা অভিযোগ তোলেন যে, ঘটনার পর একদল লোক মাদ্রাসায় ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের মারধর করেছে। এ ঘটনায় তিনি ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমিসহ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে আরেকটি মামলা দায়ের করেন।

 

পাল্টা এই মামলার পর ‘শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তারে মাঠে নেমেছে পুলিশ’—এমন খবর কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ভিডিও ও মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে তৈরি হয় চাঞ্চল্য। তবে পুলিশ পরিষ্কার জানিয়েছে, মামলার তদন্ত আইনি নিয়ম মেনেই এগোচ্ছে এবং কোনো পক্ষকেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করা হচ্ছে না।

জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫ শতাধিক ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার
শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বগুড়ার শিবগঞ্জে ৫৪৮ জন ছাত্রীকে বিনামূল্যে বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) বগুড়ার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের নিয়ে এই আয়োজন করা হয়।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের আয়োজনে এসব ছাত্রীদের বাইসাইকেল দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেন, ‘শুভ শুভ শুভদিন, জাইমা রহমানের জন্মদিন’ ‘করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সাত শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়েছিলাম, যার মধ্যে অংশ নিয়েছিল ৫৪৮ জন ছাত্রী। মোট ১০২টি শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের ৫৪৮জনকে ডেকে নিয়ে বাইসাইকেল উপহার দিচ্ছি।

এছাড়া যে প্রতিষ্ঠানে এই বাইসাইকেল প্রদানের আয়োজন করা হয়, তাদেরসহ প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীদের জাইমা রহমানের ছবি সম্বলিত মগ উপহার দেওয়া হয়।

বাইসাইকেল পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ উচ্ছ্বসিত হন। কেউ কেউ স্কুল মাঠেই সাইকেল চালিয়ে আনন্দ উপভোগ করেন।