খুঁজুন
বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ২৩ বৈশাখ, ১৪৩৩

যে গেম খেলে অনেকেই পেয়েছেন জীবনসঙ্গী!

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ৪:১২ পূর্বাহ্ণ
যে গেম খেলে অনেকেই পেয়েছেন জীবনসঙ্গী!
শেয়ার করুন

বন্ধুদের ফোন করা, পিজা অর্ডার দিয়ে পিসিতে রুনস্কেপ খুলে বসা—দৃশ্যটি নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকের মনে হলেও, ২০২৫ সালে এসে এটিই হয়ে দাঁড়িয়েছে গেমিং দুনিয়ার সবচেয়ে বড় বিস্ময়। যে গেমটিকে অনেকেই কেবল স্মৃতির অংশ হিসেবে ধরে নিয়েছিলেন, সেই ‘রুনস্কেপ’ এখন সমসাময়িক সব আধুনিক গেমকে টেক্কা দিয়ে জনপ্রিয়তার শীর্ষে। ২০০১ সালে যাত্রা শুরু করা এই অনলাইন মাল্টিপ্লেয়ার গেমটি বর্তমানে নিজের ২৫ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল সময় পার করছে।

 

গেমটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান জ্যাজেক্সের তথ্যমতে, ২০২৫ সালের শুরু থেকেই এর পেইড মেম্বার সংখ্যা ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১০ লাখ ছাড়িয়েছে। এর বাইরে আরও কয়েক মিলিয়ন মানুষ বিনামূল্যে গেমটি উপভোগ করছেন। সম্প্রতি এক ঐতিহাসিক মুহূর্তে একসঙ্গে ২ লাখ ৪০ হাজার খেলোয়াড় গেমে লগইন করে নতুন রেকর্ড গড়েছেন, যা জনপ্রিয় গেমিং প্ল্যাটফর্ম স্টিমের শীর্ষ গেমগুলোর কাতারে রুনস্কেপকে বসিয়ে দিয়েছে।

 

তবে মজার বিষয় হলো রুনস্কেপ কেবল একটি গেম নয়, অনেকের জন্য এটি জীবনসঙ্গী খুঁজে পাওয়ার এক অনন্য মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে। জনপ্রিয় ইউটিউবার ‘দ্য আর এস গাই’ রায়ান জানান, তিনি তার স্ত্রীকে এই গেমের মাধ্যমেই খুঁজে পেয়েছেন। গেমের ভেতরে মিশন সম্পন্ন করতে গিয়ে গড়ে ওঠা বন্ধুত্ব অনেক সময় গড়ায় পরিণয়ে। কমিউনিটির এই গভীর বন্ধন আর খেলোয়াড়দের কথা শোনার মানসিকতাই রুনস্কেপকে দুই দশক ধরে টিকিয়ে রেখেছে।

 

বর্তমানে রুনস্কেপ মূলত দুটি সংস্করণে জনপ্রিয়। একটি আধুনিক গ্রাফিক্স সমৃদ্ধ ‘রুনস্কেপ’ এবং অন্যটি ২০০৭ সালের আদলে তৈরি ‘ওল্ড স্কুল রুনস্কেপ’। পুরোনো আমেজ ধরে রাখা ওল্ড স্কুল সংস্করণটিই এখন বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল এমএমও গেম। গেম ডিজাইনার মলি মেসনের মতে, এর সাফল্যের মূলে রয়েছে ‘রুনস্কেপিনেস’—যেখানে ব্রিটিশ রসিকতা আর মন্টি পাইথন ধাঁচের হাস্যরস খেলোয়াড়দের বারবার টেনে আনে।

 

এদিকে আধুনিক গেমিং কোম্পানিগুলো যখন অর্থ উপার্জনের জন্য ইন-গেম কেনাকাটার ওপর জোর দিচ্ছে, জ্যাজেক্স তখন হাঁটছে উল্টো পথে। খেলোয়াড়দের সরাসরি ভোটের মাধ্যমে গেম থেকে অতিরিক্ত অর্থ লেনদেন ব্যবস্থা তুলে নেওয়া হয়েছে। জ্যাজেক্সের সিইও জন বেলামি বলেন, আর্থিক ঝুঁকি থাকলেও আগামী ১০-১৫ বছরের ভবিষ্যতের কথা ভেবে আমরা খেলোয়াড়দের ইচ্ছাকেই প্রাধান্য দিয়েছি। এই বিরল সিদ্ধান্ত গেমটির প্রতি মানুষের আস্থা কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

 

বর্তমানে রুনস্কেপ মূলত দুটি সংস্করণে জনপ্রিয়। একটি আধুনিক গ্রাফিক্স সমৃদ্ধ ‘রুনস্কেপ’ এবং অন্যটি ২০০৭ সালের আদলে তৈরি ‘ওল্ড স্কুল রুনস্কেপ’। পুরোনো আমেজ ধরে রাখা ওল্ড স্কুল সংস্করণটিই এখন বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল এমএমও গেম। গেম ডিজাইনার মলি মেসনের মতে, এর সাফল্যের মূলে রয়েছে ‘রুনস্কেপিনেস’—যেখানে ব্রিটিশ রসিকতা আর মন্টি পাইথন ধাঁচের হাস্যরস খেলোয়াড়দের বারবার টেনে আনে।

 

এদিকে আধুনিক গেমিং কোম্পানিগুলো যখন অর্থ উপার্জনের জন্য ইন-গেম কেনাকাটার ওপর জোর দিচ্ছে, জ্যাজেক্স তখন হাঁটছে উল্টো পথে। খেলোয়াড়দের সরাসরি ভোটের মাধ্যমে গেম থেকে অতিরিক্ত অর্থ লেনদেন ব্যবস্থা তুলে নেওয়া হয়েছে। জ্যাজেক্সের সিইও জন বেলামি বলেন, আর্থিক ঝুঁকি থাকলেও আগামী ১০-১৫ বছরের ভবিষ্যতের কথা ভেবে আমরা খেলোয়াড়দের ইচ্ছাকেই প্রাধান্য দিয়েছি। এই বিরল সিদ্ধান্ত গেমটির প্রতি মানুষের আস্থা কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

 

পঁচিশ বছর আগে তৈরি সেই ভার্চুয়াল চরিত্রগুলো আজও খেলোয়াড়দের জন্য একই প্রতীক্ষায় থাকে। নস্টালজিয়া আর সঠিক কমিউনিটি ম্যানেজমেন্ট থাকলে একটি গেম যে কখনও পুরোনো হয় না, রুনস্কেপ আজ তারই জীবন্ত প্রমাণ।

 

উখিয়ার প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ফরিদ আহম্মদ চৌধুরীর ৭ তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৪:২৭ অপরাহ্ণ
উখিয়ার প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ফরিদ আহম্মদ চৌধুরীর ৭ তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ
শেয়ার করুন

উখিয়ার প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ফরিদ আহম্মদ চৌধুরীর ৭ তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ।

তিনি ২০১৯ সালের ৩ মে বিদেশে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুর ৩ দিন পর ৬ মে তাকে চৌধুরী পাড়ার পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। মাত্র ৬৩ বছর বয়সে মরণব্যাধী ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

 

ফরিদ আহম্মদ চৌধুরী উখিয়ার রুমখা চৌধুরী পাড়া গ্রামের ঐতিহ্যবাহী চৌধুরী পরিবারে জম্মগ্রহণ করেন। ব্যক্তিজীবনে তিনি সৎ, বিনয়ী, বন্ধুবৎসল ও অমায়িক লোক হিসাবে সবার কাছে সমান জনপ্রিয় ছিলেন। স্বনামখ্যাত চিত্রশিল্পী ফরিদ আহম্মদ চৌধুরী একজন মেধাবী সংগঠক ছিলেন।

 

তিনি উখিয়া কোটবাজার অভিলাষ খেলাঘর আসর ও উখিয়া আর্টক্লাবের প্রতিষ্ঠা সভাপতি ছিলেন। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন। মৃত্যুকালে ফরিদ আহম্মদ চৌধুরী স্ত্রী, ৭ পুত্র ও দুই কন্যা সন্তান রেখে যান।

 

পরিবারের পক্ষে মরহুমের মেঝসন্তান সাংবাদিক রাসেল চৌধুরী মরহুম পিতার জন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা করেছেন।

মন যা চায় আজ তাই খাওয়ার দিন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ণ
মন যা চায় আজ তাই খাওয়ার দিন
শেয়ার করুন

ডায়েটের কড়া নিয়মে হাঁপিয়ে উঠেছেন? তবে আজ একটু ছুটি নিতেই পারেন। কারণ আজ ৬ মে, ডায়েট না মেনে মন যা চায় আজ তাই খাওয়ার দিন। বছরে একদিন এই দিনটি মানুষকে মনে করিয়ে দেয়, শরীরকে ভালোবাসাও জরুরি, শুধু নিয়ন্ত্রণ নয়।

 

বর্তমান সময়ে ফিট থাকার নামে অনেকেই কঠোর খাদ্যনিয়ম মেনে চলেন। কিন্তু অতিরিক্ত কড়াকড়ি অনেক সময় শরীর ও মনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই এই দিনটি উৎসাহ দেয় নিজের পছন্দের খাবার উপভোগ করতে এবং শরীর নিয়ে ইতিবাচক ভাবতে।

 

১৯৯২ সালে এই দিনের সূচনা করেন মেরি ইভান্স ইয়াং। তিনি নিজেই খাদ্যজনিত এক গুরুতর সমস্যায় ভুগেছিলেন। সুস্থ হয়ে ওঠার পর তিনি বুঝতে পারেন, শরীর নিয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা মানুষকে অসুস্থ করে তোলে। সেখান থেকেই শুরু হয় এই বিশেষ দিনের যাত্রা।

 

এই দিনটি শুধু ইচ্ছামতো খাওয়ার জন্য নয়, বরং একটি জরুরি বার্তা দেয়—শরীরকে ছোট করে দেখা নয়, ভালোবাসা শিখতে হবে। অনেকেই নিজের ওজন বা গড়ন নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভোগেন। যা মানসিক চাপ তৈরি করে।

 

বিশেষজ্ঞরা বলেন, সুস্থ থাকতে সুষম খাবার যেমন জরুরি, তেমনি দরকার আনন্দ নিয়ে খাওয়া। তাই বছরের এই একটি দিন মনে করিয়ে দেয়, খাবারের সঙ্গে সম্পর্কটা যেন ভয় নয়, আনন্দের হয়।

 

আজ তাই একটু ভিন্ন হোক রুটিন। প্রিয় খাবার খান, নিজেকে ভালোবাসুন, আর ভুলে যান অতিরিক্ত নিয়মের চাপ।

 

 

ব্যথা ছাড়াই হানা দিতে পারে স্ট্রোক, জীবন বাঁচাতে চিনুন এই ৫টি ‘নীরব’ লক্ষণ

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৮:৪৬ পূর্বাহ্ণ
ব্যথা ছাড়াই হানা দিতে পারে স্ট্রোক, জীবন বাঁচাতে চিনুন এই ৫টি ‘নীরব’ লক্ষণ
শেয়ার করুন
স্ট্রোক মানেই কি মাথায় প্রচণ্ড যন্ত্রণা বা অসহ্য ব্যথা? আমাদের এই প্রচলিত ধারণাটি জীবনঘাতী হতে পারে। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেক ক্ষেত্রেই স্ট্রোক কোনো ধরনের ব্যথা ছাড়াই ঘটে। আর ব্যথার অনুপস্থিতির কারণেই রোগীরা লক্ষণগুলোকে সাধারণ ক্লান্তি বা সামান্য সমস্যা মনে করে এড়িয়ে যান, যার ফলাফল হয় ভয়াবহ।

চিকিৎসকরা সতর্ক করে বলেন, ব্যথা না হওয়াটাই স্ট্রোকের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ফাঁদ। অনেকেই মনে করেন ব্যথা নেই মানে বিপদ নেই, কিন্তু ব্যথাহীন স্ট্রোক দ্রুত পঙ্গুত্ব এমনকি মৃত্যুর কারণ হতে পারে।

ব্যথাহীন স্ট্রোকের ৫টি প্রধান সতর্ক সংকেত:

১. হঠাৎ অবশ বা দুর্বলতা

শরীরের যেকোনো এক পাশ—বিশেষ করে মুখ, হাত বা পা হঠাৎ অবশ হয়ে আসা। হাসতে গেলে যদি মুখের এক পাশ বেঁকে যায় বা হাত উপরে তুলে ধরে রাখতে কষ্ট হয়, তবে বুঝবেন এটি স্ট্রোকের লক্ষণ।

২. কথাবার্তায় অসংলগ্নতা

হঠাৎ কথা জড়িয়ে যাওয়া, স্পষ্ট করে কথা বলতে না পারা কিংবা অন্যের সহজ কথা বুঝতে সমস্যা হওয়া।

৩. দৃষ্টিশক্তির আকস্মিক পরিবর্তন

হঠাৎ চোখে ঝাপসা দেখা, একটি জিনিসকে দুটি দেখা অথবা চোখের সামনে অন্ধকার নেমে আসা।

৪. ভারসাম্য ও সমন্বয়হীনতা

হঠাৎ মাথা ঘোরা, হাঁটতে গিয়ে টাল সামলাতে না পারা বা শরীরের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলা।

আরও পড়ুন

শ্বাসকষ্ট না থাকলেও হতে পারে হাঁপানি, যে ৫ বিপজ্জনক লক্ষণে বুঝবেন

শ্বাসকষ্ট না থাকলেও হতে পারে হাঁপানি, যে ৫ বিপজ্জনক লক্ষণে বুঝবেন

 

৫. অস্বাভাবিক ক্লান্তি

কোনো কারণ ছাড়াই হঠাৎ শরীর ভেঙে আসা বা হাত-পা নাড়াতে প্রচণ্ড কষ্ট হওয়া।

লক্ষণ চেনার জীবনদায়ী সূত্র: B.E. F.A.S.T.

চিকিৎসকরা স্ট্রোক শনাক্ত করতে এই সহজ সূত্রটি মনে রাখার পরামর্শ দেন:

B (Balance): ভারসাম্য বা হাঁটাচলায় সমস্যা।

E (Eyes): দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যাওয়া।

F (Face): মুখের এক পাশ ঝুলে পড়া বা বেঁকে যাওয়া।

A (Arm): এক হাতের দুর্বলতা বা অবশ ভাব।

S (Speech): কথা জড়িয়ে যাওয়া বা অস্পষ্টতা।

T (Time): এই লক্ষণগুলো দেখা মাত্রই সময় নষ্ট না করে অ্যাম্বুলেন্স ডাকা বা হাসপাতালে নেওয়া।

দ্রুত চিকিৎসা কেন অপরিহার্য?

চিকিৎসকরা জানান, কিছু স্ট্রোক (যেমন—বড় রক্তনালী বন্ধ হওয়া বা হেমারেজ) শুরুতে কোনো ব্যথা তৈরি করে না, কিন্তু কয়েক মিনিটের মধ্যে তা জীবন কেড়ে নিতে পারে। দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছাতে পারলে জরুরি ওষুধ বা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মস্তিষ্কের স্থায়ী ক্ষতি রোধ করা সম্ভব।

বিশেষজ্ঞের শেষ বার্তা

স্ট্রোকের ক্ষেত্রে ‘সময়ই মস্তিষ্ক’। ব্যথা হওয়ার জন্য অপেক্ষা করবেন না। শরীর যদি হঠাৎ অস্বাভাবিক আচরণ করে, তবে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। আপনার সচেতনতাই হতে পারে জীবন বাঁচানোর চাবিকাঠি।