খুঁজুন
, ,

রাউজানে বিএনপির মনোনয়নে আলোচনায় ১৮ খুন, ৩২ গুলি

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:২২ অপরাহ্ণ
রাউজানে বিএনপির মনোনয়নে আলোচনায় ১৮ খুন, ৩২ গুলি
শেয়ার করুন

বছরজুড়ে খুন ও গুলির ঘটনায় উত্তপ্ত থাকা রাউজান ভোটের মাঠেও আছে আলোচনায়। শেষ মুহূর্তে প্রার্থী বদল করেছে বিএনপি। ৫ আগস্টের পর যে দুজনকে ঘিরে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হয়েছে, মনোনয়ন পেয়েছেন সেই দুজনই। প্রথমে গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল। তাঁর বদলে রোববার রাতে মনোনয়নের চিঠি পেয়েছেন গোলাম আকবর খোন্দকার। তবে চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে বিএনপির আসল প্রার্থী কে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি। আরও দুটি আসনে প্রার্থী বদল হলেও অন্যত্র এমন দৃশ্য নেই।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘রাউজান আসনে আপাতত গোলাম আকবর ও গিয়াস উদ্দিন কাদের উভয়ে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে থাকবেন। প্রত্যাহারের সময় একজনকে চূড়ান্ত করা হবে। আরেকজনকে প্রত্যাহার করতে বলা হবে।’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘প্রার্থীদের অতীত কর্মকাণ্ড, জনপ্রিয়তা ও এক পরিবার এক প্রার্থী নীতি বিবেচনায় এনে নতুন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে দল।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর পছন্দের আসন ছিল চট্টগ্রাম-১০ (হালিশহর-ডবলমুরিং)। শেষ মুহূর্তে তাঁকে সরিয়ে বিএনপি মনোনয়ন দিয়েছে সাঈদ আল নোমানকে। রাজনীতিতে তিনি নবাগত। সংসদ নির্বাচনও করছেন তিনি এই প্রথম। একইভাবে প্রার্থী বদল হয়েছে চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনেও। তিনটি আসনে প্রার্থী বদল হওয়ায় এর প্রভাব পড়বে চারটি আসনের ভোটের সমীকরণে।

আওয়ামী লীগ আমলে প্রায় আট বছর কারাভোগ করা আসলাম চৌধুরীকে প্রথমে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি সীতাকুণ্ডে। এর প্রতিবাদে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেন তাঁর অনুসারীরা। আসলাম চৌধুরী এককভাবে নির্বাচন করারও ঘোষণা দেন। শেষে প্রার্থী বদল হয়েছে এখানে। এখন আসলাম চৌধুরীকে মনোনয়ন দেওয়ায় চ্যালেঞ্জে পড়বেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আনোয়ার সিদ্দিক। বন্দর-পতেঙ্গা আসনেও জামায়াতের প্রার্থী শফিউল আলমের চিন্তা বাড়িয়ে দিয়েছেন আমীর খসরু। এই দুটি আসনে জামায়াত যাদের প্রার্থী করেছে, তাদের তুলনায় প্রভাবশালী বিএনপির এ দুই নেতা।

প্রার্থী বদলে সীতাকুণ্ড ও হালিশহরে সমীকরণে প্রভাব
সীতাকুণ্ডে কাজী মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের পরিবর্তে বিএনপির নতুন প্রার্থী চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আসলাম চৌধুরী। তাঁর মনোনয়নে এখানে পাল্টে যাবে ভোটের সমীকরণ। সীতাকুণ্ড এলাকার বাসিন্দা সেকান্দর হোসাইন বলেন, ‘মনোনয়ন ঘিরে সীতাকুণ্ড আসনে দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়ে বিএনপি। নির্বাচন পর্যন্ত এটি বহাল থাকলে ভোটের মাঠে সুফল যেত জামায়াতের ঘরে। আসলাম চৌধুরী মনোনয়ন পাওয়ায় সালাউদ্দিনের অনুসারীরা এখন দলের পক্ষে কাজ করতে পারেন।’
জানতে চাইলে আসলাম চৌধুরী বলেন, ‘জামায়াতের বিরুদ্ধে জিততে হলে সবাইকে নিয়ে কাজ করতে হবে। কাজী সালাউদ্দিনও প্রার্থী হিসেবে যোগ্য। তাঁর সমর্থনও গুরুত্বপূর্ণ।’
কাজী মোহাম্মদ সালাউদ্দিন এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করেননি।

এদিকে ১৯৯১ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত পরপর চারবার চট্টগ্রাম-১১ থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এবারে তিনি চট্টগ্রাম-১০ (হালিশহর-পাহাড়তলী) আসনে গিয়ে ১১ আসনের প্রার্থী করাতে চেয়েছেন ছেলেকে। তাঁর ছেলে বিএনপির আন্তর্জাতিকবিষয়ক উপকমিটির সদস্য ইসরাফিল খসরু চৌধুরী। এ কারণে এই আসনে এতদিন প্রার্থীও চূড়ান্ত করতে পারেনি বিএনপি। কারণ, এখান থেকে নির্বাচন করতে আগ্রহী প্রার্থীদের মধ্যে ছিলেন নগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান মঞ্জুও। কোনোভাবে ইসরাফিল খসরু যদি মনোনয়ন পেতেন, তাহলে তাঁর বিপক্ষে কাজ করতেন নাজিমুরের অনুসারীরা। এটির সুবিধা পেতেন এই আসনে জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী। আমীর খসরুকে এই আসনে ফিরিয়ে আনার মাধ্যমে কোন্দল দূর করতে পেরেছে বিএনপি– এমনটা মনে করেন নাজিমুর রহমান মঞ্জু।

প্রার্থী মনোনয়নে আলোচনায় রাউজানের ১৮ খুন
গত ১৬ মাসে রাউজানে ১৮ জন খুন হয়েছেন। এর মধ্যে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড ছিল ১৩টি। যারা খুন হয়েছেন, তারা গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী কিংবা গোলাম আকবর খোন্দকারের অনুসারী ছিলেন। আধিপত্য বিস্তার এবং বালুমহাল ও পাহাড় কাটার মাটি নিয়ে দ্বন্দ্বে লাশ পড়েছে। এ ছাড়া গত ১৬ মাসে গুলি বিনিময়ের ৩২টি ঘটনায় অর্ধশত লোক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

সর্বশেষ ৫ নভেম্বর কোয়েপাড়া গ্রামে রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হন। গত ২৫ অক্টোবর তিনজন গুলিবিদ্ধ হন। পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চারাবটতল এলাকায় যুবদল নেতা আলমগীর আলমকে গুলি করে হত্যা করা হয়। একই ঘটনায় আরও দুজন গুলিবিদ্ধ হন। ৬ জুলাই কদলপুর ইউনিয়নে গুলিতে ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মো. সেলিম নিহত হন। এ সময় এক যুবদলকর্মী গুলিবিদ্ধ হন। ২২ এপ্রিল সদর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের গাজীপাড়ায় যুবদলকর্মী মো. ইব্রাহীমকে গুলি করে হত্যা করা হয়। একই দিন কদলপুরে একজন অটোরিকশাচালক গুলিবিদ্ধ হন। গত ১৯ এপ্রিল রাউজানের বাগোয়ানে যুবদল নেতা মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ মানিককে মুখে বন্দুক ঢুকিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ সময় নিহতের এক সহযোগীও গুলিবিদ্ধ হন। ২৪ জানুয়ারি নোয়াপাড়ায় চাক্তাইয়ের শুঁটকি ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীরকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় তাঁর ভাগনেও গুলিবিদ্ধ হন।

১৫ ফেব্রুয়ারি পূর্ব গুজরা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর গুজরা গ্রামে সাবেক ছাত্রদল নেতা পেয়ার মুহাম্মদ বাবু, ১২ অক্টোবর নোয়াপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের দুই কর্মী– মাসুদ পারভেজ ও মুহাম্মদ সাগর, ২০২৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর কদলপুর ইউনিয়নে আনোয়ার হোসেন বাচলু, ৭ সেপ্টেম্বর নোয়াপাড়া পথেরহাট বাজারে মো. ফরিদ, ১৪ নভেম্বর নোয়াপাড়া ইউনিয়নে দুপক্ষের সংঘর্ষে মো. জসিম উদ্দিন, মো. মহিউদ্দিন, জানে আলম ও তাঁর ভাই মো. সাইফুদ্দিন, মো. লাভলু, নুরুদ্দিন ও তাঁর ভাই মো. মানিক, মো. মাসুদ, আলাউদ্দিন, মো. হুমায়ুন ও নুরুল আবসারকে গুলি করা হয়।

মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় রুমি, ছেড়েছেন গাজীপুর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় রুমি, ছেড়েছেন গাজীপুর
শেয়ার করুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে এক মাদ্রাসায় নিজের কন্যাশিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগের পর ‘ভবিষ্যতের চিন্তায়’ এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছেন শাহজালাল রুমি। পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মুঠোফোন নম্বর থেকে হত্যার হুমকি পাওয়ার অভিযোগে তিনি বাসা ছেড়েছেন বলে জানিয়েছেন ভবনটির কেয়ারটেকার। তবে স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ তিনি বর্তমানে কোথায় অবস্থান করছেন, তা জানা যায়নি।

ভবনটির কেয়ারটেকার জানান, টঙ্গীর মাদ্রাসায় ওই ঘটনার পর থেকেই রুমি হুমকি পাওয়ার অভিযোগ করছিলেন। একই সঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়ার আশঙ্কায়ও ছিলেন তিনি। স্ত্রী, দুই সন্তান এবং শ্বশুর-শাশুড়ির নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বাসা ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন রুমি।

রোববার (২৫ অক্টোবর) টঙ্গীতে রুমির বাসায় গিয়ে দরজায় তালা দেখা যায়। কেয়ারটেকার হাবিবুর রহমানের ভাষ্য অনুযায়ী, গত দুই থেকে তিন দিন ধরে ভয়ের কারণে রুমির পরিবারের সদস্যরা বাসায় থাকছেন না।

 

হাবিবুর রহমান আরও জানান, যে মেয়েটির সঙ্গে এসব ঘটেছে, সেও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। রুমি এখন মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় আছেন বলে আমাদের জানিয়ে গেছেন।

রুমি পেশায় একজন ফেব্রিক ব্যবসায়ী। পাশাপাশি বডি বিল্ডিংয়ের সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততা রয়েছে। ঢাকায় ব্যবসার সুবাদে তিনি তার বাবার ফ্ল্যাটে স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে বসবাস করতেন। তার এক মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। মেয়ের বয়স আট বছর এবং ছেলের বয়স চার বছর। রুমির শ্বশুরের নাম হাজি মোহাম্মদ মোকাররম আলী।

 

মাদ্রাসার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংবাদ সম্মেলন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে রুমি এবং তার পরিবারের মধ্যে উদ্বেগ বাড়তে থাকে। রুমি ফেসবুক লাইভে একাধিকবার তার ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন। বিভিন্ন ব্যক্তি তাকে হুমকি দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।

 

পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের পাশাপাশি দুই শিশুর ভবিষ্যৎ নিয়েও শঙ্কা তৈরি হয়েছে। সন্তানদের ভালোভাবে পড়াশোনা করিয়ে মানুষ করার স্বপ্ন নিয়ে মেয়েকে মাদ্রাসায় ভর্তি করিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন রুমি। কিন্তু সেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ঘিরে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে, তা কখনো কল্পনাও করেননি বলে তার বক্তব্যে উঠে এসেছে।

 

ঘটনাটি সামনে আসার পর থেকে রুমি ও তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে অভিযোগের পক্ষে-বিপক্ষে বিভিন্ন বক্তব্য ছড়িয়ে পড়ছে। এর মধ্যে হুমকি ও নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।

 

পাল্টাপাল্টি মামলা, তদন্তে পুলিশ

 

মাদ্রাসার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে দুটি পৃথক মামলা হয়েছে। একটি মামলা করেছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এবং অন্যটি করেছেন শিশুটির বাবা রুমি। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও বক্তব্য সামনে এসেছে। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের মামলায় অর্থ আত্মসাৎ, ভাঙচুরসহ বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। অন্যদিকে, রুমি তার মেয়ের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিচার চেয়ে আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন।

 

টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফ হোসেন বলেন, ‘দুটি মামলাই আমরা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও তদন্ত করছি। তদন্ত সাপেক্ষে পুরো বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।’

 

তদন্তের স্বার্থে মামলার বিস্তারিত বিষয়ে আপাতত কিছু জানাতে চাননি সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা।

 

মাদ্রাসা ও রুমির বাসায় গণমাধ্যমকর্মীদের ভিড়

 

ঘটনাটি দেশজুড়ে আলোচনায় আসার পর থেকে সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা এবং রুমির বাসায় গণমাধ্যমকর্মীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ঘটনার প্রকৃত তথ্য, দুই পক্ষের বক্তব্য এবং তদন্তের অগ্রগতি জানতে সাংবাদিকেরা সেখানে যাচ্ছেন।

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন মুনজারিন টাইলসের স্বত্বাধিকারী শহিদুল মোস্তফা

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ণ
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন মুনজারিন টাইলসের স্বত্বাধিকারী শহিদুল মোস্তফা
শেয়ার করুন

অনলাইন সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাম নিউজে টার্মিনালকেন্দ্রিক ইয়াবা সিন্ডিকেট নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের একাংশের প্রতিবাদ জানিয়েছেন মুনজারিন টাইলসের স্বত্বাধিকারী শহিদুল মোস্তফা।

 

এক প্রতিবাদলিপিতে শহিদুল মোস্তফা বলেন, প্রকাশিত প্রতিবেদনে তাঁর ছবি ব্যবহার করে ইয়াবা সিন্ডিকেটের সঙ্গে তাঁকে সম্পৃক্ত হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। বিষয়টি তাঁর নজরে আসার পর তিনি বিস্ময় ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর দাবি, প্রতিবেদনে উত্থাপিত অভিযোগের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

 

শহিদুল মোস্তফা জানান, তিনি মুনজারিন টাইলসের স্বত্বাধিকারী। পাশাপাশি তিনি পশ্চিম লারপাড়া সমাজ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক, মসজিদ পরিচালনা কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জেলা কমিউনিটি পুলিশের সদস্য এবং লারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি হিসেবে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন।

 

প্রতিবাদলিপিতে তিনি বলেন, এ ধরনের গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে কারও নাম বা ছবি ব্যবহারের আগে তথ্য ও পরিচয় যথাযথভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সামাজিক মর্যাদা, ব্যক্তিগত সুনাম ও পেশাগত অবস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

 

শহিদুল মোস্তফা টেলিগ্রাম নিউজ কর্তৃপক্ষকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য ও ছবি পুনরায় যাচাই করার অনুরোধ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে প্রকৃত ঘটনা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছ থেকে তথ্য যাচাইয়ের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

 

প্রতিবাদকারী:

শহিদুল মোস্তফা

স্বত্বাধিকারী, মুনজারিন টাইলস।

রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৪৪ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক
শেয়ার করুন

চারদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে জাপান সফর যাচ্ছেন আমজনতা দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান। আজ রবিবার (২৫ অক্টোবর) রাতে প্রধানমন্ত্রীর জাপান যাওয়ার কথা রয়েছে।

 

সন্ধ্যায় ফেসবুকের এক পোস্টে তারেক রহমান লেখেন, ‘আজ জাপান যাচ্ছি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে। ভালোবাসা সবাইকে।’ ওই পোস্টে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে করমর্দনরত অবস্থার হাস্যোজ্জ্বল একটি ছবি জুড়ে দিয়েছেন তারেক রহমান।

 

প্রধানমন্ত্রী ২৬ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত জাপানে অবস্থান করবেন। সফরকালে দুদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, মেট্রোরেলসহ চলমান অবকাঠামো প্রকল্পের ব্যয় ও ঋণের সুদের হার কমানোর বিষয়ে আলোচনা, জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

 

সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি আগামীকাল সোমবার (২৬ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।জাপানের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নাকাসোনে ইয়াসুতাকা বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানাবেন। প্রধানমন্ত্রী টোকিওর ইম্পেরিয়াল হোটেলে অবস্থান করবেন।