ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু কেথায় আছেন তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিক পোস্টে প্রশ্ন ওঠার মধ্যেই তাকে মারার হুমকি দিল ইরান।
ইরানের রেভল্যুউশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) রোববার এক বিবৃতিতে বলেছে, “যদি ওই শিশু-হত্যাকারী অপরাধী বেঁচে থাকে, তা হলে তাকে খুঁজে বের করে সর্বশক্তি প্রয়োগ করে মারব।”
সংঘাতের ষোড়শতম দিন রোববার ইসরায়েলের হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। কয়েকদিন ধরে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে দেখা না যাওয়ায় তিনি কোথায় আছেন তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
নেতানিয়াহুর মৃত্যুর গুঞ্জন নিয়ে যুদ্ধে নামে দুই দেশের সংবাদমাধ্যম। ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সি এক প্রতিবেদনে জানায়, ইরানের হামলায় নেতানিয়াহু মারা গেছেন বা আহত হয়েছেন।
তবে ওই খবর নাকচ করে ইসরায়েলের জেরুজালেম পোস্ট জানায়, নেতানিয়াহুর মৃত্যু বা আহত হওয়ার ‘গুজব ছড়াচ্ছে; ইরানি গণমাধ্যম।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে জল্পনা সৃষ্টি হয়। তার মাঝেই ইসরায়েলের দপ্তর জানায় নেতানিয়াহু সুস্থ রয়েছেন। এবার ইরান পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখল।
গত ১২ মার্চে নেতানিয়াহুর বক্তব্যের একটি ভিডিও নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্র।
তার পর প্রথমবার নেতানিয়াহুর সাংবাদিক বৈঠকের ভিডিও প্রকাশ করে তাঁর দপ্তর। সংঘাত শুরু হওয়ার পর প্রথম বার প্রকাশ্যে দেখা যায় তাকে।
ভিডিও দেখে কারও মনে হয়, নেতানিয়াহুর একটি হাতে ছয়টি আঙুল রয়েছে। তারপরই প্রশ্ন ওঠে, তবে কি ওই ভিডিও এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) দিয়ে তৈরি করা হয়েছে?
যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নেতানিয়াহুর সুস্থতা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়। যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ ক্যানডেস আওয়েনস সমাজমাধ্যমে প্রশ্ন তোলেন, নেতানিয়াহু কোথায়? কেন তার প্তর ভুয়া ভিডিও প্রকাশ করছে। কেন হোয়াইট হাউজে এত আতঙ্ক?
এরপরই তুরস্কের সংবাদমাধ্যমে আনাদোলু এজেন্সি-কে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, “নেতানিয়াহু সুরক্ষিত রয়েছেন। সুস্থ রয়েছেন।”
আপনার মতামত লিখুন