খুঁজুন
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৪ বৈশাখ, ১৪৩৩

নিকোলাস মাদুরো ও আধিপত্যবাদী মার্কিন নীতির নগ্ন মুখ

জসিম উদ্দিন
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৪:৩২ অপরাহ্ণ
নিকোলাস মাদুরো ও আধিপত্যবাদী মার্কিন নীতির নগ্ন মুখ
শেয়ার করুন

নিজেকে গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও স্বাধীনতার বিশ্বরক্ষক হিসেবে তুলে ধরতে যুক্তরাষ্ট্রের জুড়ি নেই। বক্তৃতায় নৈতিকতা, ঘোষণায় মানবিকতা—সবই আছে। কিন্তু বাস্তব রাজনীতির ময়দানে এই মুখোশ যতই ঝকঝকে হোক, ভেতরের চেহারা ক্রমেই নগ্ন হয়ে উঠছে। ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ সেই নগ্নতারই সর্বশেষ ও সবচেয়ে ভয়ংকর উদাহরণ।

অন্যায়ভাবে ভেনিজুয়েলায় নজির বিহীন হামলার পর একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের জনগণের দ্বারা নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্র অপহরণ করে নিয়ে গেছে।যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র আলোড়ন তুলেছে। এটি কেবল ভেনিজুয়েলার বিরুদ্ধে আগ্রাসন নয়; এটি গোটা আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার মুখে সপাটে চপেটাঘাত। রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অনাহস্তক্ষেপ এবং আন্তর্জাতিক আইনের মৌলিক নীতিগুলো যদি এভাবে ভেঙে পড়ে, তবে বিশ্বব্যবস্থার ভিত্তিই বা কোথায় দাঁড়ায়?

গণতন্ত্রের ধ্বজাধারী রাষ্ট্র যদি অন্য দেশের নির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে এভাবে তুলে নিতে পারে, তাহলে গণতন্ত্র শব্দটির আর কোনো নৈতিক ভিত্তি অবশিষ্ট থাকে কি? আরও বড় প্রশ্ন হলো—এই কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জাতিসংঘ কোথায়? আন্তর্জাতিক আইন কোথায়? নাকি পরাশক্তির ক্ষেত্রে আইন প্রযোজ্য নয়, আর দুর্বল রাষ্ট্রের জন্যই কেবল নিয়ম?

যদিও এটি নতুন কিছু নয়। লাতিন আমেরিকা দীর্ঘদিন ধরেই মার্কিন আধিপত্যবাদী নীতির পরীক্ষাগার। কখনো সামরিক অভ্যুত্থান, কখনো অর্থনৈতিক অবরোধ, কখনো নির্বাচিত সরকারকে অবৈধ ঘোষণার কৌশল—সবই পুরোনো রেসিপি। নিকোলাস মাদুরো সেই ধারাবাহিকতারই আরেক নাম। ভেনিজুয়েলার অপরাধ একটাই—তারা ওয়াশিংটনের নির্দেশে দেশ চালাতে রাজি নয়।

এই বাস্তবতায় যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আরও কয়েক ধাপ এগিয়ে গেছেন। তার শাসনামলে কূটনৈতিক ভদ্রতার মুখোশ অনেকটাই ঝরে পড়েছে; নগ্ন ক্ষমতার ভাষাই হয়ে উঠেছে রাষ্ট্রনীতির প্রধান হাতিয়ার। জাতিসংঘের প্রস্তাব উপেক্ষা, আন্তর্জাতিক চুক্তিকে তুচ্ছ করা এবং বহুপাক্ষিক ব্যবস্থাকে পাশ কাটিয়ে একতরফা সিদ্ধান্ত—সবকিছু মিলিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন কার্যত প্রমাণ করেছে যে তাদের কাছে আন্তর্জাতিক আইন কোনো বাধ্যবাধকতা নয়, বরং সুবিধামতো ব্যবহারের একটি বিকল্প মাত্র।

মার্কিন নীতির সবচেয়ে বড় ভণ্ডামি লুকিয়ে আছে তাদের দ্বিমুখী মানদণ্ডে। মধ্যপ্রাচ্যে বা অন্যত্র স্বৈরতন্ত্রের সঙ্গে হাত মিলিয়ে চলতে কোনো দ্বিধা নেই, অথচ লাতিন আমেরিকায় জনগণের ভোটে নির্বাচিত একজন প্রেসিডেন্ট হলেই তিনি ‘স্বৈরাচারী’। মানবাধিকার এখানে নীতি নয়, বরং রাজনৈতিক অস্ত্র—যা ব্যবহার হয় কেবল প্রয়োজন অনুযায়ী। এই দ্বিচারিতাই জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ব্যবস্থাকে ক্রমশ অর্থহীন করে তুলছে।

এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অর্থনৈতিক শ্বাসরোধের কৌশল। ভেনিজুয়েলার ওপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে দেশটির অর্থনীতি কার্যত পঙ্গু করে দেওয়া হয়েছে, যার মূল্য দিতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে। খাদ্য, ওষুধ, জ্বালানি—সবকিছুর সংকটে ভুগেছে জনগণ। অথচ আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হলেও এসব নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো বৈশ্বিক প্রতিরোধ দেখা যায় না। নিষেধাজ্ঞা দিয়ে সংকট তৈরি করা, তারপর সেই সংকট দেখিয়ে নৈতিকতার ভাষণ—এটাই আধিপত্যবাদী রাজনীতির চিরচেনা চক্র।

তবে ইতিহাস এক জায়গায় স্থির থাকে না। একক পরাশক্তির দাপট আজ আর আগের মতো অপ্রতিরোধ্য নয়। নতুন শক্তির উত্থান, আঞ্চলিক জোটের সংহতি এবং বৈশ্বিক জনমতের পরিবর্তন ইঙ্গিত দিচ্ছে—বিশ্ব আর জোরের রাজনীতি মেনে নিতে প্রস্তুত নয়। নিকোলাস মাদুরোকে ঘিরে সাম্প্রতিক ঘটনা সেই পরিবর্তনেরই আরেকটি সতর্ক সংকেত, একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার জন্য এক কঠিন পরীক্ষা।

আধিপত্যবাদী মার্কিন নীতির পতন মানে বিশৃঙ্খলা নয়; বরং এটি একটি ন্যায়ভিত্তিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার সম্ভাবনা। এমন এক বিশ্ব, যেখানে শক্তি নয়—আইন কথা বলবে; যেখানে জাতিসংঘ পরাশক্তির হাতিয়ার নয়, বরং সত্যিকার অর্থে বৈশ্বিক ন্যায়ের মঞ্চ হবে; আর যেখানে জনগণের ভোট কোনো পরাশক্তির ইচ্ছার কাছে তুচ্ছ হবে না।

ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়—যে সাম্রাজ্য অন্যের স্বাধীনতা পদদলিত করে, আন্তর্জাতিক আইনকে অবজ্ঞা করে এবং বিশ্বব্যবস্থাকে নিজের ইচ্ছেমতো বাঁকাতে চায়, তার পতন অনিবার্য। ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রকাশ্য ক্ষমতালোভী কূটনীতি এবং নিকোলাস মাদুরোকে ঘিরে বিতর্কিত এই ঘটনা সেই পতনেরই আরেকটি স্পষ্ট ইঙ্গিত। প্রশ্ন শুধু একটাই—বিশ্ব কি এবার সত্যিই ন্যায় ও আইনের পক্ষে দাঁড়াবে, নাকি নীরবতার মধ্য দিয়েই আধিপত্যকে বৈধতা দিয়ে যাবে?
###

লেখক সম্পাদক টেলিগ্রাম নিউজ

জাঁকজমকপূর্ণ আনুষ্ঠানিকতার মধ্যদিয়ে ঈদগাঁও উপজেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের অফিস উদ্বোধন

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩৬ অপরাহ্ণ
জাঁকজমকপূর্ণ আনুষ্ঠানিকতার মধ্যদিয়ে ঈদগাঁও উপজেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের অফিস উদ্বোধন
শেয়ার করুন

ঈদগাঁও বাজার নিউ মার্কেটের ৩য় তলায় ঈদগাঁও উপজেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের নতুন অফিস উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে রাজনৈতিক, সামাজিক, স্বেচ্ছাসেবী ও সংবাদকর্মীসহ অর্ধশতাধিক অতিথির উপস্থিতিতে এ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

 

ঈদগাঁও উপজেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি মিছবাহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি মনছুর আলমের সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন, ঈদগাঁও উপজেলা বিএনপির সেক্রেটারি সেলিম মাহমুদ, সিবিএন বার্তা সম্পাদক ইমাম খাইর, টেলিগ্রাম নিউজ সম্পাদক জসিম উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দু শুক্কুর, ঈদগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী লায়েক ইবনে ফাজেল, উপজেলা শিবির সভাপতি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মোঃ আজমগীর, সাংবাদিক নেতা নুরুল আমিন হেলালী, আমার দেশ প্রতিনিধি আনোয়ার হোসাইন, আইনজীবী মোবারক সাঈদ, মানবিক ব্যক্তিত্ব মনির আহমদ, ছাত্রদল নেতা সোহেল রানা, সাংবাদিক আজিজুর রহমান রাজু, আয়ুব, যুব মানবিক ফাউন্ডেশনের সভাপতি মোহাম্মদ জোবাইরসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

 

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন হাফেজ বজলুর রহমান। পরে অতিথিরা ফিতা কেটে অফিস উদ্বোধন করেন এবং সংগঠনের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময় করেন।

 

বক্তারা বলেন, ঈদগাঁও উপজেলা অনলাইন প্রেসক্লাব বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন, সাংবাদিকদের ঐক্য এবং এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

স্ত্রীকে বাঁচাতে কিডনি দিলেন স্বামী

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:২৯ অপরাহ্ণ
স্ত্রীকে বাঁচাতে কিডনি দিলেন স্বামী
শেয়ার করুন

ভালোবাসা শুধু কথায় নয়, কখনো কখনো জীবনের ঝুঁকি নিয়েও প্রমাণ করা যায়। শরীয়তপুরের জসিম উদ্দিন যেন সেই সত্যকেই নতুন করে সামনে আনলেন। দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনের সঙ্গী মিনারা বেগমের জীবন সংকটে নিজের একটি কিডনি দিয়ে তিনি সৃষ্টি করেছেন মানবিকতা ও ভালোবাসার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এমন মানবিক ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর শরীয়তপুরজুড়ে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। অনেকেই এটিকে ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ ও ত্যাগের বিরল উদাহরণ হিসেবে দেখছেন।

 

পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ২ বছর আগে উচ্চ রক্তচাপসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগতে শুরু করেন ৩২ বছর বয়সী মিনারা বেগম। চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানা যায় তার দুটি কিডনিই বিকল হয়ে গেছে। পাশাপাশি পেটের ভেতরে একটি টিউমারও ধরা পড়ে। পরিবারের ওপর যেন নেমে আসে অন্ধকারের ছায়া। পরবর্তীতে মিনারাকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিছুদিন চিকিৎসার পরে টিউমারের চিকিৎসা সম্পন্ন হয়। কিন্তু টাকার অভাবে কিডনি স্থাপন করাতে পারেননি স্বামী জসিম উদ্দীন। ধীরে ধীরে মিনারা বেগমের অসুস্থতা বাড়লে শুরু হয় কিডনি ডোনার খোঁজার দীর্ঘ চেষ্টা।

 

একপর্যায়ে মিনারা বেগমের মা কিডনি দিতে রাজি হন। কিন্তু নিয়তির নিষ্ঠুরতায় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরে হার্টের রোগ ধরা পড়ে মিনারা বেগমের মায়ের। এমন অবস্থায় দুশ্চিন্তায় ভেঙে পড়েন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি জসিম উদ্দীন (৩৬)। সেই সময় স্ত্রীর পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে যান জসিম। এক মুহূর্ত দেরি না করে নিজের একটি কিডনি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। চিকিৎসকদের প্রয়োজনীয় পরীক্ষা শেষে গত ৫ মার্চ ঢাকার শ্যামলী সিকেডি আ্যন্ড ইউরোলজি হাসপাতালে তার কিডনি মিনারার শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয়। সফল অস্ত্রোপচারের পর ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন মিনারা বেগম। বর্তমানে স্বামী ও ছেলে সন্তান নিয়ে ঢাকার শ্যামলীতে ভাড়া বাসায় থেকে চিকিৎসকদের পরামর্শে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার আশায় দিন গুনছেন তিনি।

ইসরায়েলকে জাতিসংঘ থেকে বহিষ্কারের আহ্বান

টেলিগ্রাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:০০ অপরাহ্ণ
ইসরায়েলকে জাতিসংঘ থেকে বহিষ্কারের আহ্বান
শেয়ার করুন

ইসরায়েলকে জাতিসংঘ থেকে বহিষ্কারের আহ্বান জানিয়েছেন তুরস্কের সংসদের স্পিকার নুমান কুরতুলমুস। ফিলিস্তিনি বন্দিদের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার লক্ষ্যে প্রস্তাবিত নতুন আইনের সমালোচনা করে তিনি এ দাবি জানান। খবর টিআরটি ওয়ার্ল্ডের।

 

বুধবার (১৫ এপ্রিল) ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন-এর ১৫২তম সাধারণ অধিবেশনে ইস্তাম্বুলে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, ১৯৭৪ সালে বর্ণবৈষম্যের কারণে দক্ষিণ আফ্রিকা-কে জাতিসংঘ থেকে স্থগিত করা হয়েছিল—যা আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার কার্যকর ভূমিকার উদাহরণ।

 

তিনি প্রশ্ন তোলেন, একই দেশে ফিলিস্তিনিদের জন্য এক ধরনের আইন এবং ইসরায়েলিদের জন্য আরেক ধরনের আইন প্রযোজ্য হওয়া বর্ণবৈষম্যের শামিল কি না। এ প্রসঙ্গে তিনি জাতিসংঘ-এর ভূমিকাও সমালোচনা করেন। তার মতে, সাম্প্রতিক সংঘাত থামাতে সংস্থাটি ব্যর্থ হয়েছে এবং বিশেষ করে গাজায় সহিংসতা প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেনি।

 

নুমান কুরতুলমুস বলেন, ‘দুঃখজনকভাবে জাতিসংঘ এখন এমন একটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে, যা ক্ষমতাধর রাষ্ট্রগুলোর ইচ্ছা অনুযায়ী পরিচালিত হয়।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশ তাদের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের মুখে রয়েছে এবং সব রাষ্ট্রের সমান সার্বভৌম অধিকার থাকা উচিত।

 

 

অধিবেশনের বাইরে তিনি খালিদ আল মাওয়ালি-র সঙ্গে বৈঠক করেন। এ সময় তিনি ওমান-এর মধ্যস্থতার প্রশংসা করেন এবং পাকিস্তান-এ আলোচনা পুনরায় শুরুর আহ্বান জানান, যাতে যুদ্ধবিরতি স্থায়ী করা যায়।

 

তিনি সতর্ক করে বলেন, ইসরায়েল-এর পদক্ষেপ উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে ইরান-এর উত্তেজনা আরও বাড়াতে পারে।

 

উল্লেখ্য, তুরস্ক চতুর্থবারের মতো এই সাধারণ অধিবেশন আয়োজন করছে, যেখানে প্রায় ১৫৫টি দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন