খুঁজুন
, ,

কক্সবাজার কেন্দ্রীয় ঈদগাহে সকাল ৮টা ও ৯টায় ‘দুই ঈদ জামাত’

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ৪:৫০ পূর্বাহ্ণ
কক্সবাজার কেন্দ্রীয় ঈদগাহে সকাল ৮টা ও ৯টায় ‘দুই ঈদ জামাত’
শেয়ার করুন

চন্দ্র উদয় সাপেক্ষে আগামীকাল শুক্রবার (২০ মার্চ) অথবা পরশু শনিবার (২১ মার্চ) ইসলাম ধর্মালম্বীদের সর্ববৃহৎ উৎসব ঈদুল ফিতর পালিত হবে। কক্সবাজার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে গত ৩ বছরের ন্যায় এবারো ঈদুল ফিতরের জামাত হবে পর পর ২টি। প্রথম জামাত সকাল ৮টায়। প্রথম জামাতে ইমামতি করবেন কক্সবাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ (বর্তমানে জেলা মডেল মসজিদ) এর দীর্ঘ ৩৫ বছরের খতিব আল্লামা মাহমুদুল হক। দ্বিতীয় জামাত হবে সকাল ৯টায়। দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করবেন কক্সবাজার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দান জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মুফতি সোলাইমান কাসেমী।

জেলা প্রশাসক মো: আ: মান্নানের সভাপতিত্বে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ইমরান হোসাইন সজীবের সঞ্চালনায় গত ১৬ মার্চ অনুষ্ঠিত ঈদুল ফিতর উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত এক প্রস্তুতি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় কক্সবাজার পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আদনান চৌধুরী জানান, কৃচ্ছতাসাধন করে আর্থিক ব্যয় কমাতে কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দান প্যান্ডল ছাড়া খোলামাঠে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করার জন্য প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সভায় উপস্থিত সকলে অন্যান্য বছরের মতো প্যান্ডেল নির্মাণ করে মুসল্লীদের সাবলীল, মনোরম ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশে নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করার স্বার্থে সভায় পুরো ঈদগাহ ময়দান সামিয়না দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। তবে সামিয়ানার উপরে ত্রিপল দেওয়া হবেনা। ফলে বৃষ্টি হলে মুসল্লীদের সাময়িক দুর্ভোগ পোহাতে হবে।

কক্সবাজার পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা ছৈয়দুল হক আজাদ জানান, ঈদুল ফিতর উদযাপন বিষয়ক প্রস্তুতি সভায় সামিয়ানা দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হওয়ার পর পরই বিভিন্ন ক্যাটাগীরর প্রায় ১০০ শ্রমিক ২শিফটে রাত দিন ঈদগাহ ময়দানে সামিয়ানা টাঙানো সহ অন্যান্য কাজ করছেন। তিনি আরো জানান, পৌরসভার কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট কর্মচারীরা ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করছেন। ইতিমধ্যে শতকরা ৭০ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। অবশিষ্ট কাজ আগামী ১৯ মার্চ রাতের মধ্যেই যত দ্রুত সম্ভব শেষ করা হবে। পুরো ঈদগাহ ময়দান, প্যান্ডেল ও আশেপাশের এলাকা ও সড়কগুলোকে মনোরম সাজে সজ্জিত করা হচ্ছে। কক্সবাজার পৌরসভার প্রশাসক ও ডিডিএলজি (উপসচিব) মো: শামীম আল ইমরান, প্রকৌশলী সহ অন্যান্য দায়িত্বশীলেরা ঈদগাহ ময়দানের কাজ পরিদর্শন করেছন। ছৈয়দুল হক আজাদ আরো জানান, ঈদের দিন উৎসবমূখর পরিবেশে কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে সম্মানিত মুসল্লীদের বরনে কক্সবাজার পৌরসভা থেকে সম্ভব সব ধরনের কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে প্যান্ডেল নির্মাণ ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক কাজের দায়িত্ব প্রাপ্ত এস.এম ডেকোরেশন এন্ড ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট এর সত্বাধিকারী কমল দাশ সাধন জানান ১৬ ফুট উচ্চতাসম্পন্ন বিশাল প্যান্ডেলের আয়তন প্রায় ৬০ হাজার বর্গফুট। ২৯ রমজান বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চাঁদ উদিত হতে পারে, এ টার্গেট নিয়েই তারা ময়দানের সমস্ত কাজ শেষ করবেন। তিনি আরো জানান, তাঁর প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও সম্মানিত মুসল্লীদের আরো বেশী সেবাদানের কথা মাথায় রেখে অন্যান্য বছরের চেয়ে এবছর মুসল্লীরা ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায়ে যাতে অধিকতর বেশী আনন্দ উপভোগ ও স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, সেজন্য ময়দানে বাড়তি কিছু নান্দনিক আয়োজন করা হচ্ছে। এসব আয়োজন মুসল্লীদের উৎসবের আমেজ বৃদ্ধি ও বিনোদনে ভূমিকা রাখবে বলে কমল দাশ সাধন জানিয়েছেন।

পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা ছৈয়দুল হক আজাদ জানান, ৫টি গেইট দিয়ে মুসল্লীরা ঈদগাহ ময়দানে প্রবেশ করতে পারবেন। ২ শত মুসল্লী যাতে একসাথে অজু করতে পারে, সে ব্যবস্থা করা হয়েছে। ময়দানে মুসল্লীদের জন্য পর্যাপ্ত সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ৫টি গেইট দিয়ে মুসল্লীরা ময়দানে প্রবেশের সময় প্রত্যেককে আতর, ৫০০ মি:লি: মিনারেল ওয়াটার, খেজুর এবং টিস্যু উপহার দেওয়া হবে। ময়দানে মনিটরিং সেল সার্বক্ষনিক কাজ করবে। তিনি আরো জানান, শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও সড়ক গুলোতে ১৫ টি ব্যানার সহ তোরণ নির্মাণ করা হচ্ছে।

জেলা পুলিশ সুত্র জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদুল ফিতরের জামাতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সার্বক্ষনিক নজরদারিতে থাকবে। স্টেডিয়াম, স্টেডিয়ামের দক্ষিণ পাশের রোড, হাসপাতাল সড়ক ও জেলা পরিষদ মোড়ে আর্চওয়ে অর্থাৎ নিরাপত্তা গেইট বাসানো হবে। এছাড়া, কক্সবাজার জেলা পুলিশের উদ্যোগে ২স্থরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কোন মুসল্লী অসুস্থ হয়ে পড়লে যাতে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সেবা দেওয়া যায়, সেজন্য মেডিকেল টিম প্রস্তুত থাকবে।

এস.এম ডেকোরেশন এন্ড ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট এর সত্বাধিকারী কমল দাশ সাধন জানান, অত্যাধিক তাপমাত্রার কথা চিন্তা করে প্যান্ডেলে ১৫০ টির বেশি সিলিং ফ্যান, ১০টি স্ট্যান্ড ফ্যান ও ১০টি এয়ারকুলার লাগানো হবে। কক্সবাজার বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ সুত্রে জানা গেছে, ঈদগাহ ময়দানে ঈদের দিন সার্বক্ষনিক নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যে কোন ধরনের অগ্নিকান্ড সামলানোর জন্য ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ময়দানের পাশে স্টেনবাই রাখা হবে।এদিকে, ঈদুল ফিতর উদযাপন বিষয়ক প্রস্তুতি সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ইমরান হোসাইন সজীবকে আহবায়ক করে ঈদুল ফিতরের জামাত সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে একটি ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, কক্সবাজার পৌরসভার প্রশাসক বা তাঁর প্রতিনিধি, জেলা পুলিশের সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের জেএম শাখার সহকারী কমিশনার, ইসলামী ফাউন্ডেশনের উপ পরিচালক, জেলা তথ্য অফিসার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলতাফ হোসেন, সাংবাদিক মাহবুবুর রহমান, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক বা তাঁর প্রতিনিধি, কক্সবাজার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দান জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক, জেলা ইমাম সমিতির সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক, কক্সবাজার পৌর বিএনপির আহবায়ক আলহাজ্ব রফিকুল হুদা চৌধুরী, কক্সবাজার পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র রফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী, কক্সবাজার শহর জামায়াতে ইসলামীর সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ মুহাম্মদ শাকিল। ব্যবস্থাপনা কমিটি কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিতব্য ঈদুল ফিতরের জামাতের সার্বিক প্রস্তুতি মনিটরিং করছেন বলে জানিয়েছেন।

এদিকে, কক্সবাজার পৌরসভার প্রশাসক ও ডিডিএলজি মো: শামীম আল ইমরান (উপসচিব) কক্সবাজার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদুল ফিতরের নামাজ সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে সম্মানিত মুসল্লী, পৌরবাসীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছেন।

মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় রুমি, ছেড়েছেন গাজীপুর

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় রুমি, ছেড়েছেন গাজীপুর
শেয়ার করুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে এক মাদ্রাসায় নিজের কন্যাশিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগের পর ‘ভবিষ্যতের চিন্তায়’ এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছেন শাহজালাল রুমি। পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মুঠোফোন নম্বর থেকে হত্যার হুমকি পাওয়ার অভিযোগে তিনি বাসা ছেড়েছেন বলে জানিয়েছেন ভবনটির কেয়ারটেকার। তবে স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ তিনি বর্তমানে কোথায় অবস্থান করছেন, তা জানা যায়নি।

ভবনটির কেয়ারটেকার জানান, টঙ্গীর মাদ্রাসায় ওই ঘটনার পর থেকেই রুমি হুমকি পাওয়ার অভিযোগ করছিলেন। একই সঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়ার আশঙ্কায়ও ছিলেন তিনি। স্ত্রী, দুই সন্তান এবং শ্বশুর-শাশুড়ির নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বাসা ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন রুমি।

রোববার (২৫ অক্টোবর) টঙ্গীতে রুমির বাসায় গিয়ে দরজায় তালা দেখা যায়। কেয়ারটেকার হাবিবুর রহমানের ভাষ্য অনুযায়ী, গত দুই থেকে তিন দিন ধরে ভয়ের কারণে রুমির পরিবারের সদস্যরা বাসায় থাকছেন না।

 

হাবিবুর রহমান আরও জানান, যে মেয়েটির সঙ্গে এসব ঘটেছে, সেও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। রুমি এখন মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় আছেন বলে আমাদের জানিয়ে গেছেন।

রুমি পেশায় একজন ফেব্রিক ব্যবসায়ী। পাশাপাশি বডি বিল্ডিংয়ের সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততা রয়েছে। ঢাকায় ব্যবসার সুবাদে তিনি তার বাবার ফ্ল্যাটে স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে বসবাস করতেন। তার এক মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। মেয়ের বয়স আট বছর এবং ছেলের বয়স চার বছর। রুমির শ্বশুরের নাম হাজি মোহাম্মদ মোকাররম আলী।

 

মাদ্রাসার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংবাদ সম্মেলন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে রুমি এবং তার পরিবারের মধ্যে উদ্বেগ বাড়তে থাকে। রুমি ফেসবুক লাইভে একাধিকবার তার ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন। বিভিন্ন ব্যক্তি তাকে হুমকি দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।

 

পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের পাশাপাশি দুই শিশুর ভবিষ্যৎ নিয়েও শঙ্কা তৈরি হয়েছে। সন্তানদের ভালোভাবে পড়াশোনা করিয়ে মানুষ করার স্বপ্ন নিয়ে মেয়েকে মাদ্রাসায় ভর্তি করিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন রুমি। কিন্তু সেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ঘিরে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে, তা কখনো কল্পনাও করেননি বলে তার বক্তব্যে উঠে এসেছে।

 

ঘটনাটি সামনে আসার পর থেকে রুমি ও তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে অভিযোগের পক্ষে-বিপক্ষে বিভিন্ন বক্তব্য ছড়িয়ে পড়ছে। এর মধ্যে হুমকি ও নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।

 

পাল্টাপাল্টি মামলা, তদন্তে পুলিশ

 

মাদ্রাসার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে দুটি পৃথক মামলা হয়েছে। একটি মামলা করেছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এবং অন্যটি করেছেন শিশুটির বাবা রুমি। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও বক্তব্য সামনে এসেছে। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের মামলায় অর্থ আত্মসাৎ, ভাঙচুরসহ বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। অন্যদিকে, রুমি তার মেয়ের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিচার চেয়ে আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন।

 

টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফ হোসেন বলেন, ‘দুটি মামলাই আমরা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও তদন্ত করছি। তদন্ত সাপেক্ষে পুরো বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।’

 

তদন্তের স্বার্থে মামলার বিস্তারিত বিষয়ে আপাতত কিছু জানাতে চাননি সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা।

 

মাদ্রাসা ও রুমির বাসায় গণমাধ্যমকর্মীদের ভিড়

 

ঘটনাটি দেশজুড়ে আলোচনায় আসার পর থেকে সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা এবং রুমির বাসায় গণমাধ্যমকর্মীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ঘটনার প্রকৃত তথ্য, দুই পক্ষের বক্তব্য এবং তদন্তের অগ্রগতি জানতে সাংবাদিকেরা সেখানে যাচ্ছেন।

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন মুনজারিন টাইলসের স্বত্বাধিকারী শহিদুল মোস্তফা

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ণ
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন মুনজারিন টাইলসের স্বত্বাধিকারী শহিদুল মোস্তফা
শেয়ার করুন

অনলাইন সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাম নিউজে টার্মিনালকেন্দ্রিক ইয়াবা সিন্ডিকেট নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের একাংশের প্রতিবাদ জানিয়েছেন মুনজারিন টাইলসের স্বত্বাধিকারী শহিদুল মোস্তফা।

 

এক প্রতিবাদলিপিতে শহিদুল মোস্তফা বলেন, প্রকাশিত প্রতিবেদনে তাঁর ছবি ব্যবহার করে ইয়াবা সিন্ডিকেটের সঙ্গে তাঁকে সম্পৃক্ত হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। বিষয়টি তাঁর নজরে আসার পর তিনি বিস্ময় ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর দাবি, প্রতিবেদনে উত্থাপিত অভিযোগের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

 

শহিদুল মোস্তফা জানান, তিনি মুনজারিন টাইলসের স্বত্বাধিকারী। পাশাপাশি তিনি পশ্চিম লারপাড়া সমাজ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক, মসজিদ পরিচালনা কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জেলা কমিউনিটি পুলিশের সদস্য এবং লারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি হিসেবে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন।

 

প্রতিবাদলিপিতে তিনি বলেন, এ ধরনের গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে কারও নাম বা ছবি ব্যবহারের আগে তথ্য ও পরিচয় যথাযথভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সামাজিক মর্যাদা, ব্যক্তিগত সুনাম ও পেশাগত অবস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

 

শহিদুল মোস্তফা টেলিগ্রাম নিউজ কর্তৃপক্ষকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য ও ছবি পুনরায় যাচাই করার অনুরোধ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে প্রকৃত ঘটনা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছ থেকে তথ্য যাচাইয়ের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

 

প্রতিবাদকারী:

শহিদুল মোস্তফা

স্বত্বাধিকারী, মুনজারিন টাইলস।

রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৪৪ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক
শেয়ার করুন

চারদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে জাপান সফর যাচ্ছেন আমজনতা দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান। আজ রবিবার (২৫ অক্টোবর) রাতে প্রধানমন্ত্রীর জাপান যাওয়ার কথা রয়েছে।

 

সন্ধ্যায় ফেসবুকের এক পোস্টে তারেক রহমান লেখেন, ‘আজ জাপান যাচ্ছি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে। ভালোবাসা সবাইকে।’ ওই পোস্টে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে করমর্দনরত অবস্থার হাস্যোজ্জ্বল একটি ছবি জুড়ে দিয়েছেন তারেক রহমান।

 

প্রধানমন্ত্রী ২৬ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত জাপানে অবস্থান করবেন। সফরকালে দুদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, মেট্রোরেলসহ চলমান অবকাঠামো প্রকল্পের ব্যয় ও ঋণের সুদের হার কমানোর বিষয়ে আলোচনা, জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

 

সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি আগামীকাল সোমবার (২৬ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।জাপানের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নাকাসোনে ইয়াসুতাকা বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানাবেন। প্রধানমন্ত্রী টোকিওর ইম্পেরিয়াল হোটেলে অবস্থান করবেন।